Health and Lifestyle Archives - Page 75 of 148 - Mati News
Monday, May 25

Health and Lifestyle

আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের প্রধান ডা. এম আলমগীর চৌধুরীর পরামর্শ : কণ্ঠের যত্ন নেয়ার প্রয়োজন আছে

আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজের ইএনটি বিভাগের প্রধান ডা. এম আলমগীর চৌধুরীর পরামর্শ : কণ্ঠের যত্ন নেয়ার প্রয়োজন আছে

Cover Story, Health and Lifestyle
কণ্ঠের যত্ন নেয়ার প্রয়োজন আছে কণ্ঠস্বরজনিত কোনো না কোনো সমস্যায় ভুগছে বিশ্বের লাখো কোটি মানুষ। কিভাবে কণ্ঠ সুস্থ রাখা যায়, জানাচ্ছেন আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী গলার সামনে স্বরযন্ত্র (ল্যারিংস) অবস্থিত। এতে দুটি কণ্ঠনালি (ভোকাল কর্ড) থাকে। এই নালি দুটির কম্পনের মাধ্যমে শব্দ তৈরি হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় ফুসফুস থেকে প্রবাহিত বাতাস কণ্ঠনালিতে কম্পনের সৃষ্টি করে। কথা বলা বা গান গাওয়ার সময় এই কম্পন হয় প্রতি সেকেন্ডে ১০০ থেকে এক হাজারবার। একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের দিনে ১০ লাখবার কণ্ঠনালি দুটির সংস্পর্শ হয়। কণ্ঠনালির ওপর আমরা কতটুকু নির্ভরশীল, তা এ থেকেই বোঝা যায়। তাই কণ্ঠ সুস্থ রাখা খুবই জরুরি। কণ্ঠের যত্ন নেয়ার প্রয়োজন আছে লক্ষণ কণ্ঠনালির সমস্যার লক্ষণ হলো—গলা ব্যথা, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, কাশি,...
হঠাৎ গলায় খাবার আটকে গেলে করণীয়

হঠাৎ গলায় খাবার আটকে গেলে করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
হঠাৎ গলায় খাবার আটকে গেলে গলার ভেতর শ্বাসনালি ও খাদ্যনালি পাশাপাশি থাকে বলে খাওয়ার সময় শ্বাসনালির ওপরের অংশটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঢাকা পড়ে যায়। কিন্তু বিস্কুট, মুড়ি, কেকজাতীয় শুকনো খাবার খেলে, তাড়াহুড়া করে খেলে, খাবার সময় কথাবার্তা বললে বা অন্য কোনো শারীরিক কাজ করলে সেই খাবার খাদ্যনালিতে না গিয়ে শ্বাসনালিতে ঢুকে শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।   এ সময় বেসিক লাইফ সাপোর্ট জানা লোক ছাড়া অন্য কারোর মাধ্যমে গলায় আঙুল ঢুকিয়ে খাবারের টুকরাটা বের করে আনার চেষ্টা করা উচিত নয়। সময়টা এ ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া মানে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া   হেইমলিচ ম্যানইউভার শ্বাসনালিতে খাদ্য আটকে গিয়ে দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পেতে বিখ্যাত আমেরিকান ইএনটি স্পেশালিস্ট হেনরি হেইমলিচ ১৯৭৪ সালে একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যা বেশ কার্যকর। তাঁর নামা...
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ তালুকদারের পরামর্শ : ক্যান্সার স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ তালুকদারের পরামর্শ : ক্যান্সার স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি

Cover Story, Health and Lifestyle
ক্যান্সার স্ক্রিনিং অত্যন্ত জরুরি ডা. মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন, সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল একজন সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে ক্যান্সারের লক্ষণ হয়তো এখনো প্রকাশ পায়নি, কিন্তু তার আদৌ ক্যান্সার রয়েছে কি না বা হতে পারে কি না—এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যেতে পারে। একেই বলে ক্যান্সার নির্ণয়ের পরীক্ষা বা ক্যান্সার স্ক্রিনিং। এটি খুব জরুরি এ জন্য যে আগে থেকেই স্ক্রিনিং করা হলে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে চিকিৎসা অনেকটা সহজ হয়ে যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, উন্নয়নশীল দেশে স্তন ক্যান্সার, জরায়ুমুখের ক্যান্সার, মুখগহ্বরের ক্যান্সারের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই এগুলোর ক্ষেত্রে স্ক্রিনিং করা উচিত।   নির্ণয়পদ্ধতি নিজে নিজে সতর্ক হয়ে, রক্ত পরীক্ষা, বায়োপসি, এফ...
ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে দরকার পরিবেশ এবং জীবনযাত্রা প্রণালীর পরিবর্তন

ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে দরকার পরিবেশ এবং জীবনযাত্রা প্রণালীর পরিবর্তন

Cover Story, Health and Lifestyle
  ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে দরকার পরিবেশ এবং জীবনযাত্রা প্রণালীর পরিবর্তন পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাবের তারতম্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ক্যান্সারই (৯০%) মানুষের জীবনযাত্রা প্রণালীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস এবং সামাজিক রীতি-নীতি ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাবকে প্রভাবিত করে। যেমন—জাপানে পাকস্থলী ও যকৃতের ক্যানসার বেশি হয়। কিন্তু সাদা চামড়াবিশিষ্ট আমেরিকানদের তুলনায় জাপানিদের অন্ত্র ও প্রস্টেট গ্রন্থির ক্যান্সার অনেক কম হয়। আবার এই জাপানিরাই যখন আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে, তখন তাদের পাকস্থলী ও যকৃতের ক্যান্সারের হার কমে যায়; অন্ত্র ও প্রস্টেট গ্রন্থির ক্যান্সার আগের তুলনায় বেড়ে যায়। এতে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয় যে পরিবেশ ও জীবনযাত্রা প্রণালী ক্যান্সারের প্রাদুর্ভাবের অন্যতম কারণ।   ক্যান্সার ও জীবনযাত্রা প্রণালীকে খাদ্যাভ্যাস, সা...
সর্দি-কাশিতে ভিটামিন সি কতটা উপকারী?

সর্দি-কাশিতে ভিটামিন সি কতটা উপকারী?

Cover Story, Health and Lifestyle
সর্দি-কাশিতে ভিটামিন সি কতটা উপকারী? মৌসুম বদলের সময় সর্দি-কাশি খুবই পরিচিত সমস্যা। সচরাচর আমরা একে ঠান্ডা লাগা বলে থাকি। এর জন্য প্রায় ২০০ রকমের ভাইরাসকে দায়ী করা হয়। সর্দি-কাশি হলে জ্বর থাকতেও পারে, আবার না-ও পারে। তবে ভাইরাস সংক্রমণের কারণে এর সঙ্গে প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা অনুভূত হয়, শরীর ম্যাজম্যাজ করে; হাঁচি, সর্দি, মাথাব্যথা, গলাব্যথাসহ নানা রকম লক্ষণ-উপসর্গ প্রকাশ পায়। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রচুর ভোগান্তি হয়। ভাইরাসজনিত ব্যাধি হওয়ায় এমন সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিকও কোনো কাজ করে না। কথায় বলে, ওষুধ খেলে সর্দি-কাশি গড়ে ১৮ দিনে সারে, না খেলেও একই। এসব জানা সত্ত্বেও আমরা সর্দি-কাশির ওষুধের জন্য হন্যে হয়ে পড়ি। সচরাচর প্যারাসিটামল, অ্যান্টিহিস্টামিন ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহৃত হয় এই সমস্যায়। কখনো কফের জন্য সিরাপজাতীয় ওষুধ খান অনেকে, যা আসলে তেমন কোনো উপকার করে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অ্যা...
পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : মায়ের দুধের গুণাবলি

পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরীর পরামর্শ : মায়ের দুধের গুণাবলি

Cover Story, Health and Lifestyle
মায়ের দুধের গুণাবলি ♦     হলদেটে রঙের শালদুধে (প্রসূতির স্তন থেকে বের হওয়া প্রথম দুধ) রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, আমিষ, শ্বেতকণিকা এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা। এই দুধ শিশুর পেট পরিষ্কার করে, নিয়মিত পায়খানা হতে সাহায্য করে এবং জন্ডিসের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। একে জীবনের প্রথম টিকাও বলা হয়। এ জন্য জন্মের পরপরই শিশুকে শালদুধ খাওয়ানোর পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। ♦     মায়ের দুধে পুষ্টি উপাদান ছাড়াও রয়েছে ৯০ ভাগ পানি। এ জন্য শিশুকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত আলাদা পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ♦     মায়ের দুধে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিড (লিনোলিক এসিড) আছে, যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, চক্ষু ও রক্তনালি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়। ♦     মায়ের দুধে রোগজীবাণু থাকে না। উপরন্তু শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জন্মায়। ফলে শিশুর অসুখ-বিসুখ, বিশেষ করে ডায়রিয়া, কানপাকা, নিউ...
পিজি হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিমের পরামর্শ : শিশুর দৈহিক বৃদ্ধিতে কৃত্রিম গ্রোথ হরমোন

