Stories Archives - Page 8 of 20 - Mati News
Monday, April 13

Stories

My heart is full of love | New Poem

My heart is full of love | New Poem

Stories
My heart is full of love, My soul is filled with joy, I stand in admiration For this world I enjoy.   The beauty of the sky, The ocean's rolling waves, The birds in the trees, The life that each day saves.   The sun brings its warmth, The rain brings its chill, The wind carries with it A sound so pure and still.   The colors of the flowers, The hues of the rainbow, The feeling of contentment, When I know I'm here to stay.   The laughter of children, The song of a bird, The peace that comes with knowing That I'm loved and heard.   My heart is full of love, My soul is filled with joy, For this world I am grateful And feel so blessed to enjoy.
একাত্তরের শহীদ ছবুর : যুদ্ধ শেষে যে ছেলেটি বাড়ি ফেরেনি

একাত্তরের শহীদ ছবুর : যুদ্ধ শেষে যে ছেলেটি বাড়ি ফেরেনি

Stories
গাজী আবদুস ছবুর ১৯৫১ সালের ১৪ই অক্টোবর চট্টগ্রামের পটিয়া থানার ৪ নং ওয়ার্ডের শেয়ান পাড়ার গাজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত গাজী আলী চাঁন সওদাগর পেশায় একজন লবণ ব্যবসায়ী এবং মাতা মৃত ছমেরাজ খাতুন। গাজী আলী চাঁন সওদাগরের তিন পুত্র ও দুই কন্যাসন্তানের মধ্যে গাজী আবদুস ছবুর ছিলেন পিতামাতার ২য় সন্তান। শহিদ ছবুরের বড়ো ভাই গাজী আবদুছ ছালাম ছোটোবেলায় জ¦রে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ছোটো ভাই গাজী সেলিম পেশায় ব্যবসায়ী ও  ছোটো দুই বোন জরিনা  বেগম ও জাহেদা বেগম। একাত্তরে শহীদ ছবুরের গল্পটা শোনাচ্ছেন রশীদ এনাম   শৈশব ও ছেলেবেলা গাজী ছবুর ছোটোবেলা থেকে বেশ দুরন্ত ও দস্যি। ফুটবল, ব্যাডমিন্টন ছিল প্রিয় খেলা।  কৈশোরে পাড়ার বন্ধুদের সাথে হই হুল্লোড় করে ছুটিয়ে  বেড়াতেন। ছেলেবেলা থেকে ছিলেন  রসিক ও আমুদে প্রকৃতির । বন্ধুদের মন খারাপ থাকলে কৌতুক আর হাসির গল্প শুনিয়ে মন ভালো করে দিতেন। গাজী ছবুরের কণ্ঠ ছিল...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ৪১ থেকে দৃশ্য ৫০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ৪১ থেকে দৃশ্য ৫০

Stories
আমি তুমি সে নাটকের সব পর্ব (চিত্রনাট্য) ami tumi se natok full story দৃশ্য ৪১ থেকে দৃশ্য ৫০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০ আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০ আমি তুমি সে : ‍দৃশ্য ৩১-৪০   দৃশ্য-৪১ নাভিদের বাসা। পূর্ণতা, নাভিদের মা আর নাভিদ। পূর্ণতা সাজছে। প্রথমে সাধারণ পোশাক সেলোয়ার। ড্রেস চেঞ্জ করবে। টি-শার্ট পরবে। জিন্স পরবে। আয়নায় দেখবে। পছন্দ হয় না।  আরেকটা জামা বদলাবে, হাঁটুর ওপর থাকা শর্টস পরতে পারে।আয়নার সামনে পোজ দিয়ে নিজের মধ্যে আবেদন আনার চেষ্টা করবে পূর্ণতা। পূর্নতা: (ভাবছে) মডেলদের দেখে দেখে আমাকে আর ভালো লাগবে না, এমনটা হবে না। আমিও দেখিয়ে দিবো আমি কী। ওকে আমি আমার কবজায় আনবোই। নাভিদের মা: (বাইরে থেকে ডাকবে) পূর্ণতা, ভাতটা একটু দেখতো। পূর্ণতা তাড়াতাড়ি কাপড় খুঁজবে। হাতের কাছে নাভিদের একটা শার্ট পেয়ে ওট...
আমি তুমি সে : ‍দৃশ্য ৩১-৪০

