Stories Archives - Mati News
Wednesday, September 9

Stories

matinews.com-এ গল্প লিখে আয় করুন

matinews.com-এ গল্প লিখে আয় করুন

Cover Story, Stories
গল্প লিখতে ভালোবাসেন? আপনার লেখা গল্প এখন শুধু পাঠকের ভালোবাসাই নয়, এনে দিতে পারে আয়ও। লেখকদের জন্য নতুন সুযোগ নিয়ে এসেছে matinews.com। এখন থেকে matinews.com-এ গল্প লিখে প্রকাশ করতে পারবেন এবং গল্পটি যত বেশি পাঠকের কাছে পৌঁছাবে, তত বেশি আয় করার সুযোগ থাকবে। প্রতি ১,০০০ ভিউয়ের জন্য দেওয়া হবে ২০ টাকা। অর্থাৎ, আপনার গল্পের পাঠকসংখ্যা যত বাড়বে, আপনার আয়ও তত বাড়বে। নতুন লেখক থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ গল্পকার—সবাই এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারবেন। প্রেম, রহস্য, রোমাঞ্চ, সামাজিক গল্প, পারিবারিক কাহিনি, কমেডি কিংবা সমসাময়িক বিষয়—বিভিন্ন ধরনের মৌলিক গল্প প্রকাশের সুযোগ রয়েছে। আপনার সৃজনশীলতাকে ছড়িয়ে দিন আরও বেশি পাঠকের কাছে। লিখুন আপনার গল্প, প্রকাশ করুন matinews.com-এ এবং গল্পের ভিউ থেকে আয় করুন। লিখুন। পাঠকের কাছে পৌঁছান। আর আপনার লেখার জনপ্রিয়তাকে আয়ে পরিণত করুন। গল্প gol...
এক দিন দড়িটা

এক দিন দড়িটা

Kidz, Stories, Stories for Kids
ধ্রুব নীল শহরের নাম আটকা। আটকা মানে যেটা আটকে আছে। সত্যিই তাই! শহরের সবাই আটকে আছে! নিজেকে নিয়ে। কেউ কারো সাথে কথা তো দূরে থাক, ফিরেও তাকায় না। পাশের বাসায় যে থাকে, তার সঙ্গে চোখাচোখি হলেও চোখ নামিয়ে ফেলে। যেন দেখতেই পায়নি! যেন চোখাচোখি হলেই একটা কিছু ঘটে যাবে। এমন শহরের নাম তো আটকা হবেই। একদিন আটকা শহর ঘটল অদ্ভুত ঘটনা। একটা দড়ি এসে হাজির। ঠিক দড়ি নয় ওটা। লম্বা লিকলিকে একটা বস্তু। মসৃণ আর রাবারের মতো। টানলে বড় হয় কিন্তু ছোট হয় না। দড়িটা প্রথমেই গিয়ে পেঁচিয়ে গেল আবদুল মোতালেব সাহেবের কোমরে। মোতালেব সাহেব বাকি সবার মতো। কথাবার্তা বলেন কম। নিজেকে নিয়েই থাকেন। কোমরে দড়ি দেখে শুরু হলো চেঁচামেচি। ‘আজব তো! আমার কোমরে দড়ি আসল কোত্থেকে? কে বাঁধল! খোলে না কেন!’ অনেক টানাটানি করেও কেউ মোতালেব সাহেবের দড়িটা খুলতে পারল না। দড়িটাও দুষ্টু। তিড়িং বিড়িং করে সরে যায়।...
বর্ষার ভেজা বিকেল 

