সম্পর্কের

প্রেমে পড়া আর সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল তফাত। প্রেমের পড়ার অধ্যায়ে শুধুই আনন্দ। সকাল থেকে রাত যেন বিশেষ মানুষের কথা ভেবে মাথার মধ্যে কত প্রেমের গান, কবিতা ঘুরপাক খেতে থাকে। সে সময়ে মনে হয়, এ প্রেম যেন চিরন্তন।

কিন্তু সম্পর্কের ঘেরাটোপে টুকটাক মনোমালিন্য এসে জমা হলেই যেন আস্তে আস্তে সমীকরণ বদলে যেতে থাকে।  এত দিনের প্রিয় মানুষের সঙ্গে আদপে সম্পর্ক থাকবে কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়। তবে সম্পর্ক আদৌ টিকবে কি না, তা কয়েকটি লক্ষণ দেখেই বুঝে নিতে পারেন।

একসঙ্গে চলার পথে সে সব লক্ষণ দেখলে আজই সতর্ক হোন। প্রয়োজনে কথা বলুন সঙ্গীর সঙ্গে।

 

  • প্রতিটি সম্পর্কেই ভুল বোঝাবুঝি হয়। কিন্তু সেগুলি আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া ভাল। যদি দেখেন আপনার ও আপনার সঙ্গীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বেড়েই চলেছে, কিন্তু সেগুলি আলোচনা করে মেটাতে চাইছেন না আপনার সঙ্গী, তা হলে বুঝবেন এ সম্পর্কের মেয়াদ বেশিদিনের নয়।
  • অনেকেই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল হন। সঙ্গীর সংবেদনশীলতাকে মর্যাদা দিন। কোনও সম্পর্কে সংবেদনশীল ব্যক্তি যদি বার বার আঘাত পেতে থাকে, তা হলে সেই সম্পর্কের পরিণতি মোটেও ভাল নয়।
  • প্রতিটি সম্পর্কে পাওয়ার স্ট্রাগল থাকে। এক জন আর এক জনকে কোনও না কোনও ক্ষেত্রে সামান্য হলেও অবদমন করেন। কিন্তু অবদমনের মাত্রা যদি বেশি হয় তাহলে সেই সম্পর্কের ভবিষ্যৎঅন্ধকার।​

 

সংবেদনশীল মন বার বার আহত হলে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য

 

  • একটা সম্পর্কে ভালবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা খুব জরুরি। প্রত্যেক সম্পর্কেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরক্তি তৈরি হয়। কিন্তু ভালবাসা ও শ্রদ্ধার থেকে বিরক্তি, ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে বসে থাকলে কোনও সম্পর্কেই ভাল থাকা যায় না।
  • প্রেমে পড়ার সময়ে যত্ন, ভালবাসা যেমন থাকে তা আস্তে আস্তে যদি সম্পর্ক থেকে কমতে থাকে, যোগাযোগ কমে যায়, তা হলে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সত্যিই সংশয় তৈরি হয়।