জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার সকালে নগরীর একটি হোটেলে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে হাজারো সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।
জ্বালানি খাতের দুর্নীতি প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বিগত সময়ে এনার্জি সেক্টরে যে ধরনের সাইকোপ্যাথিক দুর্নীতি হয়েছে, তা নজিরবিহীন। বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সংকট সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। মক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং জাতীয় স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই যুক্ত হবে বাংলাদেশ। একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকা এখন অনেক দেশেরই সাধারণ বিষয়।
আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এটি কারো চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। দেশের চাহিদা থাকায় বোয়িং কেনা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও কেনা হবে। এছাড়া মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানির বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলের সিন্ডিকেটের কারণে এই খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। বর্তমান সরকার সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে এবং এখন ধাপে ধাপে শ্রমশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া দরকার, সেখানে যাওয়া হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিবেশি দেশ হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক থাকাই উচিত।