চীনের সভাপতিত্বে ব্রিকসে বাড়বে বহুমুখী সহযোগিতার সুযোগ

২০২৭ সালে ব্রিকস-এর সভাপতিত্ব গ্রহণের বিষয়টি সদস্য দেশগুলোর জন্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের বাইরেও নানাক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ করে দেবে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জোটের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনীতির পাশাপাশি প্রযুক্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

শনিবার ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জানান, আগামী বছর চীন ব্রিকসের সভাপতির দায়িত্ব নেবে এবং ১৯তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করবে।

এ বিষয়ে ব্রাজিলের ফ্লুমিনেন্স ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের সহযোগী অধ্যাপক এভান্দ্রো কারভালহো বলেছেন, চীনের নেতৃত্বে ব্রিকসের সম্প্রসারিত সদস্যপদ আরও সুসংহত যেমন করবে তেমনি রাজনৈতিক সংলাপকে বাস্তব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে রূপ দেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ, আন্তঃসীমান্ত অর্থ লেনদেন আরও কার্যকর করা এবং জাতীয় মুদ্রার দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক একীকরণ বাড়ানো যেতে পারে।

কারভালহো প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে ব্রিকসের আলোচনার কেন্দ্রে রাখার আহ্বান জানান। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসনব্যবস্থা, ডিজিটাল অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জীবপ্রযুক্তি ও উন্নত উৎপাদন খাতে যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত বিনিময়ও রাজনৈতিক আস্থা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নয়াদিল্লিতে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।

সূত্র: সিএমজি