Stories Archives - Mati News
Sunday, May 3

Stories

কাশবনের রহস্য 

কাশবনের রহস্য 

Stories
 আব্দুস সাত্তার সুমন  আকাশে মেঘ নেই, দুপুরের রোদে কাশবনটা যেন সাদা সোনায় ঝলমল করছে। ঠিক সেই সময় গ্রামের দুই বন্ধু আনাস আর হাসান স্কুল ফাঁকি দিয়ে রওনা হলো কাশবনের দিকে। হাসান বলল, শুনেছি রাতে এই বনে ঘণ্টার আওয়াজ আসে, কেউ জানে না সেটা কোথা থেকে আসে! আনাস হেসে বলল, চল আজই রহস্যটা বের করব! দুজনেই ব্যাগে বিস্কুট, টর্চ আর এক পুরনো ম্যাগনিফাইং গ্লাস নিয়ে রওনা হলো। কাশবনের ভেতর ঢুকতেই বাতাসে মিষ্টি গন্ধ– যেন কেউ ফুলে ফুলে মধু ছিটিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ পায়ের নিচে কচ্ করে কিছু ভাঙল। নিচে দেখে তারা অবাক একটা ছোট্ট কাঁচের ঘণ্টা,  যার গায়ে লেখা, কাশবনের রক্ষক ছুঁও না! হাসান বলল, ওরে বাবা! রক্ষক মানে ভূত নাকি? আনাস হেসে বলল, না, এটা হয়তো কোনো পুরনো কাঁচের ঘন্টা! তারা ঘণ্টাটা ব্যাগে রাখতেই কাশফুলগুলো হঠাৎ দুলে উঠল, বাতাসে শোঁ শোঁ আওয়াজ মনে হলো কেউ খুব রেগে গে...
Time Village

Time Village

Stories
There is no village in Bangladesh officially called Time Village. At least, not on the maps we currently use. According to those maps, such a place simply does not exist. The name is actually my invention. In my opinion, the village deserves to be called Time Village. Though the people who live there do not care much about names. To them, a village is simply a village. In Time Village, time itself seems unwilling to move. Everyone has an abundance of it. A farmer may suddenly decide, while working in the field, that he would rather sit quietly and breathe in the autumn wind instead of continuing to weed the crops. And so he does exactly that—for hours. Eventually night falls. Jackals begin to howl in the distance. Listening to those distant cries, a mother slowly tells he...
Ethan : A Mystery Science Fiction Thriller Story

Ethan : A Mystery Science Fiction Thriller Story

Stories
 “Professor Whitaker isn’t in the mood to see visitors today. You should come back another time. Please let me know when you plan to return so I can log it in the scheduling system.” The living room of the modern Boston apartment was almost empty of furniture. A large window overlooked the river, and soft classical music floated through the air. No speakers were visible. It felt as if the music itself lived inside the walls. Emily Carter sat quietly on the couch. She didn’t mind waiting. The peaceful environment actually helped her concentrate. She opened her tablet and skimmed through the latest draft of her doctoral thesis. Without looking up she said calmly, “I’ll wait.” “Understood,” replied the figure sitting across from her. “Would you like another cup of c...
যে ছেলেটা আর খায়নি