পিজি হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিমের পরামর্শ : শিশুর দৈহিক বৃদ্ধিতে কৃত্রিম গ্রোথ হরমোন

Cover Story, Health and Lifestyle
শিশুর দৈহিক বৃদ্ধিতে কৃত্রিম গ্রোথ হরমোন ডা. শাহজাদা সেলিম কোনো শিশু যখন তার সমবয়সীদের তুলনায় কম উচ্চতাসম্পন্ন হয়, তখন অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো বৃদ্ধি না হলে একটি শিশু নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়। অনেক সময় এই বৃদ্ধি প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে যৌবনপ্রাপ্ত না হওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়। পরবর্তী সময়ে বিবাহবন্ধন, সন্তান ধারণ বা পারিবারিক জীবন ব্যাহত করে। এ ছাড়া কিছু শিশু ট্রিজিং ও বুলিংয়ের শিকার হয়ে একঘরে হয়ে পড়ে। ভালো মেধা থাকা সত্ত্বেও অনেকে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে।   কারণ শিশুর শারীরিক ও মানসিক উভয়ই বৃদ্ধি জিনগত ও পরিবেশগত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। পাশাপাশি নির্ভর করে তার সার্বিক সুস্থতা ও হরমোনের ওঠা-নামার ওপর। আবার একেক এলাকায় ও একেক পরিবারে উচ্চতা বৃদ্ধির প্রবণতা একেক রকম। অনেক সময় শৈশবে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেমন...
ল্যাবএইড হাসপাতালের কিডনি বিভাগের প্রধান ডা. এম এ সামাদের পরামর্শ : মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ যখন সমস্যা করণীয়

ল্যাবএইড হাসপাতালের কিডনি বিভাগের প্রধান ডা. এম এ সামাদের পরামর্শ : মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ যখন সমস্যা করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ যখন সমস্যা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউটিআই প্রচলিত একটি সমস্যা। মূত্রতন্ত্রের এই প্রদাহ বা সংক্রমণ বারবার হতে থাকলে ক্রনিক কিডনি রোগসহ মারাত্মক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে সমস্যা অনেকাংশে এড়ানো যায়। লিখেছেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের কিডনি বিভাগের প্রধান পরামর্শক অধ্যাপক ডা. এম এ সামাদ সাধারণত পুরুষদের তুলনায় নারীদের মূত্রতন্ত্রের প্রদাহ বেশি হয়ে থাকে কিডনির কাজ হলো রক্ত পরিস্রুত করে দেহের অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা আবর্জনা মূত্র বা প্রস্রাব আকারে শরীর থেকে নিষ্কাশিত করা। প্রথমে কিডনি থেকে ইউরেটার দিয়ে প্রস্রাব আসে ইউরিনারি ব্লাডারে এবং তা ইউরিথ্রা হয়ে বের হয়ে যায়। এই পুরো রাস্তা, অর্থাৎ ইউরেটার থেকে শুরু করে ইউরিথ্রা পর্যন্ত ট্র্যাক্টকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট বলে। এই জায়গাটার কোনো অংশে সংক্রমণ হলে সেটাই ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউটি...
ডেলটা মেডিক্যাল কলেজের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. কাজী মনজুর কাদের বললেন,  ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য

ডেলটা মেডিক্যাল কলেজের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. কাজী মনজুর কাদের বললেন, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য

Cover Story, Health and Lifestyle
ক্যান্সার প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য অধ্যাপক ডা. কাজী মনজুর কাদের বিভাগীয় প্রধান, অনকোলজি বিভাগ, ডেলটা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল অসংক্রামক ও দীর্ঘস্থায়ী মারাত্মক রোগ ক্যান্সার। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরিণতি মৃত্যু ডেকে আনে। তবে প্রাথমিকভাবে রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে ভালো থাকা যায়। শরীরের কোনো স্থানে অস্বাভাবিকভাবে কোষ বৃদ্ধি হয়ে কোনো চাকা বা পিণ্ডের সৃষ্টি হলে তাকে টিউমার বলে। বেনাইন ও ম্যালিগনন্টে—এই দুই ধরনের টিউমার থাকলেও সাধারণত খুব একটা ক্ষতি করে না বলে বেনাইন টিউমারকে শিষ্ট বা অক্ষতিকারক টিউমার বলে। তবে ম্যালিগনন্টে টিউমার বা ক্যান্সার বেশ ক্ষতিকারক, যা রক্তনালি ও লসিকানালির মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে মানুষকে অকালমৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। কারণ সুনির্দিষ্ট কোনো কারণে ক্যান্সার হয় না। এটা সৃষ্টিতে একাধিক কারণ প্রত্য...
জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা !

জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা !

Cover Story, Health and Lifestyle
নবজাতকের জন্ম সবসময়ই আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। কিন্তু এই জন্ম যখন হয় অবাঞ্চিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত, তখন আনন্দের পরিবর্তে তা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাড়ায়। ডাস্টবিনে, রাস্তার পাশে এমনকি বাথরুমের পাইপের ভিতরে সদ্য জন্মানো নবজাতকের আর্ত চিৎকার বার বার সেই ভুল আর অসচেতনতার কথাই মনে করিয়ে দেয়। জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক সচেতনতা না থাকার কারণে না চাইলেও লোক চক্ষুর অন্তরালে এরকম পাপ কাজে লিপ্ত হচ্ছে হাজার হাজার দম্পতি। ঘরে বসে ফেসবুকে এসব সংবাদ দেখে “ইশ” বলে আফসোস করলেই কি সমস্যার সমাধান হবে? এই ক্রমবর্ধমান সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনার আমার সবার সচেতন হওয়া জরুরী। তাই আজ আমরা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো। জননক্ষম সময় মাসিক হওয়ার ৫ দিন আগে থেকে মাসিকের দিন পর্যন্ত অর্থাৎ ৬ দিন মা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই দিনগুলোতে যৌন সঙ্গম করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। নিরাপত্তার খাতিরে দুই দিক ...
মুখ ধোওয়ার সময় আপনিও এই ভুলগুলি করছেন না তো!

মুখ ধোওয়ার সময় আপনিও এই ভুলগুলি করছেন না তো!

Cover Story, Health and Lifestyle
  সৌন্দর্যের প্রাথমিক শর্ত হল নিখুঁত, উজ্জ্বল, বলিরেখাহীন মুখ। তবে আমাদের মুখের ত্বক হল সবচেয়ে বেশি কোমল ও সংবেদনশীল। স্বাস্থ্যোজ্বল সুন্দর ত্বক পেতে কে না চায় আর তার জন্য আমরা কত কী না করি! মুখের ত্বক সব সময় তরতাজা রাখতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। যেমন, নিয়মিত মুখের ত্বক ভাল করে পানি দিয়ে ধোয়া। অনেকেই দিনের মধ্যে অন্তত ২-৩ বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে থাকেন। আরও নানা উপায়ে মুখের ত্বকের যত্ন নেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কোথাও কি কোনও গলদ থেকে যাচ্ছে? মুখের ত্বক সব সময় নিখুঁত, উজ্জ্বল আর তরতাজা রাখতে হলে সঠিক পদ্ধতি মেনে মুখ ধোওয়া উচিত। আমরা অনেকেই মুখ ধোওয়ার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নয়। তাই দিনের মধ্যে ২-৩ বার ভাল করে মুখে ধুলেও ত্বকের ক্ষতি হয়েই চলেছে। তাই মুখের কোমল ত্বকের সঠিক যত্ন নিতে মুখ ধোওয়ার সময় এই নিয়মগুলি অবশ্যই মেনে চলুন... ১) প্রথমে সামান্য উষ্ণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ...
এক বছরের কম বয়সী শিশুর সামনে ডিজিটাল পর্দা নয়: ডাব্লিউএইচও

