Op-ed Archives - Mati News
Thursday, July 23

Op-ed

opinion of prominent intellectuals and experts of Bangladesh on several political, economical issues and trends.

শাংহাই ঐকমত্য থেকে হাংচৌ রায়: বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন

শাংহাই ঐকমত্য থেকে হাংচৌ রায়: বৈশ্বিক দক্ষিণের জন্য এআই’র ন্যায্য শাসন

China, Op-ed
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা শাংহাইয়ে যখন ২০২৬ সালের বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন শুরু হয়, তখন ‘বুদ্ধিমান সঙ্গী, যৌথভাবে ভবিষ্যৎ গঠন’ প্রতিপাদ্যের আড়ালে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি সত্যিই সবার ক্ষমতায়নের হাতিয়ার, নাকি এটি পুঁজি ও প্রযুক্তিগত বৈষম্যকে আরও গভীর করবে? চাইলেই এখন বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো প্রশ্নটি এড়াতে পারে না। সম্মেলনটির তাৎপর্যপূর্ণ দিক ছিল বিশ্ব এআই সহযোগিতা সংস্থা (ডাব্লিউএআইসিও) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং এআই গ্লোবাল গভর্ন্যান্স অ্যাকশন প্ল্যানের উপস্থাপন। বৈশ্বিক উত্তরের দেশগুলোর মতো এটি কোনো নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়। এতে বিশেষভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান ‘বুদ্ধিমত্তার বৈষম্য’ বা ইন্টেলিজেন্স ডিভাইড কমানোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেন বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ এআই শাসনব্যবস্থায় বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশ...
ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় চেংচৌর শিক্ষা: প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজন

ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় চেংচৌর শিক্ষা: প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজন

Op-ed
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মহানগর ঢাকা ও চট্টগ্রাম প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে মারাত্মক জলাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিপাতের পর অনেক রাস্তা, আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক অঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা পানির নিচে চলে যায়। এর ফলে যানজট, ব্যবসায়িক ক্ষতি, জনদুর্ভোগ এবং নগর জীবনে ব্যাপক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। চীনের ঝেংঝৌ শহরের অভিজ্ঞতা দেখায়, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ধরনের নগর বন্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ন। একসময় যে এলাকাগুলো প্রাকৃতিকভাবে বৃষ্টির পানি ধরে রাখত—যেমন জলাভূমি, খাল, নিচু জমি ও খোলা স্থান—তার অনেক অংশ এখন ভবন, রাস্তা ও কংক্রিটের অবকাঠামোতে পরিণত হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি মাটিতে শোষিত হওয়ার সুযোগ...
আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রেখেই দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি রক্ষা করতে হবে

আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রেখেই দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি রক্ষা করতে হবে

China, Op-ed
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা এ বছর তথাকথিত ‘দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি মামলার’ অবৈধ রায় ঘোষণার দশ বছর পূর্ণ হলো। এই এক দশকেই প্রমাণ হয়েছে, বাস্তবতা উপেক্ষা করে এবং সীমা লঙ্ঘন করে দেওয়া কোনো রায় পরিণত হয় মূল্যহীন কাগজে। এমন রায় দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকারকে কোনোভাবেই দুর্বল করতে পারেনি। ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত। এর সুস্পষ্ট ঐতিহাসিক ও আইনগত ভিত্তি রয়েছে। ২০০৬ সালে চীন সরকার জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদ (আনক্লজ)-এর ২৯৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি ঘোষণা দেয়, যার মাধ্যমে সামুদ্রিক সীমানা নির্ধারণ ও ঐতিহাসিক অধিকার-সংক্রান্ত বিরোধকে বাধ্যতামূলক সালিশি প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়। এটি সনদে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোর বৈধ অধিকার। আরও অনেক দেশও একই ঘোষণা দিয়েছে। কিন্...
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নিয়ে চীন কেন সতর্ক?

