Op-ed Archives - Mati News
Wednesday, September 2

Op-ed

opinion of prominent intellectuals and experts of Bangladesh on several political, economical issues and trends.

The World Is Not Normal: Understanding Power Laws

The World Is Not Normal: Understanding Power Laws

Op-ed
Some things are not normal. By that, I mean that if you go out into the world and start measuring things like human height, IQ, or the size of apples on a tree, you will find that most of the data clusters around some average value. This pattern is so common that we call it the normal distribution. But not everything in life behaves this way. courtesy: Varitasium Pareto’s Discovery In the late 1800s, Italian engineer Vilfredo Pareto stumbled upon something no one had really seen before. He suspected there might be a hidden pattern in how much money people make. So he gathered income-tax records from Italy, England, France, and other European countries. For each country, he plotted the distribution of income. And everywhere he looked, he saw essentially the same pat...
পাওয়ার ল: যে নিয়ম বদলে দেয় সাফল্য ও সম্পদের হিসাব

পাওয়ার ল: যে নিয়ম বদলে দেয় সাফল্য ও সম্পদের হিসাব

Lifestyle Tips, Op-ed
কিছু কিছু বিষয় স্বাভাবিক নয়। এর মানে হলো, আপনি যদি পৃথিবীতে বেরিয়ে গিয়ে মানুষের উচ্চতা, আইকিউ, কিংবা গাছে থাকা আপেলের আকারের মতো বিষয়গুলো পরিমাপ করতে শুরু করেন, তাহলে দেখবেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই বেশিরভাগ তথ্য একটি গড় মানের আশপাশে জমা হয়। বিষয়টি এতটাই সাধারণ যে আমরা একে বলি নরমাল ডিস্ট্রিবিউশন বা স্বাভাবিক বণ্টন। কিন্তু জীবনের সবকিছু এমন নয়। ১৮০০ সালের শেষ দিকে ইতালীয় প্রকৌশলী ভিলফ্রেডো প্যারেটো এমন একটি বিষয় লক্ষ্য করেন, যা এর আগে কেউ দেখেনি। তিনি সন্দেহ করেছিলেন, মানুষের আয় কতটা—তার মধ্যে হয়তো কোনো গোপন প্যাটার্ন রয়েছে। তাই তিনি ইতালি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আয়কর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করলেন। এরপর প্রতিটি দেশের মানুষের আয়ের বণ্টন আলাদাভাবে গ্রাফে তুলে ধরলেন। প্রতিটি দেশেই তিনি একই ধরনের একটি প্যাটার্ন দেখতে পেলেন। এই প্যাটার্ন আজও বিশ্বের বেশিরভ...
নাম বদলেছে, আধিপত্যের খেলা বদলায়নি: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

নাম বদলেছে, আধিপত্যের খেলা বদলায়নি: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

Cover Story, Op-ed
ফেসবুকে প্রকাশিত ব্যারিস্টার ফুয়াদের বক্তব্য থেকে ১৯০০ সালে ‘ইউনাইটেড ফ্রুট ফার্ম’ নামে একটি কোম্পানি গুয়াতেমালায় যায়। দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ। তারা সরকারের কাছে বলল, তোমাদের প্রচুর জমি আছে, যেগুলোতে চাষাবাদ হচ্ছে না। পড়ে আছে, কিন্তু জমিগুলো উর্বর। আমরা এখানে কলা উৎপাদন করতে চাই। প্রচুর কলা চাষ করব এবং সেগুলো আবার আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে ব্যবসা করব। গুয়াতেমালা সরকার মনে করল, হ্যাঁ, আমার তো উর্বর জমি আছে, কিন্তু পড়ে আছে, চাষ হচ্ছে না। তাই তারা ইউনাইটেড ফ্রুট ফার্মকে কলা চাষের অনুমতি দিল। কোম্পানিটি প্রচুর বিনিয়োগ নিয়ে এলো। তারা রেললাইন নির্মাণ করল। হাজার হাজার মাইল রেললাইন বসিয়ে পোর্টের সঙ্গে, রাজধানীর সঙ্গে, টেলিগ্রাফ ও কেন্দ্রীয় যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে, ব্যবসায়িক অঞ্চল ও ফার্মগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করল। ব্যবসা করতে করতে একপর্যায়ে, ৫০ বছরের মাথায় দেখা গেল, এই কো...
৯০ বছর আগের সেই লংমার্চ যেভাবে আজকের চীনকে বিশ্বশক্তিতে রূপান্তর করেছে

