চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য সংখ্যা কত, জানাল প্রতিবেদন

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ পার্টির সদস্য সংখ্যা ১০ কোটি ১২ লাখ ৮৬ হাজারে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পার্টির সদস্য সংখ্যা ১০ লাখ ১৫ হাজার বেড়েছে।

আগামী ১ জুলাই ঐতিহ্যবাহী সিপিসি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের লক্ষ্যে দেশজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ১০৫ বছরের এই দীর্ঘযাত্রায় সিপিসির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্জিত অভাবনীয় সাফল্য নিয়ে বিশ্বনেতা এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রশংসার সুর শোনা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা একমত পোষণ করেন যে, সিপিসির এই অর্জন কেবল চীনের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথ সুগম করেনি, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

লাও পিপলস রেভল্যুশনারি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রশিক্ষণ কমিটির উপপ্রধান খাম্মোন চানথাচিত মন্তব্য করেছেন, গত ১০৫ বছরে সিপিসি তার ওপর অর্পিত মহান ঐতিহাসিক দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেছে। তিনি বিশেষ করে সিপিসির ১৮তম জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে কমরেড সি চিন পিং-এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্জিত উল্লেখযোগ্য সাফল্যের প্রশংসা করেন।

কাজাখস্তান চায়না রিসার্চার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান কাজবেক মাইগেলদিনভ সিপিসির সুপরিকল্পিত নীতিমালার প্রশংসা করে বলেন, আজকের আধুনিক চীন—যা উচ্চপ্রযুক্তি, দ্রুতগতির রেলপথ এবং বিশাল নবায়নযোগ্য জ্বালানি অবকাঠামোর জন্য পরিচিত—তা সিপিসির ধারাবাহিক ও সুপরিকল্পিত উন্নয়নেরই ফসল।

কেনিয়ার ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স দলের মহাসচিব হাসান ওমরের মতে, বৈশ্বিক নেতৃত্বে চীনের বর্তমান অবস্থানের মূল রহস্য হলো সিপিসির শক্তিশালী সাংগঠনিক সক্ষমতা।

রাশিয়ার বিজ্ঞান একাডেমির চীন ও সমকালীন এশিয়া ইনস্টিটিউটের পরিচালক কিরিল বাবায়েভ সিপিসির কার্যকর শাসনব্যবস্থাকে চীনের প্রযুক্তিতে শীর্ষস্থানীয় অবস্থান এবং আধুনিকায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, সিপিসি সফলভাবে শত শত মিলিয়ন মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দেওয়ার মাধ্যমে এটি প্রমাণ করেছে যে, শক্তিশালী দলীয় নেতৃত্বই একটি দেশকে সমৃদ্ধির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।

সিএমজি