এক বছরের কম বয়সী শিশুর সামনে ডিজিটাল পর্দা নয়: ডাব্লিউএইচও

Cover Story, Health and Lifestyle, Kids Health
  এক বছরের কম বয়সী শিশুর সামনে ডিজিটাল পর্দা নয়: ডাব্লিউএইচও গত বুধবার নতুন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)। সেখানে বলা হয়েছে, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের কোনো ইলেকট্রনিক স্ক্রিনে এক ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় করা উচিত নয়। আর এক বছরের কম বয়সী শিশুদের সামনে কোনো অবস্থাতেই মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপের মতো ডিজিটাল স্ক্রিন দেয়া যাবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেডরোস অ্যাডানম ঘেব্রেইয়েসাস এক বিবৃতিতে বলেন, জন্মের পর থেকে শৈশবের আগ পর্যন্ত শিশুদের সার্বিক গঠন দ্রুত গতিতে ঘটতে থাকে। এই সময়ের মধ্যেই পারিবারিক পরিবেশ তাদের স্বাস্থ্যগত দিকটিতে প্রভাব ফেলে। তবে এ প্রতিবেদনে ডিজিটাল পর্দায় কতটুকু সময় দিলে তা ক্ষতিকর হবে তা বলা হয়নি। কিন্তু শিশুদের ভালোর জন্যে ডিজিটাল স্ক্রিন খুবই ক্ষতিকর। তাদের জন্যে দরকার হাঁটাহাঁটি, দৌড়ে বেড়ানো কিংবা খেলাধুলা। এসবই শ...
কালোজিরা মানেই কালো হীরা! জেনে রাখুন এর উপকারিতা

কালোজিরা মানেই কালো হীরা! জেনে রাখুন এর উপকারিতা

Cover Story, Health and Lifestyle
কালোজিরা মানেই কালো হীরা! জেনে রাখুন এর উপকারিতা কালো জিরাকে বলা হয় ‘মৃত্যু ছাড়া সর্ব রোগের মহৌষধ’। আবার অনেকে একে বলে, কালো হীরা। প্রাচীনকাল থেকেই নানা অসুখ-বিসুখে কালো জিরাকে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন চিকিৎসক-কবিরাজরা। মাথার চুল থেকে পায়ের নখ- সব অঙ্গের রোগ নিরাময়ে জুড়ি নেই কালো জিরার। সর্দি-কাশি, আমাশয়, ফুসফুসের প্রদাহ, মাথার যন্ত্রণা থেকে শুরু করে জন্ডিস সব রোগেরই উপযুক্ত দাওয়াই এই কালো জিরা।নিচে কালো জিরার কিছু গুণ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো: ● কালো জিরা ভর্তা আমরা অনেকেই শখ করে খাই। রান্নার মশলার মধ্যে কালো জিরার গুণাগুণের তুলনা নেই। কালো জিরা শুধু ক্ষুধা বাড়ায় তা নয়, পেটের বায়ুনাশক ও ফুসফুসের রোগেও মহাউপকারী। ● আমাশয়ের সমস্যায় কালো জিরা মহৌষধ। এ সময় কালো জিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ...
ত্বকের যত্নে মুগ ডাল ব্যবহার করতে পারেন

ত্বকের যত্নে মুগ ডাল ব্যবহার করতে পারেন

Cover Story, Health and Lifestyle
ত্বকের যত্নে মুগ ডাল ত্বকের যত্নে আমরা অনেক কিছুই ব্যবহার করি। এসবের মধ্যে ডাল একটি। রূপচর্চায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মশুর ডাল। তবে ত্বক উজ্জ্বল, দাগহীন, কোমল ও মসৃণ রাখতে মুগ ডালও খুব কার্যকরী। কিভাবে মুগডাল ব্যবহার করবেন জেনে নিন- ব্রণ দূর করতে: ব্রণ দূর করতে মুগডাল হতে পারে ভালো একটি উপাদান। মুগ ডালের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ত্বকে ময়লা আটকে থাকতে এবং তৈলাক্ত হতে দেয় না। ব্রণের সমস্যায় মুগ ডাল পেস্টের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে মুখে মেখে রাখুন। ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে নিন। ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করতে হবে। শুষ্ক ত্বকে ব্যবহার: আপনার মুখের শুষ্ক ত্বক নরম ও নমনীয় করতে মুগ ডাল ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য সারারাত কাঁচা দুধে ভিজিয়ে ডালের পেস্ট করে ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাক মুখে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। এরপর মুখ ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। রোদে পোড়া ত্বকে: নিয়মিত বাইরে ব...
নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা

নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা

Cover Story, Health and Lifestyle
নিয়মিত কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতার দিক থেকে দেখতে গেলে কাজু বাদামের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। শুধু তাই নয়, কাজু বাদামে ভিটামিনের মাত্রা এতো বেশি থাকে যে চিকিৎসকেরা একে প্রকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট নামেও ডেকে থাকেন। তবে একথাও ঠিক যে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে এই বাদামটি খেলে কিন্তু শরীরের উপকারের থেকে অপকার হয় বেশি। কারণ উপকারি উপাদান বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে উল্টো ফল হতে শুরু করে। তাই পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে কাজু বাদাম, তাহলেই সুফল পাওয়া যাবে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত যদি এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপাকার। যেমন ধরেন- ১. অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে- কাজুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন...