রঙিন তুলির আঁচড়ে চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের গল্প ফুটিয়ে তুলেছে বাংলাদেশের খুদে শিল্পীরা। শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং দুই দেশের নতুন প্রজন্মের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নি হাও! চায়না’ বাংলাদেশ শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার ২৫তম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্বীকৃতি দেওয়া হয় খুদে শিল্পীদের সৃজনশীল প্রতিভাকে।
বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ সেন্টারের আয়োজনে প্রতিযোগিতাটিতে সহযোগিতা করে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস ও বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)। গত ২৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এবারের প্রতিযোগিতায় চারটি গ্রুপে সাত শতাধিক শিশু-কিশোর অংশ নেয়। বিচারক প্যানেল চার গ্রুপে ১২ জনকে বিজয়ী নির্বাচন করে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং।
অনুষ্ঠানে লি শাও ফেং বলেন, চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের ভিত্তি দুই দেশের জনগণ, আর এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মের হাতে। শিশুদের চিত্রকর্ম দুই দেশের মানুষের মধ্যে ভাব বিনিময়ের প্রাণবন্ত মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
তিনি আরও জানান, তরুণদের চীনের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়াতে চীনা দূতাবাস কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশি তরুণদের চীনে পড়াশোনা, মতবিনিময় ও নিজেদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জাহাঙ্গীর আলম রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিএসপিএর সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ এবং বিচারকদের পক্ষে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ডা. আব্দুল মাতিন তালুকদার।
‘নি হাও! চায়না’ কেবল একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা নয়; এটি শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি দুই দেশের সংস্কৃতি ও মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার একটি উদ্যোগ।
সূত্র: সিএমজি