Health and Lifestyle Archives - Page 83 of 147 - Mati News
Saturday, January 17

Health and Lifestyle

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : এসিডিটি হলে করণীয়

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : এসিডিটি হলে করণীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : এসিডিটি হলে করণীয় খাদ্যনালি দিয়ে পাকস্থলীতে খাবার যায়। এখানে বিশেষ ভূমিকা রাখে হাইড্রোক্লোরিক এসিড, যার তারতম্যের কারণেই নানা ধরনের সমস্যা হয়। এসিডিটি এর মধ্যে অন্যতম সমস্যা। অনেকেরই খাবার খেলে বুকে চাপ চাপ লাগে বা জ্বালাপোড়া হয়। পাকস্থলী থেকে এই হাইড্রোক্লোরিক এসিড বুকের দিকে চলে আসে বলে এমন হয়। জীবনযাত্রার অনেক কারণে যেমন কারো ওজন বেড়ে গেলে, পেটের আয়তন বেড়ে গেলে, গর্ভাবস্থায় এটা হতে পারে। এ ছাড়া সঠিক খাবার না খেয়ে অতিরিক্ত মসলাদার বা তৈলাক্ত খাবার, কোমল পানীয়, সিগারেট, অ্যালকোহল, কফি বা চা পান করলেও এসিডিটি হতে পারে। এসব বদ-অভ্যাস বাদ দিলে বা স্বাস্থ্যকর নিয়ম মেনে চললে এসিডিটির সমস্যা সমাধান হতে পারে।   করণীয় ♦ খাবার গ্রহণের আধাঘণ্টা পর পানি পান করলে হাইড্রোক্লোরিক এসিড ওপরের দিকে ওঠে না। আবার খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়...
পিজি হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. ফরিদ উদ্দিনের পরামর্শ :  ডায়াবেটিস রোগীর স্বাভাবিক জীবনযাপন

পিজি হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. ফরিদ উদ্দিনের পরামর্শ : ডায়াবেটিস রোগীর স্বাভাবিক জীবনযাপন

Cover Story, Health and Lifestyle
ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সচেতন হলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখেও প্রায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়। পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও কোর্স কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. ফরিদ উদ্দিন সুস্থ মানুষের চেয়ে ডায়াবেটিস রোগীদের সব কিছুতেই ঝুঁকি একটু বেশি থাকে। তাই সুস্থতার জন্য তাদের নিজেদের সম্পর্কে একটু বাড়তি যত্নবান হওয়া আবশ্যক। তাই কিছু করণীয় হলো— ♦ খাবারদাবারে নিয়ম মেনে পরিমিত সুষম খাবার গ্রহণ করুন। চিনি, মিষ্টিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। শাকসবজি ও আঁশজাতীয় খাবার খান। ♦ ক্যালরিবহুল খাবার, যেমন তেল-চর্বিযুক্ত খাবার (তেল, ঘি, মাখন, ডালডা, চর্বি, ডিমের কুসুম, মগজ ইত্যাদি) কম খান। ♦ শর্করাবহুল খাবারগুলো (চাল, আটা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি খাবার) কিছুটা হিসাব করে খান। শাকসবজি, ফলমূল বেশি খান। ♦ ফাস্ট ফুড ও কোল্ড ড...
ল্যাবএইড হাসপাতালের অর্থোপেডিক ডা. এম আমজাদ হোসেনের পরামর্শ : কোমর ও হাঁটু প্রতিস্থাপন করার নিয়ম

ল্যাবএইড হাসপাতালের অর্থোপেডিক ডা. এম আমজাদ হোসেনের পরামর্শ : কোমর ও হাঁটু প্রতিস্থাপন করার নিয়ম