বর্ষার ভেজা বিকেল 

Stories
আসাদুজ্জামান খান মুকুল  আজ থেকে ২৫-২৬ বছর আগের কথা।অনিমাদের বাসার পাশে রাস্তার মোড়ে একটি টং দোকান ছিল। রহিম মিয়া সেখানে চা-পান বিক্রি করতেন। সবাই তাকে মামা বলে ডাকত।অনিমা রোজ এই দোকানের পাশ দিয়েই কলেজ আসা-যাওয়া করত।কলেজ থেকে ফেরার পথে মাঝেমধ্যেই ওখান থেকে বাবার জন্য কিনে নিত খিলিপান। বাবার প্রতি তার ছিল অন্যরকম টান। চয়ন ছিল ওই এলাকারই একটা মেসে থাকা ছেলে, প্রাইভেট কোম্পানিতে নতুন ঢুকেছে। প্রায়ই অফিস ফিরে ওখানটায় সেও চা খেতে আসত। একদিন অনিমা পান নিয়ে খুচরো টাকা ব্যাগে না পেয়ে কিছুটা ইতস্তত করে দাঁড়িয়ে রইল। দোকানদার মামা কিছুটা বিরক্ত হচ্ছিল বুঝে চয়ন চুপচাপ পাঁচটা টাকা দিয়ে বললেন- "মামা, উনার এটা রেখে দিন।" অনিমা অনেকটা অস্বস্তিতে পড়ে বলেছে-  "না না আপনি দিবেন কেন ?" চয়ন হাত নেড়ে বলে- "আরে কি যে বলেন, ও কোন সমস্যা না। না হয় কাল আমাকে দিয়ে দিবেন।" ...
কাঠবিড়ালির বন্ধুত্ব

কাঠবিড়ালির বন্ধুত্ব

Kidz, Stories, Stories for Kids
আব্দুস সাত্তার সুমন  ধামালকোট মাদ্রাসায় পড়ত চৌদ্দ বছরের কিশোর সুমন। পড়াশোনায় সে মোটামুটি ভালো হলেও তার মন ছিল প্রকৃতিপ্রেমী। পাখি, গাছ, ফুল আর ছোট ছোট প্রাণীর প্রতি ছিল তার অদ্ভুত এক টান। একদিন বিকেলে মাদ্রাসা ছুটি হওয়ার পর সে তার বন্ধু শাহজালালের বাড়িতে বেড়াতে গেল। গল্প করতে করতে হঠাৎ তার চোখ পড়ল বারান্দার এক কোণে রাখা ছোট্ট একটি খাঁচার দিকে। খাঁচার ভেতরে লেজ নাড়িয়ে এদিক-ওদিক ছুটে বেড়াচ্ছে অদ্ভুত সুন্দর একটি প্রাণী। সুমন বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করল, এটা কী? শাহজালাল হেসে বলল, এটা কাঠবিড়ালি। আমার বড় ভাই এনেছে। সুমন আগে কখনো এত কাছ থেকে কাঠবিড়ালি দেখেনি। প্রাণীটিকে দেখে তার মন ভরে গেল। সে বলল, এটা কি আমাকে দেবে? আমার খুব ভালো লেগেছে। শাহজালাল মাথা নেড়ে বলল, এটা আমার নয়। বড় ভাই এলে তাকে জিজ্ঞেস করো। পরদিন সকালেই সুমন আবার শাহজালালদের বাড়িতে...
সায়েন্স টিচার

সায়েন্স টিচার

Kidz, Stories, Stories for Kids
কবির কাঞ্চন ক'দিন ধরে পৃথাদের মন ভালো নেই। ভালো থাকবেইবা কেমন করে। ওদের সবচে' প্রিয় সায়েন্স টীচার হঠাৎ করে গায়েব হয়ে গেছেন। স্যারের গায়েব হওয়ার বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারছেন না। স্টপ গ্যাপ ক্লাসে যে স্যারই আসেন অমনি ওরা জিজ্ঞেস করে বসে, "স্যার, আমাদের বাবলু স্যার কোথায়? আমরা বাবলু স্যারের ক্লাস করব।" স্টপ গ্যাপ ক্লাস নিতে আসা শিক্ষক ওদের ধমক দিয়ে থামিয়ে দেন। জুম্মান স্যার তো বলেই ফেললেন, "কোন স্যার এলো-গেল সেটা তোমাদের দেখার বিষয় না। আগে মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করো। যত্তসব! " এভাবে প্রায় পাঁচ দিন কেটে যায়। এ কয়দিনে ওদের সায়েন্স ক্লাসের অবস্থা অনেকটা যাচ্ছেতাই। বাবলু স্যারের মতো করে কেউ সায়েন্সের খুঁটিনাটি বোঝান না। তাছাড়া স্টপ গ্যাপ ক্লাস করতে আসা স্যারদের আচরণও অনেকটা সৎমায়ের মতো। মঙ্গলবার। পৃথার হঠাৎ মনে পড়ে ওদের সায়েন্স প্রজেক্টের কথা। বাবলু স্যার লাস্ট ক্লাসে ওদের একটি প্রজেক্ট ওয়ার্ক ...
শিকল ভাঙার গান

