তাইওয়ানে বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করা চীন-যুক্তরাষ্ট্রের অভিন্ন স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ

সেপ্টেম্বর ৩০: বিশ্বে একটিই চীন এবং তাইওয়ান চীনের অংশ। এক-চীন নীতি মেনে চলা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতি। আন্তর্জাতিক সমাজেও এ ব্যাপারে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে। একই সঙ্গে এটি চীন-মার্কিন সম্পর্কের একটি রাজনৈতিক ভিত্তি। ৩০ সেপ্টেম্বর চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মুখপাত্র চাং হান।

তিনি বলেন, তাইওয়ান ইস্যু চীনের মূল স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দু এবং চীন-মার্কিন সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ইস্যু যথাযথভাবে মোকাবিলা করা হলে দুই দেশের সম্পর্ক সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব। তা না হলে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ এমনকি সংঘাতও তৈরি হতে পারে, যা চীন-মার্কিন সম্পর্ককে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।

চাং হান বলেন, লাই ছিং ত্য’র প্রশাসন একগুঁয়েভাবে ‘তাইওয়ান স্বাধীনতা’ বিচ্ছিন্নতাবাদী অবস্থান ধরে রেখেছে এবং এক-চীন নীতির প্রতিফলনকারী ‘১৯৯২ সালের ঐকমত্য’ স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। পাশাপাশি তারা ধারাবাহিকভাবে ‘স্বাধীনতা’র জন্য উসকানি দিচ্ছে। চীনের দৃষ্টিতে, এসব কর্মকাণ্ড তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

তিনি বলেন, ‘তাইওয়ান স্বাধীনতা’ বিচ্ছিন্নতাবাদের দৃঢ় বিরোধিতা করা এবং তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা চীন ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

চাং হান বলেন, চীন আশা করে, তাইওয়ানের বাসিন্দারা লাই ছিং ত্য’র প্রশাসনের ‘স্বাধীনতা’ চাওয়ার নীতির ক্ষতি ও ঝুঁকি উপলব্ধি করবেন এবং তথাকথিত স্বাধীনতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডের দৃঢ় বিরোধিতা করবেন।

তিনি আরও বলেন, চীন তাইওয়ানের বাসিন্দাদের সঙ্গে একযোগে প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা দৃঢ়ভাবে রক্ষা এবং দেশের পুনঃএকত্রীকরণের কাজ এগিয়ে নিতে চায়।

সূত্র: সিএমজি