Cover Story, Health and Lifestyle
কোমর ও হাঁটু প্রতিস্থাপন বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি কোমর ও হাঁটু প্রতিস্থাপন , যা বাংলাদেশে হচ্ছে কম খরচে। কোমর ও হাঁটুতে অল্প সময়ের অপারেশন শেষে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইস বসিয়ে দেওয়ার এই চিকিৎসা নিয়ে লিখেছেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের অর্থোপেডিক ও অর্থোপ্লাস্টি সেন্টারের হেড ও চিফ কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন   হাঁটু ও কোমরের সমস্যা যেকোনো বয়সেই হতে পারে, তবে একটু বেশি বয়সে এর প্রকোপ বেশি দেখা যায়। হাঁটু ও কোমরের মধ্যে হাঁটুতে একটু বেশি দেখা যায়।   কোমর প্রতিস্থাপন ঊরুর হাঁড়ের অগ্রভাগ ও নিতম্বের কোটরের সংযোগস্থলকে সমন্বিতভাবে হিপ বা কোমর বলে। হাঁটাচলা বা পুরো পা মাটিতে ফেলে স্বাধীনভাবে নড়াচড়া করা যায় এই কোমরের মাধ্যমেই। কোনো কারণে এই হিপ অকার্যকর হলে তখন ওই হিপ ফেলে দিয়ে কৃত্রিম হিপ প্রতিস্থাপন করা হয়। একেই বলে হিপ রিপ্লে...
পিজি হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. রেজাউল করিম কাজলের পরামর্শ : আল্ট্রাসনোগ্রাফি  মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমায়

পিজি হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. রেজাউল করিম কাজলের পরামর্শ : আল্ট্রাসনোগ্রাফি মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমায়

Cover Story, Health and Lifestyle
গর্ভাবস্থায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি গর্ভবতী মায়ের সেবা প্রদানের শক্তিশালী হাতিয়ার আল্ট্রাসনোগ্রাফি, যা মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ও অপরিহার্য। দেহের প্রায় সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা সম্ভব। পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রেজাউল করিম কাজল   শব্দতরঙ্গের মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরের ছবি পর্দায় দৃশ্যমান করার পদ্ধতির নাম আল্ট্রাসনোগ্রাফি। ১৯৫০ সালে ডা. আয়ান ডোনাল্ড এ পদ্ধতি চালু করেন। এর শব্দতরঙ্গ আমাদের শ্রবণসীমার বাইরে। এতে কোনো তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা এক্স-রে ব্যবহার করা হয় না বলে চিকিৎসাবিজ্ঞানে তা এক যুগান্তকারী ও নিরাপদ রোগ নির্ণায়ক পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত। দেহের প্রায় সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা সম্ভব।   গুরুত্ব গর্ভাবস্থার শুরুতেই অর্থাৎ মাসিক বন্ধের দুই মাস বা ছয়...
ভুড়ি কমান ঘাড়ে ও কোমড়ব্যথা কমবে

ভুড়ি কমান ঘাড়ে ও কোমড়ব্যথা কমবে

Cover Story, Health and Lifestyle
ভুড়ি কমান ঘাড়ে ও কোমড়ব্যথা কমবে   অতিরিক্ত ভুড়ি ও শরীরের ওজন দেহের কিছু পরিবর্তন আনে। ভুড়ির ভারে দেহের কোমর ভেতরের দিকে এবয় বুক পেছনের দিকে যাইতে তাকে। এতে ঘাড়েও অতিরিক্ত চাপ পড়ে। যখন ঘাড়ের ও কোমরের পেছনের মাংসপেশীতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে তখন মাংসপেশীগুলো দিনদিন ক্লান্ত হয়ে পড়ে যার ফলে ঘাড়েও ব্যথা শুরু হয়। এমতাবস্থায় চলতে থাকলে একসময় মেরুদণ্ডের দুই পাশে যে সরু চিকন রাস্তা থাকে স্পাইনাল ক্যানেল মোটা দিন দিন চিকন হয়। ফলে স্নায়ুর উপর চাপ পড়ে ফলে ব্যথা হাতে চলে যায়। একসময় হাত দূর্বল হয়ে পড়ে এক বলা হয় মায়োলোপোথন। আপনারা হয়তো মনে করতে পারেন, সামান্য ভুড়ি বা স্বাস্থ্য বেশি হওয়ার জন্য এতো সমস্যা হতে পারে? এছাড়াও আপনি কোমর হাঁটু বিভিন্ন জয়েন্টের ব্যথায় ভুগতে পারেন, সমস্যা হতে পারে হৃৎপিণ্ড ও কিডনিতে। ফুসফুসের সমস্যার জন্য হতে পারে অ্যাজমা জাতীয় সমস্যা। শুধু জানলেই হবে না। সে অনুযায়ী পরিশ্রম...
শিশুর ডায়রিয়া হলে অবশ্যই পালনীয়