শিকল ভাঙার গান

Stories
আব্দুস সাত্তার সুমন আমরা তো যৌতুকের কথা বলিনি, করিম ভাই। কথাটা বলেই লোকটি একটু হাসলেন। তাঁর সামনে বসে থাকা আব্দুল করিম কিছু বললেন না। লোকটি আবার বললেন, এলাকার একটা রেওয়াজ আছে। মেয়ের বাবা সাধ্য অনুযায়ী কিছু উপঢৌকন দেন। একটা মোটরসাইকেল হলে ছেলের যাতায়াতে সুবিধা হয়, একটা ফ্রিজ থাকলে সংসারের কাজেও লাগে। আর দু-একটা আসবাবপত্র তো নতুন সংসারে দরকারই হয়। করিম সাহেব এবারও চুপ করে রইলেন। তাঁর শুকনো ঠোঁট দুটো নড়ল, কিন্তু কোনো কথা বের হলো না। পাশের ঘরে বসে সব কথা শুনছিল মারিয়াম। কিছুক্ষণ পর সে ধীরে ধীরে ঘরে এসে দাঁড়াল। চাচা, একটা কথা জিজ্ঞেস করব? লোকটি মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বললেন, বলো মা। আমার বাবা যদি এসব দিতে না পারেন, তাহলে কি আপনার ছেলে আমাকে বিয়ে করবে? প্রশ্নটি শুনে ঘরের পরিবেশ বদলে গেল। ছেলের বাবা একবার করিম সাহেবের দিকে, একবার মারিয়ামের দিকে তাকালেন। ...
টোকাই শিশু”

টোকাই শিশু”

Stories
ফারুক আহম্মেদ জীবন  ঢাকা গুলশান দুই নম্বর ব্লকের প্রথম গলির দুটি বাড়ির পরের পাঁচতলা বাড়িটা নাম করা বিশিষ্ট  শিল্পপতি আবিদ খানের। এতো বড় বাড়ি অথচ বাড়িতে কেউ নেই। শুধু মাত্র আবিদ খানের এক- মাত্র নেশাখোর বখাটে ছেলে রুদ্র ছাড়া। যে এম এ পাশ করে উচ্চ সমাজের কিছু নেশাখোর বখাটে বন্ধুদের সাথে মিশে আজ সেও নষ্ট হয়ে গেছে। রুদ্র এখনো বিয়ে করিনি। রুদ্রর মা-বাবা গতকাল এক সপ্তাহের জন্য সিঙ্গাপুর গেছে চিকিৎসা হতে। রুদ্র সচরাচর বাইরে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে বিভিন্ন পাট্টি ক্লাবে নেশা করলেও। তার মা-বাবার সামনে বাড়িতে সে কখনো নেশা করেনা। কিন্তু এখন বাড়ি পুরো ফাঁকা থাকায়।নেশার সকল সরঞ্জাম বাড়িতে এনে নিজের বেড রুমে বসে মনের আনন্দে স্বাধীন ভাবে ফিলিংসে নেশা করছে। এখন আষাঢ় মাস, আকাশেও ঘন-কালো মেঘ। সারাদিন বিরামহীন ঝমঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে। রুদ্র নেশায় পুরো বুদ হয়ে গেছে। নেশার ঘোরে সে গুনগুন করে ...
রোমান্টিক রম্য গল্প: আমাদের প্রেম ভালোই চলছে

