বিরহের গল্প Archives - Mati News
Sunday, January 25

Tag: বিরহের গল্প

বিরহ প্রেমের গল্প : তিন রেখা প্রেম : পর্ব ১

বিরহ প্রেমের গল্প : তিন রেখা প্রেম : পর্ব ১

Stories
লেখক: এআই চট্টোপাধ্যায় “তুমি আবার আমার জায়গায় বসেছ কেন?”সাদিয়ার কণ্ঠে বিরক্তি। মাহি চোখ তুলে তাকাল।“এই বেঞ্চে তোমার নাম লেখা আছে নাকি?” “আছে,” সাদিয়া ঠোঁট বাঁকিয়ে বলল, “আলম বসে এখানে। আমি তার পাশে বসি।” মাহি হেসে ফেলল।“আলম সবার বন্ধু। শুধু তোমার না।” দূরে দাঁড়িয়ে আলম আলমগীর সব শুনছিল। সে শুধু বলল,“এই এই, যুদ্ধ বন্ধ করো। দুজনেই আমার বন্ধু।” সাদিয়া মুখ ফিরিয়ে নিল।মাহিও চুপ করে গেল। ক্যাম্পাসে এই দৃশ্য নতুন না। সাদিয়া—শান্ত, গভীর চোখের মেয়ে। মাহি—চঞ্চল, সরাসরি কথা বলা। দুজনের একটাই মিল—মাহি আলমকে ভালোবাসে, আর সাদিয়াও। কিন্তু আলম?সে শুধু বন্ধু হিসেবেই জানে। একদিন ক্যান্টিনে— মাহি বলল,“তোমার সমস্যা কী আমার সাথে?” সাদিয়া শান্তভাবে জবাব দিল,“সমস্যা নেই। শুধু… তুমি আলমকে নিয়ে বেশি কথা বলো।” “কারণ আমি তাকে ভালোবাসি,” মাহি সোজাসাপ্টা বলল...
রোমান্টিক বিরহের গল্প : চরণে ধরিয়া তব

রোমান্টিক বিরহের গল্প : চরণে ধরিয়া তব

Stories
রোমান্টিক বিরহের গল্প : চরণে ধরিয়া তব। গল্পটি লিখেছেন এ কালের অন্যতম সেরা তরুণ লেখক  ধ্রুব নীল। লেখকের অনুমতিক্রমে রোমান্টিক বিরহের গল্প : চরণে ধরিয়া তব পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। শুধু আমিই আমাকে বুঝতে পারি। আমার মা-ও আমাকে বুঝতে পারে না। সেখানে তমাল কোন ছার। তাকে বুঝতে দিলেও সে বুঝবে না। তমাল হলো খোলা বই। তরতর করে রিডিং পড়া যায়। সমস্যা হলো বইটায় তেমন থ্রিল নেই। ম্যাড়ম্যাড়ে কয়েকটা ছোটগল্প আছে বড়জোর। তমালের ফোনে ব্রাউজার হিস্ট্রি ডিলিট করার অ্যাপ দেখেছি। কথা বলার সময় মিনিটে চোখ কতবার কোন দিকে যায়, আর সেটার পেছনে যে মনস্তত্ত্ব লুকিয়ে থাকে, সেটা একটা সফটওয়্যারও ধরে ফেলবে। আমার চোখের কঠিন ফেস রিকগনিশন সে ফাঁকি দেবে কী করে! লুকিয়ে এটা সেটা দেখলে দেখুক। প্রেম করার জন্য লুতুপুতু মার্কা সেজে বসে থাকাটা যে কাজের জিনিস নয়, এই ভুল তার ভাঙতে হবে। বিশ্বাস করুন, ভালো মানুষিগিরির চেয়ে বিরক্তিকর আর কি...
প্রেমের গল্প : তোমার অসীমে

প্রেমের গল্প : তোমার অসীমে

Stories
ধ্রুব নীলের প্রেমের গল্প : তোমার অসীমে রান্নাঘরে খুটখাট শব্দ। শব্দটা সাংসারিক। রবিউলের ঘুম কাটেনি। রাতে নিশ্চিত দরজা খোলা রেখেছিল। সাতসকালে আধা পরিচিত কেউ এসে হাজির। কে আসবে? রবিউলের তো পরিচিত কেই। খুটখাটের ধরন শুনে বোঝা যাচ্ছে কেউ খুব গোছালোভাবে কিছু রান্না করছে। সকালের নাস্তার সঙ্গে দুপুরের জন্য অ্যাডভান্স সবজি কাটাকুটি করলে যেমন হয়। উঠে বসে ভাবল রবিউল, চোর তো আসবে না। একটা আধা-নষ্ট টিভি আর একটা ছোট ফ্রিজ ছাড়া এই ঘুপচি ফ্ল্যাটে কিছু নেই। রান্নাঘরে উঁকি দিতেই রবিউল বুঝতে পারলো ডাক্তার দেখাতেই হবে। কারণ কোমরে টকটকে লাল শাড়ি গুঁজে শকুন্তলা টাইপের এক মায়াবতী রুটি বেলছে। চুলায় ভাজির গন্ধটাও স্পষ্ট। মাথা খারাপ হলে নাকেও সেটার প্রভাব পড়ে? ভাজিতে কালোজিরার গন্ধটা একদম পরিষ্কার। ‘দাঁড়িয়ে না থেকে বাজারে যাও।’ ‘জি।’ ‘জি জি মানে? আগে সবজি কিছু নিয়ে আসো। ফ্রিজে চিংড়ি ছাড়া কিছু নাই। এসে না...