চুলার পাশেই এই অবস্থা (শেষ ছবি)। মাত্র কয়েকটি ছবি দেয়া হল।
গতকাল ধানমন্ডি চাইনিজ জিনডিয়ান এবং শংকর হান্ডি। আজ ভাগ্যকুল মিষ্টি।
আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট এখন স্বাধীন। কোনো নির্দেশ দেয়া হয় না। তিনি অফিস থেকে বের হয়ে নিজেই ঠিক করেন কবে কোথায় যেতে হবে।
জরিমানা হয়েছে। পরের বার তালা চাবি।
বলিউড মানেই গ্ল্যামারাস একটা দুনিয়া। সেই দুনিয়ার চাকচিক্যে মাথা ঘুরে যায় ভক্তদের। আর বলি তারকাদের শাড়ি ড্রেসিং সেন্স নিয়েও ভক্তদের উন্মাদনা থাকে তীব্র। তার থেকেও বেশি তাঁরা চর্চা করেন প্রিয় তারকাদের পোশাক-আশাকের দাম নিয়ে। আজ চোখ থাকবে তেমনই কিছু বলি অভিনেত্রীর পোশাকের দিকে যে গুলির দাম শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে যে কারও।
২০১৭ সালে ইউনিসেফ আয়োজিত গ্লোবাল গোল অ্যাওয়ার্ডসে যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। আর সেখানে এক্কেবারে সাধারণ দেখতে সাদা রঙের একটি ড্রেস পরেছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু সাদা হোক বা হোক সে যতই সাধারণ দেখতে, তার দাম ৩ লক্ষ টাকা। প্রিয়ঙ্কার সেই পোশাক ডিজাইন করেছিলেন নামজাদা ডিজাইনার ক্রিশ্চিয়ানো সিরিয়ানো।
অভিনয় আর সোজাসাপটা কথাবার্তার পাশাপাশি পোশাকেও বরাবরাই নজর কাড়েন কঙ্গনা রানাউত। এই কঙ্গনাই এক বার ফ্যাশন ডিজাইনার বিভু মহাপাত্রের ডিজাইন করা একটি ড্রেস পরে চমকে দি...
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু স্বভাব আছে, যা নিয়ে আমরা খুব একটা সচেতন নই। অনেকটাই অভ্যাসবশে সে সব আমাদের আচরণে ঢুকে পড়ে। কিন্তু এই ধরনের শারীরিক ভঙ্গি তথা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ অজান্তেই ক্ষতি ডেকে আনে আমাদের পেশাদার জীবনে। এমনকি, চাকরি চলে যেতে পারে স্রেফ এর কারণেই। জানেন সে সব কী কী?
অফিসে মিটিং চলাকালীন বা অন্য সময় মতান্তর হলেই চোখের ভঙ্গিমার মাধ্যমে সেই অসন্তোষ প্রকাশ করে ফেলেন অনেকে। রোলিং আই তার মধ্যে অন্যতম। কারও মতামত পছন্দ না হলে বা আপনার মতকে গুরুত্ব না দেওয়া হলে চোখের তারাকে এক দিক থেকে আর এক দিকে ঘোরান অনেকে। এতে অন্যের প্রতি অশ্রদ্ধা ফুটে ওঠে। এমন স্বভাব থাকলে তা দ্রুত বদলান।
অফিসের সহকর্মীর সঙ্গে যতই বন্ধুত্ব থাকুক না কেন, অফিসের মধ্যে কিছুটা পেশাদারি দূরত্ব বজায় রাখাও জরুরি। অনেকেই অফিসে সহকর্মীর ব্যক্তিগত মেল, হোয়াটসঅ্যাপ বা টেক্সটে উঁকিঝুঁকি মারেন। সহকর্মীরা কম্পিউটারে বস...
হালকা সবুজ রঙের ফল, নুন-মরিচ মিশিয়ে খেলে স্বাদও অপূর্ব। চিকিৎসকদের পছন্দ থেকে ঘরোয়া টোটকা—সবেতেই এই ফলের অবাধ যাতায়াত। আমলকি । গ্রাম হোক বা শহর, যার কদর কমে না এতটুকু।
চুলের স্বাস্থ্য হোক বা ত্বকের যত্ন— আমলা বা আমলকিই হয়ে ওঠে অন্যতম হাতিয়ার। আমলকির রস বা শুকনো আমলকি, রূপভেদে ব্যবহারও বদলে বদলে যায়।
এর ভেষজ গুণের কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন প্রসাধন প্রস্তুতকারী সংস্থা তাদের বিজ্ঞাপনে আমলকির উপস্থিতির কথা প্রচার করেন। জানেন কি আমলার বিশেষ সেই গুণগুলির কথা, যার জেরে এই ফল সব সময়ই প্রসাধনের কাজে আসে?
