Stories Archives - Page 4 of 20 - Mati News
Friday, January 9

Stories

Best Rumi Quote about Self Esteem

Best Rumi Quote about Self Esteem

Stories
This line is a powerful metaphor encouraging self-belief and confidence. "Stop acting so small" – It suggests that one should stop underestimating themselves or living with self-imposed limitations. "You are the universe in ecstatic motion" – This emphasizes that each person is vast, limitless, and full of energy, just like the universe, constantly moving, growing, and creating. The overall meaning is: Don't see yourself as insignificant. You are full of potential, energy, and greatness—just like the ever-expanding universe. Best Rumi Quotes about having Wings in Life Best Jalaluddin Rumi Quotes about Wound Best Rumi Quotes about BeautyBest Rumi Quote about Self Esteem Best Rumi Quote about Finding meaning of Love
Best Rumi Quotes about Beauty

Best Rumi Quotes about Beauty

Stories
Everything that is made beautiful and fair and lovely is made for the eye of one who sees. "সুন্দর সব সৃষ্টি কেবল তারই জন্য, যে সত্যিকারের দৃষ্টিতে দেখে। রুমির অনুপ্রেরণামূলক এই কাব্যিক উক্তি হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। 🌿✨ #Rumi #বাংলাকবিতা #Inspiration"
ভৌতিক গল্প : মধ্যরাতের আতঙ্ক

ভৌতিক গল্প : মধ্যরাতের আতঙ্ক

Stories
মাসুদ রানা: কোনো বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে থাকলে নাকি সেখানে খারাপ কিছু এসে থাকা আরম্ভ করে। আজকাল এসব বিশ্বাস করা হয় না। আমিও এসব বিশ্বাস করতাম না, যদি অফিসের কাছাকাছি হওয়ায় সেই পরিত্যক্ত বাড়ির পাশের ছাপড়া ঘরটা আমাকে ভাড়া নিতে না হতো। ঘরটা বেশ পছন্দ হয়েছিল স্বল্প বসতির এলাকায় হওয়ার জন্য। ঘরে ওঠার কয়েক দিনের ভেতরেই সব গোছগাছ করে নিলাম। একা থাকি, নির্ঝঞ্ঝাট সব কিছু। সপ্তাহ খানিক স্বাভাবিক ভাবেই কাটলো। এরপর এক রাতে রোজকার মতো অফিস থেকে ফিরে সব কাজ শেষ করে দরজা-জানলা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রাতে হঠাৎ জানলায় টোকা পড়ার শব্দে আমার ঘুম ভেঙে গেল। ঘড়িতে দেখলাম রাত ১২ টা ২৬। ঘরের একমাত্র জানলাটা আমার খাটের সঙ্গে প্রায় লাগোয়া, ঘরের দরজার মুখোমুখি উল্টো পাশে। কে ডাকছে ঘরের পেছন থেকে! যদ্দুর দেখেছি জানলার ওপাশে মানুষহীন পরিত্যক্ত বাড়িটা ছাড়া আর কোনো ঘর নেই। বিরক্তি নিয়ে জানলা...
বর্ণচোরা আরিফ

বর্ণচোরা আরিফ

Stories
মো আবুল কালাম: ভবিষ্যতে মহান হওয়ার সম্ভাব্য, সম্ভাবনাময় বর্ণচোরা 'আরিফ' সম্পর্কে আমার শালা হয়। তার বয়স বাড়েনা, তার মুখ মন্ডলের পশম সমূহ বিসর্জন দিয়ে ১৫ বছরের বালক বলে দিব্যি চালিয়ে দেয়া সম্ভব, যদিও তার বয়স ২৫! সে অনাহারে না থাকলেও তাকে মঙ্গাপিড়িত এলাকার ক্ষুধার্ত বলে চালিয়ে নিতে কারো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আকৃতি বা প্রকৃতি যেকোনভাবেই সে বয়স, পেশা, জন্ম বা পড়াশোনা সবকিছু লুকানোর সকল বৈশিষ্ট্যই তাহার বাহ্যিক আবয়বে বিদ্যমান। বর্ণচোরা শব্দটা তার জন্য আবিষ্কার হয়েছিল বললে শব্দটাকে যথার্থ মূল্যায়ন করা হবে বলে অন্তত আমার মনে হয়। এই চোরা (চোরা শব্দটি সম্পর্কের খাতিরে আমার জন্য প্রযোজ্য , আপনারা পড়ুন বর্ণচোরা) তার পরিবারের বড় সন্তান, মাস্টার্স ফাইনাল শেষ হতে মাস কয়েক অবশিষ্ট আছে। সে এখনো নিজের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত হতে পারেনি। তার পড়াশোনা ও আনুষাঙ্গিক খরচের জন্য মা-বাবা ...
বইমেলায় ধ্রুব নীলের ‘অতৃপ্ত’ নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা!

