Stories for Kids Archives - Mati News
Tuesday, September 29

Stories for Kids

Fun and imaginative stories for kids.

এক দিন দড়িটা

এক দিন দড়িটা

Kidz, Stories, Stories for Kids
ধ্রুব নীল শহরের নাম আটকা। আটকা মানে যেটা আটকে আছে। সত্যিই তাই! শহরের সবাই আটকে আছে! নিজেকে নিয়ে। কেউ কারো সাথে কথা তো দূরে থাক, ফিরেও তাকায় না। পাশের বাসায় যে থাকে, তার সঙ্গে চোখাচোখি হলেও চোখ নামিয়ে ফেলে। যেন দেখতেই পায়নি! যেন চোখাচোখি হলেই একটা কিছু ঘটে যাবে। এমন শহরের নাম তো আটকা হবেই। একদিন আটকা শহর ঘটল অদ্ভুত ঘটনা। একটা দড়ি এসে হাজির। ঠিক দড়ি নয় ওটা। লম্বা লিকলিকে একটা বস্তু। মসৃণ আর রাবারের মতো। টানলে বড় হয় কিন্তু ছোট হয় না। দড়িটা প্রথমেই গিয়ে পেঁচিয়ে গেল আবদুল মোতালেব সাহেবের কোমরে। মোতালেব সাহেব বাকি সবার মতো। কথাবার্তা বলেন কম। নিজেকে নিয়েই থাকেন। কোমরে দড়ি দেখে শুরু হলো চেঁচামেচি। ‘আজব তো! আমার কোমরে দড়ি আসল কোত্থেকে? কে বাঁধল! খোলে না কেন!’ অনেক টানাটানি করেও কেউ মোতালেব সাহেবের দড়িটা খুলতে পারল না। দড়িটাও দুষ্টু। তিড়িং বিড়িং করে সরে যায়।...
কাঠবিড়ালির বন্ধুত্ব

কাঠবিড়ালির বন্ধুত্ব

Kidz, Stories, Stories for Kids
আব্দুস সাত্তার সুমন  ধামালকোট মাদ্রাসায় পড়ত চৌদ্দ বছরের কিশোর সুমন। পড়াশোনায় সে মোটামুটি ভালো হলেও তার মন ছিল প্রকৃতিপ্রেমী। পাখি, গাছ, ফুল আর ছোট ছোট প্রাণীর প্রতি ছিল তার অদ্ভুত এক টান। একদিন বিকেলে মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার পর সে তার বন্ধু শাহজালালের বাড়িতে বেড়াতে গেল। গল্প করতে করতে হঠাৎ তার চোখ পড়ল বারান্দার এক কোণে রাখা ছোট্ট একটি খাঁচার দিকে। খাঁচার ভেতরে লেজ নাড়িয়ে এদিক-ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছে অদ্ভুত সুন্দর একটি প্রাণী। সুমন বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, এটা কী? শাহজালাল হেসে বলল, এটা কাঠবিড়ালি। আমার বড় ভাই এনেছে। সুমন আগে কখনো এত কাছ থেকে কাঠবিড়ালি দেখেনি। প্রাণীটিকে দেখে তার মন ভরে গেল। সে বলল, এটা কি আমাকে দেবে? আমার খুব ভালো লেগেছে। শাহজালাল মাথা নেড়ে বলল, এটা আমার নয়। বড় ভাই এলে তাকে জিজ্ঞেস করো। পরদিন সকালেই সুমন আবার শাহজালালদের বাড়িতে...
সায়েন্স টিচার

সায়েন্স টিচার

Kidz, Stories, Stories for Kids
কবির কাঞ্চন ক'দিন ধরে পৃথাদের মন ভালো নেই। ভালো থাকবেইবা কেমন করে। ওদের সবচে' প্রিয় সায়েন্স টীচার হঠাৎ করে গায়েব হয়ে গেছেন। স্যারের গায়েব হওয়ার বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারছেন না। স্টপ গ্যাপ ক্লাসে যে স্যারই আসেন অমনি ওরা জিজ্ঞেস করে বসে, "স্যার, আমাদের বাবলু স্যার কোথায়? আমরা বাবলু স্যারের ক্লাস করব।" স্টপ গ্যাপ ক্লাস নিতে আসা শিক্ষক ওদের ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন। জুম্মান স্যার তো বলেই ফেললেন, "কোন স্যার এলো-গেল সেটা তোমাদের দেখার বিষয় না। আগে মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করো। যত্তসব! " এভাবে প্রায় পাঁচ দিন কেটে যায়। এ কয়দিনে ওদের সায়েন্স ক্লাসের অবস্থা অনেকটা যাচ্ছেতাই। বাবলু স্যারের মতো করে কেউ সায়েন্সের খুঁটিনাটি বোঝান না। তাছাড়া স্টপ গ্যাপ ক্লাস করতে আসা স্যারদের আচরণও অনেকটা সৎমায়ের মতো। মঙ্গলবার। পৃথার হঠাৎ মনে পড়ে ওদের সায়েন্স প্রজেক্টের কথা। বাবলু স্যার লাস্ট ক্লাসে ওদের একটি প্রজেক্ট ওয়ার্ক ...
পিঁপড়া ও মুরগির বন্ধুত্ব

