চীনা বিজ্ঞানীরা সমগ্র চাঁদের ১ অণুপাত ৫০ লাখ স্কেলের একটি হালনাগাদ ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র তৈরি সম্পন্ন করেছেন। ভবিষ্যৎ চন্দ্র অভিযান ও গবেষণার জন্য আরও উন্নত বৈজ্ঞানিক সহায়তা নিশ্চিত করতে চীনের চ্যাং’ই চন্দ্র অভিযান কর্মসূচির সর্বশেষ তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
চাইনিজ একাডেমি অব জিওলজিক্যাল সায়েন্সেসের অধীন ভূতত্ত্ব ইনস্টিটিউট, যা এই প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছে, জানিয়েছে যে, মূল মানচিত্রটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২ দশমিক ৮ মিটার এবং উচ্চতা ১ দশমিক ২ মিটার। এতে চাঁদের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের বিস্তারিত ভূতাত্ত্বিক মানচিত্রও সংযুক্ত করা হয়েছে।
হালনাগাদ এই মানচিত্রে ১৩ হাজারের বেশি সংঘর্ষজনিত গর্ত এবং ৮১টি সংঘর্ষ অববাহিকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া ১৪ ধরনের ভূতাত্ত্বিক কাঠামো এবং ১৭ ধরনের শিলার শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।
চ্যাং’ই অভিযানের তথ্যসহ সাম্প্রতিক চন্দ্র অভিযানের ফলাফলের ভিত্তিতে তৈরি এই মানচিত্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন যুক্ত হয়েছে, যা বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতা ও দৃশ্যমান স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি করেছে।
প্রথম উন্নয়নটি হলো চাঁদের ভূতাত্ত্বিক সময়কালের পরিমার্জন। সর্বশেষ গবেষণার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা প্রধান ভূতাত্ত্বিক যুগগুলোর সূচনাকাল পুনর্নির্ধারণ করেছেন।
দ্বিতীয় উন্নয়নটি হলো চন্দ্রপৃষ্ঠের উপাদানের হালনাগাদ তালিকা।
তৃতীয় উন্নয়নটি হলো ১ অণুপাত ৫০ লাখ স্কেলের জন্য বিশেষভাবে প্রণীত নতুন মানচিত্রাঙ্কন মান।
চাইনিজ একাডেমি অব জিওলজিক্যাল সায়েন্সেসের ভূতত্ত্ব ইনস্টিটিউটের পরিচালক ইয়াং চিমিং বলেন, এই হালনাগাদ ভূতাত্ত্বিক মানচিত্র চীনের ভবিষ্যৎ চন্দ্র গবেষণাকেন্দ্র নির্মাণ, চন্দ্রে অবতরণের স্থান নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ গভীর মহাকাশ অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সহায়তা প্রদান করবে।
সূত্র: সিএমজি