শিশুর ডায়রিয়া হলে অবশ্যই পালনীয়

Cover Story, Health and Lifestyle, Kids Health
শিশুর ডায়রিয়া হলে অবশ্যই পালনীয় ডায়রিয়া শুরু হলেই শিশুর সব খাবারদাবার বন্ধ করে দিয়ে নির্জলা উপোসের যে সনাতন প্রথা, চিকিৎসাবিজ্ঞানের এই চরম উন্নতির দিনেও সেই প্রথার প্রতি আনুগত্য একেবারে বিরল নয়। শরীর থেকে জল বা খাবার প্রচুর পরিমাণে বেরিয়ে গেলে সেই অভাব পূরণ করাটাই হল চিকিৎসাবিজ্ঞানের বহুকালের বিধান। তবু বড়দের মতো শিশুদেরও পেট খারাপ হলেই জল বা খাবার নিয়ন্ত্রণে এমনকী বহু শিক্ষিত মানুষ আজও আগ্রহী। বাচ্চাদের যে কোনও ডায়রিয়াতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার, হাতের কাছে ডাক্তার পাওয়া না গেলে সময় নষ্ট না করে চলে যেতে হবে সবচাইতে কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে।মৃদু জলশূন্যতা থেকে ছোট শিশুর খুব তাড়াতাড়ি তীব্র জলশূন্যতার পরযায়ে চলে যেতে পারে। এরকম তীব্র জলশূন্যতায় বাচ্চার শিরায় নানা ধরনের ‘ফ্লুইড’ না দিতে পারলে বাচ্চাকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব। শিশুর ডায়রিয়া হলে অবশ্যই পালনীয় ১। বাচ্চা স...
শিশুর বৃদ্ধি-বিকাশ আর খাদ্য-পুষ্টি

শিশুর বৃদ্ধি-বিকাশ আর খাদ্য-পুষ্টি

Cover Story, Health and Lifestyle, Kids Health
শিশুর বৃদ্ধি-বিকাশ আর খাদ্য-পুষ্টি   শিশুর বেড়ে ওঠা বা শিশুর শক্তি স্ফূর্তি প্রাণচাঞ্চল্য এসবের জন্যই দরকার বয়সে অনুপাতে উপযুক্ত পুষ্টি। পুষ্টি আসে নানা ধরনের খাবারদাবার থেকে। শিশুর সাভাবিক খাওয়ারদাওয়ার ব্যাপারটা এত গোলমেলে যে শিশুর জন্য এই পুষ্টিটুকু জোগান দিতে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি ওদের চাই আরও অতিরিক্ত খাদ্য। শিশুর জন্য নানা ধরনের হেলথ ফুড বানান যাঁরা, তাদের দাবি এরকম। এঁরা দাবি করেন, শরীরের রোজকার প্রয়োজনীয় ক্যালোরির চাহিদা মেটাতে, প্রোটিন ফ্যাট কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি অত্যাবশ্যক নানা ভিটামিন আর আয়রন ক্যালসিয়াম কপার জিংকের মতো খনিজ লবণ শরীরে জোগাতে এরকম হেলথ ড্রিংক শিশুকে সাহায্য করে অনেকটাই। এগুলো নিয়মিত খেলে শিশু অপুষ্টির শিকার হয না। বাড়ে তরতর করে, শরীরমনের বিকাশ হয় দ্রুততর। বৃদ্ধি বলতে শিশুর বহিরঙ্গ বেড়ে ওঠা। আকারে, আয়তনে শারীরিকভাবে বেড়ে উঠতে থাকা। আর বিকাশ বলতে কাজক...
নাক ফোঁড়ানোর পর পেকে গেলে যা করতে হবে

