চলতি বছরে ৩৮টি ‘ক্লাস ১’ ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে চীনv

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে চীন ৩৮টি উদ্ভাবনী ‘ক্লাস ১’ ওষুধ বাজারে ছাড়ার অনুমোদন দিয়েছে চীন। এই ওষুধগুলো এমন উদ্ভাবনী হিসেবে গণ্য, যা এর আগে চীন বা বিশ্বের অন্য কোথাও বাজারজাত করা হয়নি। দেশটির ন্যাশনাল মেডিকেল প্রোডাক্টস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক ল্যান কংথাও সোমবার জানান, “এই বছরের জুন মাস পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৩১৮টি ওষুধ নিবন্ধনের আবেদন অনুমোদন করেছিল, যার মধ্যে ৩৮টি ‘বিশ্বব্যাপী নতুন’ উদ্ভাবনী ওষুধ রয়েছে”।

চীন এ বছর নতুন লক্ষ্যমাত্রা ও কার্যপদ্ধতি সম্পন্ন ওষুধ অনুমোদনের ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নতি করেছে। ল্যান কংথাও জানান, চলতি বছরের প্রথমার্ধেই এই ধরণের ওষুধের অনুমোদন সংখ্যা পুরো ২০২৫ সালের মোট অনুমোদনের সমান হয়ে গেছে। বিশেষ করে অভ্যন্তরীণভাবে উদ্ভাবিত ওষুধের মান ও কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০২৫ সালে নতুন লক্ষ্যমাত্রা ও নতুন মেকানিজম সম্বলিত ১১টি অনুমোদিত ওষুধের মধ্যে মাত্র ৪টি ছিল দেশীয় উদ্ভাবন। অথচ, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে অনুমোদিত এই ধরণের ১১টি ওষুধের সবগুলোই চীনের নিজস্ব গবেষণায় উদ্ভাবিত।

সেন্টার ফর ড্রাগ ইভালুয়েশন-এর বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উপ-পরিচালক ইউয়ান লিচিয়া জানান, এই ১১টি ওষুধের মধ্যে রয়েছে- চীনের প্রথম স্বাধীনভাবে উদ্ভাবিত ডায়াগনস্টিক রেডিওফার্মাসিউটিক্যালস। নাসোফ্যারিঞ্জিয়াল ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেট এবং সলিড টিউমারের চিকিৎসার জন্য বিশ্বের প্রথম সিএআর-টি থেরাপি।

সূত্র: সিএমজি

chinahealth