যে ছেলেটা আর খায়নি

Stories
সাবিত রিজওয়ান  মা শহরে খালার বাসায় যাওয়ায় তুফান ছাড়া বাড়িতে কেউ নেই। অনেক রাত চিন্তায় চিন্তায় ঠিকমতো ঘুমানো হয়নি। তবে আজ বাড়ি ফাঁকা থাকায় দুপুরে একটু ঘুমাতে পেরেছিল তুফান। রাত বাজে বারোটা, ঠিক আগের রাতগুলোর মতো আজও চোখে ঘুম নেই। বাহিরে প্রসাব করতে গিয়ে তার মনে কিছু শব্দ নাড়া দিল— “আমার জন্য পরিবার তো অনেক করলো, আমি করতে পারলাম না। আমি ব্যর্থ। বড় ভাইটিও আমাদের সংসারে টাকা দেয় না, ভাই যা কামাই করে তা নিজের সংসার চালাতে হিমশিম। বাবারও তো বয়স হয়েছে, আর কদিনই বা ইনকাম করতে পারবে। আমি খেয়েই যদি সব শেষ করি, কদিন পরে তারা চলবে কিভাবে? এর চেয়ে ভালো আমি বেকার আপদটি যদি আর কোনোদিন না খাই। তারা একটু চলুক। আল্লাহ তুমি বাবা-মাকে সুস্থ রাখিও, ভালো রাখিও আর আমায় ক্ষমা করিও। কোনো একদিন তো আমায় মরতেই হবে।” মা তো মায়। মা যেখানেই থাকুক না কেন, সন্তানের জন্য নিজমন ছটফট করবে। ...
প্রায়শ্চিত্ত : গল্প

প্রায়শ্চিত্ত : গল্প

Stories
টি এইচ মাহির গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছি।খুব তাড়া আছে। তাড়াহুড়ো করে বাসা থেকে বের হলাম। একটা জরুরী মিটিং আছে।বাসা থেকে প্রথমে সি‌এনজি নিয়ে যেতে হবে কদমপুর। তারপর টেম্পুতে করে যাবো সিকদারহাট। সিকদারহাটে জরুরি প্রেস মিটিং। সকাল দশটায় ফোন দিয়ে জানালো হাসান ভাই।না জানি কিসের মিটিং। ভাবতে ভাবতে পকেটে হাত দিয়ে দেখি আসার সময় পকেটে শুধু একটা বিশ টাকার নোট নিয়ে এসেছি। কিন্তু এখন তো আর আবার বাসায় যাওয়া যাবে না। এদিকে একটা সিএনজি ও এসে গেছে। যাইহোক সিএনজিতে উঠে পড়লাম।পথের দু'পাশের ধানক্ষেতের সবুজ দৃশ্য দেখতে দেখতে কদমপুর পৌঁছালাম।দশটাকা সিএনজি ভাড়া। পকেট থেকে বিশটাকার নোটটা ড্রাইভারকে দিলাম। দুটো পাঁচ টাকার নোট ফেরত দিলো ড্রাইভার। পকেটে পুরে তাড়াতাড়ি টেম্পুর জন্য র‌ওনা দিলাম। সিকদারহাট যেতে হবে। এদিকে হাসান ভাই কলের পর কল দিচ্ছেন।কল ধরে আশ্বস্ত করলাম আমি টেম্পুতে। সিকদারহ...
মং ও রঙিন পাখি

মং ও রঙিন পাখি

Stories
নীহার মোশারফ পাহাড়ের পাদদেশে সারে সারে ঘর। বাঁশ দিয়ে তৈরি। কী সুন্দর কারুকাজ! ঘরের সামনে উঠোন। উঠোনের পাশে ছোট্ট একটি বাগান। বাগানে কত রঙের ফুল। অন্যপাশে নলখাগড়ার বন। অপরূপ ঝরনাধারা। ঝরনার পানি দেখতে স্বচ্ছ। পানিতে ছোট ছোট পাথর। পাহাড়িরা সেই পানিতে গোসল করে। কেউ কেউ ঘরের কাজে নিয়ে যায় পানি। বাগানে অনেক পাখি। প্রজাপতি। ঘর থেকে মং পাখি ও প্রজাপতি দেখে। মাচান ঘরের জানলা দিয়ে পাহাড়ঘেঁষা নীল আকাশও দেখে। মং পাখি দেখে আর হাসে। মা মংকে মুড়ি-মুড়কি খেতে দেয়। মং তা না খেয়ে পাখিদের জন্য নিয়ে যায়। পাখিরা খাবার খুঁটে খুঁটে খায়। খাওয়া শেষে কিচিরমিচির করে। ওড়াউড়ি করে। এক ডাল থেকে অন্য ডালে যায়। পাখিসব মঙের কাছাকাছি থাকে। খুব ভালোবাসে ওকে। পাখিসব মঙের জন্য ঠোঁটে করে দূর থেকে কত্তকিছু নিয়ে আসে। আকাশের নীল, রংধনুর রং, নানা স্বাদের ফল, ঘাসপাতা, বিস্কুট, খেলনাসহ আরও কত কী! মং স্কুলে যায়...
ডিম নিয়ে এলাহিকাণ্ড