নাক ফোঁড়ানোর পর পেকে গেলে যা করতে হবে

Cover Story, Health and Lifestyle
নাক ফোঁড়ানোর পর পেকে গেলে যা করতে হবে নাক অল্প বয়সেই  ফোঁড়ানো ভালো, পরে চামড়া পরিপক্ক হলে সহজে সুখায় না । নাক ফোঁড়ানোর পর পেকে পুঁজ হওয়া একটি সাধারন ও স্বাভাবিক সমস্যা, না হলেই বরং অস্বাভাবিক।  নাক ফোড়ানোর পর পেকে গেলে কি করা উচিত ? কিভাবে তাড়াতাড়ি ক্ষত শুকানো যায় ? আসুন জেনে নেই । → নাক পেকে গেলে প্রথমে স্যাভলন দিয়ে নাকটি ভাল মত পরিস্কার করুন → মনে রাখবেন নাক ফোঁড়ানোর ৩ দিনের মধ্যে নাকে ঘাম বা পানি লাগান যাবে না । পড়ুন  মেনোপজ নিয়ে নারীর ভ্রান্ত ধারণা → মসুর ডালের ভেতর যে ছোট ছোট কাঠি পাওয়া যায় তা ভালমত পরিস্কার করে নাকে দিয়ে রাখুন তা না হলে নতুন মাংস হয়ে তৈরি করা ছিদ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। → অনেক সময় নাক ফোড়ঁ শিরার উপর পড়লে এমন হয়. সে ক্ষেত্রে আপনাকে এই ছিদ্র টা বন্ধ করে আবার নতুন করে নাক ফোরাতে হবে → শুকনো মরিচের ভেতর সরিষার তেল ...
ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : পুড়ে গেলে যা করবেন

ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : পুড়ে গেলে যা করবেন

Cover Story, Health and Lifestyle
পুড়ে গেলে যা করবেন সাধারণ পোড়ায় করণীয় সাধারণত ত্বকের ওপরের স্তর বা এপিডার্মিস পুড়ে গেলে তাকে মাইনর বা ফার্স্ট ডিগ্রি বার্ন বলে। এপিডার্মিসের নিচের স্তর ডার্মিসের অংশবিশেষ পুড়লে একে সেকেন্ড ডিগ্রি বার্ন বলে। এ রকম পোড়া তিন ইঞ্চির বেশি না হলে তাকে মাইনর বার্নের শ্রেণিভুক্ত হিসেবে ধরে নেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরের ভাগ লাল হয়, ফুলে যায় কিংবা ফোসকা পড়ে। তীব্র জ্বালা বা ব্যথাও হয়। এ সময় করণীয় হলো— ❏ প্রথমেই পোড়া স্থানে ১০-১৫ মিনিট অথবা ব্যথা থাকলে আরো বেশি সময় ধরে ঠাণ্ডা পানি ঢালুন। ❏ আংটি অথবা শরীরের সঙ্গে টাইট হয়ে লেগে রয়েছে, এমন দ্রব্য খুলে ফেলুন। ❏ শরীরে ফোসকা পড়ে গেলে গলাবেন না। ❏ আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল, ময়েশ্চারাইজার লাগানো যাবে। সরাসরি কোনো ব্যথানাশক, বরফ, তুলা, ডিম, টুথপেস্ট লাগাবেন না। এতে বরং সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। ❏ ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ও টিটেন...
শিশুর কৃমি হলে করনীয়

শিশুর কৃমি হলে করনীয়

Cover Story, Health and Lifestyle
  শিশুর পেটে কৃমি সমস্যা চিরন্তন। শিশুর কৃমি রোগ হলে শিশুরা খেতে চায় না, পেট ফেপে থাকে এবং খাবার সময় বমি করতে চায়। শিশুর কৃমি হলে করনীয় কি জানেন? শিশুর কৃমির ঔষধ এবং বাচ্চাদের পেটে কৃমি হলে করনীয় কি তা জানিয়েছেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর সহযোগী অধ্যাপক,ডা. সজল আশফাক। তাহলে জেনে নিন শিশুর কৃমি দূর করার উপায় কি। শিশুর কৃমির লক্ষণ শিশুর পেটব্যথা হবে শিশুরা খেতে চাইবে না শিশুর পেট ফাঁপা থাকবে বাচ্চাদের কৃমির লক্ষন হল খাবার সময় বা অন্য সময় বমি বমি ভাব করবে শিশুদের কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম শিশুর কৃমির চিকিৎসা করার আগে পেটে কৃমি হয়েছে নিশ্চিত হওয়া দরকার। প্রয়োজনে শিশুর পায়খানা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। শিশুর কৃমির চিকিৎসায় মেবেন অথবা আরমক্স সিরাপ ১ চামচ করে সকাল এবং রাতে ৩ দিন খাওয়ানো যবে। ২ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের আলবেন (২০০এম...
রোগা শিশুর খাওয়াদাওয়া কেমন হবে জেনে নিন

