Op-ed Archives - Mati News
Saturday, June 13

Op-ed

opinion of prominent intellectuals and experts of Bangladesh on several political, economical issues and trends.

প্রকৃতি ও অর্থনীতির উন্নয়নে আগ্রহের কেন্দ্রে চীনা মডেল: বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ

প্রকৃতি ও অর্থনীতির উন্নয়নে আগ্রহের কেন্দ্রে চীনা মডেল: বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চীনের পরিবেশগত শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর। এই মডেল এখন বিশ্বের বহু দেশের কাছে অনুসরণযোগ্য। সম্প্রতি সিজিটিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিশ্বব্যাংকের প্রধান পরিবেশ বিশেষজ্ঞ আন্দ্রে রদ্রিগেজ দে আকুইনো বলেন, সংরক্ষিত এলাকা ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার উৎস হতে পারে। আন্দ্রে রদ্রিগেজ দে আকুইনো বললেন, “সংরক্ষিত এলাকাগুলোর ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি নিয়ে চীনের সাথে মতবিনিময়ের জন্য আমরা চীন সরকারের সাথে প্রায় ৩০টি দেশের একটি প্রতিনিধিদলকে একত্রিত করেছি। এবং এখানে 'কার্যকরভাবে' বলতে বোঝায় পরিবেশগতভাবে—যেমন জীববৈচিত্র্য, উদ্ভিদ ও পানির গুণমান বৃদ্ধি করা—সেই সাথে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি করা, এব...
কর্মজীবী মানুষের চাওয়া ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

কর্মজীবী মানুষের চাওয়া ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার কখনোই সহজে অর্জিত হয়নি; বরং তা এসেছে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং আত্মদানের মধ্য দিয়ে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই মে দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, এটি কর্মজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায্যতার দাবি জানানোর এক দৃঢ় উচ্চারণ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মে দিবসের তাৎপর্য আরও গভীর। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ,গার্মেন্টস কর্মী, কৃষিশ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, কারখানার কর্মচারীসহ নানা খাতে নিয়োজিত কোটি মানুষের পরিশ্রমে দাঁড়িয়ে আছে দেশের অগ্রযাত্রা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শ্রমজীবী মানুষেরা কি তাদের প্রাপ্য সম্মান, ন্যায্য মজুরি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ পাচ্ছেন? বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমজীবী মানুষের প্রধান চাওয়া হচ্ছে ন্যায্য মজুরি। জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়ে চলেছে। খাদ্য, বা...
৪ কোটি শিক্ষার্থীর জন্য কি একটি ছাত্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজন

৪ কোটি শিক্ষার্থীর জন্য কি একটি ছাত্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজন

Op-ed
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠছে শ্রেণিকক্ষে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণের জন্য কি আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামো যথেষ্ট? বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অতিক্রম করছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, ডিজিটাল সেবা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি—সবই আমাদের সামষ্টিক অর্জনের প্রতীক। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন আমাদের সামনে রয়ে গেছে: যে তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে, তাদের সার্বিক উন্নয়ন, মানসিক স্বাস্থ্য, নেতৃত্ব বিকাশ, শিক্ষার্থী অধিকার, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতির জন্য কি আমাদের একটি সমন্বিত জাতীয় কাঠামো রয়েছে? বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী শুধু শিক্ষার্থী নয়; তারাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, উদ্...
ইরানের ‘কঠোর হুঁশিয়ারি’: ইরান-মার্কিন আলোচনা কি এই বাধা পার করতে পারবে?

ইরানের ‘কঠোর হুঁশিয়ারি’: ইরান-মার্কিন আলোচনা কি এই বাধা পার করতে পারবে?

