Monday, February 6
Shadow

Stories

Who Am I and Why am I here

Who Am I and Why am I here

Stories
Who am I? Nowadays, the most searched question on the internet. But, yes, this is not a rhetorical question anymore. You deserve a definite answer to this question Who am I? Ok, first of all, you are not Spider-man. You are YOU! That will be the most simple yet complicated answer. Why complicated? by "YOU", I mean, there is an "I" in you, which is called the "I consciousness". This consciousness of self is You. You are not him, not her, not that, and of course, you are not a mere composition of hydrocarbon or just the neural network. There is some... Thing! You now get a glimpse of YOUR true Self. That's what defines us as conscious beings. If you were a chair or some air, the universe would be meaningless to you. There will be no time, no awareness of anything at all. So, the first ...
সায়েন্স ফিকশন গল্প : ডালিম ভাইয়ের বাঁশি

সায়েন্স ফিকশন গল্প : ডালিম ভাইয়ের বাঁশি

Stories
সায়েন্স ফিকশন গল্প  : ডালিম ভাইয়ের বাঁশি Bangla science fiction story ‘জাদুটা আবার দেখবি?’ ‘কোনটা?’ ‘আরে ওইটা। তুই তখন ফাইভে। পেনসিলের মতো টিংটিঙা ছিলি। তোরে তো পেনসিলই ডাকতাম। ওই সময় যেটা দেখাইছিলাম।’ ‘আমার তো মনে নাই।’ ‘মনে থাকন লাগবো না। আমার আছে।’ দুঃসম্পর্কের আত্মীয় বলে একটা বিষয় আছে। কেউ বলে লতায়-পাতায় আত্মীয়। কাগজে কলমে ডালিম ভাই দূরের হলেও খাতিরের দিক দিয়ে খুব কাছের ছিলেন। অবলীলায় তার কাঁধে মাইলের পর মাইল ঘুরে বেড়াতাম। এখন সম্পর্কে ঢিল পড়েছে। কাঁধে ওঠার বয়স নেই। ডালিম ভাইয়ের সঙ্গে কবে জাদু দেখতে গিয়েছিলাম, মনে পড়ে না। তবে কম অ্যাডভেঞ্চার তো করিনি। কোনো এক ফাঁকে জাদুর আসরে গিয়েছিলাম হয়তো। গ্রামে এখনও এসব আসর বসে নাকি? ডালিম ভাই আমাকে দেখে কতটা খুশি হলো সেটার প্রমাণ পেলাম নাশতা শেষ হওয়ার পর। আমাকে রীতিমতো বগলদাবা করে হাঁটা দিলো নো ম্যান্স ল্যান্ডের দিকে। ...
The infamous Hungarian Suicide Song Lyrics

The infamous Hungarian Suicide Song Lyrics

Stories
Sunday is gloomy, My hours are slumberless Dearest the shadows I live with are numberless Little white flowers Will never awaken you Not where the black coach of Sorrow has taken you Angels have no thought Of ever returning you, Would they be angry If I thought of joining you? Gloomy Sunday Gloomy is Sunday, With shadows I spend it all My heart and I Have decided to end it all Soon there'll be candles And prayers that are sad I know Let them not weep Let them know that I'm glad to go Death is no dream For in death I'm caressing you With the last breath of my soul I'll be blessing you  
My heart is full of love | New Poem

My heart is full of love | New Poem

Stories
My heart is full of love, My soul is filled with joy, I stand in admiration For this world I enjoy.   The beauty of the sky, The ocean's rolling waves, The birds in the trees, The life that each day saves.   The sun brings its warmth, The rain brings its chill, The wind carries with it A sound so pure and still.   The colors of the flowers, The hues of the rainbow, The feeling of contentment, When I know I'm here to stay.   The laughter of children, The song of a bird, The peace that comes with knowing That I'm loved and heard.   My heart is full of love, My soul is filled with joy, For this world I am grateful And feel so blessed to enjoy.
একাত্তরের শহীদ ছবুর : যুদ্ধ শেষে যে ছেলেটি বাড়ি ফেরেনি