আমি তুমি সে : ‍দৃশ্য ৩১-৪০

Stories
আমি তুমি সে নাটক ami tumi se natok full story দৃশ্য ৩১ থেকে দৃশ্য ৪০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০ আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০       দৃশ্য-৩১ মিতার রুম। মিতার দরজায় নক হচ্ছে। মিতা, শিরিন ও মদ্যপ এক লোক।   শিরিন: দাঁড়া আমি খুলছি। মিতা: (ফিসফিস করে) না, আমি দেখছি। তুই তোর রুমে যা! শিরিন: না আমি যাব না।তোর যদি কিছু হয়। মিতা: যাতো! যা! আমি জানি কে। শিরিনকে অনেকটা জোর করে মিতা ভেতরের রুমে পাঠিয়ে দিলো। বললো দরজা লাগিয়ে দিতে। শিরিন দরজা লাগিয়ে দিলো না। কান খাড়া করে রইল। মিতা দরজা খুললো। একটা মদ্যপ মধ্যবয়সী লোক। মিতাকে ঠেলে সরিয়ে ভেতরে ঢুকলো। মিতা: ইয়ে, আপনি রহমান সাহেব। লোক: অ্যাঁ..হেহেহে। আমি আবার সাহেব। আমি আজ আর রহমান সাহেব নই। সুন্দরী আমি তোমার বয়ফ্রেন্ড। তোমার সঙ্গে প্রেম কর...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ২১-৩০

Stories
আমি তুমি সে নাটক চিত্রনাট্য) ami tumi se natok full story দৃশ্য ২১ থেকে দৃশ্য ৩০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০   দৃশ্য-২১ ইনডোর। ক্লায়েন্টের অফিস। জেরিন, নাভিদ, ক্লায়েন্ট। ক্লায়েন্ট একজন মধ্যবয়সী পুরুষ, স্যুটেড।   ক্লায়েন্ট: কী নাম বললেন আপনাদের হাউসের। জেরিন: জ্বি, জেন মিডিয়া লি.। ক্লায়েন্ট: জ্বি-জেন? নাকি শুধু জেন? জেরিন: জেন মিডিয়া স্যার। ক্লায়েন্ট: জেন মানে কী? জেরিন ইতস্তত বোধ করছে। নাভিদ: ওই যে জেনারেশন.. জেনারেশন থেকে জেন। ক্লায়েন্ট: আইসি। তো আপনাদের পোর্টফোলিও নিয়ে এসেছেন? জেরিন: ইয়ে স্যার, আমাদের কাজ মাত্র শুরু হলো। ভাবলাম আপনার প্রতিষ্ঠান দিয়েই আমাদের পোর্টফোলিওটা শুরু হোক। এই জন্য আমাদের কস্টিংটাও কম করে..। ক্লায়েন্ট: হোল্ড অন, কস্টিং নিয়ে তো আমার কোনো সে নেই মিস.. জেরিন। টাকা কো...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০

Stories
আমি তুমি সে নাটকের সব পর্ব (চিত্রনাট্য) ami tumi se natok full story দৃশ্য ১১ থেকে দৃশ্য ২০ আমি তুমি সে দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ দৃশ্য- ১১। দিন। মডেলিং এজেন্সির অফিস। শিরিন, রিসিপশনিস্ট, লোক-১, একজন কড়া মেকাপ দেওয়া মহিলা।   শিরিন একটা অফিসের ভেতরে ঢুকলো। কেউ নেই। রিসিপশনিস্ট তাকে আগাগোড়া দেখলো। শিরিন তার হাতে খাম ধরিয়ে দিল। রিসিপশনিস্ট ফোনে কাকে যেন কী বললো। রিসিপশনিস্ট: এই নিন ফর্ম। এটা আমাদের নিজস্ব কিছু টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন। পড়ে এখানে সাইন করে দিন। শিরিন দ্রুত সাইন করে দিল। রিসিপশনিস্ট: পড়ে দেখলেন না। শিরিন: নাহ, থাক। পড়ার কী আছে। শিরিনকে বসতে ইশারা করলো। এক মধ্যবয়সী লোক আসলো। তিনিও শিরিনকে আগাগোড়া দেখলেন। ছবিগুলো নিয়ে দেখলেন। মুখের ভাব দেখে মনে হলো তার মোটামুটি মনে হলো। লোক: চলুন। শিরিন: জ্বি কোথায়? লোক: কোথায় আবার ভেতরে। আসুন। শিরিন:...
আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০

