প্রেমের উপন্যাস Archives - Mati News
Sunday, January 25

Tag: প্রেমের উপন্যাস

ধারাবাহিক: রোমান্টিক গল্প: তিন রেখা প্রেম : পর্ব–২

ধারাবাহিক: রোমান্টিক গল্প: তিন রেখা প্রেম : পর্ব–২

Stories
: ফেরার আলো প্রথম পর্ব “আপনি কি আলম আলমগীর?”মেয়েটার কণ্ঠে আত্মবিশ্বাস, চোখে অভ্যস্ত আলো। “হ্যাঁ,” আলম বলল।“আপনি…?” “ফারিণ,” সে হেসে বলল।“ফারিণ আহমেদ। কাজ করি ক্যামেরার সামনে।” “আমি ক্যামেরার বাইরে মানুষ খুঁজি,” আলম অস্বস্তি লুকিয়ে বলল। ফারিণ থামল।“তাহলে কথা বলা যাক।” সময় গড়াল। শুটিং সেট, কফি, রাতের দীর্ঘ কথা। একদিন ফারিণ বলল,“তুমি সব সময় মাঝখানে থেমে যাও কেন?” আলম দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলল।“কারণ আমি একসময় দুজনকে ছেড়ে এসেছি।” “তারা কি তোমাকে ছেড়েছিল?” ফারিণ জিজ্ঞেস করল। “না,” আলম বলল।“তারা আমাকে বাঁচাতে চেয়েছিল।” ফারিণ শান্ত কণ্ঠে বলল,“আমি বাঁচাতে চাই না। আমি পাশে থাকতে চাই।” ইনস্টাগ্রামে ছবি ওঠে— Alam & Farin ✨ ছবিটা প্রথম দেখল সাদিয়া। “সে ফিরে এসেছে,” সে ফিসফিস করল।“কিন্তু এবার আলো নিয়ে।” মাহি ফোনে বলল,“আলো থাকলে ছায়া...
রোমান্টিক থ্রিলার গোয়েন্দা উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-৪

রোমান্টিক থ্রিলার গোয়েন্দা উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-৪

Stories
রোমান্টিক-থ্রিলার গোয়েন্দা উপন্যাস: ছায়া এসে পড়ে পর্ব-৪ রোমান্টিক থ্রিলার ঘরানার বইটি মধ্যবয়সী পুরুষ তৈয়ব আখন্দকে ঘিরে। জীবন সংসারের প্রতি খানিকটা উন্নাসিক কিন্তু বুদ্ধিমান এ মানুষটা পালিয়ে বেড়াতে চায়। কিন্তু আচমকা টাঙন নদী ঘেঁষা গ্রাম পদ্মলতায় এসে সে আটকা পড়ে চাঁদের আলোয় ঝুলতে থাকা একটা লাশ আর লাবনীর জালে। তৈয়ব নিজেকে বের করে আনার চেষ্টা করে। চলতে থাকে জড়িয়ে পড়া ও ছাড়িয়ে আনার মাঝে এক সমঝোতা। রোমান্টিক প্রেমের গল্প ও একই সঙ্গে থ্রিলার স্বাদের উপন্যাস ছায়া এসে পড়ে । লেখক ধ্রুব নীল কুরিয়ারে হার্ড কপি পেতে এই পেইজে অর্ডার করুন   ছায়া এসে পড়ে ছায়া এসে পড়ে পর্ব -১  এর লিংক ছায়া এসে পড়ে পর্ব -২  এর লিংক ছায়া এসে পড়ে পর্ব -৩  এর লিংক   ৪ ‘বাড়ি যাবে না লাবনী?’ ‘বিয়ার পর মাইয়াগো বাড়ি থাকে না। আফনের এতো বুদ্ধি, এইটা জানেন না?’ ‘রেবেকার তো তিনটা ফ্ল্যাট আছে সম্ভব...
রোমান্টিক প্রেম ও বিরহের উপন্যাস : তাহার বৃষ্টি

রোমান্টিক প্রেম ও বিরহের উপন্যাস : তাহার বৃষ্টি

Stories
রোমান্টিক প্রেম ও বিরহের উপন্যাস : তাহার বৃষ্টি নাবিলা জাহান   ভয়ংকর মেঘ জমতে শুরু করেছে। যে কোনো সময় বৃষ্টি আসবে। সাধারণ বৃষ্টি না। মুষলধারে বৃষ্টি। পরপর তিনবার কপালের ঘাম মুছল শিপু। গরম মোটেও পড়ছে না বরং ঠাণ্ডা বাতাসে চুল কিছুটা উড়ছে। কালো সানগ্লাসের কারণে তার চোখ দেখা যাচ্ছে না, তা না হলে দেখা যেত চোখ দুটোকে শান্ত রাখার চেষ্টা করছে সে।   ব্যাগের মধ্যে হাত দিতেই চোখ কুঁচকে যায় শিপুর। হঠাৎ হঠাৎ ফট্ করে চোখ কুঁচকে ফেলার অভ্যাস আছে তার। সানগ্লাস ব্যাগের মধ্যে ঢোকানো। সানগ্লাসের কোন দরকারই নেই এখন, এমনিতেই অন্ধকার। ভাংতি ট্যাকা দেন -কোত্থেকে দেবো? ভাংতির মেশিন আছে নাকি! -হেইডা আমি কেমনে জানি! ভাংতি দিবার আছে দ্যান! -ভাংতি নেই! -খুঁইজা দেখেন কলাপাতা রংয়ের শাড়ির সাথে লাল ব্লাউজ পরেছে শিপু। ঠোঁটে লিপষ্টিক নেই। শুধু কপালে একটা নীল টিপ। চুল দেখে মন...