বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলের সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও প্রেরণা বিএনপিকে সবসময় সঠিক পথে পরিচালিত করে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে পরিচিত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দলটির পক্ষ থেকে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। তিনি এমন এক নেত্রীর কথা স্মরণ করেন, যিনি বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তনের লড়াইয়ে বারবার নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে বিএনপি আজ যে গণতান্ত্রিক অবস্থানে পৌঁছেছে, তাতে খালেদা জিয়ার আপসহীন আদর্শই মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দলকে একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক শক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের দিনে আমাদের শপথ নিতে হবে যেন বিএনপিকে সত্যিকার অর্থেই আধুনিক ও শক্তিশালী দল হিসেবে গড়ে তোলা যায়, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমানে বিএনপি সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে জনগণের প্রত্যাশা হলো, খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং দলের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। একইসঙ্গে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্যও বিশেষ মোনাজাত করেন। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঞ্চালনায় এই দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং ড. আব্দুল মঈন খান বক্তব্য রাখেন।
জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্যসচিব মাওলানা আবুল হোসেইনের পরিচালনায় মোনাজাতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সমাজকল্যাণবিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী আবুল বাশারসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন, ‘আজ যখন বিএনপি সরকার গঠন করেছে, প্রতিটি মানুষের আশা, এই সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে নীতি ছিল, তিনি যে ‘ভিশন ২০৩০’ দিয়েছিলেন, পরবর্তীকালে তাঁরই দলের কর্মসূচি হিসেবে ৩১ দফা, তাকে বাস্তবায়িত করবার জন্য আ
এই দিনে সেই নেত্রী জন্ম নিয়েছিলেন যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশকে বারবার তাঁর নেতৃত্ব ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন।
বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করার সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন।’