পিঁপড়া ও মুরগির বন্ধুত্ব

Kidz, Stories for Kids
রাহেলা আক্তার ঘরের এক কোণে ছিল একদল পিঁপড়ার ছোট্ট রাজ্য। সারাদিন তারা সারি বেঁধে খাবারের খোঁজে বের হতো— কারো মুখে চালের দানা, কারো মুখে চিনি বা রুটির টুকরো। দুপুরে একবার বাসায় এসে ছানাদের খাবার দিত, তারপর আবার বের হতো নতুন খাবারের সন্ধানে। এভাবেই তারা প্রতিদিন সামান্য করে খাবার জমিয়ে রাখতো বর্ষার জন্য, কারণ বৃষ্টির দিনে তো বের হওয়া বিপজ্জনক— পানিতে ভেসে যাওয়ার ভয় থাকে। একদিন সন্ধ্যায় ফিরে এসে মা পিঁপড়ারা দেখল, তাদের কয়েকটি ছানা নেই! প্রথমে ভাবল হয়তো একটু ঘুরতে গেছে, কিন্তু দিন পেরিয়েও তারা আর ফিরল না। একে একে ছানারা হারিয়ে যেতে লাগল। একদিন মা পিঁপড়ারা ঠিক করল— আজ আর খাবারের খোঁজে বের হবে না, বরং বাসার পাহারায় থাকবে। বাড়িতে তাদের সাথেই থাকত এক মা মুরগি ও তার ছানারা। মা পিঁপড়া হঠাৎ দেখল, তাদের ছানারা বের হলেই মা মুরগিটা ঠোঁট দিয়ে টপাটপ খেয়ে ফেলছে! এই দৃশ্য দেখে...
হেমন্তের পাখি

হেমন্তের পাখি

Kidz, Stories for Kids
আব্দুস সাত্তার সুমন  হেমন্তেরি পাখি ডাকে  মিষ্টি ধানের ঘ্রাণে, সোনালী রোদে আলো দেয় জুড়ায় মন প্রাণে। মিষ্টি ধানের স্নিগ্ধ হাওয়া  সোনালী আঁশের পাঠ, কাঁচা পাকা সরষে দানা  মৌ মৌ করে মাঠ। গ্রীষ্মকালের সুবাস ছড়ায় হেমন্তরি ধান, পাতাগুলো ঝরে পড়ে  মন করে আনচান। মিষ্টি মিষ্টি ফুলগুলো  নাচে কলতানে, আশ্বিন যেন খুঁজে আনে ভালোবাসার টানে। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বাংলাদেশ https://matinews.com/stories/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a7%8b%e0%a6%b0/...
The Pink Baby Ghost: ‍New Story for kids

The Pink Baby Ghost: ‍New Story for kids

Kidz, Stories for Kids
Cute scared Halloween Ghost icon. Pink color Cartoon character. Printable flat style. Traditional symbol of Halloween isolated on white. For seasonal cards, stickers, wallpaper. Vector Illustration 1 One day, in a ghost family, a baby ghost was born. Fluffy, chubby, and bright pink!A pink ghost? That’s unheard of!2 The whole forest went silent. No one had seen anything like this before.Ghosts from nearby gathered around.One said, “What’s this? Ghosts are supposed to be black, with scary faces! What can a pink ghost even do?”An old ghost stroked his beard and said,“Leave it out on a new moon night. In a few days, it’ll turn black.”But the baby ghost’s parents didn’t care.They were busy dreaming of the day their pink baby would go to ghost school.3 The pink ghost started school. ...
মা আমার জান্নাত

