দেশীয় ইঞ্জিন ও এআই সমন্বয়ে আরও শক্তিশালী চীনের জে-২০

২০১৬ সালে উন্মোচনের পর থেকে গত এক দশকের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং স্বাধীন গবেষণার মধ্য দিয়ে ক্রমাগত উন্নত হয়েছে চীনের জে-২০ স্টিলথ ফাইটার জেট। আমদানিকৃত ইঞ্জিন নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে ইঞ্জিন তৈরি, এক আসনের পরিবর্তে দুই আসন আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় সব মিলিয়ে চীনের এই যুদ্ধ বিমান হয়ে উঠেছে অপ্রতিরোধ্য হাতিয়ার।

সামরিক পর্যবেক্ষক ওয়াং মিংলিয়াং বলেন, ইঞ্জিন হলো একটি বিমানের হৃৎপিণ্ড। দেশীয় ইঞ্জিনের সাহায্যে জে-২০ এখন আরও শক্তিশালী থ্রাস্ট তৈরি করতে সক্ষম। এটি আরও দ্রুত উড়তে, দীর্ঘ সময় ধরে সুপারসনিক গতিতে চলতে এবং বহুদূর পর্যন্ত উড়তে পারে।

এর সামনের আসনে থাকা পাইলট আকাশযুদ্ধ এবং কৌশলগত চালনার উপর মনোযোগ দেন, আর পেছনের আসনের অপারেটর ড্রোন বা মানববিহীন ফর্মেশন কমান্ড, পরিস্থিতি সমন্বয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগিতা এবং স্থল ও সামুদ্রিক মিশন পরিকল্পনার কাজ পরিচালনা করেন। এই কাঠামো ভবিষ্যতের বুদ্ধিমান, মানববিহীন এবং সিস্টেম-ভিত্তিক আকাশযুদ্ধের পরিস্থিতির জন্য অনেক বেশি উপযুক্ত।

ওয়াং আরও বলেন, এর মানে হলো জে-২০ আর কোনো প্রথাগত এয়ার-সুপিরিয়রিটি ফাইটার নয়। এটি এখন একটি সিস্টেম হাব বা সিস্টেম কন্ট্রোলারের ভূমিকা নিতে পারে। পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, একে একটি নতুন ধরনের বায়ুবাহিত যুদ্ধ ব্যবস্থার কমান্ডার হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে।

সূত্র: সিএমজি