ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা
১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। ব্রিকসের ঐতিহাসিক সম্প্রসারণের পর এটি প্রথম শীর্ষ সম্মেলন এবং এতে চতুর্থবারের মতো সভাপতিত্ব করবে ভারত। ভারত সম্মেলনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে—‘স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসইতা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘মানবকেন্দ্রিক’ নীতির ওপর জোর দিয়েছেন, যা চীনের দীর্ঘদিনের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
গত এক শতাব্দীতে দেখা যায়নি এমন সব পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্ব। নয়াদিল্লি শীর্ষ সম্মেলন শুধু ব্রিকস প্রক্রিয়ার ২০তম বার্ষিকীর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক নয়; বরং চীন ও ভারত—বিশ্বের দুই বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশের জন্য ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ ঐক্য ও আত্মশক্তি বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দেওয়ার ঐতিহাসিক দায়িত্বও বহন করছে।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিন্ন অবস্থান
চীন ও ভারত উভয়ই বিশ্বের বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশ এবং ‘বৈশ্বিক দক্ষিণ’-এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এই পরিচয়ই নির্ধারণ করে যে, ব্রিকস কাঠামোর অধীনে দুই দেশের বিস্তৃত স্বার্থের মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মিল।
চলতি বছরের জুনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও কেন্দ্রীয় বৈদেশিক বিষয়ক কমিশনের পরিচালক ওয়াং ই নয়াদিল্লিতে ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি সভায় অংশ নেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
মোদি বলেন, ভারত ও চীন উভয়ই প্রাচীন সভ্যতার দেশ। দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব বজায় রাখা, উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা করা প্রয়োজন।
ওয়াং ই বলেন, ‘বৈশ্বিক দক্ষিণ’-এর দেশগুলোর যৌথ আত্মশক্তি বৃদ্ধিতে চীন ও ভারতের নেতৃত্বদায়ী ভূমিকা পালন করা উচিত। উভয়পক্ষই নিশ্চিত করেছে যে চীন ও ভারত ‘সহযোগিতার অংশীদার, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়’। এই ঐকমত্য ব্রিকস কাঠামোর মধ্যে দুই দেশের সহযোগিতার জন্য একটি দৃঢ় রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছে।
নির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে উভয় পক্ষ বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব ও মত প্রকাশের অধিকার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও জলবায়ু সহনশীলতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিকসের কার্যকর সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
আগামী দুই বছরে ভারত ও চীন পর্যায়ক্রমে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করবে। এই ধারাবাহিক ব্যবস্থা দুই দেশের কৌশলগত সমন্বয় আরও গভীর করার জন্য একটি অনন্য প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ তৈরি করেছে।
আস্থা বৃদ্ধি থেকে যৌথ আধুনিকায়ন
চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নয়ন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কৌশলগত দিকনির্দেশনা ছাড়া সম্ভব নয়। চলতি বছরের মার্চে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত একটি ব্রিকস-সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। এটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির স্পষ্ট ইতিবাচক সংকেত দেয়। এরপর দুই দেশের কূটনৈতিক, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ দ্রুত বেড়েছে।
জুনে নয়াদিল্লির বৈঠকে ওয়াং ই মোদিকে জানান, চীন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, সংবেদনশীল বিষয়গুলো যথাযথভাবে পরিচালনা, পারস্পরিক সহযোগিতা গভীর করা, চীন-ভারত সম্পর্কের ইতিবাচক ধারা বজায় রাখা এবং দুই দেশের নিজ নিজ আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া একসঙ্গে এগিয়ে নিতে ভারতের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
মোদি স্পষ্টভাবে জানান, ভারত আগামী বছর চীনের ব্রিকস সভাপতিত্বকে সমর্থন করে এবং চীনের সঙ্গে ব্রিকসের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আগ্রহী।
‘নিজ নিজ আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া’—এই ধারণাই চীন-ভারত সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। চীন উচ্চমানের উন্নয়ন ও চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আধুনিকায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, আর ভারত ‘উন্নত ভারত’-এর লক্ষ্যে এগোচ্ছে। দুই দেশের অর্থনীতির মধ্যে অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনীতি, উৎপাদন শিল্প এবং জ্বালানি রূপান্তরের মতো ক্ষেত্রে শক্তিশালী পরিপূরকতা রয়েছে।
ব্রিকস প্ল্যাটফর্ম নতুন উন্নয়ন ব্যাংক, ‘ব্রিকস অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব ২০৩০ কৌশল’ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতার মতো বহুপাক্ষিক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক ঐকমত্যকে ক্রমাগত অর্থনৈতিক সুফলে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি করছে।
সহযোগিতা অঞ্চল ও ‘বৈশ্বিক দক্ষিণ’ উপকৃত
ব্রিকসের মধ্যে চীন-ভারত সহযোগিতার প্রভাব দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সীমা ছাড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। আঞ্চলিক পর্যায়ে চীন-ভারত সম্পর্কের স্থিতিশীলতা দক্ষিণ এশিয়া ও সমগ্র এশিয়ার শান্তি ও সমৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সম্প্রতি দুই দেশের বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকে বেইজিংয়ে আট দফা ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়েছে। এর মধ্যে নদীর পানির তথ্য আদান-প্রদান এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা উন্নত করার মতো বিষয় রয়েছে। সামগ্রিকভাবে দুই দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে।
শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল চীন-ভারত সম্পর্ক আঞ্চলিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করেছে। এবারের শীর্ষ সম্মেলনে ১০টি ব্রিকস অংশীদার দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যার মধ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার একাধিক দেশ রয়েছে। চীন ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ব্রিকস সহযোগিতা এখন ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ জন্য আরও বিস্তৃত উন্নয়নের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে।
‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ জন্য চীন ও ভারত এই গোষ্ঠীর বৃহত্তম অর্থনীতি ও অন্যতম প্রতিনিধিত্বশীল কণ্ঠস্বর। ফলে তাদের সমন্বিত অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা বৈঠকের আলোচ্যসূচি সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা থেকে প্রযুক্তি, মহাকাশ, খাদ্য, জ্বালানি, খনিজ ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিন্ন উদ্বেগগুলোও প্রতিফলিত হচ্ছে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চীন ও ভারতের যৌথ প্রচেষ্টায় ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানো, স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন এবং আন্তঃসীমান্ত অর্থপ্রদানের সংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একক মুদ্রার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর নতুন পথ তৈরি করছে।
এই শীর্ষ সম্মেলনের আগে ব্রিকসের বাণিজ্যমন্ত্রীরা জয়পুরে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে শিল্প সহযোগিতা এবং টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অর্থাৎ ‘সংলাপ থেকে বাস্তবায়ন’—ব্রিকস সহযোগিতার নতুন স্বাভাবিক ধারায় পরিণত হচ্ছে।
জনজীবনে ব্রিকসের সুফল
ব্রিকস সহযোগিতা শুধু উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বাস্তব ও দৃশ্যমান উপায়ে সাধারণ মানুষের জীবনেও প্রভাব ফেলছে।
বাণিজ্য আরও সহজ, পছন্দ আরও বৈচিত্র্যময়। ‘ব্রিকস থেকে ক্রয়’সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে দেখা যাচ্ছে, ভারতের হাতে তৈরি ধূপকাঠি, যোগব্যায়ামের ম্যাট ও কাঠের কারুশিল্প চীনা পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।
একইভাবে চীনের মানসম্পন্ন পণ্য ও পরিষেবাও ভারতীয় বাজারে আরও বেশি প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছে। বাণিজ্যিক বাধা কমানো এবং সরবরাহ শৃঙ্খল আরও কার্যকর করার ফলে দুই দেশের জনগণ ভবিষ্যতে আরও বৈচিত্র্যময় ও সাশ্রয়ী পণ্য ও পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।
দ্রুত অর্থপ্রদান, খরচও কম
ব্রিকস সদস্যরা নিজ নিজ দ্রুত অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রার আন্তঃসংযোগ নিয়ে আলোচনা করছে। ভবিষ্যতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা চীনের সঙ্গে বাণিজ্যে সরাসরি রুপিতে লেনদেনের সুযোগ পেতে পারেন। এতে বিনিময় হারজনিত ঝুঁকি ও লেনদেনের খরচ কমতে পারে। বিদেশে কর্মরত ও অধ্যয়নরত ব্যক্তিদের আন্তঃসীমান্ত অর্থ স্থানান্তরও আরও দ্রুত ও সাশ্রয়ী হতে পারে।
সেই সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে, উন্নয়নের সম্ভাবনাও বিস্তৃত হচ্ছে। শিল্প, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে ব্রিকস সহযোগিতা গভীর হওয়ার ফলে নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ভারত ব্রিকস কাঠামোর আওতায় চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে রপ্তানিমুখী অর্থনৈতিক বিশেষ অঞ্চল গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে চীনা বিনিয়োগ আকৃষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পশৃঙ্খলের উন্নয়ন ঘটতে পারে। ব্রিকস ইনকিউবেটর নেটওয়ার্ক ও স্টার্টআপ তহবিলও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আরও বিস্তৃত সুযোগ তৈরি করছে।
প্রযুক্তি ভাগাভাগি, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন
ভারত ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো—যেমন ইউপিআই পেমেন্ট ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায়—নিজস্ব অভিজ্ঞতা অন্যান্য সদস্য দেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারে। একইভাবে চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও স্মার্ট সিটির মতো ক্ষেত্রে অর্জিত প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা ব্রিকস অংশীদারদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে স্মার্ট শহর, আরও দক্ষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে নিরাপদ খাদ্য—ব্রিকস সহযোগিতার সুফল ধীরে ধীরে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পৌঁছে যাচ্ছে।
অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের জন্য এটি ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ ঐকমত্য গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ; চীনের জন্য অংশীদারকে সমর্থন ও সহযোগিতা গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত; আর দুই দেশের জনগণের জন্য সহযোগিতার সুফলকে নথি থেকে বাস্তবে রূপান্তরের আরেকটি মাইলফলক।
চীন ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানরা ইতোমধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও ব্রিকস সহযোগিতার ক্ষেত্রে ‘পারস্পরিক সহযোগিতা ও যৌথ আধুনিকায়ন’-এর ইতিবাচক সুর নির্ধারণ করেছেন। আগামী দুই বছরে দুই দেশের পর্যায়ক্রমিক সভাপতিত্ব ব্রিকস কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় গভীর করা এবং ‘বৈশ্বিক দক্ষিণের’ ঐক্য ও আত্মশক্তি বৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি করেছে।
ব্রিকসের ২০তম বার্ষিকীর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, এই দুই প্রাচীন সভ্যতা ও বিশ্বের বৃহৎ উন্নয়নশীল দেশ ব্রিকস প্ল্যাটফর্মে হাতে হাত মিলিয়ে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও উন্নত জীবন গড়ে তুলতে এবং অঞ্চল ও বিশ্বের শান্তি ও উন্নয়নে আরও ইতিবাচক শক্তি যোগ করতে সক্ষম।
লেখক: সাংবাদিক, সিএমজি বাংলা, বেইজিং