রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে মাসাকা হাসপাতালের সংস্কার ও সম্প্রসারণ প্রকল্প শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে চীন। এটি এখন পর্যন্ত রুয়ান্ডায় চীন সরকারের সবচেয়ে বড় অনুদানভিত্তিক প্রকল্প এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই)-এর আওতায় একটি অন্যতম প্রধান জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে হাসপাতালের আয়তন ৬ হাজার ৩৯৮ বর্গমিটার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ হাজার ৯৫৭ বর্গমিটারে। এছাড়া হাসপাতালের বিছানার সংখ্যা ১২৭ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৮৩৭টি উন্নীত করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে হাসপাতালটির প্রতিদিনের বহির্বিভাগ সেবা প্রদানের ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার জনে।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে রুয়ান্ডার স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাবিন এনসানজিমানা বলেন, এই উপলক্ষটি দেশটির স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি বড় মাইলফলক। আমরা আশা করছি এই হাসপাতালটি রুয়ান্ডা ও পুরো আফ্রিকার জন্য উচ্চমানের চিকিৎসা সেবার প্রতীক হয়ে উঠবে। স্বাস্থ্যখাতে এই অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিতে আমরা একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করি।
রুয়ান্ডায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত কাও ওয়েনছি মাসাকা হাসাপাতালকে চীন-রুয়ান্ডা বন্ধুত্বের সাক্ষী ও অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই নতুন হাসপাতালটি কেবল রুয়ান্ডার অন্যতম বৃহৎ ও আধুনিক শিক্ষণ হাসপাতালই হয়ে উঠবে না, বরং এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি আঞ্চলিক চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে।
প্রকল্পটির নির্মাণ কাজে রুয়ান্ডার এক হাজারেরও বেশি শ্রমিক এবং দুই শতাধিক চীনা কর্মী অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, চীন ও রুয়ান্ডার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা সহযোগিতা রয়েছে। ১৯৮২ সাল থেকে চীন এ পর্যন্ত ২৬টি চিকিৎসাদল রুয়ান্ডায় পাঠিয়েছে।
সূত্র: সিএমজি