চলতি বছরেই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছরেই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।
Browsing tag
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, চলতি বছরেই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।
ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় লোডশেডিং পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
ভবিষ্যতে যাতে দেশের মানুষ জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সেজন্য সরকার সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জ্বালানি সংকটের মধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচিতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল অপচয় ও জনগণের ভোগান্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
কাতার এনার্জি ফোর্স মেজারের মেয়াদ বাড়ানোয় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির এলএনজি পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে চড়া মূল্যের স্পট মার্কেট থেকেই গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে পেট্রোবাংলা।
দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার পাঁচটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদ ও নিয়োগ সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের ৬৬০টি বস্ত্রকল গত জুলাইয়ের শেষভাগ থেকে উৎপাদন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। কিছু এলাকায় পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন সক্ষমতা আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।
জ্বালানি ও আর্থিক সংকট নিরসনে কাতারের জ্বালানি ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। দুই দেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে সম্মত হয়েছে।
রাজধানীতে তীব্র গ্যাস সংকটে জনদুর্ভোগ চরমে। ফিলিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস না পাওয়ায় সিএনজি চালকরা নির্ধারিত জমা তুলতে পারছেন না, ফলে সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়েছে।
দেশে চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের সমাধানে অন্তত দুই বছর সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বাড়ায় আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।