জুন ১৫, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপভোগের নতুন মাধ্যম হিসেবে চীনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সিনেমা হলে খেলা দেখা। বড় পর্দা, উন্নত শব্দব্যবস্থা এবং শত শত ফুটবলপ্রেমীর সম্মিলিত উচ্ছ্বাস বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলছে।
গত বৃহস্পতিবার মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পর্দা ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল এবং অনুষ্ঠিত হবে মোট ১০৪টি ম্যাচ।
চীনের শাংহাইয়ের একটি সিনেমা হলে বিশাল পর্দা, সারাউন্ড সাউন্ড ও আরামদায়ক আসনের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে স্টেডিয়ামের মতো পরিবেশ।
চীনা পুরুষ ফুটবল দলের সাবেক প্রধান কোচ চু কুয়াংহু বলেন, দেশের কোনো সিনেমা হলে প্রথমবারের মতো ম্যাচ দেখলাম। ঘরে বসে দেখার সঙ্গে এর কোনো তুলনাই হয় না। বড় পর্দা এবং অন্য দর্শকদের সঙ্গে একসঙ্গে খেলা দেখার পরিবেশ সত্যিই দারুণ।
রাজধানী বেইজিংয়ের বিভিন্ন সিনেমা হলেও দেখা গেছে ফুটবলপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি। ম্যাচ শুরুর আগে সমর্থকরা নিজেদের প্রিয় দলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন জনপ্রিয়তা বোর্ডে। আর ভেতরে ৪কে রেজ্যুলেশনের বিশাল পর্দা ও ১২০-ফ্রেম প্রযুক্তি দর্শকদের যেন সরাসরি স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকার অনুভূতি দিয়েছে।
এক দর্শক বলেন, সপ্তাহান্তে সবাই মিলে অফলাইনে খেলা দেখার সুযোগটা বিশেষ অভিজ্ঞতা। গোল হওয়ার মুহূর্তে একসঙ্গে উল্লাস করা সত্যিই দারুণ। এটি মানসিক চাপ কমানোরও ভালো উপায়।
চীনের রাষ্ট্রীয় চলচ্চিত্র সংস্থা এবং হুয়াসিয়া চলচ্চিত্র বর্তমানে দেশজুড়ে ১ লাখ ২০০টিরও বেশি সিনেমা হলে বিশ্বকাপ ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচারে প্রযুক্তি ও পরিচালনাগত সহায়তা দিচ্ছে। বেইজিং, শাংহাই ও কুয়াংচৌসহ ১৫০টিরও বেশি শহরে এসব আয়োজন চলছে।
টুর্নামেন্ট চলাকালে এসব সিনেমা হলে ৬০টিরও বেশি ম্যাচ প্রদর্শন করা হবে, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের কাছে বিশ্বকাপের আবহ পৌঁছে দেবে।
১১ জুন শুরু হওয়া ফুটবলের এই বৈশ্বিক আসর চলবে আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত।
সূত্র: সিএমজি