Thursday, October 28
Shadow

শিশুর স্বাস্থ্য

শিশুর স্বাস্থ্য যত্ন ও রোগ বালাই নিয়ে সাজানো এ বিভাগ। এখানে পাবেন শিশুর কোন রোগ হলে কী করবেন? শিশুর পুষ্টি শিশুর বেড়ে ওঠা ও শিশুর জন্য দরকারি খাবার এবং নবজাতকের যত্ন ও নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান

শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা নয়

শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা নয়

Health and Lifestyle, শিশুর স্বাস্থ্য
ইউনিসেফের তথ্যমতে, সারা বিশ্বে প্রায় ২২০ কোটিরও বেশি হচ্ছে শিশু। করোনা মহামারির কারণে স্কুল-কলেজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা এবং বিষণ্নতাসহ নানা ধরনের মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেইভ দ্য চিলড্রেন করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর ৪৬টি দেশের ১৩২৭৭ জন শিশু এবং ৩১৪৮৩ জন শিশুর অভিভাবকের ওপর একটি গবেষণা পরিচালনা করে। গবেষণাতে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর আশঙ্কাজনক ফলাফল বের হয়ে আসে- * ৩২ শতাংশ শিশু নিজ ঘরে পারিবারিকভাবে নির্যাতনের শিকার। * ৮৩ শতাংশ শিশুর মাঝে অবসাদ, বিষণ্নতা এবং বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয় এবং মাত্র ৪৬ শতাংশ পিতামাতা এবং অভিভাবক এ বিষয়গুলো খেয়াল করেন। * যেসব শিশু তাদের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল তাদের মাঝে অধিক দুশ্চিন্তা এবং অসুখী মনোভাব তৈরি হয়। যেসব শিশুর স্কুল ১-৪ সপ্তা...
Kids hand, foot and mouth diseases and remedies

Kids hand, foot and mouth diseases and remedies

Health, Health and Lifestyle, শিশুর স্বাস্থ্য
The incidence of viral infectious diseases in children is on the rise. There is a detailed discussion about the hand, foot and mouth diseases of kids.   Symptoms of hand, foot and mouth diseases Within 3-6 days of being infected with the virus, low to moderate (102 degrees) fever develops. There may be differences in some viruses. In many cases, the sore throat will start within 24 hours of the onset of fever, loss of appetite can be occured, fatigue will be felt, the body will become weak. The child will not want to eat any food or water due to pain. Then dehydration may occur. In addition to the sore throat, there will be small white rashes inside the mouth cavity, rashes around the lips, rashes will be a little painful. Rash can also cause itching. Within 2-3 days of the...
শিশুর পেট ব্যথা হলে কী করবেন | শিশুর পেট ব্যথা কেন হয়?

শিশুর পেট ব্যথা হলে কী করবেন | শিশুর পেট ব্যথা কেন হয়?

শিশুর স্বাস্থ্য
শিশুর পেট ব্যথা সমস্যাটি খুব বেশি হতে দেখা যায়। একটু বড়রা যেমন সমস্যার কথা বলতে পারে কিন্তু ক্ষেত্রে সেটা বুঝে নিতে হয়। পেট ব্যথার নানা রকম সমস্যা থাকতে পারে। তবে ছোট বা সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু যদি দীর্ঘক্ষণ যাবত কান্নাকাটি করে এবং এ অবস্থায় তার মুষ্টিবদ্ধ ও পা ভাঁজ করা থাকে তবে বুঝতে হবে তার পেটে ব্যথা হচ্ছে। এবং পেটে বাতাস ঢোকার কারণে পেট ব্যথা হচ্ছে।   সঠিক নিয়মে শিশুকে দুধ না খাওয়ালে এবং  খাওয়ানোর পর পিঠে হাত বুলিয়ে (উপড় করে বা কোলে নিয়ে) বাতাস বের না করলে পেটে বাতাস জমে শিশুর প্রচণ্ড পেট ব্যথা হয়।   বাতাস বের করার পর বাচ্চাকে তার ডানদিকে কাত করে কিছুক্ষণ শুইয়ে রাখতে হবে। বামদিকে শোয়ানো যাবে না, তাহলে শিশুর পাকস্থলীর উপর চাপ পড়ে পেটে ব্যথা হবে। এছাড়া শুইয়ে দুধ খাওয়ালে শিশু ঠিকমতো খেতে পারে না, দুধ শ্বাসনালিতে চলে যেতে পারে আর পেট না ভরার কারণে শিশু কান্নাকাট...
শিশুর মুখের ঘা হলে কী করবেন?