৯০ বছর আগের সেই লংমার্চ যেভাবে আজকের চীনকে বিশ্বশক্তিতে রূপান্তর করেছে

Op-ed
গত জুলাই মাসে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দীর্ঘ পথচলার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো ঐতিহাসিক ‘লংমার্চ’, যার বয়স এখন ৯০ বছর। বর্তমান চীনা নেতা সি চিন পিং দলের এই দীর্ঘ অগ্রযাত্রাকে ‘মহাকাব্যিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ১৯৩৪ সালে প্রতিপক্ষের ঘেরাও থেকে বাঁচতে সিপিসির কৃষক-ক্যাডাররা রুইজিন থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রায় এক লাখ মানুষের সেই দুই বছরের কঠিন যাত্রার শেষে ১৯৩৬ সালে মাত্র ১০ হাজার ক্যাডার টিকে ছিলেন। এই লংমার্চের শেষ জীবিত সাক্ষী ওয়াং গুইজিয়াং ১০৪ বছর বয়সে গত ২২ জুলাই মারা গেছেন, যার মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক অধ্যায়ের একটি শারীরিক যোগসূত্র শেষ হলো।১৯২১ সালে মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা সিপিসি ১৯৪৯ সালে ক্ষমতা দখল করে। সেই সময়ের কৃষিনির্ভর অনুন্নত চীন আজ ৭৭ বছর পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছ...
বিকাশ-এর দিন কি তবে শেষ?

বিকাশ-এর দিন কি তবে শেষ?

Cover Story, Op-ed
একটা সময় ছিল—বাংলাদেশে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস মানেই যেন বিকাশ। টাকা পাঠানো, ক্যাশ আউট, বিল দেওয়া কিংবা দোকানে পেমেন্ট—সবকিছুর জন্য মানুষের প্রথম পছন্দ ছিল বিকাশ। আর এমন ব্র্যান্ডিং এর সুবাদে হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করে নিল ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি।কিন্তু ডিজিটাল পেমেন্টের বাজার বদলাচ্ছে। আর এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় কারণ সম্ভবত প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রতিষ্ঠান নয়; বরং ইন্টারঅপারেবিলিটি বা আন্তঃপ্ল্যাটফর্ম লেনদেনের নতুন যুগ।বাংলাদেশ ব্যাংক ধীরে ধীরে এমন একটি পেমেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরি করছে, যেখানে একটি ব্যাংক, একটি MFS কিংবা একটি পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের গ্রাহককে শুধু সেই প্ল্যাটফর্মের মধ্যেই আটকে থাকতে হবে না। NPSB-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট ও ওয়ালেটের মধ্যে অর্থ স্থানান্তরের সুযোগ বাড়ছে।অর্থাৎ, আগামী দিনের প্রতিযোগিতা শুধু “কার গ্রাহক বেশি”—এখানে আটকে থাকবে না। প্রশ্ন হবে,...
তবে কি আমরা না খেয়ে মরবো

