তথ্য ও যোগাযোগ খাতের টেকসই ও গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’র জন্য একটি সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে চীনের শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এই মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে একটি আধুনিক, নিরাপদ এবং প্রযুক্তিতে উন্নত তথ্য ও যোগাযোগ শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বিক কভারেজ এবং শীর্ষস্থানীয় পারফরম্যান্সের একটি নতুন প্রজন্মের যোগাযোগ নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সাথে প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে একটি চটপটে ও দক্ষ শাসনব্যবস্থা এবং সর্ব-ডোমেন সমন্বিত ডেটা নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। ২০৩৫ সালের মধ্যে এই খাতের আধুনিকায়ন অর্জনের জন্য এটি একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে।
তথ্য অবকাঠামো নির্মাণ এবং নেটওয়ার্ক ও ডেটা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণসহ ছয়টি প্রধান ক্ষেত্রের আওতায় মোট ২৬টি মূল কাজ বা টাস্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—উপযুক্ত সময়ে ৬জি বাণিজ্যিক সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া এবং দেশব্যাপী একটি সমন্বিত কম্পিউটিং পাওয়ার নেটওয়ার্ক স্থাপন ত্বরান্বিত করা। এছাড়াও, একটি শিল্প অ্যান্টি-ফ্রড বা জালিয়াতি বিরোধী ল্যাবরেটরি তৈরি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের গভীর একীকরণকে ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বর্তমানে চীন বিশ্বের বৃহত্তম তথ্য অবকাঠামোর অধিকারী। দেশটির প্রতিটি কাউন্টিতে গিগাবিট অপটিক্যাল নেটওয়ার্কের সুবিধা রয়েছে এবং ৫জি নেটওয়ার্ক সমস্ত শহর ও ৯৫ শতাংশেরও বেশি প্রশাসনিক গ্রামে পৌঁছে গেছে। ‘ডিজিটাল চীন’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ডিজিটাল অর্থনীতির কোর ইন্ডাস্ট্রির সংযোজিত মূল্য জিডিপির ১২.৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দেশটি।
সূত্র: সিএমজি