মে ১৫, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও প্রযুক্তি খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
ইউনিভার্সিটি অব চিলির প্রশাসন অনুষদের গবেষক সেসিলিয়া ইবারা চায়না মিডিয়া গ্রুপ-সিএমজিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান দিতে পারে। তার মতে, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও বিনিয়োগ একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করলে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব।
চিলির সান সেবাস্তিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইকোনমিক্স ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের পরিচালক ক্রিস্টোবাল দে লা মাজার মতে, দুই দেশের সহযোগিতা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অগ্রগতি প্রায় অসম্ভব। তিনি বলেন, চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ব্যাটারি প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে গেলেও যুক্তরাষ্ট্র এখনো জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর বেশি নির্ভরশীল।
মেক্সিকোর ইউনিভার্সিটি অব দ্য আমেরিকাস পুয়েবলা’র গবেষক হুয়ান কার্লোস গাচুজ মায়া বলেন, বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেও চীনের কৌশল ভবিষ্যতে দুই দেশের আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে। তিনি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও একাডেমিক সহযোগিতাকে ভবিষ্যৎ সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
হন্ডুরাসের সাবেক সংসদ উপ-সভাপতি রাসেল টোমে বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দুই দেশের সহযোগিতা পুরো মানবজাতির জন্য উপকারী। তার মতে, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি—বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে।
রাসেল আরও বলেন, ‘প্রতিযোগিতার কারণে যেন এমন কোনো বিচ্ছিন্নতা তৈরি না হয়, যা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা এবং বিশ্বব্যাপী জ্ঞানের প্রবেশাধিকারকে প্রভাবিত করে। এটা নিশ্চিত করতে বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে অবশ্যই একটি মৌলিক সংযোগ বজায় রাখতে হবে।’
সিএমজি


















