চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে চীনে ফৌজদারি অপরাধের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে জননিরাপত্তা-সংক্রান্ত মামলাও কমেছে ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, চীনের সামগ্রিক সামাজিক স্থিতিশীলতা ধারাবাহিকভাবে উন্নত হচ্ছে। এর ফলে ‘চাইনিজ সেন্স অব সিকিউরিটি’ বা ‘চীনের নিরাপত্তাবোধ’ এখন বিদেশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচিত একটি বিষয় হয়ে উঠেছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছর থেকে বিদেশি পর্যটক, প্রবাসী এবং বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতারা চীনে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে এ বিষয়টি বেশি তুলে ধরেছেন। রাতে একা চলাফেরার নিরাপত্তা, ডিজিটাল পেমেন্টের সহজলভ্যতা এবং সুশৃঙ্খল জনপরিসর—এসব অভিজ্ঞতা থেকে ‘চীনের নিরাপত্তাবোধ’ ধারণাটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
তিনি বলেন, অনেক দেশে যখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়ছে, তখন চীনে দৈনন্দিন জীবনের স্থিতিশীলতা ও পূর্বানুমানযোগ্য পরিবেশ আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে, গ্যালাপের ২০২৫ সালের গ্লোবাল সিকিউরিটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশের তালিকায় চীনের অবস্থান তৃতীয় এবং ল অ্যান্ড অর্ডার ইনডেক্সে চতুর্থ। উভয় সূচকেই চীন অনেক পশ্চিমা দেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে।
সূত্র: সিএমজি





















