সিএমজি মিডিয়া ফোরাম: বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতায় চুক্তির সম্ভাবনা

১১ জুন, সিএমজি বাংলা: ‘অটুট আস্থা ও পুনর্নির্মাণ: বুদ্ধিমান যুগে গণমাধ্যমের মিশন’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে চীনের ছোংছিংয়ে বসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের এক মিলনমেলা। চায়না মিডিয়া গ্রুপ-সিএমজি এবং ছোংছিং মিউনিসিপাল পিপলস গভর্নমেন্টের যৌথ আয়োজনে হয়ে গেল পঞ্চম সিএমজি মিডিয়া ফোরাম।

বিশ্বের গণমাধ্যমের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, পারস্পরিক শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতেই এই আয়োজন। ফোরামে বিশেষ গুরুত্ব পায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, তথ্যপ্রযুক্তি এবং স্মার্ট মিডিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা। এতে অংশ নেন বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ।

সিএমজি বাংলা বিভাগের সংবাদকর্মী শুয়েই ফেই ফেই শিখাকে একান্ত সাক্ষাতে বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ বলেন, এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশ ও চীনের গণমাধ্যম সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নেবে। তিনি বলেন, ‘এই ফোরামে অংশগ্রহণের ফলে বাংলাদেশ এবং চীনের গণমাধ্যমের সহযোগিতা আরও বাড়বে। এখান থেকে অনেক কিছু জানার সুযোগ হয়েছে। দেশে ফিরে আমরা সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই। আমরা চাই সিএমজি এবং বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হোক। ইতোমধ্যে সিএমজির পক্ষ থেকে একটি খসড়া প্রস্তাব পেয়েছি, যা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।’

প্রতি বছর উন্নত চিকিৎসার জন্য বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি চীন সফর করেন। সে কারণে ভাষাগত দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সাক্ষাৎকারে ম্যান্ডারিন ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেন জাহীদ।

তিনি জানান, বাংলাদেশ বেতারে ভবিষ্যতে ম্যান্ডারিন ভাষার অনুষ্ঠান চালুর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে, ‘চীনের স্বাস্থ্য খাত থেকে আমাদের কিছু সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ যদি চিকিৎসার জন্য চীনে যান, তাহলে ভাষা জানাটা একটু জরুরি। তাই আমরা ভাবছি বাংলাদেশ বেতারে ম্যান্ডারিন ভাষা চালুর বিষয়টি। বর্তমানে এক্সটারনাল সার্ভিসে বিভিন্ন ভাষায় সম্প্রচার রয়েছে। মান্দারিন যুক্ত হলে মানুষ অন্তত প্রাথমিক ভাষাজ্ঞান অর্জন করতে পারবে, যা চীনে এসে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়ক হবে।’

গণমাধ্যম সহযোগিতা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি, ভাষা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত দ্বিপক্ষীয় নানা সম্ভাবনার দিক উঠে আসে এই সাক্ষাৎকারে।

সিএমজি বাংলা