মে ৮, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের সাংহাই ইনস্টিটিউটস ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (এসআইআইএস)-এর প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ছেন তোংসিয়াও-এর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে তার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৃহস্পতিবার এ সাক্ষাতে বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চলমান যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিনিধিদলে চীনের বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও গবেষকরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ইয়ুননান ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক তুয়ান সিংউউ, একাডেমি অফ কনটেম্পরারি চায়না অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ফ্যান তাছি, থোংচি ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এলভি পেইমিং এবং ইস্ট চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক উ চিয়ান।
সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপাচার্যের সভাকক্ষে ‘সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ’-এর অ্যাকাডেমিক বোর্ডের পূর্ণাঙ্গ সভায় অংশ নেন। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সারওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল এবং ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টসের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, তরুণ প্রজন্মের জন্য শিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং উন্নত গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কাজ করতে আমরা অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ উদ্যোগগুলোকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চীনা প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে এবং দুই দেশের অ্যাকাডেমিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।