একাত্তরের শহীদ ছবুর : যুদ্ধ শেষে যে ছেলেটি বাড়ি ফেরেনি

Stories
গাজী আবদুস ছবুর ১৯৫১ সালের ১৪ই অক্টোবর চট্টগ্রামের পটিয়া থানার ৪ নং ওয়ার্ডের শেয়ান পাড়ার গাজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত গাজী আলী চাঁন সওদাগর পেশায় একজন লবণ ব্যবসায়ী এবং মাতা মৃত ছমেরাজ খাতুন। গাজী আলী চাঁন সওদাগরের তিন পুত্র ও দুই কন্যাসন্তানের মধ্যে গাজী আবদুস ছবুর ছিলেন পিতামাতার ২য় সন্তান। শহিদ ছবুরের বড়ো ভাই গাজী আবদুছ ছালাম ছোটোবেলায় জ¦রে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ছোটো ভাই গাজী সেলিম পেশায় ব্যবসায়ী ও  ছোটো দুই বোন জরিনা  বেগম ও জাহেদা বেগম। একাত্তরে শহীদ ছবুরের গল্পটা শোনাচ্ছেন রশীদ এনাম   শৈশব ও ছেলেবেলা গাজী ছবুর ছোটোবেলা থেকে বেশ দুরন্ত ও দস্যি। ফুটবল, ব্যাডমিন্টন ছিল প্রিয় খেলা।  কৈশোরে পাড়ার বন্ধুদের সাথে হই হুল্লোড় করে ছুটিয়ে  বেড়াতেন। ছেলেবেলা থেকে ছিলেন  রসিক ও আমুদে প্রকৃতির । বন্ধুদের মন খারাপ থাকলে কৌতুক আর হাসির গল্প শুনিয়ে মন ভালো করে দিতেন। গাজী ছবুরের কণ্ঠ ছ...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ৪১ থেকে দৃশ্য ৫০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ৪১ থেকে দৃশ্য ৫০

Stories
আমি তুমি সে নাটকের সব পর্ব (চিত্রনাট্য) ami tumi se natok full story দৃশ্য ৪১ থেকে দৃশ্য ৫০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০ আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০ আমি তুমি সে : ‍দৃশ্য ৩১-৪০   দৃশ্য-৪১ নাভিদের বাসা। পূর্ণতা, নাভিদের মা আর নাভিদ। পূর্ণতা সাজছে। প্রথমে সাধারণ পোশাক সেলোয়ার। ড্রেস চেঞ্জ করবে। টি-শার্ট পরবে। জিন্স পরবে। আয়নায় দেখবে। পছন্দ হয় না।  আরেকটা জামা বদলাবে, হাঁটুর ওপর থাকা শর্টস পরতে পারে।আয়নার সামনে পোজ দিয়ে নিজের মধ্যে আবেদন আনার চেষ্টা করবে পূর্ণতা। পূর্নতা: (ভাবছে) মডেলদের দেখে দেখে আমাকে আর ভালো লাগবে না, এমনটা হবে না। আমিও দেখিয়ে দিবো আমি কী। ওকে আমি আমার কবজায় আনবোই। নাভিদের মা: (বাইরে থেকে ডাকবে) পূর্ণতা, ভাতটা একটু দেখতো। পূর্ণতা তাড়াতাড়ি কাপড় খুঁজবে। হাতের কাছে নাভিদের একটা শার্ট পেয়ে ওট...
আমি তুমি সে : ‍দৃশ্য ৩১-৪০

আমি তুমি সে : ‍দৃশ্য ৩১-৪০

Stories
আমি তুমি সে নাটক ami tumi se natok full story দৃশ্য ৩১ থেকে দৃশ্য ৪০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০ আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০       দৃশ্য-৩১ মিতার রুম। মিতার দরজায় নক হচ্ছে। মিতা, শিরিন ও মদ্যপ এক লোক।   শিরিন: দাঁড়া আমি খুলছি। মিতা: (ফিসফিস করে) না, আমি দেখছি। তুই তোর রুমে যা! শিরিন: না আমি যাব না।তোর যদি কিছু হয়। মিতা: যাতো! যা! আমি জানি কে। শিরিনকে অনেকটা জোর করে মিতা ভেতরের রুমে পাঠিয়ে দিলো। বললো দরজা লাগিয়ে দিতে। শিরিন দরজা লাগিয়ে দিলো না। কান খাড়া করে রইল। মিতা দরজা খুললো। একটা মদ্যপ মধ্যবয়সী লোক। মিতাকে ঠেলে সরিয়ে ভেতরে ঢুকলো। মিতা: ইয়ে, আপনি রহমান সাহেব। লোক: অ্যাঁ..হেহেহে। আমি আবার সাহেব। আমি আজ আর রহমান সাহেব নই। সুন্দরী আমি তোমার বয়ফ্রেন্ড। তোমার সঙ্গে প্রেম কর...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০