বইমেলায় ধ্রুব নীলের ‘অতৃপ্ত’ নিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা!

Stories
সিফাত রাব্বানী: পুরনো একটা শ্যাওলা পড়া রেস্টহাউজে বেড়াতে গেছেন এক লেখক। রাত বিরাতে নুপুরের শব্দ। না হয় রিনরিনে হাসি। জানা গেল বহু আগে ওই বাড়িতে কেউ আত্মহত্যা করেছিল... যাকে মানুষ ভেবে এতক্ষণ কথা বলছিল আজমল সাহেব, তিনি আসলে মারা গেছেন বহুকাল আগে... এক মিনিট! এ গল্প চেনা চেনা লাগছে? কমবেশি সব হরর গল্পের প্লট এরকম? এসব টাইপড গল্প পড়ে এখন আর গা ছমছমে ভয়ের ফিলিংসটা আসছে না? তাহলে আপনার জন্যই ধ্রুব নীলের ‘অতৃপ্ত’। বিষণ্ন একটা আলো-আঁধারি অথচ কল্পনাতীত আতঙ্কের জগতে প্রবেশ করে যাবেন একই পাতা ওল্টাতেই! গল্পগুলো মাথা থেকে সহজে যাবে না। অন্ধকার কোণে বসে থাকবে ঘাপটি মেরে। কালো প্রচ্ছদের বইটাকে মনে হবে অপয়া! কাছে রাখা যাবে না। দ্বিতীয়বার পড়তেও ভয়, যদি কিছু ঘটে! প্রতিটা গল্পই লেখক মারাত্মক পরিশ্রম করে লিখেছেন বোঝা যায়। ঝরঝরে লেখা। তবে গভীরে ডুব দিলেই ভয়ের সাগরে পড়ে যাবেন। খেই হা...

পাখির গানে বাংলা সুর

Stories
মো. আশতাব হোসেন  কনকনে পৌষ ও মাঘ মাসের শীতের পাতা আসন ভেঙ্গে দিয়েছে ফাল্গুনের দক্ষিণা বাতাস।  শীত ভয়ে পালিয়ে গেছে। পাখিরা মত্ত হয়ে উঠেছে রঙ্গের খেলা করতে।  কোকিল-কোকিলা, দোয়েল, ময়না বাংলার সকল পাখি  নেচে নেচে ঘোষণা করছে, বাংলার আনাচে কানাচে রাজ এসেছে রাজ এসেছে ।  সোনার বাংলার অঙ্গজুড়ে প্রকৃতি যেনো কোমল বসনে জড়িয়ে নিয়েছে তারই বুকে। বসন্তের ফুলের সৌরভ আকাশ বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে । সবুজ পাতার শাড়ি পরে গাছে গাছে ফুলকলিরা উকি দিচ্ছে। কিছু  গাছে কলি থেকে ফুল বেরিয়ে হেসে হেসে শোভা বিলাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে আশে পাশের এলাকাজুড়ে । আমের বাগিচায় মৌমাছির প্রেমের প্রেমের গান গেয়ে গেয়ে ফুলের মধু সংগ্রহ করে চলছে প্রতিযোগিতা করে এই বাংলার বসন্ত পাড়ায়। সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের চত্বর পেরিয়ে আশেপাশের এলাকাতে গুঞ্জন,  কী করে রাষ্ট্রভাষা বাংল...

