বাতিল হওয়া পাওয়ার ব্যাটারির ক্রমবর্ধমান চাপ সামলাতে এবং পরিবেশবান্ধব রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে ব্যবহৃত নিউ এনার্জি ভেহিকল ব্যাটারি রিসাইক্লিং জোরদার করেছে চীন। ২০২৫ সালে দেশটিতে এনইভি উৎপাদন ও বিক্রি ১ কোটি ৬০ লাখ ইউনিট ছাড়িয়ে যাওয়ায়, চলতি বছরেই প্রায় ৫ লাখ টন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাটারি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিয়ম অনুযায়ী, একবার খুলে নেওয়ার পর ব্যবহৃত এনইভি পাওয়ার ব্যাটারিগুলো অবশ্যই মানসম্মত ও পূর্ণাঙ্গ হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ব্যাপকভিত্তিক ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। কারণ অনুপযুক্ত উপায়ে এগুলোর অপসারণ করা হলে ইলেক্ট্রোলাইট লিকেজ ও ভারী ধাতু দূষণ ঘটে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
পরিবেশ দূষণ রোধে নিয়মানুযায়ী খোলা ব্যাটারিগুলো বিশেষায়িত রিসাইক্লিং কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এসব ব্যাটারি থেকে নিকেল, কোবাল্ট ও ম্যাঙ্গানিজ (৯৯.৬ শতাংশ পর্যন্ত পুনরুদ্ধার) এবং লিথিয়াম (৯০ শতাংশের বেশি) সফলভাবে নিষ্কাশন করে নতুন ব্যাটারির উপাদান তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে গত ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া নতুন অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় প্রতিটি ব্যাটারির জন্য ডিজিটাল আইডি ও ট্রেসেবিলিটি প্ল্যাটফর্ম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যাটারি অনুপস্থিত থাকলে গাড়িটিকে ‘নিখোঁজ’ হিসেবে গণ্য করার বিধানসহ অবৈধ উপায়ে ব্যাটারি ভাঙাইয়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন।
সূত্র: সিএমজি