খুব ব্রণর সমস্যায় ভুগলে তার অন্যতম সেরা সমাধান আমলকি। আমলার রস ব্রণ হওয়া অংশে ভাল করে লাগিয়ে রাখুন। কিছু ক্ষণ শুকোতে দিন। তার পর ধুয়ে ফেলুন। দু’-তিন দিনের মধ্যে ব্রণ তো কমবেই, কমে যাবে ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও।
আমলার রস ব্যবহার করুন স্ক্রাবার হিসাবেও। অল্প কিছুটা জল...
খুসখুসে কাশি একটি বিরক্তকর ও বিব্রতকর অসুখ। একবার কাশি শুরু হলে যেন থামতেই চায় না। যখন-তখন, যেখানে–সেখানে শুরু হয়ে যেতে পারে কাশি। জ্বর নেই, কফ বের হওয়া নেই, বুকে ঘড় ঘড় নেই—কিন্তু খুক খুক কাশি, যা বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক। যার অর্থ, কাশির সঙ্গে কখনো কফ বেরোয় না, কিন্তু একটা অস্বস্তি গলায়-বুকে লেগেই থাকে।
এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বলেন, খুক খুক শুকনো কাশি যখন-তখন অনেককে ভোগায়, বিব্রতও করে। কারও সারা বছর খুসখুসে কাশি লেগে থাকে। সব সময় কাশি সারাতে অ্যান্টিবায়োটিক বা কাশির ওষুধের দরকার নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই বারবার শুকনো কাশির কারণ ফুসফুসে সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা ইত্যাদি নয়, বরং অন্য কিছু। যার কারণটা খুঁজে বের করে চিকিৎসা করা উচিত।
শ্বাসনালি আক্রান্ত বা সংক্রমণ
তীব্র কাশির জন্য সহজেই অনুমানযোগ্য বা সহজ কারণটি হলো, ঠান্ডা বা অন্য কোনো ...
কিসমিস একটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন খাবার সেটা হয়তো অনেকেই জানেন। কিন্তু কিসমিস ভেজানো পানিও কিন্তু শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী অনেকেই হয়তো জানেন না। সেগুলি কী কী দেখে নিন …
অনেকেরই খুব প্রিয় কিসমিস। শরীরের পক্ষে উপকারিও বটে। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভাল রাখে এবং খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে। রয়েছে আয়রন যা রক্তাল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। এছাড়াও রয়েছে কার্বোহাইট্রেট, যা এনার্জি জোগায়। মহিলারাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন, তাই চিকিৎসকরা বলেন কিসমিস খাওয়া মহিলাদের বিশেষ উপকারি স্বাস্থ্যের পক্ষে ।
কিসমিসের জল লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কিস ভেজানো জল খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হতে শুরু করে। সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন এই কিসমিস ভেজানো জল খেলে তা পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।
এমনকি এই টনিক বিশেষ উ...
মহিলাদের প্রজননক্ষম বয়সে জরায়ুতে সবচেয়ে বেশি যে টিউমারটি হতে দেখা যায় তা হলো ফাইব্রয়েড বা মায়োমা। জরায়ুর পেশির অতিরিক্ত ও অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে এই টিউমারের সৃষ্টি হয়। ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে নারীদের মধ্যে ২০ শতাংশই এই সমস্যায় আক্রান্ত। ফাইব্রয়েড এক ধরনের নিরীহ টিউমার, এটি ক্যানসার বা বিপজ্জনক কিছু নয়।
তবে দুটো সমস্যার কারণে সুচিকিৎসা দরকার।
১. এর ফলে অতিরিক্ত মাসিক হওয়া এবং তার জন্য রক্তশূন্যতা হতে পারে।
২.এটিকে বন্ধ্যাত্বের একটি অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এ ধারণা সব সময় সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না-ও হতে পারে। কেননা ২৫ শতাংশ ফাইব্রয়েড টিউমার আজীবন কোনো সমস্যাই করে না। মোটামুটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কমবেশি অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা অনিয়মিত মাসিক বা তলপেট ভারী বোধ হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হয়।২৭ থেকে ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রেই কেবল এটি বন্ধ্যাত্বের কারণ হয়ে উঠতে পারে, যদি নিচের ঘটনাগুলো ঘটে:
১. যদি ফা...