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নিয়ে চীন কেন সতর্ক?

China, Op-ed
  ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা   ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা বাংলাদেশের বন্ধুরা, আপনারা যখন ‘মুক্তিযুদ্ধ’ শব্দটি বলেন, তখন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার জন্য রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথাই স্মরণ করেন। চীনাদের কাছেও ৭ জুলাই তেমনি একটি বেদনা ও প্রতিরোধের স্মৃতিবহ দিন। ১৯৩৭ সালের এই দিনে, লুকৌছিয়াও (মার্কো পোলো সেতু)’র গুলির শব্দে চীনের জাতীয় প্রতিরোধ যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। এটি শুধু চীনের ইতিহাস নয়, বরং আগ্রাসন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে এশিয়ার জনগণের যৌথ প্রতিরোধ। আমরা আজ শান্তির যুগে বাস করছি। কিন্তু ইতিহাসের ধোঁয়া তো স্মৃতি থেকে মুছে যাবার নয়। যখনই চীনা জনগণ শোনে, জাপানের কিছু রাজনীতিক ইয়াসুকুনি মন্দিরে পূজা দিতে যাচ্ছেন, শান্তি-সংবিধান সংশোধন করতে চলেছেন, কিংবা দক্ষিণ চীন সাগরে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর চেষ্টা করছেন, সেই গভীর ব্যথা ফের জাগ্রত হয়। এই অনুভূতি ‘জাপান-বিরোধী মনোভাব’ নয়; বরং ...
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ডিজিটাল অর্থনীতি কেন জরুরি?

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ডিজিটাল অর্থনীতি কেন জরুরি?

China, Op-ed
অধ্যাপক ড. হ্য হোংমেই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিগুলো ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। আর এ সময় বৈশ্বিক পুনরুদ্ধারের নতুন প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ডিজিটাল অর্থনীতি। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড)-এর মতে, বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতি বছরে ১০–১২ শতাংশে হারে বাড়ছে, যা সামগ্রিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুত। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ভবিষ্যতেও বৈশ্বিক মূল্য সংযোজন সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা পালন করবে। ২০২৩ সালে, বিশ্বজুড়ে সরবরাহযোগ্য ডিজিটাল সেবার বাণিজ্য সাড়ে চার ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আর এর হাত ধরেই বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কাঠামো পুনর্গঠিত হয়েছে ধারাবাহিকভাবে।   Prof. Dr. He Hongmei এই ডিজিটাল রূপান্তর এখন বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর জন্য উত্তর–দক্ষিণ উন্নয়ন বৈষম্য কমানোর দারুণ সুযোগ তৈরি করেছে। ত...
চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা থেকে যা কিছু শেখার আছে

চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা থেকে যা কিছু শেখার আছে

China, Op-ed
  Prof. Dr. He Hongmei অধ্যাপক ড. হ্য হোংমেই চীন-বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই জ্ঞানের বিস্তার, সভ্যতার শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে; ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা ভূখণ্ড সম্প্রসারণের ওপর নয়। বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পাহাড়সম অনিশ্চয়তার মুখোমুখি। সুরক্ষাবাদের প্রবণতাও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। ক্রমশ প্রসারিত হচ্ছে উন্নয়ন অর্থায়নের ঘাটতি। ঠিক এমন সময় অনেকগুলো উন্নয়নশীল দেশের মুখে শোনা যাচ্ছে একটি প্রশ্ন: জ্ঞান বিনিময়, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে কীভাবে উন্নয়ন সক্ষমতা শক্তিশালী করা যায়, যাতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়? গ্লোবাল সাউথ তথা বৈশ্বিক দক্ষিণের অনেক দেশের কাছে এখন উন্নয়ন মানে শুধু মূলধনী বিনিয়োগ বা প্রযুক্তিগত সহায়তা নয়। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো অভিজ্ঞতা বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এব...
৭ জুলাই থেকে বর্তমান: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নিয়ে চীন কেন সতর্ক?

৭ জুলাই থেকে বর্তমান: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নিয়ে চীন কেন সতর্ক?

China, Op-ed
  ইয়াং ওয়েই মিন স্বর্ণা, সিএমজি, বেইজিং   ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা বাংলাদেশের বন্ধুরা, আপনারা যখন ‘মুক্তিযুদ্ধ’ শব্দটি বলেন, তখন ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার জন্য রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথাই স্মরণ করেন। চীনাদের কাছেও ৭ জুলাই তেমনি একটি বেদনা ও প্রতিরোধের স্মৃতিবহ দিন। ১৯৩৭ সালের এই দিনে, লুকৌছিয়াও (মার্কো পোলো সেতু)’র গুলির শব্দে চীনের জাতীয় প্রতিরোধ যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। এটি শুধু চীনের ইতিহাস নয়, বরং আগ্রাসন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে এশিয়ার জনগণের যৌথ প্রতিরোধ। আমরা আজ শান্তির যুগে বাস করছি। কিন্তু ইতিহাসের ধোঁয়া তো স্মৃতি থেকে মুছে যাবার নয়। যখনই চীনা জনগণ শোনে, জাপানের কিছু রাজনীতিক ইয়াসুকুনি মন্দিরে পূজা দিতে যাচ্ছেন, শান্তি-সংবিধান সংশোধন করতে চলেছেন, কিংবা দক্ষিণ চীন সাগরে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর চেষ্টা করছেন, সেই গভীর ব্যথা ফের জাগ্রত হয়। এই অনুভূতি ‘জাপান-বিরোধী মনোভাব’...
বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারে চীনের প্রস্তাব: শ্বেতপত্রে প্রধান দেশগুলোর দায়িত্বে জোর

বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারে চীনের প্রস্তাব: শ্বেতপত্রে প্রধান দেশগুলোর দায়িত্বে জোর

China, Op-ed
খোং চিয়া চিয়া প্রেমা, সংবাদকর্মী, সিএমজি বাংলা     বিশ্ব শাসনব্যবস্থা মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আরও ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক একটি বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জনগণের এখন অভিন্ন প্রত্যাশা। ১৭ জুন চীন সরকার ‘আরও ন্যায়সঙ্গত ও যৌক্তিক বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা: চীনের ধারণা, উদ্যোগ ও কার্যক্রম’ শীর্ষক একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছে। বর্তমানে বিশ্ব নানা জটিল সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এ প্রেক্ষাপটে আরও কার্যকর বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ‘বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগ’ উত্থাপন করেন। ‘কেমন বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত’ এবং ‘কীভাবে বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে সংস্কার ও উন্নত করা যায়’—এসব যুগোপযোগী প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সেটাকে একটি চীনা প্রস্তাব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ...
প্রযুক্তির মহাপ্রাচীরে দারিদ্র্য আটকাল চীন, সম্ভাবনা বাংলাদেশেরও

প্রযুক্তির মহাপ্রাচীরে দারিদ্র্য আটকাল চীন, সম্ভাবনা বাংলাদেশেরও

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ রাত গভীর। চীনের কুইচৌ প্রদেশের একটি হাসপাতালের ওয়ার্ডে শুয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ছেন ইউকুও। চোখে ঘুম নেই। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কেটেছে কয়েকটি দিন। টেনশনটা নিজের রোগ নিয়ে নয়। মন পড়ে আছে বাড়ির খামারে। গবাদিপশুগুলোকে ফেলে এসেছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর স্ত্রীও কাছছাড়া হয়নি। প্রাণীগুলোকে খাবার দেওয়ার কেউ আছে? এদিকে হাসপাতালের বিলটাও বেড়ে চলেছে লাগামহীন। ছেন স্পষ্ট বুঝতে পারছিলেন, তার এমন অসুস্থতা মানেই সংসারটা আবার রাতরাতি চলে যাবে দারিদ্র্যের পাড়ায়। যে দারিদ্র্যটাকে তিনি এর আগে একবার ঝেঁটিয়ে বিদায় জানিয়েছিলেন। তবে ছেনের কানে তখনও একটা খবর পৌঁছায়নি। তার এই ঘোরতর সংকটের খবর কিন্তু চলে গেছে স্থানীয় প্রশাসনের কানে। হাসপাতালের বিলের খবরটাও তারা জানেন। কীভাবে? ছেনের মতো নিম্নবিত্ত মানুষের হাসপাতাল বিল যখন একটা সীমা অতিক্রম করে, তখনই টনক নড়ে কুইচৌ প্রদেশের একটি এআই পর্যবেক্ষণ ...
প্রকৃতি ও অর্থনীতির উন্নয়নে আগ্রহের কেন্দ্রে চীনা মডেল: বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ

প্রকৃতি ও অর্থনীতির উন্নয়নে আগ্রহের কেন্দ্রে চীনা মডেল: বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চীনের পরিবেশগত শাসনব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর। এই মডেল এখন বিশ্বের বহু দেশের কাছে অনুসরণযোগ্য। সম্প্রতি সিজিটিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিশ্বব্যাংকের প্রধান পরিবেশ বিশেষজ্ঞ আন্দ্রে রদ্রিগেজ দে আকুইনো বলেন, সংরক্ষিত এলাকা ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার উৎস হতে পারে। আন্দ্রে রদ্রিগেজ দে আকুইনো বললেন, “সংরক্ষিত এলাকাগুলোর ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি নিয়ে চীনের সাথে মতবিনিময়ের জন্য আমরা চীন সরকারের সাথে প্রায় ৩০টি দেশের একটি প্রতিনিধিদলকে একত্রিত করেছি। এবং এখানে 'কার্যকরভাবে' বলতে বোঝায় পরিবেশগতভাবে—যেমন জীববৈচিত্র্য, উদ্ভিদ ও পানির গুণমান বৃদ্ধি করা—সেই সাথে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি করা, এব...
কর্মজীবী মানুষের চাওয়া ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

কর্মজীবী মানুষের চাওয়া ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার কখনোই সহজে অর্জিত হয়নি; বরং তা এসেছে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং আত্মদানের মধ্য দিয়ে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই মে দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, এটি কর্মজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায্যতার দাবি জানানোর এক দৃঢ় উচ্চারণ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মে দিবসের তাৎপর্য আরও গভীর। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ,গার্মেন্টস কর্মী, কৃষিশ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, কারখানার কর্মচারীসহ নানা খাতে নিয়োজিত কোটি মানুষের পরিশ্রমে দাঁড়িয়ে আছে দেশের অগ্রযাত্রা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শ্রমজীবী মানুষেরা কি তাদের প্রাপ্য সম্মান, ন্যায্য মজুরি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ পাচ্ছেন? বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমজীবী মানুষের প্রধান চাওয়া হচ্ছে ন্যায্য মজুরি। জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়ে চলেছে। খাদ্য, বা...
৪ কোটি শিক্ষার্থীর জন্য কি একটি ছাত্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজন

৪ কোটি শিক্ষার্থীর জন্য কি একটি ছাত্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজন

Op-ed
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠছে শ্রেণিকক্ষে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণের জন্য কি আমাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামো যথেষ্ট? বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অতিক্রম করছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, ডিজিটাল সেবা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি—সবই আমাদের সামষ্টিক অর্জনের প্রতীক। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন আমাদের সামনে রয়ে গেছে: যে তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে, তাদের সার্বিক উন্নয়ন, মানসিক স্বাস্থ্য, নেতৃত্ব বিকাশ, শিক্ষার্থী অধিকার, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রস্তুতির জন্য কি আমাদের একটি সমন্বিত জাতীয় কাঠামো রয়েছে? বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী শুধু শিক্ষার্থী নয়; তারাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, উদ্...
ইরানের ‘কঠোর হুঁশিয়ারি’: ইরান-মার্কিন আলোচনা কি এই বাধা পার করতে পারবে?