ডিম নিয়ে এলাহিকাণ্ড

Stories
 মোঃ আশতাব হোসেন  ঝুমুর মিয়া অনেকটাই অলস, তার মধ্যে সবেমাত্র  বিয়ে করে নতুন বধূ ঘরে এনেছে । বউকেও তেমন কিছু দিতে পারে না। যা দরকার ঝুমুর মিয়ার বাবাই কিনে দেয় বউকে। সবারই একান্ত ব্যক্তিগত কিছুর দরকার হয়।  বউরাও স্বামীর কাছে কিছু আশা করে।  কিন্তু ঝুমুর মিয়ার কিছু দেওয়ার সাধ্য নেই। বাবার ঘাড়ে খায় এটাইতো বেশী। এসব দেখে  বউ একদিন ভাবে বাবা-মা কেমন অলস জামাই দেখে বিয়ে দিয়েছে! সে কিছুই কিনে দিতে পারে না! এর পর ঝুমুর মিয়াকে বলে এই শোনো, এমন করে বসে থাকলে ভবিষ্যৎ জীবন চলবে কেমনে?  কিছু একটা তো করো। ঝুমুর বলে কি আর করব!  আমার কাছেতো কোনো টাকা পয়সা নেই। বউ বলে আচ্ছা  আমার কাছে কিছু টাকা আছে সেটা দিয়ে ডিমের ব্যবসা করবে। গ্রাম থেকে ডিম কিনে তা বাজারে বিক্রি করবে।  বাজারেতো ডিমের হালি ৪০ টাকা, আর গ্রাম থেকে কিনতে পারবে ৩০টাকা।  তুমি এই...
মায়ের গল্প: অভাগিনী

মায়ের গল্প: অভাগিনী

Stories
কবির কাঞ্চন জীবনের ঘানি টানতে টানতে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষদের অন্যতম বিল্লুরাণী। একমাত্র ছেলে দীলিপের মুখে ''বাবা' শব্দটা ফোটবার আগেই তিনি স্বামীকে হারালেন।স্বামী হরিপদ ছিলেন একজন প্রান্তিক জেলে। মহাজনের নৌকায় বছরব্যাপী কর্মচারী ছিলেন। সংসার খরচ মেটানোর জন্য আগে আগে মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিতেন বলে অনেকটা গৃহপালিত কর্মচারীর মতো আচরণ করা হতো তার সাথে। সেবার একটানা আকাশের অবস্থা খারাপ ছিল। তারওপর হরিপদের শরীরের অবস্থাও খারাপ ছিল। সে নৌকায় না গিয়ে বাসায় থেকে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে মহাজনের লোকজন এসে তাকে জোর করে কাজে নিয়ে যায়। যাবার বেলায় ছেলে দীলিপকে তিনি বলে গেলেন,  বাবা, ঠিকমতো লেখাপড়া করিস, তোকে অনেক বড় হতে হবে।এই কথাটাই ছিল শেষবারের মতো বাবার মুখে শোনা কথা। হরিপদরা নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে সমুদ্রে পাড়ি জমালেও আর ফিরে আসেনি। সেই থেকে অভাগিনীর ললাটে জুটেছে দিনে গার্মেন্টসে চাকরি ...
দেয়ালের ওপাশে