আমি তুমি সে নাটক : দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০

Stories
আমি তুমি সে নাটকের সব পর্ব : দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০ ami tumi se natok full story প্রথম খণ্ড দৃশ্য ১ থেকে দৃশ্য ১০   দৃশ্য-১। রাত। ইনডোর। আলো আঁধারি স্টুডিও। শিরিন ও ফটোগ্রাফার।   শিরিন স্বপ্ন দেখছে। একটা চেয়ারে বসে আছে শিরিন। আশপাশে অন্ধকার। শিরিনের চোখে মুখে কড়া মেকাপ। কেউ একজন তার ছবি তুলছে। ফটোগ্রাফারকে দেখা যাচ্ছে না। ফটোগ্রাফার: আরেকটু এদিকে। হুম.. এবার মুখটা একটু ডানে। না ওভাবে না, এক মিনিট আমি দেখিয়ে দিচ্ছি। ফটোগ্রাফার এসে শিরিনের মুখটা ঘুরিয়ে দিল। শিরিন ভয় পেল। ফ্ল্যাশ পড়ছে ঘন ঘন। ফটোগ্রাফার: আহা! বললাম তো হচ্ছে না। এবার এগিয়ে এসে শিরিনের দুই কাঁধে হাত রাখলো ফটোগ্রাফার। শিরিনের মুখে আবার হাত রাখলো। বার বার এদিক ওদিক তার চেহারাটা ঘুরিয়ে দিচ্ছে। ফটোগ্রাফার: দেখি এদিকে, না না হয়নি, ওদিকে। শিরিনের পেছন থেকে অনেক গুলো হাত উঠে এলো...
গল্প : আমি মানিক বলছি

গল্প : আমি মানিক বলছি

Stories
আমি মানিক। সপ্তম শ্রেণীতে পড়ি। আমি যখন প্রথম শ্রেণীতে পড়ি তখন আমার বাবা-মা দুজনেই মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। আমি কীভাবে যে বেঁচে যাই সেটা কল্পনা করতে পারে না কেউ। সবাই বলে আমি নাকি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছি। অলৌকিক মানে কি বুঝতে আমার কষ্ট হয়। তবুও অল্প অল্প বুঝি। আমাকে আল্লাহ বাঁচাইছেন। আল্লাহতো সব পারে। কিন্তু এখন আমাকে বাঁচায় না কেন আর? আমার বাবা-মা মারা যাওয়ার পরে আমাকে একটা পরিবারে দত্তক নেয়। আমি তাদের বাবা-মা বলেই ডাকি। তাদের কোনো সন্তান নাই বলে তারা আমাকেও সন্তানের মতো আদর করে। প্রথম প্রথম আমার বাবা-মা ডাকতে কষ্ট হতো। কিন্তু বাবা-মা না ডাকলে তারা আমাকে খেতে দিতো না। তাই একদিন ডেকেই ফেললাম। আর তারা তো আমাকে আদরই করে। আমি তখন খুব সুখে ছিলাম। আমার বাবা-মা আমাকে নিয়ে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ঘুরতে যেতো। আমি যা চাইতাম বাবা তা-ই দিতো। আমি যখন ক্লাস টু’তে উঠি তখনই আমার জীবনের কঠিন সময় শুরু হতে লাগল...
From Mother to Saint Teresa

From Mother to Saint Teresa

Stories
Also referred to as the Blessed Teresa of Calcutta, Teresa will be declared a saint on September 4. In this life, we cannot do great things. we will only do small things with great love. She was recognized as Mother to the planet, and now after being canonized by the Anglian Church, she is going to be regarded as a ‘Saint’. Mother Teresa devoted her entire life selflessly to serving the poor and needy people, expecting nothing reciprocally other than love and faith. She proved that you simply don’t need to conceive to become a mother. Recipient of the 1979 Noble Peace Prize and sanctified as ‘The Blessed Teresa of Calcutta’ a robust-willed, independent, and faithful character herself, Teresa is an idea for many youths who want to serve to society. Her long life reflects her willingn...
মেয়ে ইভ টিজিং-এর শিকার , ছেলের বাবা যা করলো