শিশুর মুখের ঘা হলে কী করবেন?

শিশুর স্বাস্থ্য
শিশুর মুখে বিভিন্ন প্রকার ঘা হতে পারে। তো জেনে নেওয়া যাক শিশুর মুখে ঘা হলে কী করবেন? ১. শুধু দুধ খাওয়া শিশু, তাদের জিহ্বা ঠিকমতো পরিষ্কার না করলে জিহ্ব মাঝে সাদা আস্তর পড়ে যেটা জমতে জমতে ঘা হয়ে যায়। তাই প্রতিবার ব খাবার পরে পরিষ্কার পাতলা কাপড় আঙুলে পেঁচিয়ে শিশুর জিহ্বা পরিষ্কার কর দিতে হয়। ২. কোনো কোনো শিশুর মুখের ভিতর তালুতে বা জিহ্বায় দুধের আবরণের মতো ঘা হয়। ভিজে তুলা বা কাপড় দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষা দিলে কিছুটা ওঠে। পুরোপুরি ওঠে না। ৩. কখনও কখনও শিশুর মুখে ঠোঁটের ভিতর তালুতে লাল লাল ছোট ফোড়া বা ফোলা জায়গা দেখা যায়। সাধারণত ভিটামিনের অভাবে এগুলো হয়ে থাকে। মুখের বা জিহ্বার কোনো ঘা-ই কাপড় বা তুলো দিয়ে জোরে ঘষতে হয় না।। তাহলে ঐ জায়গা ছিলে বা চাপ লেগে রক্তক্ষরণ হতে পারে। জায়গাটা তখন লালচে হয়ে যায়।   আরও পড়ুন : শিশুর শ্বাসকষ্ট হলে কী করবেন? শিশুর ...
শিশুর শ্বাসকষ্ট হলে কী করবেন?

শিশুর শ্বাসকষ্ট হলে কী করবেন?

শিশুর স্বাস্থ্য
শিশুর শ্বাসকষ্ট সম্বন্ধে জানতে হলে প্রথমেই জানতে হবে শ্বাসযন্ত্র কী। শ্বাসযন্ত্র শুরু হয় আমাদের নাক থেকে । নাকের ছিদ্র দুটিকে বলা হয় বহিঃনাসারন্ধ্র। এই পথ মুখগহ্বরের কাছে অন্তঃনাসারন্ধ্রে শেষ হয়। এখানেই আছে ফ্যারিংস। নিশ্বাসের সাথে আসা বাতাসের যত ধুলোবালি এখানে আটকে গিয়ে শরীরের ভিতর শুদ্ধ বাতাস প্রবেশ করে। ফ্যারিংস-এর উপরে আছে আলজিব। কোনো কিছু খাবার সময় এই আল্‌জিব শ্বাসনালিকে খাদ্যনালি থেকে আড়াল করে, নাহলে খাবার খাওয়ার সময় খাদ্যনালির পরিবর্তে শ্বাসনালি পথে খাবার চলে যেত। ফ্যারিংসের শেষ থেকেই শ্বাসনালির শুরু। এর প্রথম কার্টিলেজ ঘেরা অংশকে বলা হয় ল্যারিংস। ল্যারিংস থেকে আমাদের কণ্ঠস্বর বেরোয়। আমাদের শ্বাসনালি বা ট্র্যাকিয়া বক্ষ গহ্বরে গিয়ে ফুসফুসের কাছে দুটি ব্রঙ্কাইতে বিভক্ত হয়ে ফুসফুসে ঢোকে। আমাদের শরীরে ফুসফুস দুটি বক্ষগহ্বর বা থোরাসিক ক্যাভিটির মাঝখানে থাকে। ডান ফুসফুস...
শিশুর শরীরে র‍্যাশ

