চীন-কম্বোডিয়া সরকারি-বেসরকারি খাত সংলাপ প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় বৈঠক বৃহস্পতিবার নমপেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কম্বোডিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ও ‘কম্বোডিয়া উন্নয়ন কাউন্সিলে’র প্রথম ভাইস-চেয়ারম্যান সান চানথল, কম্বোডিয়ায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ওয়াং ওয়েনবিন এবং কম্বোডিয়ার ২০টিরও বেশি মন্ত্রণালয়ের ৭০ জনেরও বেশি কর্মকর্তা ও চীনা অর্থায়নে পরিচালিত ৭০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
নিজের বক্তব্যে চানথল উল্লেখ করেন যে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকের পর থেকে কম্বোডিয়া দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী চীনা অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে এবং অধিকাংশ সমস্যার যথাযথ সমাধান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কম্বোডিয়া দৃঢ়ভাবে ব্যবসায়িক পরিবেশের সংস্কার এগিয়ে নেবে, টেলিযোগাযোগ ও অনলাইন জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং বিনিয়োগকারী ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া, আরও উচ্চমানের চীনা অর্থায়নে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানকে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে সরকার সম্মত বিষয়গুলোর বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ওয়াং আশা প্রকাশ করেন যে, এই সংলাপ প্রক্রিয়াটি সমস্যা-কেন্দ্রিক থাকবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান প্রধান সমস্যা—যেমন শ্রম অনুমতি, কর আদায় এবং শুল্ক ছাড়পত্র প্রক্রিয়া সহজীকরণ—এর ওপর গুরুত্ব দেবে। তিনি কম্বোডিয়ার শিল্প বৈচিত্র্যায়নে সহায়তা করার লক্ষ্যে অবকাঠামো, উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা, আধুনিক কৃষি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং নতুন জ্বালানি খাতের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার সম্ভাবনা গভীরভাবে অন্বেষণের ওপরও জোর দিয়ে বলেন, উভয় পক্ষেরই উচিত চীন-কম্বোডিয়া সরকারি-বেসরকারি খাত সংলাপ প্রক্রিয়াটির যথাযথ ব্যবহার অব্যাহত রাখা, করপোরেট বা ব্যবসায়িক চাহিদাগুলো সঠিকভাবে মোকাবেলা করা, ফলাফলের বাস্তবায়ন সক্রিয়ভাবে এগিয়ে নেওয়া এবং বৈঠকে অর্জিত ঐকমত্যকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তর করা।
চীন-কম্বোডিয়া সরকারি-বেসরকারি খাত সংলাপ প্রক্রিয়ার বৈঠকটি প্রতি ছয় মাস অন্তর অনুষ্ঠিত হয়। এটি কম্বোডিয়ায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস এবং ‘কম্বোডিয়া উন্নয়ন কাউন্সিলে’র যৌথ আয়োজনে এবং ‘কম্বোডিয়ায় চীনা চেম্বার অফ কমার্স’-এর ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
সূত্র: সিএমজি