Stories
আমি তুমি সে নাটক চিত্রনাট্য) ami tumi se natok full story দৃশ্য ২১ থেকে দৃশ্য ৩০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০   দৃশ্য-২১ ইনডোর। ক্লায়েন্টের অফিস। জেরিন, নাভিদ, ক্লায়েন্ট। ক্লায়েন্ট একজন মধ্যবয়সী পুরুষ, স্যুটেড।   ক্লায়েন্ট: কী নাম বললেন আপনাদের হাউসের। জেরিন: জ্বি, জেন মিডিয়া লি.। ক্লায়েন্ট: জ্বি-জেন? নাকি শুধু জেন? জেরিন: জেন মিডিয়া স্যার। ক্লায়েন্ট: জেন মানে কী? জেরিন ইতস্তত বোধ করছে। নাভিদ: ওই যে জেনারেশন.. জেনারেশন থেকে জেন। ক্লায়েন্ট: আইসি। তো আপনাদের পোর্টফোলিও নিয়ে এসেছেন? জেরিন: ইয়ে স্যার, আমাদের কাজ মাত্র শুরু হলো। ভাবলাম আপনার প্রতিষ্ঠান দিয়েই আমাদের পোর্টফোলিওটা শুরু হোক। এই জন্য আমাদের কস্টিংটাও কম করে..। ক্লায়েন্ট: হোল্ড অন, কস্টিং নিয়ে তো আমার কোনো সে নেই মিস.. জেরিন। টাকা কো...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০

Stories
আমি তুমি সে নাটকের সব পর্ব (চিত্রনাট্য) ami tumi se natok full story দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ দৃশ্য- ১১। দিন। মডেলিং এজেন্সির অফিস। শিরিন, রিসিপশনিস্ট, লোক-১, একজন কড়া মেকাপ দেওয়া মহিলা।   শিরিন একটা অফিসের ভেতরে ঢুকলো। কেউ নেই। রিসিপশনিস্ট তাকে আগাগোড়া দেখলো। শিরিন তার হাতে খাম ধরিয়ে দিল। রিসিপশনিস্ট ফোনে কাকে যেন কী বললো। রিসিপশনিস্ট: এই নিন ফর্ম। এটা আমাদের নিজস্ব কিছু টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন। পড়ে এখানে সাইন করে দিন। শিরিন দ্রুত সাইন করে দিল। রিসিপশনিস্ট: পড়ে দেখলেন না। শিরিন: নাহ, থাক। পড়ার কী আছে। শিরিনকে বসতে ইশারা করলো। এক মধ্যবয়সী লোক আসলো। তিনিও শিরিনকে আগাগোড়া দেখলেন। ছবিগুলো নিয়ে দেখলেন। মুখের ভাব দেখে মনে হলো তার মোটামুটি মনে হলো। লোক: চলুন। শিরিন: জ্বি কোথায়? লোক: কোথায় আবার ভেতরে। আসুন। শিরিন:...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০

Stories
আমি তুমি সে নাটকের সব পর্ব : দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ ami tumi se natok full story প্রথম খণ্ড দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০   দৃশ্য-১। রাত। ইনডোর। আলো আঁধারি স্টুডিও। শিরিন ও ফটোগ্রাফার।   শিরিন স্বপ্ন দেখছে। একটা চেয়ারে বসে আছে শিরিন। আশপাশে অন্ধকার। শিরিনের চোখে মুখে কড়া মেকাপ। কেউ একজন তার ছবি তুলছে। ফটোগ্রাফারকে দেখা যাচ্ছে না। ফটোগ্রাফার: আরেকটু এদিকে। হুম.. এবার মুখটা একটু ডানে। না ওভাবে না, এক মিনিট আমি দেখিয়ে দিচ্ছি। ফটোগ্রাফার এসে শিরিনের মুখটা ঘুরিয়ে দিল। শিরিন ভয় পেল। ফ্ল্যাশ পড়ছে ঘন ঘন। ফটোগ্রাফার: আহা! বললাম তো হচ্ছে না। এবার এগিয়ে এসে শিরিনের দুই কাঁধে হাত রাখলো ফটোগ্রাফার। শিরিনের মুখে আবার হাত রাখলো। বার বার এদিক ওদিক তার চেহারাটা ঘুরিয়ে দিচ্ছে। ফটোগ্রাফার: দেখি এদিকে, না না হয়নি, ওদিকে। শিরিনের পেছন থেকে অনেক গুলো হাত উঠে এলো...

Please disable your adblocker or whitelist this site!

error: Content is protected !!