অ্যাজোস্পারমিয়া থাকলে কি সন্তান নেওয়া সম্ভব? জেনে নিন চিকিৎসা পদ্ধতি
পুরুষের বন্ধ্যত্বের অন্যতম একটি বড় কারণ হলো অ্যাজোস্পারমিয়া। বীর্য পরীক্ষায় শুক্রাণুর উপস্থিতি না থাকাকেই চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যাজোস্পারমিয়া বলা হয়। তবে এই রোগ নির্ণয় হওয়ার মানেই যে বাবা হওয়া অসম্ভব, তা নয়। অ্যাজোস্পারমিয়া প্রধানত দুই ধরনের—অবস্ট্রাকটিভ এবং নন-অবস্ট্রাকটিভ। অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজোস্পারমিয়ার ক্ষেত্রে অণ্ডকোষে শুক্রাণু তৈরি হলেও বীর্যনালীতে কোনো বাধার কারণে তা বাইরে আসতে পারে না। এক্ষেত্রে পিইএসএ (PESA) বা টিইএসএ (TESA) পদ্ধতির মাধ্যমে অণ্ডকোষ থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করে আইভিএফ বা ইকসি (ICSI) প্রযুক্তির সহায়তায় সন্তান জন্ম দেওয়া সম্ভব।অন্যদিকে, নন-অবস্ট্রাকটিভ বা সিক্রেটরি অ্যাজোস্পারমিয়ার ক্ষেত্রে অণ্ডকোষে শুক্রাণু তৈরি হয় না অথবা পরিণত শুক্রাণু তৈরি হতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে আইভিএফ বা টেস্টটিউব পদ্ধতিতেও অনেক সময় সফল হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, কারণ এই প্রক্রিয়ায় সুস্থ ও পরিণত শুক্রাণুর প...