তবে কি আমরা না খেয়ে মরবো

Op-ed
একটা খারাপ খবর দিয়ে শুরু করি। মোটামুটি কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। তখন শিল্পকারখানা, রান্নাবান্না কিংবা যানবাহনের জ্বালানি—কোনো ক্ষেত্রেই দেশীয় গ্যাসের ওপর আগের মতো ভরসা করা যাবে না। অর্থাৎ, আমাদের আরও বেশি নির্ভর করতে হবে আমদানি করা গ্যাসের ওপর। কিন্তু বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে সেই আমদানিও কতটা নিরবচ্ছিন্ন থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। সামনে বৈশ্বিক অস্থিরতা কমার চেয়ে বাড়ার সম্ভাবনাই যদি বেশি হয়, তাহলে গ্যাসের সংকটও দিন দিন তীব্র হতে পারে। এর আঁচ আমরা ইতিমধ্যেই পাচ্ছি। আমি কিছুদিন আমেরিকান তেল ও গ্যাস কোম্পানি শেভরনে হেলথ স্পেশালিস্ট হিসেবে কাজ করেছি। বাংলাদেশের গ্যাস খাতের বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছিল। শেভরনের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস উৎপাদন ক্ষেত্রগুলোর একটি হবিগঞ্...
অস্বীকৃতির সংস্কৃতি ও রিকনসিলিয়েশন: রাজনৈতিক বাস্তবতার সংকট

অস্বীকৃতির সংস্কৃতি ও রিকনসিলিয়েশন: রাজনৈতিক বাস্তবতার সংকট

Cover Story, Op-ed
চীনের শেষ সম্রাট আইসিন-গিয়োরো পু ঈ-এর জীবনের শেষ অধ্যায়টি রাজনৈতিক পুনর্মিলন বা রিকনসিলিয়েশনের একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। মাত্র তিন বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করা পু ঈ যৌবনে জাপানিদের সহায়তায় মাঞ্চুকুয়ো নামক রাষ্ট্র গঠন করে সম্রাট হয়েছিলেন। মাওলানা ভাসানী তাঁর ‘মাও সে তুং এর দেশে’ ভ্রমণকাহিনিতে উল্লেখ করেছেন, ষাটের দশকে চীনের কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া পু ঈ-এর সঙ্গে তাঁর চার ঘণ্টার দীর্ঘ আলাপ হয়েছিল।১৯৪৯ সালে চীনের বিপ্লব পরবর্তী সময়ে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দশ বছর কারাভোগ করেন পু ঈ। এই দীর্ঘ সময় তিনি নিজের আদর্শিক বিচ্যুতি ও ভুলগুলো অনুধাবন করার সুযোগ পান। কারাভোগের পর তাঁর মধ্যে যে আত্ম-সংস্কার ও অনুশোচনা তৈরি হয়, তা তাঁকে সমাজতান্ত্রিক চীনের একজন নিবেদিতপ্রাণ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে। এমনকি তিনি সাধারণ নাগরিকের মতো টিকিট কেটে নিজের একসময়ের রাজপ্রাসাদ ‘ফরবিডেন সিটি’ ঘ...
ধোপে টিকছে না চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ধোপে টিকছে না চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

China, Op-ed
লি ওয়ানলু শিশির, সিএমজি বাংলা, বেইজিং সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পশ্চিমের কিছু অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ নিজেদের শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও বাজারের অবস্থান ধরে রাখতে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ইস্যুর রাজনীতিকীকরণ করছে। তারা চীনের বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা’ এবং ‘চায়না শক ২.০’-এর মতো ধারণা প্রচার করে সেগুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে সুরক্ষাবাদী পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা কী? চীনের উৎপাদন সক্ষমতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য আসলেই কী বার্তা নিয়ে এসেছে? ২৮ জুলাই চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘তথাকথিত অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা ইস্যুতে চীনের অবস্থান’ শীর্ষক একটি অবস্থানপত্র প্রকাশ করেছে। এতে বিপুল তথ্য-উপাত্ত ও উদাহরণের মাধ্যমে বৈশ্বিক উৎপাদন সক্ষমতা এবং তথাকথিত ‘অতিরিক্ত সক্ষমতা’ প্রশ্নটিকে আরও বস্তুনিষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ‘অতিরিক্ত উৎপাদন সক্...
চীনের মহাকাব্যিক অর্থনীতির গল্প