China, Op-ed
    ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা ইরান গত ১লা জুন জানিয়েছে, লেবাননে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের জবাবে তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের আলোচনা স্থগিত করছে। ইরান ও ‘প্রতিরোধ অক্ষ‘ হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণরূপে অবরোধ’ করার এবং ‘মান্দেব প্রণালীসহ অন্যান্য ফ্রন্টে অভিযান শুরু করার’ পরিকল্পনা করছে। ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ইরানের এই ‘কঠোর হুঁশিয়ারির’ পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতি ‘শান্ত করার’ তত্পরতা শুরু করেন। তিনি ওই দিনই ইসরাইল ও লেবাননের উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’ আনার কথা জানান এবং বলেন, ইরানের সঙ্গে মার্কিন আলোচনা ‘দ্রুত এগিয়ে চলেছে’। ট্রাম্প কেন এত দ্রুত ‘পরিস্থিতি শান্ত করতে’ চাইছেন? ইসরাইল কি ‘পরামর্শ শুনবে’? এই ঘটনার পর ইরান-মার্কিন আলোচনার ভবিষ্যৎ কী? মার্কিন য...
নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই, দরকার সংলাপ ও সহযোগিতা

নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই, দরকার সংলাপ ও সহযোগিতা

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতার অনেক কারণ থাকতে পারে। সেটা যে সব সময় বড় শক্তিধর রাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন থেকে জন্ম নেয়, এমনটা নয়। তবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে স্থিতিশীল ও সুস্থ সম্পর্ক কিন্তু আন্তর্জাতিক অস্থিরতা দূর করতে পারে। কারণ তাদের পারস্পরিকভাবে জড়িত অর্থনৈতিক সম্পর্কটা গড়ে দেয় বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার মজবুত ভিত্তি। এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর স্বভাবতই গোটা বিশ্বের নজর ব্যাপক মনোযোগ কেড়েছে। চীন–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে সঠিক পথে পরিচালিত করতে রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ের কূটনীতিই অপরিহার্য। কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়াখুন বুধবার বলেছেন, চীন ট্রাম্পের এই সফরকে স্বাগত জানায়। সফরকালে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়ন নিয়ে গভীর মতব...
একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস একটি দেশের উন্নয়ন শুধু উঁচু অট্টালিকা, প্রশস্ত সড়ক, বড় বড় সেতু কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে মানুষের নৈতিকতা, সামাজিক স্থিতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশের ওপর। যে সমাজে মানুষ নিরাপদ, সচেতন, কর্মমুখী ও নৈতিকভাবে দৃঢ়—সেই সমাজই একটি সুন্দর দেশের ভিত্তি নির্মাণ করে। আর এই ভিত্তিকে সবচেয়ে বেশি দুর্বল করে দেয় দুটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি—মাদক এবং জুয়া। মাদক শুধু একটি ব্যক্তির শরীর নষ্ট করে না; এটি ধীরে ধীরে একটি পরিবারকে ভেঙে দেয়, সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে, অর্থনৈতিক স্থিতি ধ্বংস করে এবং সমাজে অপরাধের বিস্তার ঘটায়। একজন তরুণ যখন মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন সে কেবল নিজের ভবিষ্যৎ নয়, পরিবারের স্বপ্নও ধ্বংস করে। প্রথমে কৌতূহল, পরে বন্ধুমহলের প্ররোচনা, এরপর অভ্যাস—এই তিন ধাপেই বহু তরুণ অন্ধকারে হারিয়ে ...
উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সাইবার ক্রাইম: প্রয়োজন আইনি তৎপরতা ও সচেতনতা

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সাইবার ক্রাইম: প্রয়োজন আইনি তৎপরতা ও সচেতনতা

Op-ed
অ্যাডভোকেট মোঃ এনামুল হক বর্তমানে বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, চরিত্রহনন এবং পরিকল্পিত অপপ্রচারের মহোৎসব চলছে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, একটি প্রশিক্ষিত গোষ্ঠী সুপরিকল্পিতভাবে এই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। রাজনৈতিক ভিন্নমতকে যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন মিথ্যে তথ্য, বিকৃত উপস্থাপন কিংবা গুজব ছড়ানোর নোংরা পথ। এর ফলে একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে সমাজে বিভাজন, অবিশ্বাস ও ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আমরা যা-ই প্রকাশ করি না কেন, তার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ভার্চুয়াল জগতেও দেশের আইন সমানভাবে প্রযোজ্য। তথাকথিত ‘হাইপ’ তুলতে ব্যস্ত এই প্রশিক্ষিত কর্মীদের ফেসবুক পোস্টগুলো বিশ্লেষণ করলে তাদের চরম মানসিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। রা...
হোয়াইট হাউস যখন হত্যাকে খেলা ভাবে