আধুনিক নারীদের বাইরের কাজের পাশাপাশি ঘরেও কাজ করতে হয়। ব্যস্ত এই জীবনে এত কাজের ভিড়ে নিজের স্বাস্থ্যের দিকে ঠিকমত খেয়াল রাখতে পারেন না অনেক নারীরাই। আবার স্বাস্থ্যসচেতন নারীরা স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলতে পছন্দ করেন।
তবে কিছু ভিটামিন অব্যশই ডায়েট চার্টে থাকা উচিত। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে নানা শারীরিক সমস্যা সমাধান করে থাকে।
১। ভিটামিন এ:
সব বয়সী নারীদের জন্য ভিটামিন-এ প্রয়োজনীয়। এটি হাড়, দাঁত মজবুত করে। এর সাথে টিস্যু , ত্বক এবং পেশী মজবুত করে থাকে।
নিয়মিত গ্রহণে ভিটামিন-এ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে। টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, ব্রকলি, পেঁপে, দুধ, কলিজা ইত্যাদি খাবারে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে।
২। ডি:
ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন ডি সামুদ্রিক মাছ, ফ্যাটি ফিশ, ডিম, দুধ ইত্যাদি খাবারে রয়েছে। এটি পি...
শরীরের যেকোনো অঙ্গের ক্যানসারই মারাত্মক বা ভীতিকর রোগ। স্তন ক্যানসারও এর ব্যতিক্রম নয়। ক্যানসার হয়ে গেলে তার চিকিৎসা করানোর চেয়ে ক্যানসার প্রতিরোধই শ্রেয়তর। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। এভাবে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ সম্ভব অনেকাংশে।
শরীরের ওজনের দিকে খেয়াল রাখুন:
বিশেষ করে ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে শরীরের ওজন যেন বেশি না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে যেসব মহিলার শরীরের ওজন ২১ থেকে ৩০ পাউন্ড (৯.৫ থেকে ১৩.৫ কেজি) বৃদ্ধি পায়, তাদের স্তন ক্যানসারের সম্ভাবনা ওই বয়সে শরীরের ওজন ৫ পাউন্ডের চেয়ে কম বাড়া মহিলাদের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি। বাড়তি ওজন মানে শরীরে বাড়তি তেল-চর্বি। শরীরে তেল-চর্বি বেশি জমলে রক্তে ইস্ট্রোজেন ও ইনসুলিন হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ইস্ট্রোজেন ও ইনসুলিন—দুটোই স্তন ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। স্তন ক্যানসার মোটা ...
গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করাই যাবে না—এমন কোনো কথা নেই। বরং এই সময়ে যত বেশি কর্মক্ষম থাকা যায়, ততই ভালো। জেনে নিন গর্ভকালীন ব্যায়াম কেন ভালো?
হালকা ব্যায়াম
– মা ও শিশুর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
– কোমর, পা ইত্যাদি ব্যথার উপশমে সাহায্য করে, সন্ধি, লিগামেন্ট, পেশিকে শিথিল করে।
– কাজে উদ্যম আনে, ফিটনেস বাড়ায়
– অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি থেকে বাঁচায়
– পরিপূর্ণ ও গভীর ঘুমে সাহায্য করে
– কোষ্ঠকাঠিন্য, অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি দূর করে
– পায়ের রক্তনালি ফুলে ওঠা দূর করে
– স্বাভাবিক প্রসবে সাহায্য করে।
ব্যায়াম শুরুর আগে জেনে নিন
ব্যায়াম শুরুর আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার গর্ভাবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। নানা কারণে চিকিৎসক আপনাকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলতে পারেন, সে সময় ব্যায়াম করা যাবে না।
-আপনি যদি আগে থেকেই কিছু হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়ামে অভ্যস্ত থাকেন, তবে তা চালিয়ে নিতে পারেন। তবে পেটের ওপর চাপ পড়ে...
৩-৫ বছর বয়সটাই বেশি চঞ্চলতার এবং এ সময়টাতে বাচ্চারাও থাকে বেপরোয়া প্রকৃতির। নির্দ্বিধায় অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে উটকো বিপদ ডেকে আনতে পারে যেকোনো সময়। এ বয়সী বাচ্চা দের তাই সবসময় চোখে চোখে রাখা চাই। হাজারো সতর্কতার মাঝে আজ রইল অল্প কয়েকটি টিপস। পরবর্তীতে আরো টিপসের জন্য চোখ রাখুন মাটিনিউজের লাইফস্টাইল বিভাগে। আপনার লেখা পাঠানো টিপস পাঠান এই ঠিকানায় news@matinews.com।
১। গোলাকার কোনো বস্তু, যা সহজে গলা দিয়ে নামতে পারে এমন যত খেলনা বা খেলনার অংশ আছে, সব ঝেঁটিযে বিদেয় করুন।
২। সেদ্ধ ডিম কখনো আস্তটা হাতে তুলে দেবেন না বাচ্চার হাতে । ভেঙে ভেঙে খাওয়াবেন। এ বয়সী বাচ্চাদের গলায় ডিম আটকে মৃত্যুর ঘটনা কিন্তু কম নয়।
৩। সিপি বা কাজি ফার্মের চিকেন বল খেতে দিলেও একই সতর্কতা বজায় রাখুন। বলটাকে ভেঙে তারপর ওর মুখে দিন। পুরোটা দিয়ে দিতে যাবেন না। গলায় আটকে গেল বাচ্চারা সেটা বোঝাতেও পারবে না। সময়মতো ব...
