চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সাফল্য উভয় দেশ এবং বিশ্বের জন্য সুফল বয়ে আনবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বপর্যবেক্ষকরা। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক যাতে সুস্থ, স্থিতিশীল ও টেকসই পথে এগিয়ে যায়, সেই সম্ভাবনার দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে নিবিড়ভাবে তাকিয়ে আছেন তারা।
ইনস্টিটিউট ফর চায়না-ইউরোপ স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষণা বিশ্লেষক ড্যানিয়েল বালাজ বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে সি চিন পিংয়ের প্রস্তাবিত ‘চারটি স্থিতিশীলতা’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এগুলো হলো—সহযোগিতাকে মূল ভিত্তি করে ইতিবাচক স্থিতিশীলতা, যথাযথ সীমার মধ্যে প্রতিযোগিতাসহ সুস্থ স্থিতিশীলতা, মতপার্থক্য ব্যবস্থাপনার আওতায় রেখে ধারাবাহিক স্থিতিশীলতা এবং প্রত্যাশিত শান্তির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা।
বালাজ বলেন, “প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফর গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীলতাকে সুদৃঢ় করার এবং সেগুলোকে কার্যকর ফলাফলে রূপান্তর করার সুযোগ তৈরি করবে।” তাঁর মতে, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতিতে ঐকমত্য বৈশ্বিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে।
কোমোরোসের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দোহির ধুলকামাল বলেন, দুই দেশের নেতার আসন্ন বৈঠক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারে। তিনি ‘চারটি স্থিতিশীলতা’ উদ্যোগকে প্রশংসার দাবিদার বলে উল্লেখ করেন।
দুবাইভিত্তিক স্ট্র্যাটেজিক সেন্টার ফর স্টাডিজের প্রধান ফিরাস নায়েব বলেন, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের শীর্ষ বৈঠক বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা


