রোমান্টিক রম্য গল্প: আমাদের প্রেম ভালোই চলছে

Stories
লেখক: সোহাইল রহমান প্রথম যেদিন রাত সাড়ে তিনটায় আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে বলে, ‘গোসল করে আসলাম মাত্রই’, সত্যি বলতে তখন আমার সামান্য খটকা লেগেছিল। এতো রাতে কে গোসল করে? কেন করে? তার পরের দিন ভোর চারটায় তাকে অনলাইনে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী করো?’ সে বলল, ‘গোসল করে এসে বসে বসে চুল শুকাচ্ছি।’ তার পরদিন আবার দেখি ফজরের আজানের আগে অনলাইনে। দেখেই বুঝছি কী কাহিনী। জিগাইছি, ‘আজও গোসল করলা?’ সে লাজুক হাসির ইমো দিয়ে বলল, ‘উহু, এখনো করিনি। যাচ্ছি এখন।’ আমি মনে মনে নিজেকে বুঝালাম, যে গরম পড়তেছে আজকাল! আমারই রাতবেরাতে গোসল করতে ইচ্ছা করে। অথবা হয়তো ওদের বাসায় পানি থাকে না দিনের বেলা, এজন্য কষ্ট করে এতো গভীর রাতে গোসল করা লাগতেছে। আহারে, বেচারী! . এতো গেল রাতের টেনশন৷ দিনেও আছে। আমার ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ুয়া গার্লফ্রেন্ড, যে কিনা ‘ড্যাডিস প্রিন্সেস’ আর ‘মাম্মিস লিটল এঞ্জেল’, সে ...
লেখক রহস্য

লেখক রহস্য

Stories
লেখক: সালাউদ্দিন পল্লব (প লয়ে লয়ে ব) সকাল সাড়ে সাতটা। সারা রাত বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা গুলোর কোথাও পানি জমা, কোথাও কোথাও কাদা হয়ে।আছে।  মিরপুর সেকশন ৬ এ  রহস্য গল্প লেখক টুটুল  পারভেজ  সাহেবের বাসায় চারপাশে প্রচুর হট্টগোল। শ'খানেক উৎসুক মানুষ দাড়িয়ে আছে। দুটো পুলিশের গাড়িও আছে। আশেপাশের বিল্ডিংয়ের মানুষগুলোও কেউ জানালা, ব্যালকনীর গ্রীলের ফাঁক গলে পারভেজ সাহেবের একতলা বাড়ির ভেতরে কি ঘটেছে দেখার চেষ্টা করছে। সেন্ট্রি টাইপ ক'জন পুলিশ সদস্য বারবার বাশি বাজিয়ে উৎসুক মানুষ গুলোকে সরিয়ে দেয়ার ব্যার্থ চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই পুলিশের দুজন বড়কর্তা এসে ঢুকেছেন বাড়ির ভেতর। পারভেজ সাহেব ইদানিংকালের বেশ জনপ্রিয় একজন রহস্য লেখক। পুলিশের বড়কর্তা দুজন বাড়ির ভেতর থেকে বের হয়ে এলেন। তাদের গম্ভীর মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে ভেতরে নিশ্চই কোন অঘটন ঘটেছে! তারা বারবার ওয়াকিট...
কাশবনের রহস্য 