ফোন কেনার পরে আপনার প্রথম কাজই হবে ফোনে ভাল মানের গ্লাস স্ক্রিন গার্ড ও ফোন কেস লাগানো। এতে ভিড়ের মাঝে স্ক্রিনের ক্ষতি হবে না। ধাক্কাধাক্কিতে হাত থেকে পড়ে গেলেও ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে।
১০০ শতাংশ চার্জ হওয়ার আগে ফোন ব্যবহার করার অভ্যাস ছাড়ুন। তাতে ফোনের ব্যাটারির কর্মক্ষমতাও যেমন বাড়বে, তেমনই বাইরে যত খুশি ব্যবহারও করতে পারবেন।
তাড়াতাড়ি কিনে ফেলুন একটা রবারের ফোন হোল্ডার। এতে ফোন সহজে আপনার গ্রিপ থেকে আলগা হয়ে যাবে না।
পুজোর ভিড়ে কখন কী হয় বলা যায় না। তাই আগে থেকে সাবধানতা অবলম্বন করাই শ্রেয়। ফোনে ডাউনলোড করুন অ্যান্টি থেফ্ট সফটওয়্যার। ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলেও অনায়াসে পেয়ে যাবেন তার হদিশ।
সঙ্গে রাখুন নরম কাপড়। চেষ্টা করুন সব সময় ফোন শুকনো ও পরিস্কার রাখতে। এতে ফোনের ডিভাইসের আয়ু বাড়ে। ভিজে গেলে তাড়াতাড়ি ব্যাটারি খুলে নিয়ে শুকিয়ে নিন হাওয়ায়। বাড়ির...
সামান্য তিল বা আঁচিল অনেক সময় ত্বকে মেলানোমা নামক মারাত্মক ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এ ধরনের সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন সাবধানতা ও সঠিক নির্দেশনা। তিল কিংবা আঁচিল থেকে ত্বকে ক্যান্সারের কিছু লক্ষণ সম্পর্কে জেনে নিন।
* স্বাস্থ্যকর তিলগুলো সাধারণত একই রঙের হয়ে থাকে। কিন্তু এটি মেলানোমায় রূপান্তরিত হতে শুরু করলে এর রঙের গাঢ়ত্বের পরিবর্তন দেখা দেয়।
* তিল সাধারণত গোলাকৃতি বা ডিম্বাকৃতির হয়ে থাকে। কিন্তু মেলানোমার এরকম নির্দিষ্ট কোনো আকৃতি থাকে না।
* তিল প্রাথমিক অবস্থা থেকে বড় হওয়া বিপদের লক্ষণ। সাধারণভাবে বলা হয় ৬ মি.মি-এর বড় হলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
* সমতল তিল হঠাৎ উঁচু হয়ে বা একটি পিণ্ডের মত হতে উঠতে পারে। অথবা আগের চেয়ে শক্ত বলেও মনে হতে পারে। এছাড়াও তিলে চুলকানি, রক্তপাত বা প্রদাহ দেখা দিলেও তা সতর্ক হতে হবে।
* ঝুঁকিতে রয়েছেন যারাঃ যাদের একটু বেশি ফর্সা চামড়া অর্থাৎ যাদের শরী...
রক্ত স্বল্পতার কারণ ও লক্ষণ সমূহ:
কারণ
আয়রনের অভাব, ভিটামিন বি১২ এর অভাব, ফলিক অ্যাসিডের অভাব, অতিরিক্ত রক্তপাত,পাকস্থলিতে ইনফেকশন,
লক্ষণ: অবসন্নতা, ক্লান্তিভাব, বমি, ঘাম হওয়া, মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, ছোট শ্বাস, বেশি ঠাণ্ডা অনুভব করা ইত্যাদি রক্তশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে।
কিছু খাবার আছে যা প্রতিদিন খেলে রক্তস্বল্পতা দূর করা সম্ভব হবে। রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করবে এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন।
পালং শাক: পালং শাককে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, বি৯, ই, সি, বিটা কারটিন এবং আয়রন রয়েছে। যা রক্ত তৈরি করে থাকে। আধা কাপ পালং শাক সিদ্ধতে ৩.২ মিলিগ্রাম আয়রন আছে যা নারীদের দেহে ২০% আয়রন পূরণ করে থাকে।
বিট: বিট আয়রন সমৃদ্ধ খাবার হওয়া খুব অল্প সময়ের মধ্যে এটি রক্ত স্বল্পতা দূর করে দেয়। এটি লোহিত রক্তকণিকা বৃদ্ধি করে এবং দেহে অক্সিজেন সরবারহ সচল রাখে।
টমেটো: টমেটোতে ভিটামিন সি আছে যা অন্য খা...