আগামী পাঁচ বছরে জনগণের কল্যাণে জোর দেবে চীন

মার্চ ৮, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত আগামী পাঁচ বছরে জনগণের জীবনমান নিশ্চিত ও উন্নত করতে বিভিন্ন খাতে কার্যক্রম জোরদার করবে চীন। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নকে এ পরিকল্পনার প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চীনের সর্বোচ্চ আইনসভা জাতীয় গণ কংগ্রেসে উপস্থাপিত সরকারের কর্মপ্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানুষের জীবনমান উন্নয়নে উচ্চমানের ও পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি। এ লক্ষ্যে সামাজিক বীমা প্রিমিয়ামের জন্য ভর্তুকি এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর জন্য বিশেষ ঋণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ চালু রাখা হবে। পাশাপাশি নতুন ও উদীয়মান শিল্পখাতের উন্নয়নে সহায়তা দিয়ে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

শিক্ষা খাতেও আরও সমতা ও মানসম্মত ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে বিনামূল্যে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষানীতির উন্নয়ন, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

কর্ম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। শক্তিশালী স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ওষুধের কেন্দ্রীয় ক্রয়ব্যবস্থা উন্নত করা এবং ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হবে। পাশাপাশি মৌলিক স্বাস্থ্যবীমায় সরকারি ভর্তুকিও বাড়ানো হবে।

সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে। এর আওতায় বেকারত্ব ও কর্মক্ষেত্র-সংক্রান্ত দুর্ঘটনা বীমার আওতা বাড়ানো এবং বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বয়স্কদের সেবাসুবিধা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া মানুষের জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক চাহিদা পূরণেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। জনসাধারণের জন্য লাইব্রেরি, জাদুঘর ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো আরও সহজলভ্য করা হবে। পাশাপাশি ক্রীড়া অর্থনীতি উন্নয়ন এবং বৈচিত্র্যময় জনসম্পৃক্ত ক্রীড়া কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

ঐশী/আজাদ
তথ্য ও ছবি : সিসিটিভি

china