কাশবনের রহস্য 

Stories
 আব্দুস সাত্তার সুমন  আকাশে মেঘ নেই, দুপুরের রোদে কাশবনটা যেন সাদা সোনায় ঝলমল করছে। ঠিক সেই সময় গ্রামের দুই বন্ধু আনাস আর হাসান স্কুল ফাঁকি দিয়ে রওনা হলো কাশবনের দিকে। হাসান বলল, শুনেছি রাতে এই বনে ঘণ্টার আওয়াজ আসে, কেউ জানে না সেটা কোথা থেকে আসে! আনাস হেসে বলল, চল আজই রহস্যটা বের করব! দুজনেই ব্যাগে বিস্কুট, টর্চ আর এক পুরনো ম্যাগনিফাইং গ্লাস নিয়ে রওনা হলো। কাশবনের ভেতর ঢুকতেই বাতাসে মিষ্টি গন্ধ– যেন কেউ ফুলে ফুলে মধু ছিটিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ পায়ের নিচে কচ্ করে কিছু ভাঙল। নিচে দেখে তারা অবাক একটা ছোট্ট কাঁচের ঘণ্টা,  যার গায়ে লেখা, কাশবনের রক্ষক ছুঁও না! হাসান বলল, ওরে বাবা! রক্ষক মানে ভূত নাকি? আনাস হেসে বলল, না, এটা হয়তো কোনো পুরনো কাঁচের ঘন্টা! তারা ঘণ্টাটা ব্যাগে রাখতেই কাশফুলগুলো হঠাৎ দুলে উঠল, বাতাসে শোঁ শোঁ আওয়াজ মনে হলো কেউ খুব রেগে গে...
Time Village

Time Village

Stories
There is no village in Bangladesh officially called Time Village. At least, not on the maps we currently use. According to those maps, such a place simply does not exist. The name is actually my invention. In my opinion, the village deserves to be called Time Village. Though the people who live there do not care much about names. To them, a village is simply a village. In Time Village, time itself seems unwilling to move. Everyone has an abundance of it. A farmer may suddenly decide, while working in the field, that he would rather sit quietly and breathe in the autumn wind instead of continuing to weed the crops. And so he does exactly that—for hours. Eventually night falls. Jackals begin to howl in the distance. Listening to those distant cries, a mother slowly tells he...
Ethan : A Mystery Science Fiction Thriller Story

Ethan : A Mystery Science Fiction Thriller Story

Stories
 “Professor Whitaker isn’t in the mood to see visitors today. You should come back another time. Please let me know when you plan to return so I can log it in the scheduling system.” The living room of the modern Boston apartment was almost empty of furniture. A large window overlooked the river, and soft classical music floated through the air. No speakers were visible. It felt as if the music itself lived inside the walls. Emily Carter sat quietly on the couch. She didn’t mind waiting. The peaceful environment actually helped her concentrate. She opened her tablet and skimmed through the latest draft of her doctoral thesis. Without looking up she said calmly, “I’ll wait.” “Understood,” replied the figure sitting across from her. “Would you like another cup of c...
যে ছেলেটা আর খায়নি

যে ছেলেটা আর খায়নি

Stories
সাবিত রিজওয়ান  মা শহরে খালার বাসায় যাওয়ায় তুফান ছাড়া বাড়িতে কেউ নেই। অনেক রাত চিন্তায় চিন্তায় ঠিকমতো ঘুমানো হয়নি। তবে আজ বাড়ি ফাঁকা থাকায় দুপুরে একটু ঘুমাতে পেরেছিল তুফান। রাত বাজে বারোটা, ঠিক আগের রাতগুলোর মতো আজও চোখে ঘুম নেই। বাহিরে প্রসাব করতে গিয়ে তার মনে কিছু শব্দ নাড়া দিল— “আমার জন্য পরিবার তো অনেক করলো, আমি করতে পারলাম না। আমি ব্যর্থ। বড় ভাইটিও আমাদের সংসারে টাকা দেয় না, ভাই যা কামাই করে তা নিজের সংসার চালাতে হিমশিম। বাবারও তো বয়স হয়েছে, আর কদিনই বা ইনকাম করতে পারবে। আমি খেয়েই যদি সব শেষ করি, কদিন পরে তারা চলবে কিভাবে? এর চেয়ে ভালো আমি বেকার আপদটি যদি আর কোনোদিন না খাই। তারা একটু চলুক। আল্লাহ তুমি বাবা-মাকে সুস্থ রাখিও, ভালো রাখিও আর আমায় ক্ষমা করিও। কোনো একদিন তো আমায় মরতেই হবে।” মা তো মায়। মা যেখানেই থাকুক না কেন, সন্তানের জন্য নিজমন ছটফট করবে। ...
প্রায়শ্চিত্ত : গল্প

