২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন তীব্রতা ১৭ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২০২৬-৩০ মেয়াদী পঞ্চবার্ষিক জাতীয় পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে চীন।

প্রকাশিত এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রতি ইউনিটে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ ১৭ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের কার্বন নিঃসরণ সর্বোচ্চ সীমায় বা ‘কার্বন পিক’-এ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এই সময়কালকে অত্যন্ত সংকটপূর্ণ ও নির্ণায়ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

পরিবেশ ও ইকোলজি মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় উন্নয়ন ও সংস্কার কমিশনসহ মোট ১৯টি সরকারি দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই পরিকল্পনাটি প্রকাশ করা হয়েছে।

পাবলিক অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাফেয়ার্স ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মা চুন জানান, ২০০৫ সালের স্তরের তুলনায় ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপিপ্রতি কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ ৬৫ শতাংশেরও বেশি কমানোর যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি চীন দিয়েছে, এই ১৭ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা তারই সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, চতুর্দশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২১-২৫) এই ধরনের লক্ষ্য অর্জনে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল এবং অর্থনীতির ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির কারণে আগামী দিনে এই কাজ আরও কঠিন হয়ে উঠবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের এই ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা মোকাবিলায় জলবিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, আবহাওয়া ও বৃষ্টির পূর্বাভাস সঠিকভাবে কাজে লাগানো এবং জলাধারের সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উৎপাদন সর্বাধিক করার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: সিএমজি বাংলা