ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধের পরিকল্পনা সরকারের

সাম্প্রতিক সরকারি সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম
  • রাষ্ট্রপতি: স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না।
  • পল্লবী: বিহারি ক্যাম্পে জামায়াত ও বিএনপিপন্থিদের মধ্যে সংঘর্ষ।
  • প্রধানমন্ত্রী: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে বিশ্বজুড়ে ঐক্যের আহ্বান।
  • যানজট নিরসন: ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত।
  • কূটনীতি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের অভিনন্দন।
  • সফর: নভেম্বরে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।
  • প্রশাসন: ডিএমপিতে রদবদল, নতুন দায়িত্বে ৮ ডিসি-এডিসি।
  • পরিবহন: ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা।
  • নির্বাচন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
  • রাজনীতি: জুলাই সনদ বিএনপি গুম করে ফেলেছে বলে অভিযোগ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর।

রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের বৈঠকের পর এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

প্রতিমন্ত্রী জানান, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এটি এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যেই নীতিমালাটি জারি করা হবে। এই নীতিমালার মাধ্যমে ইলেকট্রিক রিকশাগুলো একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আসবে।

নতুন নীতিমালায় ই-রিকশার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল বিভাগের প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো রিকশা নিবন্ধন পাবে না। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এই নিবন্ধন প্রদান করবে।

চার্জিং পয়েন্টের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হবে। চার্জিং পয়েন্টগুলোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। এছাড়া যত্রতত্র ই-রিকশা তৈরি রোধে উৎপাদনকারী কারখানাগুলোকেও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে এবং বুয়েটের ডিজাইন অনুযায়ী রিকশা তৈরির বাধ্যবাধকতা থাকবে।

রাজধানীতে যানজট নিরসনে এলাকাভিত্তিক চলাচলের পরিকল্পনা তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে আটটি জোনে ভাগ করা হবে। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য আলাদা রঙ নির্ধারণ করা হবে এবং এক জোনের রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না। এছাড়া রিকশাগুলোতে জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে এবং রুট নির্ধারণে সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে।

তিনি আরও জানান, ঢাকায় নিবন্ধনের জন্য ই-রিকশার যাত্রী ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ চারজন নির্ধারণ করা হয়েছে। ছয় যাত্রী বহনকারী কোনো রিকশা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নিবন্ধনের আওতায় আসবে না। তবে গ্রামীণ এলাকায় দুই, চার ও ছয় যাত্রী বহনকারী রিকশা নিবন্ধন পেতে পারবে। প্রধান সড়কে রিকশা চলাচলের সুযোগ না থাকলেও অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে জোনভিত্তিক এসব যান চলাচল করতে পারবে। প্রধান সড়কে আলাদা রিকশা লেন করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ ও কঠিন বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভেটিং হয়ে আসার পর যত দ্রুত সম্ভব, এক সপ্তাহ বা তার পরের সপ্তাহের মধ্যে আমরা এটি জারি করব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, আইনের আলোকে এই নীতিমালা দিয়ে দিলেই ইলেকট্রিক রিকশাগুলি একটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভাই মূলত এই রেজিস্ট্রেশনগুলো দেবে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ই-রিকশা তৈরি হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব কারখানার কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব সরকারের কাছে নেই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যারা এই শর্ত মানবে, তারাই কেবল নিবন্ধনের আওতায় আসবে।

ঢাকাব্যাটারিচালিত রিকশাযানজটসড়ক পরিবহনস্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়