শিশুর শরীরে র‍্যাশ

শিশুর স্বাস্থ্য
সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু থেকে শুরু করে একটু বড় বয়সের প্রায় সব শিশুই কোনো না কোনো ধরনের র‍্যাশ-এ প্রায় সময়ই আক্রান্ত হয়ে থাকে। কোনো শিশুর শরীরে র‍্যাশ খুব সাধারণভাবে আত্মপ্রকাশ করে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করেই চলে যায়, আবার কারও কারও শরীরে খুব জটিলতার সৃষ্টি করে। সাধারণত গরমের সময়ই এই র‍্যাশ বেশি হতে দেখা যায়। সব রকম র‍্যাশই যে ছোঁয়াচে তা কিন্তু নয়। যে সকল র‍্যাশ এলার্জি ধরনের সেগুলো থেকে কোনো ছোঁয়া লাগার ভয় থাকে না। আর যে সকল র‍্যাশ ভাইরাসজনিত কারণে হয় তা অবশ্যই ছোঁয়াচে শিশুর শরীরের এই র‍্যাশ বিভিন্ন রকমের হতে দেখা যায়। যেমন- নবজাতকের র‍্যাশ, ভাইরাস র‍্যাশ, ওষুধের প্রভাবে র‍্যাশ, অ্যাটপিক ডার্মাটাইটিস, আর্টিকেরিয়া ইত্যাদি। এ ছাড়াও আরও প্রচুর র‍্যাশ আছে যেগুলো সাধারণত দেখা যায় না। জন্মের পর পরই শিশুর শরীরে সাধারণত এক ধরনের লাল লাল ছোপ দেখা দেয়- সমস্ত গায়েই থাকে। কিছু সময় বা ২/১...
শিশুর জ্বর হলে কী করবেন, যা করা যাবে না

শিশুর জ্বর হলে কী করবেন, যা করা যাবে না

শিশুর স্বাস্থ্য
শিশুর জ্বর হলে যা করতে হবে ১। শরীরের জামা-কাপড় খুলে ফেলা এবং ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা। ২। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি নিয়ে প্রতিদিন স্নান বা গোসল করা। মনে রাখা উচিত যে,  শিশুর জ্বর হলে প্রথম ও মূল ওষুধ হচ্ছে 'পানি'। তাই জ্বর হলে একটি পরিষ্কার তোয়ালে গামছা বা অন্য কোন সূতী কাপড় পানিতে ভিজিয়ে পানি নিংড়ে ফেলে দিয়ে ওই ভেজা কাপড় দিয়ে পর্যায়ক্রমে কপাল, বুক, পেট, পিঠ, হাত ও পা বারবার মুছাতে হয়। যদি শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ফারেনহাইটের বেশি হয় তাহলে শরীর স্পঞ্জ করার পাশাপাশি বেশ কিছুক্ষণ মাথায় পানি ঢালতে হয় এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক মাত্রায় না কমা পর্যন্ত তা চালিয়ে যেতে হয়। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হচ্ছে ১৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট যা থার্মোমিটার দিয়ে মাপতে হয়। মাথায় পানি ঢালার সময় খেয়াল রাখতে হয় যাতে কানে পানি না যায় এবং জ্বর কমে যাওয়ার পর শুকনো কাপড় দিয়ে ম...
শিশুর জন্ডিস হলে কী করবেন?

শিশুর জন্ডিস হলে কী করবেন?

শিশুর স্বাস্থ্য
শিশুর জন্ডিস হলে যা করতে হবে শিশুর জন্ডিস হলে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকা। ভাল না হওয়া পর্যন্ত হাঁটা-চলা না করা। এমন কি মলত্যাগের জন্য শিশুকে বাথরুমে কোলে করে নেয়া। আর প্রস্রাব বিছানাতেই কোন পাত্রে করিয়ে তা বাথরুমে ফেলে দেওয়া। প্রচুর পরিমাণে ফুটানো ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার পাশাপাশি ডাব, আখের রস ও অন্যান্য তরল খাবার যেমন সুপ বেশি করে খাওয়া। প্রতিদিন যাতে পায়খানা ভাল করে হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। এজন্য পাকা বেল, ইসুবগুলের ভূসি, পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সব্জি ও ফল খেতে হয়। জণ্ডিস হলে খাবারে অরুচী থাকে বিধায় সকাল ও রাতের খাবারের আধা ঘণ্টা আগে ১টা করে ‘এভোমিন' জাতীয় ওষুধ ৫-৭ দিন খেতে থাকা। এ সময় ভিটামিন বি কমপ্লেক্স সিরাপ সকাল ও রাতের খাবার পর দেড় থেকে দু'চামচ করে খাওয়া যায়। এছাড়া জ্বর থাকলে ‘এমক্সিসিলিন' জাতীয় ওষুধ পরিমাণমত তিন বেলা ৫–৭ দিন খাওয়া।   শিশুর জন্ডিস হলে যা করা যাবে ন...
নবজাতকের পরিচর্যা | নবজাতকের গোসল | নবজাতকের যত্ন