দেয়ালের ওপাশে

Stories
সাবিত রিজওয়ান তারা যেন প্রতিবেশী না, শত্রু। কেউ কারো ভালো চায় না। একই উঠান ভাগ করে থাকে, একই পথ দিয়ে হাঁটে, কিন্তু একে অপরের দিকে তাকালে চোখে শুধু কঠোরতা।  কবির এই উঠানে জন্মেছে। এই উঠানেই বড় হয়েছে। অথচ আজকাল তার নিজের বাড়িটাও তার কাছে অপরিচিত লাগে। পাশের বাড়ির আরশ, যার সঙ্গে একসময় একই গাছে উঠে আম পেড়েছে, আজ সে অদৃশ্য এক দেওয়ালের ওপাশের একজন মানুষ মাত্র।  সবকিছুর শুরু তিন হাত জমি থেকে।  আরশ আর তার মা বিশ্বাস করত, কবিরদের বাড়ির সীমানার ভেতরে তাদের তিন হাত জায়গা আছে। কতদিন আর নিজের জমি অন্যের দখলে থাকবে? এক সকালে তারা ইট এনে সীমানা গাঁথতে শুরু করল। প্রায় বিশটা ইট বসেও গেল। কবিরের বাবা এসে দাঁড়ালেন।“এইটা আমাদের জায়গা। আপনারা কেন এখানে দেয়াল তুলছেন?” আরশের মা বললেন,“এই জায়গা আমাদের। এতদিন চুপ ছিলাম, তাই বলে এটা আপনাদের হয়ে যায় না।” কথা বাড়ল। উত্তাপ বাড়ল। কিন...
হুমায়ূন আহমেদের ৭২টি জনপ্রিয় বই, free ডাউনলোড করুন PDF  | Free PDF of Humayun Ahmed’s 72 books

হুমায়ূন আহমেদের ৭২টি জনপ্রিয় বই, free ডাউনলোড করুন PDF | Free PDF of Humayun Ahmed’s 72 books

Education, Stories
বাংলা সাহিত্যের আকাশে যে নামটা নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে—তিনি হুমায়ূন আহমেদ। হিমু, মিসির আলী, শুভ্র—এই চরিত্রগুলো আমাদের শৈশব, কৈশোর আর যৌবনের সঙ্গে মিশে আছে। ৭২টি বইয়ের তালিকা যেগুলো free pdf download করতে পারবেন নিচের লিংক থেকে হুমায়ূন আহমেদের ৭২টি বইয়ের তালিকা দেওয়া হলো। বইগুলোর পিডিএফ (Humayun Ahmed Book pdf free download) ডাউনলোড করার গুগল ড্রাইভ নিচে লিংক দেওয়া আছে। ১৯৭১আজ হিমুর বিয়েঅগ্নির পরশমণিআজ দুপুরে তোমার নিমন্ত্রণআমাদের সাদা বাড়িআমি এবং আমরাআমি–ই মিসির আলিআঙুল কাটা জাগলুঅন্যভুবনআয়নাঘরবাদশাহ নামদারবাঘবন্দি (মিসির আলি)বাসরভয়বিপদবহুব্রীহিবৃহন্নলাবৃষ্টি বিলাসচলে যায় বসন্তের দিনদারুচিনি দ্বীপদেবীদিঘির জলে কার ছায়া গোদরজার ওপাশেএবং হিমুএই শুভ্র এইএকজন হিমু কয়েকটি ঝিন ঝিন পোকাহিমুহিমু এবং একটি রাশিয়ান পরীহিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচডি বল্টু ভাইহিমু রিমান্ডেহিমুর...
ধারাবাহিক: তিন রেখা প্রেম পর্ব ৪-৬ (শেষ)

ধারাবাহিক: তিন রেখা প্রেম পর্ব ৪-৬ (শেষ)