মা আমার জান্নাত

Kidz, Stories, Stories for Kids
ফারুক আহম্মেদ জীবন : প্রতিবছর মে- মাসের দ্বিতীয় রবিবার বাংলাদেশে মা- দিবস পালন করা হয়।  অবশ্য এ দিবসটি বিশ্বের একেক দেশে একেক ভাবে পালন করা হয়। এ বছর ১২ই মে জান্নাতিদের স্কুলে মা দিবস পালিত হচ্ছে। জান্নাতিদের স্কুলের সকল ছাত্র ছাত্রীদের মতো। ক্লাস থ্রিতে পড়ুয়া আট বছরের ছোট্ট মেয়ে জান্নাতিও সে তার মাকে নিয়ে গেছে স্কুলে।  স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ জান্নাতির মাকে দেখে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে হাসি মুখে সালাম দিয়ে। কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে সম্মানের সাথে বসতে দিলো চেয়ারে। স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সভাপতি সহ সভাপতিও সদস্য বৃন্দরাও একে একে সকলে এসে উপস্থিত হলো স্কুল প্রাঙ্গণে। অন্য অন্য সকল ছাত্র ছাত্রীর মায়েদেরকেও সম্মানের সাথে সারি সারি চেয়ার পেতে বসতে দিয়েছে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ। শিক্ষকরা একপর্যায়ে গার্জেনদেরকে চা- নাস্তা, জলের পর সকল শিক্ষার্থীদের হাতে ফুলের তোড়া ত...
পাখিরা যেদিন উড়তে শিখল

পাখিরা যেদিন উড়তে শিখল

Kidz, Stories for Kids
ধ্রুব নীল : ‘সবচেয়ে বড় ডিম কে পাড়ে!’ সবাই চুপ। টুঁ শব্দ করছে না শালিক, ময়না আর টিয়া। টুনটুনিটাও লুকিয়েছে বুলবুলির পেছনে। উটপাখির গর্জন শুনে কাঁপছে বুড়ো ইগলও। ‘বলো কে!’ আবার হুংকার ছাড়ল রানি উটপাখি। পাখিদের রাজ্যে সে-ই সবচেয়ে জোরে ছোটে। গায়ে অনেক শক্তি। তাই পাখিরাজ্যের রানি সে। ‘রানি মা, আপনিই সবচেয়ে বড় ডিম পাড়েন। আপনার ডিমের তুলনা হয় না। প্রতিটি ডিম পাক্কা দেড় কেজি।’ বলতে বলতে দম ফুরিয়ে যাওয়ার দশা শকুনের। উটপাখির ভক্ত সে। রানির কথা অক্ষরে অক্ষরে মানে।‘হুম! এ কারণে আমিই রানি। আর পুঁচকে চড়ুইটা কি না চুরি করে আমার দানা খেয়েছে! একেবারে পা কেটে দেব আজ।’ গুঞ্জন শুরু হয়ে গেল পাখিদের মধ্যে। কাকাতুয়া আর পেঁচারা ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বলতে লাগল, ‘আহারে, পা কেটে দিলে বেচারা হাঁটবে কী করে। আহারে!’এদিকে ভয় পেল না চড়ুই। একরোখা স্বভাব তার। একছুটে উঠে গেল একটা ঢিবির ওপর। চেঁচিয়ে বলত...
10 fun facts about comic books

10 fun facts about comic books

Kidz, Stories for Kids
Here are 10 fun facts about comic books. Fun Facts about Comic Books First Comic Book: The first recognized comic book is often considered to be "The Adventures of Obadiah Oldbuck," which was published in 1837. However, the modern comic book format emerged in the 1930s with the release of Action Comics #1 in 1938, featuring the debut of Superman. Batman's Debut: Batman, one of the most iconic comic book characters, made his first appearance in Detective Comics #27 in 1939. Created by Bob Kane and Bill Finger, Batman has become a cultural phenomenon with numerous adaptations in various media. Wonder Woman's Creator: Wonder Woman, a symbol of female empowerment, was created by psychologist and writer William Moulton Marston. He wanted to create a superhero who would be a positiv...
মুক্তিযুদ্ধের কিশোর গল্প : বুড়ো আঙুল