প্রায়শ্চিত্ত : গল্প

Stories
টি এইচ মাহির গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছি।খুব তাড়া আছে। তাড়াহুড়ো করে বাসা থেকে বের হলাম। একটা জরুরী মিটিং আছে।বাসা থেকে প্রথমে সি‌এনজি নিয়ে যেতে হবে কদমপুর। তারপর টেম্পুতে করে যাবো সিকদারহাট। সিকদারহাটে জরুরি প্রেস মিটিং। সকাল দশটায় ফোন দিয়ে জানালো হাসান ভাই।না জানি কিসের মিটিং। ভাবতে ভাবতে পকেটে হাত দিয়ে দেখি আসার সময় পকেটে শুধু একটা বিশ টাকার নোট নিয়ে এসেছি। কিন্তু এখন তো আর আবার বাসায় যাওয়া যাবে না। এদিকে একটা সিএনজি ও এসে গেছে। যাইহোক সিএনজিতে উঠে পড়লাম।পথের দু'পাশের ধানক্ষেতের সবুজ দৃশ্য দেখতে দেখতে কদমপুর পৌঁছালাম।দশটাকা সিএনজি ভাড়া। পকেট থেকে বিশটাকার নোটটা ড্রাইভারকে দিলাম। দুটো পাঁচ টাকার নোট ফেরত দিলো ড্রাইভার। পকেটে পুরে তাড়াতাড়ি টেম্পুর জন্য র‌ওনা দিলাম। সিকদারহাট যেতে হবে। এদিকে হাসান ভাই কলের পর কল দিচ্ছেন।কল ধরে আশ্বস্ত করলাম আমি টেম্পুতে। সিকদারহ...
মং ও রঙিন পাখি

মং ও রঙিন পাখি

Stories
নীহার মোশারফ পাহাড়ের পাদদেশে সারে সারে ঘর। বাঁশ দিয়ে তৈরি। কী সুন্দর কারুকাজ! ঘরের সামনে উঠোন। উঠোনের পাশে ছোট্ট একটি বাগান। বাগানে কত রঙের ফুল। অন্যপাশে নলখাগড়ার বন। অপরূপ ঝরনাধারা। ঝরনার পানি দেখতে স্বচ্ছ। পানিতে ছোট ছোট পাথর। পাহাড়িরা সেই পানিতে গোসল করে। কেউ কেউ ঘরের কাজে নিয়ে যায় পানি। বাগানে অনেক পাখি। প্রজাপতি। ঘর থেকে মং পাখি ও প্রজাপতি দেখে। মাচান ঘরের জানলা দিয়ে পাহাড়ঘেঁষা নীল আকাশও দেখে। মং পাখি দেখে আর হাসে। মা মংকে মুড়ি-মুড়কি খেতে দেয়। মং তা না খেয়ে পাখিদের জন্য নিয়ে যায়। পাখিরা খাবার খুঁটে খুঁটে খায়। খাওয়া শেষে কিচিরমিচির করে। ওড়াউড়ি করে। এক ডাল থেকে অন্য ডালে যায়। পাখিসব মঙের কাছাকাছি থাকে। খুব ভালোবাসে ওকে। পাখিসব মঙের জন্য ঠোঁটে করে দূর থেকে কত্তকিছু নিয়ে আসে। আকাশের নীল, রংধনুর রং, নানা স্বাদের ফল, ঘাসপাতা, বিস্কুট, খেলনাসহ আরও কত কী! মং স্কুলে যায়...