নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বিসিএস সুপারিশপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তার মৃত্যু

নীলফামারীর ডোমারে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত মীর তানভীর আহমেদ (২৯) পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় গিয়ে নিহতের বড় ভাই মীর সফিকুল ইসলাম তার মরদেহ শনাক্ত করেন। তানভীর মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের ডিগ্রির চর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রভাষক মো. বজলুর রশিদের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিলাহাটি থেকে ঢাকাগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কাটা পড়ে তিনি মারা যান। ডোমার উপজেলা শহরের শিমুলতলী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়ভাবে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তীতে পিবিআই ও সিআইডির সহায়তায় আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

নিহতের বড় ভাই মীর সফিকুল ইসলাম জানান, তানভীর ৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় ছিলেন। দেশের সেবায় কাজ করার স্বপ্ন ছিল তার। সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার শফিকুর রহমান জানান, পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেছেন। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কৃষি কর্মকর্তাট্রেন দুর্ঘটনানীলফামারীবিসিএসসৈয়দপুর