আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে নতুন ও সংশোধিত ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা গতিশীলতা আইন’ পাস করেছে চীনের শীর্ষ আইনসভা। শুক্রবার জাতীয় গণকংগ্রেসের (এনপিসি) স্থায়ী কমিটির ২৪তম অধিবেশনে এই আইনটি অনুমোদিত হয়, যা আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
মোট ১৪টি অধ্যায় ও ৮২টি অনুচ্ছেদের সমন্বয়ে গঠিত এই নতুন সংশোধিত আইনটি প্রণয়নের মাধ্যমে সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও ক্ষমতা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো—প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার চাহিদার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন এবং জরুরি সংকট মোকাবিলা ব্যবস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সাধন করা।
সংশোধিত এই আইনে সাধারণ নীতি, নেতৃত্বদানকারী সংস্থার ক্ষমতা, প্রতিরক্ষা গতিশীলতা পরিকল্পনা, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য রিজার্ভ ও জনবল সংগ্রহ, সামরিক গবেষণা এবং বেসামরিক সম্পদ অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আধুনিক যুদ্ধের পরিবর্তনশীল ধারার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই সংশোধনীতে অর্থনৈতিক সম্পদ বণ্টন এবং বাহিনীর ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নকে জোরদার করা হয়েছে।
এ ছাড়া উদীয়মান ও গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে প্রতিরক্ষা গতিশীলতা বাড়াতে এবং উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান যুক্ত করা হয়েছে। ২০১০ সালের জুলাই মাসে কার্যকর হওয়া আগের আইনটির পর এটিই প্রথম বড় ধরনের সংশোধন।
সূত্র: সিএমজি