মেয়ে ইভ টিজিং-এর শিকার , ছেলের বাবা যা করলো

Stories
কিশোরী মেয়েটি প্রতিদিন স্কুলে যায়। কিন্তু একদিন তার খুব মন খারাপ। তার মন খারাপের কারণ জানতে চায় তার বাবা। কিন্তু মেয়েটি মুখ ফুটে কিছুই বলে না। সে আগের মতো স্কুলেও যেতে চায় না। আবার গেলেও পথে ভয়ে ভয়ে থাকে। পথে মেয়েটিকে এক বখাটে উত্যক্ত করতে শুরু করার পর থেকেই এমনটা হয়। ছেলেটি মেয়েটিকে এও বলে, বাসার কাউকে কিছু জানালে তোর অনেক বড় ক্ষতি করবো। এটা শুনে মেয়েটি ভয় পেয়ে যায়। সে বাসার কাউকে কিছু বলতে পারে না। একদিন উত্যাক্ত করার পর মেয়েটি কাদতে কাদতে বাসায় আসে। বাবা জানতে চান, কী হয়েছে তোর। মা বল। আমাকে খুলে বল। মেয়েটির মনে পড়ে ওই বখাটের হুমকির কথা—কাউকে কিচ্ছু বলবি না! মেয়েটি স্কুলে যাবে না ঠিক করে। সে তার ব্যাগ গুছিয়ে টেবিলেই রেখে দেয়। বাবা এসে বলে, তুই আমাকে সব খুলে বল। স্কুলে কোনো সমস্যা? কেউ কিছু বলে? মেয়েটি মাথা নেড়ে বলে, না বাবা এমন কিছু না। মেয়েটির বাবা আবার জানতে...
ঐতিহ্যবাহী লালকুঠির বেহাল অবস্থা

ঐতিহ্যবাহী লালকুঠির বেহাল অবস্থা

Stories, Travel Destinations
রাজধানীর পুরান ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পাশে ফরাশগঞ্জ বাজারে স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী লালকুঠি অবস্থিত। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক-বাহক এবং সংস্কৃতি চর্চার বিশাল কেন্দ্র ছিল শতবর্ষী লালকুঠি। ১৮৭২ সালে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছিল এই লালকুঠি। যার পূর্ববতী নাম ছিল নর্থব্রুক হল। একসময় ঢাকার অভিজাত পরিবারের সদস্য এবং ধনাঢ্য ব্যক্তিদের আড্ডাস্থল ছিল ঐতিহ্যবাহী লালকুঠি । দেড় শতাধিক বছর ধরে ঢাকার ও তৎকালীন ভারতবর্ষের বিভিন্ন অভিজাত শ্রেণির পদচারণায় কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে লাল রঙের ইমারত বিশিষ্ট এই ভবনটি।  ১৮৮০ সালে তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের গভর্নর জর্জ ব্যরিং নর্থব্রুক এ ভবনটি উদ্বোধন করেন। পরবর্তীকালে তার নাম অনুসারে পরে নর্থব্রুক হল নামকরণ করা হয়। আরো নামকরণ করা হয় বহুল ব্যবহৃত বাংলাবাজার রোড সংলগ্ন নর্থব্রুক হল রোডের। লালরঙ্গে রাঙ্গানো এই ভবনটিকে পরবর্তীতে নর্থব্রুক হলের পাশাপ...

দৃষ্টিহীনের জন্য থার্ড আই

Stories
নবম শ্রেণিতে থাকতেই সন্ত্রাসীর ছোড়া এসিডে দগ্ধ হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারান মাসুদা আক্তার মণি। তিনি এখন দেখতে পান না দেশ-মাটি, গাছ-পাখি, শরৎ-বসন্ত। তবে একটা জিনিস দেখেন ঠিকই— স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্ন পূরণের সারথী হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠে সংগঠন থার্ড আই। জানাচ্ছেন কালবেলা’র চবি প্রতিনিধি রেদওয়ান আহমদ নানা বাধা পেরিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হতে পেরেছেন মণি। কিন্তু চিন্তা তো যায় না। কীভাবে পার করবেন বিশ্ববিদ্যালয় জীবন? তখনই মণির পাশে দাঁড়াল ‘থার্ড আই’ টিম। শ্রুতিলেখক হিসেবে লিখে দেওয়া এবং পাঠ্য রেকর্ড করে দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল সংগঠনটি। এরপর মণিকে আর পিছু হটতে হয়নি একদমই। আংশিক বা পুরোপুরি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করে সংগঠনটি। ‘শেয়ার দ্য রেসপনসিবিলিটিস’ প্রতিপাদ্যে ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি মাসরুর ইশরাকের নেতৃত্বে আট স...
প্রাচীন মিশরে প্রাণীদের নিয়ে হুলুস্থুল কাণ্ড