চীনের মহাকাব্যিক অর্থনীতির গল্প

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ কীভাবে একটি অনুন্নত দেশ বিশ্ব অর্থনীতির দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তিতে পরিণত হলো? কীভাবে প্রায় ৮০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করে একটি দেশ গোটা পৃথিবীর অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হয়ে উঠল? চলুন শুনি চীনের অর্থনৈতিক উত্থানের গল্প। অনুন্নত, উন্নয়নশীল হওয়ার পথে থাকা দেশগুলোর জন্য কোনো না কোনো দিক দিয়ে এই গল্প তো অনুপ্রেরণার উৎস হতেও পারে। চীনের অর্থনৈতিক বিপ্লব রাতারাতি হয়নি। কিংবা এটি কোনো একগুঁয়ে ছক বা উচ্চভিলাসী পরিকল্পনা অনুসরণ করে গড়ে ওঠেনি। এমনকি, স্রেফ বিশ্বকে দেখানোর জন্য দেশের রাজধানী কিংবা বাছাই করা কোনো একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলকেই কেবল সমৃদ্ধ করা হয়নি। চীনের অর্থনীতির উন্নয়ন হয়েছে শতভাগ বাস্তবমুখী পরিকল্পনা ও ধাপে ধাপে সংস্কারের হাত ধরে। সেটা হয়েছে গোটা দেশজুড়েই। সাধারণত আমরা দেখি, অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কৌশল হিসেবে অনেক দেশ বছরান্তে একটি বাজেট পাশের সময় বড...
ধোপে টিকছে না চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ধোপে টিকছে না চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

China, Op-ed
লি ওয়ানলু শিশির সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পশ্চিমের কিছু অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশ নিজেদের শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও বাজারের অবস্থান ধরে রাখতে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ইস্যুর রাজনীতিকীকরণ করছে। তারা চীনের বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা’ এবং ‘চায়না শক ২.০’-এর মতো ধারণা প্রচার করে সেগুলোকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে সুরক্ষাবাদী পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা কী? চীনের উৎপাদন সক্ষমতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য আসলেই কী বার্তা নিয়ে এসেছে? ২৮ জুলাই চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘তথাকথিত অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা ইস্যুতে চীনের অবস্থান’ শীর্ষক একটি অবস্থানপত্র প্রকাশ করেছে। এতে বিপুল তথ্য-উপাত্ত ও উদাহরণের মাধ্যমে বৈশ্বিক উৎপাদন সক্ষমতা এবং তথাকথিত ‘অতিরিক্ত সক্ষমতা’ প্রশ্নটিকে আরও বস্তুনিষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ‘অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা’ বলতে কী বোঝায়? এর সর্বজনস্বীকৃ...
উচ্চমানের উন্নয়ন ও পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার সফল সূচনার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে

উচ্চমানের উন্নয়ন ও পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার সফল সূচনার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে

China, Op-ed
২০২৬ সাল চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী। এটি চীনের পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার প্রথম বছরও। ১০৫ বছরে চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশের সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে একের পর এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে সিপিসি। চীনের উন্নয়ন ধারা এখন নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপে প্রবেশ করেছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময়কার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রধান কৌশলগত কাজগুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি উচ্চমানের উন্নয়নকে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং পরিকল্পনার সফল সূচনার ভিত্তি গড়ে তুলছেন। বর্তমানে চীনের উন্নয়ন কৌশলগত সুযোগ এবং নানা ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখে। অনিশ্চয়তা ও অপ্রত্যাশিত উপাদান ক্রমেই বাড়ছে। সমাজতান্ত্রিক আ...
উন্নয়নের চীনা মানদণ্ড

