ওয়ালটনের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন সক্ষমতা দেখে অভিভূত সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গত মঙ্গলবার গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত ওয়ালটনের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। কারখানা প্রাঙ্গণে পৌঁছালে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম রেজাউল আলম এবং এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী জানান, ওয়ালটন সম্পর্কে তাঁর আগের ধারণা ছিল মিশ্র। তিনি ভেবেছিলেন প্রতিষ্ঠানটি হয়তো কেবল পণ্য সংযোজন বা অ্যাসেম্বলিংয়ের কাজ করে। তবে সরেজমিনে কারখানা ঘুরে দেখার পর তাঁর সেই ধারণা সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক উৎপাদন কার্যক্রম, পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা এবং সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘুরে দেখেন। তিনি অত্যাধুনিক সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) মেশিনে মাদারবোর্ড বা পিসিবি তৈরির প্রক্রিয়া এবং প্রযুক্তিপণ্যের ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন। এছাড়া ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদনপ্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্রও তিনি উপভোগ করেন।

ওয়ালটনের উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি দেখে মন্ত্রী অভিভূত হয়েছেন। তিনি বলেন, ফ্রিজ ও টেলিভিশনের মতো উচ্চ প্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস পণ্যের পাশাপাশি ওয়ালটন এখন হাই-কনফিগারেশনের ল্যাপটপ ও ট্যাব তৈরি করছে। খুচরা যন্ত্রাংশ থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ফিনিশড পণ্য উৎপাদনে ওয়ালটনের দক্ষতা প্রশংসনীয়। পণ্যের মান ও স্থায়িত্বের পাশাপাশি দামের দিক থেকেও ওয়ালটন সাশ্রয়ী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ জানিয়েছে, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে ওয়ালটন প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করছে। ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস খাতে বাংলাদেশের এই অগ্রগতি এবং রপ্তানি কার্যক্রমের প্রসারে ওয়ালটনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত জরুরি বলে মন্ত্রী মত প্রকাশ করেন।

ওয়ালটনগাজীপুরপ্রযুক্তিপণ্যশিল্পায়নসমাজকল্যাণমন্ত্রী