মুক্তিযুদ্ধের কিশোর গল্প : বুড়ো আঙুল

Kidz, Stories, Stories for Kids
(মুক্তিযুদ্ধের কিশোর গল্পটি লিখেছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা গল্পকার ধ্রুব নীল। এ গল্পে এক দারুণ মেধাবী কিশোরের গাণিতিক দক্ষতার কারণে কী করে একটি গ্রামের বাসিন্দারা পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচারের হাত থেকে বেঁচে গেল, সেটাই দেখানো হয়েছে। শিশু কিশোরদেরকে অঙ্কের একটা মজার খেলাও শেখা হবে এই গল্পে। এই গল্পে দূরত্ব মাপার কৌশলটি পুরোপুরি সঠিক ও প্রমাণিত।) ‘গেলরে! বলটা একেবারে মরণ কুয়োয়। তুলবো কী করে! খেলা ডিসমিস। ওই সবুজ, তুই ফেলেছিস, তুই তুলবি।’ শরিফুলের কথায় উসখুস করছে সবুজ। তার কিকেই ফুটবলটা সোজা গিয়ে পড়েছে গভীর এক পরিত্যক্ত কুয়ায়। নিচে পানি থাকলেও কেউ জানে কত গভীর ওই কুয়া। মায়াপুর হাইস্কুলে পড়া ওরা সবাই। কেউ এইটে তো কেউ টেনে। রতনও আছে দলে। সে হলো ‘দুধভাত পেলেয়ার’। টিংটিঙে সরু। জোরে বাতাস এলেও নাকি তার হাঁটতে কষ্ট হয়। পাওয়ারওয়ালা চশমা পরে। অবশ্য কেউ তার মাথায় গাট্টা মারে...
সায়েন্স ফিকশন গল্প : সময়পুর

সায়েন্স ফিকশন গল্প : সময়পুর

Kidz, Stories, Stories for Kids
লেখক : ধ্রুব নীল সময়পুর। এ নামে বাংলাদেশে কোনো গ্রাম নেই। মানে এখন আমাদের যে মানচিত্র তাতে এর অস্তিত্ব নেই। গ্রামের নামটা আমারই দেওয়া। কারণ, আমার মতে নামটা সময়পুরই হওয়া উচিত। যদিও ওই গ্রামের লোকজন নাম-ধাম নিয়ে ভাবে না। তাদের কাছে গ্রাম মানে গ্রাম। সময়পুর গ্রামে সময় যেতে চায় না। সবার হাতেই অফুরন্ত সময়। কাজ করতে করতে কোনো কৃষকের মনে হলো আজ নিড়ানি বাদ দিয়ে বসে থেকে শরতের ঘ্রাণওয়ালা বাতাস খাবে। তো সে সেটাই করে যাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এক সময় রাত হবে। শেয়াল ডাকবে। শেয়ালের ডাক শুনে শুনে কোনো শিশুকে তার মা গল্প শুনিয়ে ঘুম পাড়াবে। সেটাও অনেক সময় নিয়ে। তারপর নিশাচর পাখির গাছের গর্তে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে নেমে আসবে গভীর রাত। যে রাতটাও কাটতে চাইবে না অনেকক্ষণ। এখানে আসার পরই আমি গ্রাম কাকে বলে শিখেছি। গ্রাম হওয়ার মতো সবই আছে সময়পুরে। চিকন লতার মতো সজনে, খালের পাড়ে বেড়ে ওঠা কল...
ক্রিকেট নিয়ে আহসানুল হকের ছড়া : ওদের ক্রিকেট

ক্রিকেট নিয়ে আহসানুল হকের ছড়া : ওদের ক্রিকেট

Kidz, Stories for Kids
ওদের ক্রিকেট আহসানুল হক সিংহ মামা বোলিং করে শেয়াল ধরে ব্যাট আম্পায়ারিং করবে ময়ূর চিতা রানিং মেট বানরগুলো দেয় ফিল্ডিং মাথায় পাতার হ্যাট হাতি, ঘোড়া কিনল টিকেট দেখতে যে ক্রিকেট! যায় না তো বাদ হরিণ-কুমির সাজায় মাঠ ও গেট হুতুম প্যাঁচা কোথায় গেল? থার্ড আম্পায়ারই লেট?
ছড়া : মেঘের কিনারে : কামাল হোসাইন