ভাষা-আন্দোলন ও বইমেলা

Stories
ফারুক আহম্মেদ জীবন : সকাল এগারোটা বাজে। রত্না ওয়াশরুম থেকে  গা-গোসল সেরে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে এলো। খুব তড়িঘড়ি করে গোছাচ্ছে ও বই মেলায় যাবে বলে। এবছর ওর লেখা ১-টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে।  বইয়ের নাম "রক্তাক্ত ভাষা"। বেশ সুন্দর লেখার হাত রত্মার। যদিও রত্মা কলেজ পড়ুয়া উঠতি বয়সী এক ফুটন্ত তরুণী। ওর এখন যে বয়স। এ বয়সে অবশ্য ওর লেখার কথা প্রেম ভালোবাসার রসের কবিতা। যে কবিতার মধ্যে আকর্ষণীয় সব পংক্তি থাকবে। থাকবে হাস-রস রোমান্টিকতা। প্রেম ভালোবাসার নানান রসালো সব ছন্দ মালা।  যা- পড়লে অজানা এক অনুভূতিতে দেহ শিহরিত হয়ে উঠবে।কিন্তু তা- না,তার কাব্য-কবিতার মাঝে বেশিরভাগই দেশ প্রেম ফুটে ওঠে। আর উঠবেই বা- না কেনো? তার শরীরে যে বয়ে চলেছে নিখুঁত এক দেশ-প্রেমিকের রক্ত । কেননা...রত্নার দাদা রহিম মিয়া ছিলেন ১৯৫২ সালের একজন ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ সৈনিক।আর রত্নার আব্বা রফিকুল মিয়া ছ...
ধ্রুব নীলের ‘অতৃপ্ত’র অতল আঁধারে স্বাগত

ধ্রুব নীলের ‘অতৃপ্ত’র অতল আঁধারে স্বাগত

Stories
জীবনের অজানা পরতে লুকিয়ে আছে কতশত অন্ধকার গলি। ভয়ে অলৌকিক সেই আখ্যানগুলোকে অতৃপ্তির সুতোয় গেঁথেছেন ধ্রুব নীল। অন্ধকারাচ্ছন্ন প্রচ্ছদটাই যেন বলছে, শুরু থেকেই আঁধারের জগতে প্রবেশ করতে চলেছেন সাহসী পাঠক। ‘অতৃপ্ত’র গল্পগুলো শুধু অতৃপ্তির নয়, মানবআত্মার অমোচনীয় যন্ত্রণারও দলিল। একটি গল্পের চরিত্র জানে না ভয় কী জিনিস। সেই শূন্যতার মুখোমুখি হতেই নেমে আসে একরাশ অন্ধকার। এক সিরিয়াল কিলার জানে না ব্যথার অনুভূতি কেমন, শীতল সেই নিস্তরঙ্গতার ভেতরই জ্বলে ওঠে এক অন্যরকম হাহাকার। কোথাও আবার বন্ধুর মৃত্যুর বেদনায় কাঁপে আরেকটি হৃদয়, যার অতৃপ্তি রয়ে যায় নীরব দীর্ঘশ্বাসে, ধরা দেয় জাদু বাস্তবতায় মোড়ানো এক পূর্ণিমার রাতে।ধ্রুব নীলের সহজ ভাষা পাঠককে টেনে নিয়ে যাবে অস্তিত্বের এক অনির্বচনীয় অন্ধকারে। ‘অতৃপ্ত’ কেবল ভয় কিংবা আধিভৌতিক গল্প নয়, পাঠকের হৃদয়ের গলি-ঘুপচিতে থেকে যাবে অমোচনীয় কালির মতো।অমর একুশে বইমেলায়...
চলন বিলের অজানা এবং ভয়ানক রহস্য

