পুরনো কাপড় নিয়ে নতুন আইন ইউরোপে | গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা জেনে নিন

প্রতি বছর ইউরোপে বিপুল পরিমাণ নতুন পোশাক, জুতো ও ফ্যাশন সামগ্রী বিক্রি না হওয়ায় নষ্ট করে ফেলা হতো। ইউরোপীয় কমিশনের হিসাবে, তৈরি হওয়া পোশাকের প্রায় ৪ থেকে ৯ শতাংশ শেষ পর্যন্ত ব্যবহার হওয়ার আগেই ধ্বংস হয়ে যায়। এতে বছরে প্রায় ৫.৬ মিলিয়ন টন CO₂ নির্গমনের সঙ্গে এই অপচয়ের সম্পর্ক রয়েছে।

এবার এই অভ্যাস বন্ধ করতে নতুন নিয়ম করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ১৯ জুলাই ২০২৬ থেকে বড় কোম্পানিগুলো অবিক্রীত পোশাক, জুতো ও ফ্যাশন সামগ্রী ইচ্ছেমতো ধ্বংস করতে পারবে না। বিক্রি না হলে সেগুলো দান, আবার বিক্রি, মেরামত, পুনর্ব্যবহার বা রিসাইকেল করার মতো পথ বেছে নিতে হবে।

কারণ একটি পোশাক শুধু দোকানে পৌঁছলেই তার পরিবেশগত প্রভাব শেষ হয় না। সেটি তৈরি করতে লাগে জল, তুলা বা অন্য কাঁচামাল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং শ্রম। তাই পোশাকটি কেউ না পরলেও তার তৈরির জন্য ব্যবহৃত সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়।

নতুন নিয়মের লক্ষ্য তাই শুধু পোশাক বাঁচানো নয়, অপ্রয়োজনীয় উৎপাদন ও অপচয় কমানো। ফ্যাশনের দুনিয়ায় যে পণ্য আমাদের চোখেই পড়ে না, সেটিও পরিবেশের ওপর নিজের ছাপ রেখে যায়।