রোগা শিশুর খাওয়াদাওয়া কেমন হবে জেনে নিন

Cover Story, Health and Lifestyle
রোগা শিশুর খাওয়াদাওয়া   শিশুর স্বাস্থ্য মানেই টিভির পর্দার সেই গাবলুগুবলু শিশুর হামাগুড়ি অথবা ফেট্টি বাঁধা সেই মোটাসোটা শিশুর সর্গব ঘোষণা ‘হেল্থ ড্রিং খাই তো তাই!’ মোটাসোটা না হলেই শিশুকে রোগা মনে হয় অনেকেরই, পাড়াপড়শির অযাচিত মন্তব্যে এরকম মনে হওয়া তীব্র হতে হতে মনে গেঁথে যায় বাতিক হয়ে। বয়স অনুপাতে শিশুর ওজন কত হওয়ার দরকার এ বিষয়ে মোটামুটি একটা ধারনা থাকলে এরকম বাতিক থেকে মুক্ত হওয়া খুব কঠিন নয়। শিশু ঠিকভাবে বাড়ছে কি না শিশুর মা বাবার পক্ষে এই বিষয়ে নজর রাখা জরুরী। আর এরকম নজর দারীর ক্ষেত্রে শিশুর ওজন সবচাইতে সহজ অথচ গরুত্বপূর্ণ একটা সূচক। এ দেশে শিশুর মোটামুটি জন্ম-ওজন ২.৫ থেকে ৩.২৫ কেজি। জন্মের পর এই ওজন দশ শতাংশ পরযন্ত কমে দশ-এগারো দিনের মাথায় আবার আগের ওজনে ফিরে আসে। এরপর থেকে তিন মাস পরযন্ত শিশু বাড়ে গড়ে ২৫-৩০ গ্রাম , তিন মাস থেকে একবছর পরযন্ত এই গড় বৃদ্ধি এসে দাঁড়ায় মা...
কলা খেলে ঠাণ্ডা লাগে! কথাটি ভুল

কলা খেলে ঠাণ্ডা লাগে! কথাটি ভুল

Cover Story, Health and Lifestyle
কলা খেলে ঠাণ্ডা লাগে! কথাটি ভুল ৫ বছরের একটি ছেলে, কলা তার খুবই প্রিয় ফল। অথচ মা তাকে কলা খেতে দিচ্ছে না। কারণ ক‘দিন ধরেই ওর একটু-আধুটু সর্দি রয়েছে। তার ধারণা, এখন কলা খেলে ঠাণ্ডা লাগবে, সর্দি বাড়বে, কাশি হবে এমনকি টনসিলের সমস্যাও হতে পারে।কলা নিয়ে এ রকম দৃশ্য প্রতিদিনের জীবনে প্রায়ই দেখা যায়। প্রচলিত কুসংস্কার হলো, কলাখেলে ঠাণ্ডা লাগবে, কলা নাকি শ্লেষ্মাবর্ধক, কলায় নাকি টনসিল বেড়ে যায়। বলা বাহুল্য, এ ধারণাটি ভুল। কোন খাদ্যবস্তু ঠাণ্ডা অবস্থায় খেলে তা থেকে ঠাণ্ডা লাগতেই পারে। সেজন্য খাদ্যবস্তুটি দায়ী নয়, দায়ী তার অত্যধিক তাপমাত্রা। শুধু কলা কেন, ভাত, ডাল, জল, দুধসহ যে কোন জিনিসেই যদি ফ্রিজ থেকে বের করে তক্ষুনি খাওয়া যায়, তবে তো হঠাৎ করে তাপমাত্রার পরিবর্তনে ঠাণ্ডা লাগতেই পারে। কিন্তু ঠাণ্ডায় রাখা নেই, এমন কলা খেলে ঠাণ্ডা লাগবে কেন? ৬ মাসের শিশু থেকে শুরু করে অশীতিপর বৃদ্ধ যে কেউই কল...
বারডেম হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বললেন, রহস্যময় শিশুরোগ ‘কাওয়াসাকি’

বারডেম হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা বললেন, রহস্যময় শিশুরোগ ‘কাওয়াসাকি’