হোয়াইট হাউস যখন হত্যাকে খেলা ভাবে

China, Op-ed
লি লি, সংবাদকর্মী, সিএমজি বাংলা, বেইজিং কার্টুন চরিত্র স্পঞ্জবব স্কোয়ারপ্যান্টস একবিংশ শতাব্দীতে যেন এক অদ্ভুত নতুন ‘ভূমিকা’ পেয়েছে—ক্ষেপণাস্ত্র হামলার উল্লাস প্রকাশ! সম্প্রতি হোয়াইট হাউস তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে স্পঞ্জবব স্কয়ারপ্যান্টসের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি, ভিডিও গেমের সুর এবং ইরানের ওপর বিমান হামলার বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখানো হলো পাশাপাশি। এমনকি একটি ভিডিওর ক্যাপশন ছিল—‘আবার দেখবেন?’ জনসমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে তৈরি এই প্রচারণামূলক ভিডিওগুলো তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই। অনেকের মতে, এগুলো মানুষের দুর্ভোগের প্রতি নির্লজ্জ উদাসীনতার প্রকাশ। লিলি ভিডিওতে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দৃশ্যের সঙ্গে বোলিং পিন পড়ে যাওয়ার দৃশ্য পালাক্রমে দেখানো হয়। সঙ্গে ছিল ক্রীড়া ধারাভাষ্যের উত্তেজিত কণ্ঠস্বর। পু...
শান্তি সবার উর্ধ্বে: বৈশ্বিক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন ও জীবনের মূল্য

শান্তি সবার উর্ধ্বে: বৈশ্বিক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন ও জীবনের মূল্য

China, Op-ed
ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী সম্প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আবারও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নিবদ্ধ হয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে লন্ডন, তেল আবিব থেকে সিডনি—যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইসরায়েল, ইতালি, অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছে। এই বহু-দেশীয় যুদ্ধবিরোধী স্রোত একটি মৌলিক সত্যকে প্রতিফলিত করে: জনগণের শান্তিপূর্ণ জীবন প্রয়োজন, জাতির দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন প্রয়োজন। জীবন যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান। মার্কিন জাতীয় সন্ত্রাসবাদবিরোধী কেন্দ্রের প্রধান জো কেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে, যুদ্ধের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর কেবল রাস্তা থেকেই আসেনি, বরং খোদ সরকারের ভিতর থেকেও এসেছে। মার্কিন জাতীয় সন্ত্রাসবাদবিরোধী কেন্দ্রের প্রধান জো কেন্ট ১৭ মার্চ পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে লেখা এক খোলা চিঠিতে বলেন: "ইরানের চলমান যুদ্...
এই যুদ্ধের আসল কারণ কী? কেন কারণ বারবার বদলাচ্ছে?

এই যুদ্ধের আসল কারণ কী? কেন কারণ বারবার বদলাচ্ছে?

Op-ed
(কাউন্টারপাঞ্চে প্রকাশিত সাসান ফায়াজমানেশের কলাম অবলম্বনে) যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় যুদ্ধ (এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে) অনেক প্রশ্ন তুলেছে। মিডিয়ায় সবাই জিজ্ঞাসা করছে: এই যুদ্ধের আসল কারণ কী? কেন কারণ বারবার বদলাচ্ছে? এটা কি ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা না হওয়ার জন্য? নাকি ইরান খুব তাড়াতাড়ি নিউক্লিয়ার অস্ত্র বানাতে যাচ্ছিল? ইরানের মিসাইল কি শীঘ্রই আমেরিকায় পৌঁছাতে পারত? ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ করতে যাচ্ছিল বলে আমেরিকা আগে থেকে আক্রমণ করেছে? নাকি ইরান মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে? অথবা অন্য কিছু? আমেরিকার মিডিয়া এই পরিবর্তনশীল কারণগুলো বুঝতে পারছে না। এটা অদ্ভুত। গত কয়েক দশকে তারা কি ঘুমিয়ে ছিল? প্রায় ২৫ বছর আগে (২০০১ সালে) আমি একটা অর্থনীতির কনফারেন্সে আমেরিকার ইরান নীতি নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম, পারস্য উপসাগরে আমেরিকার নীতি “দু...
পোল্ট্রি খাতে অস্থিরতা: প্রান্তিক খামারিকে বাঁচানো এখন রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব

পোল্ট্রি খাতে অস্থিরতা: প্রান্তিক খামারিকে বাঁচানো এখন রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব

Agriculture Tips, Op-ed
রহিম রানা: বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প এক সময় কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে বিবেচিত হতো। ডিম ও ব্রয়লার উৎপাদনের দ্রুত সম্প্রসারণ শুধু পুষ্টিহীনতা কমাতেই ভূমিকা রাখেনি—এটি লাখো মানুষের জীবিকা, নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু আজ সেই খাত একটি নীরব বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাজারব্যবস্থার অস্থিরতা, অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য, কন্ট্রাক্ট গ্রোয়িংয়ের একতরফা আধিপত্য, অনিয়ন্ত্রিত আমদানি, ফিড–বাচ্চার লাগামহীন দাম বৃদ্ধি—এসব সমস্যার সম্মিলিত অভিঘাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রান্তিক খামারিরা; যারা এই শিল্পের প্রকৃত ভিত্তি। বিভিন্ন অঞ্চলে এখন যে চিত্র দেখা যাচ্ছে তা উদ্বেগজনক। ফার্মগেটে মুরগির দাম কমে গেলেও খুচরা বাজারে দাম অপরিবর্তিত বা বেশি। অর্থাৎ খামারি লোকসান গুনছেন, ভোক্তা অতিরিক্ত দাম দিচ্ছেন—আর লাভে আছে অদৃশ্...

ভূমিকম্প, নিরাপত্তা ও ওড়না—গোলমালটা কোথায়?

Op-ed
ভূমিকম্প হলো হঠাৎ পরীক্ষা। তখন প্রথম কাজ—নিজেকে বাঁচানো।কিন্তু আশেপাশে কিছু মানুষ থাকে, যারা পরিস্থিতি না বুঝেই ডায়লগ ছোঁড়ে— “দৌড়াও না কেন?” “ওড়না নিতে কতক্ষণ লাগে?” “ধর্ম জানো না?” এই সব কথা শুনে মনে হয়—এরা না বিজ্ঞান জানে, না ফিকহ জানে। ভূমিকম্পে দৌড়ানোই কেন সবচেয়ে বিপজ্জনক? বিশ্বের বড় বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান এক কথাই বলে—“Drop – Cover – Hold”অর্থাৎ—বসে পড়ো → কিছু দিয়ে মাথা ঢাকো → থামা পর্যন্ত ধরে থাকো। কেন? কারণ— ভূমিকম্পে মাত্র ২–৫ সেকেন্ডেই ভারসাম্য উধাও। দৌড়াতে গেলে ধপ করে পড়ে যাবেন। বেশিরভাগ ইনজুরি হয় দৌড়ানোর সময়—কাচ, দেয়াল, সিলিং ফ্যান, শেলফ—সব মাথায় পড়ে। ঝাঁকুনি চলার সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় থাকে ১–২ সেকেন্ড। আর আমাদের দেশের ভবনে সিঁড়ি, করিডোর—সবচেয়ে বিপজ্জনক জায়গা। তাই দৌড়ানো বন্ধ রাখো—এটা কাওয়ার মতবাদ না, একদম পর...
মতামত : ফেসবুকে যেভাবে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছেন জয়

মতামত : ফেসবুকে যেভাবে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছেন জয়

