বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়ান এক নিয়মিত সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, সম্প্রতি বিদেশে আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে জাপান। তাতে বোঝা যায়, জাপানের ডানপন্থীরা দেশের ‘পুনঃসামরিকীকরণ প্রক্রিয়া’ দ্রুততর করছে এবং অব্যাহতভাবে ‘আত্মরক্ষার’ ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক আইন ও দেশের আইন লঙ্ঘন করছে। এ ধরনের অভিযান আত্মরক্ষার আওতার বাইরে।
জানা গেছে, বুধবার ফিলিপাইনের সাথে এক সামরিক মহড়ায় জাপানের ৮৮ উপকূল-ভিত্তিক (টাইপ-৮৮) জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিদেশে জাপানের প্রথমবারের মতো কোনো আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা এটি।
এ বিষয়ে চীনা মুখপাত্র লিন চিয়ান বলেছেন, ফিলিপাইনসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে আগ্রাসন ও ঔপনিবেশিক শাসন চালিয়েছিল জাপান এবং তাদের গুরুতর ঐতিহাসিক অপরাধ রয়েছে। টোকিও ট্রায়ালের ৮০তম বার্ষিকীতে প্রাক্তন আগ্রাসনকারীরা তাদের ঐতিহাসিক অপরাধ নিয়ে গভীরভাবে আত্মসমালোচনা করেনি; বরং তথাকথিত “নিরাপত্তা সহযোগিতা”-র আড়ালে বিদেশে সামরিক শক্তি পাঠিয়েছে এবং আক্রমণাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায়, জাপানের ডানপন্থীরা ‘পুনঃসামরিকীকরণ’ বাস্তবায়নে চাপ দিচ্ছে।
জাপানকে সামরিক আগ্রাসনের ইতিহাসের গভীরভাবে আত্মসমালোচনা করে সামরিক ও নিরাপত্তা খাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতি মেনে চলার তাগিদ দেয় চীন।
সিএমজি