নবজাতকের পরিচর্যা | নবজাতকের গোসল | নবজাতকের যত্ন

Health and Lifestyle, শিশুর স্বাস্থ্য
মায়ের পেটে দীর্ঘ ৮/৯ মাস কাটানোর পর এক কষ্টকর সময় পার হয়ে যে শিশু পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয় তাকেই আমরা 'নবজাতক' বলি। জন্মানোর সাথে সাথেই শুরু করতে হয় নবজাতকের পরিচর্যা । নতুন জীবন শুরু হয়। জন্মের পর শিশুর প্রথম ভাষা হল ‘কান্না’। কান্নার মধ্য দিয়ে সে তার আশেপাশের সবাইকে জানিয়ে দেয় যে সে পৃথিবীতে এসেছে। আর এই চিৎকারের সাথে সাথে তার মাতৃগর্ভে  তৈরি হয়ে থাকা নিষ্ক্রিয় ফুসফুসটি বাতাসের সংস্পর্শে এসে সক্রিয় হয়ে উঠে। কারণ, মায়ের পেটে থাকাকালীন সময়ে সেখানে বাতাস ঢুকবার মতো কোনো উপায় ছিল না। নবজাতকের শরীরের রক্ত বাতাসের অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয় আর রক্ত থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে চলে আসে। যদি জন্মের পর শিশু না কাঁদে তবে ফুসফুসে বাতাস প্রবেশ করে না এবং শরীরে অক্সিজেনের অভাব ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের প্রাচুর্য থেকে নবজাতকের গায়ের রং নীল বর্ণ ধারণ করে। তখন যথাযথ ব্যবস্থা না নিতে পারলে ...
অটিস্টিক শিশু : মা-বাবার জন্য কিছু পরামর্শ

অটিস্টিক শিশু : মা-বাবার জন্য কিছু পরামর্শ

Health, Health and Lifestyle, শিশুর স্বাস্থ্য
অটিস্টিক শিশু সংসারে আসার পরে বাবা-মা সহ সবাই দিশেহারা হয়ে যান। আত্মীয়-স্বজন পাড়া-প্রতিবেশী অনুমান করে করে উল্টাপাল্টা কথা বলে বিভিন্নভাবে দোষারোপ করেন তাতে মা-বাবারা আরো ভড়কে যান। শিক্ষকদেরও ভালো ধারণা না থাকাইয় সঠিক পরামর্শ দিতে পারেন না। অনেক ডাক্তাররাও তাই। এ অবস্থায় মা-বাবারা চিন্তায় পড়ে যান কি করবেন কোন দিকে যাবেন।   যথাসম্ভব উচ্চাশা পরিহার করুন  আপাতত অটিস্টিক শিশু কে জীবন চলার মতো ন্যূনতম স্কিল শেখানোর টার্গেট করুন। অন্য স্বাভাবিক শিশুর সঙ্গে তুলনা করতে যাবেন না। তাই সংগীত, ছবি আঁকা এসব দিকে গুরুত্ব দিলে বরং কিছুটা আগাতে পারবে। যেটুকু কাজ তাকে দিয়ে হতে পারে তাই তাকে দিয়ে করান।  সংসারের কাজগুলো শেখানোর চেষ্টা করুন। মন থেকে অপরাধবোধ বা নেগেটিভ চিন্তা পরিত্যাগ করুন। বাস্তব পরিস্থিতি মেনে নিয়ে কিভাবে বর্তমান অবস্থায় শান্তিতে থাকা যায় তাই চিন্তা করুন। ...
error: Content is protected !!