চীনের বিমানবাহী রণতরি ফুচিয়ান প্রাথমিক যুদ্ধ সক্ষমতা অর্জনের পর এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ সক্ষমতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গত এক বছরে বিভিন্ন সমুদ্র এলাকায় পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করে রণতরিটি এই অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন চীনের সামরিক বিশেষজ্ঞ চাং চুনস্যু। চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভিকে সম্প্রতি দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন। তার সাক্ষাৎকারটি প্রচার করা হয়েছে বৃহস্পতিবার।
২০২২ সালের ১৭ জুন ফুচিয়ান উদ্বোধন করা হয়। ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর সানইয়ায় একটি নৌ ঘাঁটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনিং ও পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এটি চীনা নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। এর মাত্র ১৩ দিন পরই রণতরিটির স্ট্রাইক গ্রুপ সমুদ্রে প্রথম লাইভ ফোর্স প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে।
এ বিষয়ে সামরিক বিশেষজ্ঞ চাং বলেন, ফুচিয়ান তাইওয়ান প্রণালি পেরিয়ে দক্ষিণ চীন সাগর, পূর্ব চীন সাগর ও পীত সাগরে পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। বিভিন্ন যুদ্ধবিমান ওঠানামার পাশাপাশি রণতরিটি বহরের অন্যান্য জাহাজের সঙ্গে সমন্বিত অভিযান পরিচালনার সক্ষমতাও বাড়িয়েছে।
বিশ্বের প্রথম প্রচলিত জ্বালানিচালিত বিমানবাহী রণতরি হিসেবে এতে যুক্ত হয়েছে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ক্যাটাপল্ট প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে জে-৩৫ স্টেলথ ফাইটার, জে-১৫টি যুদ্ধবিমান ও কেজে-৬০০ আর্লি ওয়ার্নিং বিমান পরিচালনা করা সম্ভব।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ফুচিয়ান যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনটি বিমানবাহী রণতরির যুগে প্রবেশ করে চীনা নৌবাহিনী। বিশেষজ্ঞের মতে, এর ফলে দূরসমুদ্রে নিয়মিত ও সমন্বিত সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।
সূত্র: সিএমজি