Stories
আগের পর্বের লিংক ১ ২ ৩ পর্ব–৪ : ছায়ার কৌশল শোবিজে গুজব বাতাসের মতো—কেউ দেখায় না, কিন্তু সবাই শ্বাস নেয়। ফারিণের নামের পাশে হঠাৎ প্রশ্নচিহ্ন জুড়ে যায়। সাদিয়া ল্যাপটপ বন্ধ করে বলল,“খবরটা ছড়িয়েছে।” মাহি ধীরে জিজ্ঞেস করল,“আমরা কি খুব দূরে চলে যাচ্ছি?” সাদিয়া তাকাল।“আমরা আগেই দূরে ছিলাম। এখন শুধু ফিরছি।” ফারিণ শুটিং সেটে দাঁড়িয়ে।ক্যামেরা তার দিকে, কিন্তু চোখ খুঁজছে আলমকে। “আজ তুমি চুপ কেন?”সহশিল্পী জিজ্ঞেস করল। ফারিণ হালকা হাসল।“কারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর ক্যামেরায় দেওয়া যায় না।” রাতে— “তারা কি আমাকে সরাতে চায়?”ফারিণ সরাসরি জিজ্ঞেস করল। আলম উত্তর দিল না। ফারিণ শান্ত গলায় বলল,“নীরবতা যদি তোমার সিদ্ধান্ত হয়, আমাকে জানিও।” পর্ব–৫ : ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে একটি অনুষ্ঠানে— মাহি ফারিণের সামনে দাঁড়িয়ে বলল,...
ধারাবাহিক: রোমান্টিক গল্প: তিন রেখা প্রেম : পর্ব–২

ধারাবাহিক: রোমান্টিক গল্প: তিন রেখা প্রেম : পর্ব–২

Stories
: ফেরার আলো প্রথম পর্ব “আপনি কি আলম আলমগীর?”মেয়েটার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, চোখে অভ্যস্ত আলো। “হ্যাঁ,” আলম বলল।“আপনি…?” “ফারিণ,” সে হেসে বলল।“ফারিণ আহমেদ। কাজ করি ক্যামেরার সামনে।” “আমি ক্যামেরার বাইরে মানুষ খুঁজি,” আলম অস্বস্তি লুকিয়ে বলল। ফারিণ থামল।“তাহলে কথা বলা যাক।” সময় গড়াল। শুটিং সেট, কফি, রাতের দীর্ঘ কথা। একদিন ফারিণ বলল,“তুমি সব সময় মাঝখানে থেমে যাও কেন?” আলম দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলল।“কারণ আমি একসময় দুজনকে ছেড়ে এসেছি।” “তারা কি তোমাকে ছেড়েছিল?” ফারিণ জিজ্ঞেস করল। “না,” আলম বলল।“তারা আমাকে বাঁচাতে চেয়েছিল।” ফারিণ শান্ত কণ্ঠে বলল,“আমি বাঁচাতে চাই না। আমি পাশে থাকতে চাই।” ইনস্টাগ্রামে ছবি ওঠে— Alam & Farin ✨ ছবিটা প্রথম দেখল সাদিয়া। “সে ফিরে এসেছে,” সে ফিসফিস করল।“কিন্তু এবার আলো নিয়ে।” মাহি ফোনে বলল,“আলো থাকলে ছায়া...
বিরহ প্রেমের গল্প : তিন রেখা প্রেম : পর্ব ১