প্রাচীন মিশরে প্রাণীদের নিয়ে হুলুস্থুল কাণ্ড

Stories
প্রাচীন মিশরীয়রা বিভিন্ন প্রাণীর পূজারি ছিল। এর মধ্যে কিছু প্রাণীর কদরই ছিল আলাদা।   গুবরে পোকার উপাসনা মিশরে জনপ্রিয় ছিল গুবরে পোকার কবচ। মিশরীয়রা তখন বিশ্বাস করত, এই পোকার জাদুকরী শক্তি আছে এবং তারা গোবর থেকেই জন্মায়। এ জন্য ওরা এ পোকার পূজাও করত। তারা তখনো জানত না যে, গুবরে পোকাও ডিম পাড়ে এবং সেই ডিম ফুটেই নতুন পোকা বেরিয়ে আসে। মিশরীয়রা আরও ভাবত, সূর্য হলো দেবতা গুবরে পোকার তৈরি একট বল। কুমিরের শহর মিশরের কোকডিলিপিলিস শহরটি ছিল ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের কেন্দ্রবিন্দু, যার মূলে ছিল কুমির দেবতা সোবেক। এখানে তারা একটি কুমির রাখত, যার নাম ছিল সুকুস। বিশ্বের নানা প্রান্তের লোকেরা এখানে আসত সুকুসকে দেখতে। কুমিরটিকে মিশরীয় দামি অলংকারে মুড়ে রাখত। ওটার ২৪ ঘণ্টা দেখাশোনার জন্য থাকত পুরোহিত। লোকজন কুমিরটির জন্য খাবার ও উপহার নিয়ে আসত। মারা গেলে তাকে বীরের সম্মান দেওয়া হ...
বগুড়ায় রহস্যঘেরা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি

বগুড়ায় রহস্যঘেরা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি

Stories
বগুড়ার উডবার্ন গণগ্রন্থাগারে কাচের বাক্সে বন্দি তিনটি পাণ্ডুলিপি আজও রহস্য হয়েই রয়েছে। তিনশ বছর হয়ে গেলেও করা যায়নি পাণ্ডুলিপির পাঠোদ্ধার। এসব পাণ্ডুলিপির কথা শোনার পর বহু দফা এসেছেন গবেষকরা; নেড়েচেড়ে দেখে আবার আসবেন জানিয়ে ফিরে গেছেন। কিন্তু কেউ আর ফিরে আসেননি। ফলে কাচের বাক্সেই বন্দি হয়ে আছে পাণ্ডুলিপিগুলো। সরেজমিন দেখা যায়, ধূসর বর্ণের কাগজের পাশগুলো অনেকটা পোকায় কাটা। তাতেই শোভা পাচ্ছে হাতের লেখা। লেখার ভাষা প্রাকৃত, পালি না সংস্কৃত—সেটিও নিশ্চিত করা যায়নি। যদিও ওই তিন পাণ্ডুলিপির মাথায় বাংলায় লেখা রয়েছে পৃথক তিনটি নাম। সেই নামগুলো হলো—পদ্মাপুরাণ, গোবিন্দ কথামৃত ও হিরণ্যকশিপুর। কাগজের ধরন দেখে গ্রন্থাগার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এসব তুলট কাগজ। সে হিসেবে ন্যূনতম তিনশ বছরের প্রাচীন এসব পাণ্ডুলিপি। উডবার্ন গণগ্রন্থাগারের সহকারী গ্রন্থাগারিক আমির হোসেন জানান, ১৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৩ ইঞ্চ...
শিক্ষনীয় গল্প

শিক্ষনীয় গল্প

Stories
একদিন গাধা বাঘকে বলল — "ঘাসের রং নীল। " বাঘ উত্তর দিল — "না, ঘাসের রং সবুজ। " কিছুক্ষনের মধ্যেই দু'জনের আলোচনা তুমুল তর্কে পরিণত হলে, তারা জঙ্গলের রাজা সিংহের কাছে বিচারের জন্য উপস্থিত হল। রাজদরবারে সিংহের কাছে পৌঁছানোর আগেই গাধা ডাক ছাড়তে শুরু করে দিল — " মহারাজ, আপনিই বলুন ঘাসের রং নীল কি না?" সিংহ উত্তর দিল -- " হ্যাঁ, ঘাসের রং নীল।" গাধা তাড়াতাড়ি সিংহের কাছে পৌঁছালো এবং বলতে থাকল —" বাঘ আমার কথা মানছে না, তর্ক করছে এবং আমাকে বিরক্ত করছে। ওকে শাস্তি দিন।" সিংহ তখন ঘোষণা করল --" বাঘকে ৫ বছরের জন্য মৌন থাকার শাস্তি দেওয়া হল।" গাধা খুশিতে লাফাতে লাগল এবং বলতে বলতে চলে গেল — " ঘাসের রং নীল, ঘাসের রং নীল।" বাঘ শাস্তি মেনে নিল, কিন্তু সিংহকে জিজ্ঞাসা করল —" মহারাজ, আপনি আমায় শাস্তি দিলেন কেন যখন ঘাসের রং সত্যিই সবুজ।" সিংহ বলল —" ঠিক, ঘাসের রং সবুজ...