ইরানের ‘কঠোর হুঁশিয়ারি’: ইরান-মার্কিন আলোচনা কি এই বাধা পার করতে পারবে?

China, Op-ed
    ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা ইয়াং ওয়েইমিন স্বর্ণা ইরান গত ১লা জুন জানিয়েছে, লেবাননে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযানের জবাবে তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের আলোচনা স্থগিত করছে। ইরান ও ‘প্রতিরোধ অক্ষ‘ হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণরূপে অবরোধ’ করার এবং ‘মান্দেব প্রণালীসহ অন্যান্য ফ্রন্টে অভিযান শুরু করার’ পরিকল্পনা করছে। ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ইরানের এই ‘কঠোর হুঁশিয়ারির’ পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরিস্থিতি ‘শান্ত করার’ তত্পরতা শুরু করেন। তিনি ওই দিনই ইসরাইল ও লেবাননের উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’ আনার কথা জানান এবং বলেন, ইরানের সঙ্গে মার্কিন আলোচনা ‘দ্রুত এগিয়ে চলেছে’। ট্রাম্প কেন এত দ্রুত ‘পরিস্থিতি শান্ত করতে’ চাইছেন? ইসরাইল কি ‘পরামর্শ শুনবে’? এই ঘটনার পর ইরান-মার্কিন আলোচনার ভবিষ্যৎ কী? মার্কিন য...
নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই, দরকার সংলাপ ও সহযোগিতা

নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই, দরকার সংলাপ ও সহযোগিতা

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতার অনেক কারণ থাকতে পারে। সেটা যে সব সময় বড় শক্তিধর রাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন থেকে জন্ম নেয়, এমনটা নয়। তবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে স্থিতিশীল ও সুস্থ সম্পর্ক কিন্তু আন্তর্জাতিক অস্থিরতা দূর করতে পারে। কারণ তাদের পারস্পরিকভাবে জড়িত অর্থনৈতিক সম্পর্কটা গড়ে দেয় বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার মজবুত ভিত্তি। এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর স্বভাবতই গোটা বিশ্বের নজর ব্যাপক মনোযোগ কেড়েছে। চীন–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে সঠিক পথে পরিচালিত করতে রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ের কূটনীতিই অপরিহার্য। কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়াখুন বুধবার বলেছেন, চীন ট্রাম্পের এই সফরকে স্বাগত জানায়। সফরকালে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়ন নিয়ে গভীর মতব...
একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস একটি দেশের উন্নয়ন শুধু উঁচু অট্টালিকা, প্রশস্ত সড়ক, বড় বড় সেতু কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে মানুষের নৈতিকতা, সামাজিক স্থিতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশের ওপর। যে সমাজে মানুষ নিরাপদ, সচেতন, কর্মমুখী ও নৈতিকভাবে দৃঢ়—সেই সমাজই একটি সুন্দর দেশের ভিত্তি নির্মাণ করে। আর এই ভিত্তিকে সবচেয়ে বেশি দুর্বল করে দেয় দুটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি—মাদক এবং জুয়া। মাদক শুধু একটি ব্যক্তির শরীর নষ্ট করে না; এটি ধীরে ধীরে একটি পরিবারকে ভেঙে দেয়, সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে, অর্থনৈতিক স্থিতি ধ্বংস করে এবং সমাজে অপরাধের বিস্তার ঘটায়। একজন তরুণ যখন মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন সে কেবল নিজের ভবিষ্যৎ নয়, পরিবারের স্বপ্নও ধ্বংস করে। প্রথমে কৌতূহল, পরে বন্ধুমহলের প্ররোচনা, এরপর অভ্যাস—এই তিন ধাপেই বহু তরুণ অন্ধকারে হারিয়ে ...