ছড়া : মেঘের কিনারে : কামাল হোসাইন

Kidz, Stories for Kids
ফুটেছে মালতী, জুটেছে ভোমরা কে কোথা রয়েছ, বলো তো তোমরা? পাখিরা জেগেছে, মেতেছে গানে যে ভোরের হাওয়াতে সুষমা আনে যে! বাতাসে তিরতির পাতারা দুলছে ওঠার ভঙ্গিমায় কে যেন ঢুলছে। প্রভাত হলো তাই কুয়াশা নেমেছে চলেছে যে পথিক কোথা কি থেমেছে? প্রাণের খুশিতে ছোটে যে হাঁসেরা বাতাসে দুলদুল সাদাটে কাশেরা কোড়ারা ডেকে যায় কী যেন মায়াতে হারিয়ে খোঁজে কি, নিজেরই কায়াতে? শরৎ এলো তাই ডাহুকী বালিকা মধুরও ধ্বনিতে গাঁথে যে মালিকা। মেঘেরও কিনারে রঙের ছবিরা তা নিয়ে লিখে যায় আমুদে কবিরা।...
সায়েন্স ফিকশন গল্প  : একরোখা রতন

সায়েন্স ফিকশন গল্প : একরোখা রতন

Kidz, Stories for Kids
চোখ মেলতেই চোখ ধাঁধিয়ে গেল ছেলেটার। একরাশ সাদা। ধপধপে সাদা। যতদূর চোখ যায় ততদূর। মিশমিশে কালো থাকলেও যে কথা, সাদা থাকলেও ব্যাপারটা একই। কিছুই দেখা যাবে না। সময়ের গতিও বোঝা যাচ্ছে না। সেকেন্ড মানে কি? ভুলে গেছে ছেলেটা। এমনকি নিজের নামটাও। ডান হাতটা তুলে আনল চোখ বরাবর। নিজের অস্তিত্ব আছে বুঝতে পেরে আশ্বস্ত হলো কিছুটা। ‘গুড মর্নিং। ১.. ২.. ৩.. ৪…।’এভাবে পনের পর্যন্ত গুনল স্পিকারে ভেসে আসা একটা কণ্ঠ। এরপরই চোখে উজ্জ্বল সাদা আলোটা সয়ে এলো। অবাক হলো ছেলেটা। ঠিক তার মতোই সাদা টিশার্ট আর সাদা প্যান্ট পরা কয়েকশ ছেলে দাঁড়িয়ে। হলরুমটার দেয়াল সম্ভবত কেউই দেখছে না। ছেলেটা দেখেই বুঝল বাকি ছেলেগুলো তারই বয়সী। অদ্ভুত ব্যাপারটা টের পেল বেশ কয়েক সেকেন্ড পর। সামনে থাকা বিভ্রান্ত ছেলেগুলোর চেহারা হুবহু একই রকম।‘হ্যালো রতন।’আবারও স্পিকারের গলা। কথাটা কাকে বলল লোকটা? রতন কে?‘ওহ! আমিই তো রতন!’গোটা হলরুমের সমস...
গাছটি ডাইনোসর যুগ থেকে আছে

গাছটি ডাইনোসর যুগ থেকে আছে

Kidz, Stories for Kids
গাছের নাম ওলেমি পাইন (Wollemi pine)। তবে এটি গাছের নাম নয়, একটি প্রজাতি। পাওয়া যাবে অস্ট্রেলিয়ার ব্লু মাউন্টেনস অব সিডনিতে। ওলেমি পাইনের বিশেষত্ব হলো, গাছটি ২০ কোটি বছর আগেও ছিল পৃথিবীতে। অর্থাৎ ওলেমি পাইনের পূর্বপুরুষরা পৃথিবীর বুকে ডাইনোসরদের হেঁটে বেড়াতে দেখেছে। ১৯৯৪ সালের আগপর্যন্ত বিজ্ঞানীরা ওলেমি পাইনকে চিনতেন ফসিল হিসেবে। ওই বছরই গাছটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়। সেই থেকে এখনো এই ওলেমি পাইন জীবন্ত ফসিল হিসেবে বেশ সযত্নে আছে। তবে গাছটা ঠিক কোথায় কোথায় আছে, সেটা বের করা কঠিন। কারণ অবস্থান ফাঁস হলেই এ গাছের পেছনে লাগবে পাচারকারীরা। যে কারণে কিছু কিছু ওলেমি পাইনকে রীতিমতো মোটা শিকের খাঁচায় পুরে রাখা হয়েছে। ওলেমি পাইন (Wollemi Pine) আবিষ্কারের পর প্রথম দিকে শখানেক ওলেমি পাইন (Wollemi pine) পাওয়া গিয়েছিল। সেগুলো থেকে পরে ক্লোন করে তৈরি করা চারার মাধ্যমে গাছটির সংখ্যা বৃদ্ধি...