উন্নয়নের চীনা মানদণ্ড

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ, সাংবাদিক, সিএমজি বাংলা একটি দেশের উন্নয়নে সবার আগে কী দরকার? এ প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর হলো, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন। দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী যদি মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে না পারে সেই রাষ্ট্র কখনই বড় বড় অবকাঠামো বা আমদানি-রপ্তানির পরিসংখ্যানকে উন্নয়নের মাপকাঠি দাবি করতে পারে না। একটি বিপুল জনগোষ্ঠীকে কর্মহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত রেখে কক্ষপথে স্যাটেলাইট পাঠালে কি সেই রাষ্ট্র উন্নত হয়ে যায়? মানুষের জীবিকা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত না করে স্রেফ মুখরক্ষার জন্য বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেই কি উন্নয়নের দাবি করা যায়? বিশেষ করে দেশটা যদি হয় বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ? এমন একটি দেশের সত্যিকার উন্নয়নের জন্য কী দরকার? সীমিত সম্পদ দিয়ে কি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর মানুষের জীবনমানের আসলেই উন্নয়ন সম্ভব? চীনের দিকে তাকালেই পাওয়া যাবে এ প্রশ্নের উত্তর। কেবল মাত্র একটি বিষয় নিশ্চিত করেই চীন ...
শাংহাই ঐকমত্য থেকে হাংচৌ রায়: বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন

শাংহাই ঐকমত্য থেকে হাংচৌ রায়: বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন

China, Op-ed
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা শাংহাইয়ে যখন ২০২৬ সালের বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন শুরু হয়, তখন ‘বুদ্ধিমান সঙ্গী, যৌথভাবে ভবিষ্যৎ গঠন’ প্রতিপাদ্যের আড়ালে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই সবার ক্ষমতায়নের হাতিয়ার, নাকি এটি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত বৈষম্যকে আরও গভীর করবে? চাইলেই এখন বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো প্রশ্নটি এড়াতে পারে না। সম্মেলনটির তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা (ডাব্লিউএআইসিও) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং এআই গ্লোবাল গভর্ন্যান্স অ্যাকশন প্ল্যানের উপস্থাপন। বৈশ্বিক উত্তরের দেশগুলোর মতো এটি কোনো নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়। এতে বিশেষভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান ‘বুদ্ধিমত্তার বৈষম্য’ বা ইন্টেলিজেন্স ডিভাইড কমানোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ এআই শাসনব্যবস্থায় বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশ...
ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় চেংচৌর শিক্ষা: প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজন

ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় চেংচৌর শিক্ষা: প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজন

Op-ed
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মহানগর ঢাকা ও চট্টগ্রাম প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে মারাত্মক জলাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিপাতের পর অনেক রাস্তা, আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক অঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা পানির নিচে চলে যায়। এর ফলে যানজট, ব্যবসায়িক ক্ষতি, জনদুর্ভোগ এবং নগর জীবনে ব্যাপক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। চীনের ঝেংঝৌ শহরের অভিজ্ঞতা দেখায়, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ধরনের নগর বন্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ন। একসময় যে এলাকাগুলো প্রাকৃতিকভাবে বৃষ্টির পানি ধরে রাখত—যেমন জলাভূমি, খাল, নিচু জমি ও খোলা স্থান—তার অনেক অংশ এখন ভবন, রাস্তা ও কংক্রিটের অবকাঠামোতে পরিণত হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি মাটিতে শোষিত হওয়ার সুযোগ...
আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রেখেই দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি রক্ষা করতে হবে

আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রেখেই দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি রক্ষা করতে হবে

China, Op-ed
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা এ বছর তথাকথিত ‘দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি মামলার’ অবৈধ রায় ঘোষণার দশ বছর পূর্ণ হলো। এই এক দশকেই প্রমাণ হয়েছে, বাস্তবতা উপেক্ষা করে এবং সীমা লঙ্ঘন করে দেওয়া কোনো রায় পরিণত হয় মূল্যহীন কাগজে। এমন রায় দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকারকে কোনোভাবেই দুর্বল করতে পারেনি। ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত। এর সুস্পষ্ট ঐতিহাসিক ও আইনগত ভিত্তি রয়েছে। ২০০৬ সালে চীন সরকার জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদ (আনক্লজ)-এর ২৯৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি ঘোষণা দেয়, যার মাধ্যমে সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ ও ঐতিহাসিক অধিকার-সংক্রান্ত বিরোধকে বাধ্যতামূলক সালিশি প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়। এটি সনদে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোর বৈধ অধিকার। আরও অনেক দেশও একই ঘোষণা দিয়েছে। কিন্...