চলন বিলের অজানা এবং ভয়ানক রহস্য

Stories
চলন বিল—বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলাভূমি, যা তার অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি লুকিয়ে রেখেছে অজানা আতঙ্ক। প্রাচীনকাল থেকে এই বিস্তৃত জলাভূমি শুধু প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করেনি, বরং ঘিরে রেখেছে অদ্ভুত সব গল্প। এই বিল যেন রহস্যের এক বিশাল পাতা, যেখানে প্রতিটি ঢেউ আর প্রতিটি বাতাস মিশে থাকে ভয়ঙ্কর ইতিহাসের ছোঁয়ায়। বর্ষাকালে চলন বিল তার ভয়াল রূপ ধারণ করে। গভীর রাতে যখন সবকিছু নিস্তব্ধ, হঠাৎই বিলে দেখা যায় নাচতে থাকা অদ্ভুত আলো। এই আলো কখনো নদীর এক প্রান্তে, কখনো আরেক প্রান্তে ঝলসে ওঠে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এটি বিলের পানিতে ডুবে মা**রা যাওয়া মানুষদের আত্মার সংকেত। এক জেলে, আবদুল হাকিম, একবার এই আলো অনুসরণ করতে গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যান। পরদিন সকালে তার নৌকা পাওয়া যায়, কিন্তু তার শরীরের কোনো চিহ্ন মেলে না। জেলেদের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, যে এই আলো অনুসরণ করে, তাকে বিলের গভীর অন্ধকার টেনে নি...
প্রেমের কবিতা: প্রেমের অনটনে

প্রেমের কবিতা: প্রেমের অনটনে

Stories
রকিবুল ইসলাম সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, বেলা যায় মোর কেটে। যদিও তুমি হেয়ালি হয়ে, কর তব হেলা মোরে। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, আঁকি তব মম মানসপটে। যদিও তুমি বড্ড বেখেয়ালে, রেখে যাও মোরে অনাদরে। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, রচি যত গান কবিতা। তব অবহেলা,তব তাচ্ছিল্ল্যে, বেকার আজ সবই তা। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, মন বসে না কাজে। একলা আমার উদাস মননে, সারা বেলা যায় কেটে। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে, দিন যেত মোর হেসে, ভাবিনি তা যাবে কেঁদে, আমাতে তব "প্রেমের অনটনে!"...
পড়ন্ত এক বিকেলে আমার ‘মেয়ে দেখা’

পড়ন্ত এক বিকেলে আমার ‘মেয়ে দেখা’

Stories
লেখক: আজাদ সে দিনটাও অন্য স্বাভাবিক দিনের চেয়ে ব্যতিক্রম ছিলনা। ব্যতিক্রম কোন কিছুই হয়না, সব কিছুই স্বাভাবিক থাকে, দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতার কারণে স্মৃতিতে বেচে থাকে। বিবাহের উপযুক্ত পাত্র তাই হন্যে হয়ে কনে খোঁজার কাজ চলমান আছে, এই কাজে কোন ফাঁকিবাজি চলেনা, বিশেষ করে মুরুব্বিদের জন্য তা মহা গুরুত্বপূর্ণ কাজ! ছেলে বড় হয়েছে তাকে বিয়ে না দিয়ে মরে গেলে উপরওয়ালার কাছে কি জবাব দিবে এই চিন্তায় তাহাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম মূলত স্থবির। মেয়ে দেখা সাথে ছেলেকেও দেখানোর মধ্যে একটা ফ্যান্টাসি ফ্যান্টাসি ভাব আছে।বিবাহ যে এত গুরুত্বপূর্ণ তা এতদিন কেন যে বুঝিনি তা ভেবে নিজেকে বেকুব মনে হচ্ছে। মেয়ে দেখার একটা রুটিন তৈরি হয়ে গেল। কোন দিন কোন জায়গায় মেয়ে দেখা হবে তার একটা তালিকাও প্রস্তুত আছে। সঙ্গীদের একটা খসড়া তালিকাও ঠিক করা আছে। কনে দেখার মহাকান্ডে সঙ্গীদের আনন্দের মাত্রাটা সবসময় বেশিই থাকে অবশ্য এ...
রূপ কমে যায় শব্দবোমায়