Op-ed
সজীব আহমদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস থেকে আমার ধারনা, সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগকে শেষ করতে চান, নয়ত প্রযুক্তি বিষয়ে উনার জানাশোনা নেই। নইলে, এত কাঁচা গুজব একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ছড়ানোর কথা নয়। জনাব জয় 'আজকের নিউজ' নামের একটি ফেসবুক পেইজের ফটোকার্ড শেয়ার করেছেন। যাতে বলা হয়েছে, "বিপুল পরিমাণ বোমা,ককটেল,ও বিস্ফোরক নিয়ে ধরা পড়ল তিন শিবির কর্মী! ঢাকায় নাশকতার উদ্দেশ্য ছিল।"জাস্ট গুগল ইমেজে সার্চ করে ৩০ সেকেন্ডে আসল ঘটনা পাওয়া গেলো। দেশের মূলধারার সব সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পেট্রোল বোমা, ককটেল ও গান পাউডারসহ বিপুল বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে; যেগুলো নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল।জড়িত অভিযোগে আটক ব্যক্তিরা হলেন— টাঙ্গাইলের আলতাফের ছেলে রাজ ইসলাম (২৫), চাঁদপুরের নুর মোহাম্মদের ছেলে রাকিব (২৪), সুনামগঞ্জের জালাল উদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান। ...
কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

Op-ed
সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের উপর আমাদের অনেকেরই ট্রেনিং নেই। অ্যামেরিকায় যেকোন প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করার প্রথম দিকেই কিছু অবশ্যম্ভাবী ট্রেনিংয়ের একটি হচ্ছে এই সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ট্রেনিং। একেক কোম্পানি একেকভাবে ট্রেনিং দেয়, কিন্তু সবারই মূল বক্তব্য এক - অফিসে যদি কেউ কখনও কারও উপর যৌন নির্যাতন চালায়, তখন কিভাবে সিচুয়েশন হ্যান্ডল করতে হবে, তা নিয়েই আলোচনা। এই ট্রেনিংয়ের ফলে আমরা জানতে পারি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট নানান প্রকারের হতে পারে। কোন মেয়ের গায়ে হাত দেয়া, টেবিলের নিচে দিয়ে পা ঠুকা থেকে শুরু করে একই ঘরে একজন নারীর উপস্থিতিতে দুই পুরুষের অশ্লীল কথাবার্তা পর্যন্ত সবকিছুই এর আওতায় পড়ে। কোন নারী/পুরুষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য তাই ধর্ষণের সামিল। এরা এই ব্যপারে খুবই সিরিয়াস! প্রমোশনের প্রলোভন অথবা চাকরি কেড়ে নেয়ার ভয় দেখিয়ে বসের সাথে ডেটিংয়ে যাওয়ার প্রস্তাবনা আমাদের দেশে খুবই কমন। এই দেশের...
বৈষম্যের বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

বৈষম্যের বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

Op-ed
আসাদুজ্জামান খান মুকুল মানুষ গড়ার কারিগররাই আজ হতাশায়ঃ প্রাথমিক শিক্ষা আমাদের জাতির ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি। একটি শিশু যখন বিদ্যালয়ে পা রাখে,তখন থেকে  তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানার্জনের কাজটি শুরু হয়। এই সময়টাতেই শেখানো হয়- কীভাবে চিন্তা করতে হয়, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে হয়,কীভাবে সমস্যা সমাধান করতে হয়। এই মহান দায়িত্বটি যিনি পালন করেন, তিনি হলেন আমাদের প্রাথমিক শিক্ষক। কিন্তু আজকের বাস্তবতা হলো, এই মানুষ গড়ার কারিগররাই চরম হতাশা আর বঞ্চনার অন্ধকারে ডুবে আছেন। সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে আন্তরিক। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত চলছে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তৈরি হচ্ছে ঝকঝকে নতুন অট্টালিকা ও আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। কিন্তু শুধু অবকাঠামো আর প্রশিক্ষণে হাজার কোটি টাকা ঢাললেই কি শিক্ষার মান বাড়ে? যদি শি...