Cover Story, Health and Lifestyle
রহস্যময় শিশুরোগ ‘কাওয়াসাকি’ শিশুরা কাওয়াসাকি নামের জটিল এক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুদের হৃদরোগের একটা কারণ। তবে শুরুতে শনাক্ত করা সম্ভব হলে এবং যথাযথ চিকিৎসা নিলে রোগীকে সুস্থ করে তোলা যায়। লিখেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা ১৯৬৭ সালে জাপানে সর্বপ্রথম কাওয়াসাকি নামের এক রোগের সন্ধান পাওয়া যায় এবং জাপানি আবিষ্কারক ‘টমিসাক কাওয়াসাকি’র নামানুসারে এই রোগের নামকরণ করা হয় ‘কাওয়াসাকি’। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই এখন এই রোগটি কমবেশি হচ্ছে। প্রকাশিত ও অপ্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ২০১০ সাল থেকে ঢাকায় এখন পর্যন্ত ৮৯ জন কাওয়াসাকি রোগী পাওয়া গেছে, যাদের গড় বয়স ৪.৭ বছর। ২০১৫ সাল থেকে বারডেম হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১২ জন শিশুর এই স্বনাক্ত করে তাদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে, যারা নিয়মিত ফলোআপে ভালো আছে।   কারণ শিশুদের জাপানি রোগ বলে পরিচিত কাওয়াস...
ডা. এ কে এম আমিনুল হকের পরামর্শ : ধুলাবালি ও ক্ষুদ্র কীট অ্যালার্জি থেকে সাবধান থাকুন

ডা. এ কে এম আমিনুল হকের পরামর্শ : ধুলাবালি ও ক্ষুদ্র কীট অ্যালার্জি থেকে সাবধান থাকুন

Cover Story, Health and Lifestyle
ধুলাবালি ও ক্ষুদ্র কীট অ্যালার্জি থেকে সাবধান থাকুন ডা. এ কে এম আমিনুল হক ধুলাবালির মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র কীট বা পোকার মাধ্যমে শরীরে এক ধরনের অ্যালার্জি’র প্রতিক্রিয়া হয়। এতে প্রচণ্ড হাঁচি হয়ে নাক দিয়ে পানি পড়ে। অনেকের অ্যাজমা হয়ে বুকের ভেতর বাঁশির শব্দের মতো শোঁ শোঁ শব্দ হয়, শ্বাসকষ্ট হয়। অথচ ধুলাবালিতে থাকা এসব ক্ষুদ্র কীট খালি চোখে দেখা যায় না; মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে দেখতে হয়। মূলত মানুষের শরীরের চামড়া থেকে খসে পড়া কোষগুলো খেয়েই বেঁচে থাকে এরা। গরম ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বসবাসের জন্য উপযুক্ত বিছানাপত্র, আসবাবপত্র, কার্পেট ইতাদি এসব ক্ষুদ্র কীট বা পোকার খুব পছন্দ।   উপসর্গ ধুলাবালি ও ক্ষুদ্র কীটের প্রতি অ্যালার্জিতে—হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক চুলকানি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা চোখ দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, নাক-মুখের ভেতর, তালু ও গলার ভেতরে চুল...
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : হাত ধোয়ার নিয়ম আছে

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. রাজিবুল ইসলামের পরামর্শ : হাত ধোয়ার নিয়ম আছে

Cover Story, Health and Lifestyle
হাত ধোয়ার নিয়ম আছে ডা. রাজিবুল ইসলাম কিছু ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়া একটি ভালো ভ্যাকসিনের চেয়েও বেশি কাজ করে বিশ্বজুড়ে সব বয়সী মানুষের মধ্যে প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। কেননা শুধু খাবার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর হাত না ধোয়ার কারণে আমাদের নানা রকম রোগ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের মল হচ্ছে ডায়রিয়া জীবাণুর প্রধান উৎস। তা ছাড়া এটি সিজেলোসিস, টাইফয়েড, কলেরা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া ও পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য ইনফেকশন সৃষ্টিকারী জীবাণুর অন্যতম উৎস। নানা কারণে হাত নোংরা হয়ে প্রতিদিন হাজারো জীবাণু দেহে সংক্রমিত হয়। তাই নিয়মিত দিনে অন্তত পাঁচবার সঠিক নিয়মে হাত ধোয়া দরকার। কিছু ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার অভ্যাস একটি ভালো ভ্যাকসিনের ...