রূপ কমে যায় শব্দবোমায়

Stories
লেখক: আজাদ            নারী কণ্ঠের শব্দ বোমা জানালার কাঁচ অতিক্রম করে কর্ণকুহরে প্রবেশ করছিল। ভর দুপুরে নারী কণ্ঠের আওয়াজে মনঃযোগ দেয়া অর্থহীন, এতে নতুনত্ব কিছুই নাই।শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে মাত্রই রুমে আসলাম, জুমার নামাজ পড়ে আসার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল খাবার গ্রহণ, এটা বাধ্যতামূলক, জুমার নামাজ পড়ে এসে খাবারের যে স্বাদ তা অন্য সময়ের চেয়ে আলাদা। এখন কে কি নিয়ে কার সাথে ঝগড়া করছে তা পর্যবেক্ষণ করার কাজটি কম গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া কে কার সাথে ঝগড়া করছে তা জেনে আমার কি! এখানেতো আর আমার পরিবার পরিজন বা আত্মীয় স্বজনরা কেহ থাকেনা। ঝগড়া করুক! আরো বেশি করে করুক!! ঝগড়া হাতাহাতি বা মারামারিতে রুপান্তরিত হোক!!!শব্দ বোমা অনবরত বিসর্জিত হচ্ছিল, আগে খেয়ে নেই পরে প্রয়োজনে দেখবো এই ভেবে খাওয়া আরম্ভ করলাম।জানালারতো পর্দা নাই স্বচ্চ গ্লাসের...
শুরু থেকে শেষ, শেষ থেকে শুরু

শুরু থেকে শেষ, শেষ থেকে শুরু

Stories
এক লোক পাথর কাটার কাজ করতো। লোকটা জীবনে তার অবস্থান নিয়ে খুবই অসন্তুষ্ট থাকতো সবসময়। একদিন সে এক ধনী ব্যবসায়ীর বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো। বাড়ির জানালা দিয়ে সে দেখছিলো ব্যাবসায়ীর শান-শওকত। খুব ঈর্ষান্বিত হয়ে সে চিন্তা করতে লাগলো, 'আহা আমি যদি বণিকের মতো হতে পারতাম!' কি আশ্চর্যের ব্যাপার, লোকটা হঠাৎ বিরাট বণিক হয়ে উঠলো। তার কল্পনার চেয়ে বেশি বিলাসিতা এবং ক্ষমতা উপভোগ করতে লাগলো। একদিন সে দেখলো রাজ্যের প্রধান বিচারক রাস্তার পাশ দিয়ে যাচ্ছেন। সে দেখলো, বিচারক একটা চেয়ারে বসে আছেন এবং তাকে একদল সৈন্য বয়ে নিয়ে চলছে। রাস্তার পাশের দোকানিদের সৈন্যরা দেদারসে পেটাচ্ছে। জনতা বিচারকের সামনে মাথা নত করছে। বণিকের মনে মনে ভাবতে লাগলো, আহা বিচারক কত শক্তিশালী! আমি যদি একজন বিচারক হতে পারতাম!" তারপরে সে এক বিচারক হয়ে উঠলো, তার সৈন্যরা তাকে সেডান চেয়ারে সর্বত্র বহন করে...
ধ্রুব নীলের আধিভৌতিক হরর রক্তবন্দি

ধ্রুব নীলের আধিভৌতিক হরর রক্তবন্দি

Stories
“চোখে চোখ পড়তেই খরগোশটা চোখ নামিয়ে ফেলল। অবিকল মানুষের মতো! কেমন যেন হতাশা! না ঠিক হতাশা নয়। বরং কিছু লুকাতে চাওয়ার ইচ্ছা। সঙ্গে চাপা ক্ষোভ। যেন আমার চোখে চোখ পড়লেই সে খরগোশ থেকে মুরগির বাচ্চা হয়ে যাবে। অবশ্য তার পায়ের সঙ্গে বাঁধা চেনটা আমার নজর এড়াল না। জাদুকর খরগোশটাকে দিয়ে কোনো জাদু দেখাচ্ছিল না। সম্ভবত শেষে একটা কিছু দেখাবে। আমার মনের খচখচানি গেল না। আমার এই মনের খচখচানিটা একটা ফোবিয়ার মতো। দূর না করা পর্যন্ত বাড়তেই থাকবে। খচখচানি দূর করতে গিয়ে এর আগেও অনেক বিপদে পড়েছি।” এমন আরও গল্প পেতে আজই পড়ে ফেলুন ধ্রুব নীলের 'রক্তবন্দি', কিনুন এই লিংকে।...