বিরহ প্রেমের গল্প : তিন রেখা প্রেম : পর্ব ১

Stories
লেখক: এআই চট্টোপাধ্যায় “তুমি আবার আমার জায়গায় বসেছ কেন?”সাদিয়ার কণ্ঠে বিরক্তি। মাহি চোখ তুলে তাকাল।“এই বেঞ্চে তোমার নাম লেখা আছে নাকি?” “আছে,” সাদিয়া ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল, “আলম বসে এখানে। আমি তার পাশে বসি।” মাহি হেসে ফেলল।“আলম সবার বন্ধু। শুধু তোমার না।” দূরে দাঁড়িয়ে আলম আলমগীর সব শুনছিল। সে শুধু বলল,“এই এই, যুদ্ধ বন্ধ করো। দুজনেই আমার বন্ধু।” সাদিয়া মুখ ফিরিয়ে নিল।মাহিও চুপ করে গেল। ক্যাম্পাসে এই দৃশ্য নতুন না। সাদিয়া—শান্ত, গভীর চোখের মেয়ে। মাহি—চঞ্চল, সরাসরি কথা বলা। দুজনের একটাই মিল—মাহি আলমকে ভালোবাসে, আর সাদিয়াও। কিন্তু আলম?সে শুধু বন্ধু হিসেবেই জানে। একদিন ক্যান্টিনে— মাহি বলল,“তোমার সমস্যা কী আমার সাথে?” সাদিয়া শান্তভাবে জবাব দিল,“সমস্যা নেই। শুধু… তুমি আলমকে নিয়ে বেশি কথা বলো।” “কারণ আমি তাকে ভালোবাসি,” মাহি সোজাসাপ্টা বলল...
বরপুত্র তারেক জিয়া 

বরপুত্র তারেক জিয়া 

Stories
জাহাঙ্গীর চৌধুরী  গণতন্ত্রের উন্মুক্ত দ্বার  মহান শহীদ জিয়ার,  বেগম জিয়া রেখেছিলেন সফলতায় বারবার।  স্বৈরাচারীর হস্তে কর্তন  গণতন্ত্রের মাথা, দেড়যুগ ধরে দেশের মানুষ  ভুগছে বিষের ব্যাথা।  স্বৈরাচারী দেশ ছেড়েছে বরপুত্র আজ দেশে,  গণতন্ত্রের সুত্র নিয়ে  চলে বীরের বেশে। পরিচয় তার তারেক জিয়া  বাংলাদেশের হিয়া,  ছিনিমিনি বন্ধ করবে  সোনার বাংলা নিয়া। হে বীর সন্তান জাগ্রত হও পূতপবিত্র কাজে,  বাংলাদেশকে সাজাও এবার  গণতন্ত্রের সাজে। বনশ্রী হাউজিং,রামপুরা,ঢাকা। ...
শেখ সাদী 

শেখ সাদী 

Stories
ওমর ফারুক (সভাকবি) একদা শেখ সাদী রাস্তা দিয়া হাটিয়া যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যেই এক বাড়িতে বড় করিয়া ভোজের আয়োজন করা হইয়াছিল।শেখ সাদী তখন ক্ষুধার্ত ছিলেন।তাহার পরনে ছিলো ধুলায় মোড়ানো একটা জুব্বা আর ছিরা-ফাটা একজোড়া জুতা।এমতাবস্থায় তিনি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করিলেন এবং অনুমতি লইয়া খাবার টেবিলে বসেছিলে।তাহার সামনে খাবার রাখা হইলো।তিনি খাওয়া আরম্ভ করিবেন তখনই বাড়িওয়ালা আসিয়া উপস্থিত হইলো।বলিল,কে এই ভিখারি?গর্দান ধরিয়া ওকে বাহির করিয়া দাও।সবাই তাহাকে বাহির করিয়া দিলো।সাদী বলিল,আমি ভিখারি নহে;বাড়িওয়ালা বলিল,কে তুই? তোর পোশাকেই তো বুঝা যায় তুই অধম ভিখারী। মন খারাপ করিয়া চলিয়া আসিলেন। বছর শেষে আবার ওই বাড়িতে উৎসবের ঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে।এইবার শেখ সাদীও দাওয়াত পাইয়াছেন।তিনি তার সবচেয়ে দামি পোশাকে পরিয়া বাড়িতে হাজির।সবাই তাহাকে দেখিতে ভিড় করিল। যথেষ্ট আপ্যায়ন করিলো।খাব...