Wednesday, September 28
Shadow

Tag: কৃষি

টবের গাছে সার কিভাবে দেবেন

টবের গাছে সার কিভাবে দেবেন

Agriculture Tips
টবের গাছে সার দেওয়া ও সারের পরিমাণ নিয়ে অনেক শখের বাগানির টেনশনের শেষ নেই। টবের গাছে মাসে তিনবার সার প্রয়োগ করতে হয়। প্রথমবার: এক লিটার পানিতে আধা চা চামচ করে ইউরিয়া, এমওপি/পটাশ ও টিএসপি (মেটে সার) সার গুলিয়ে নিন। সঙ্গে এক চিমটি সালফার বা বোরন দিন। সকল সার পুরোপুরি গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। দরকার হলে একরাত রেখে দিন। এবার ওই পানি টবে এমনভাবে দিন যেন গাছের গোড়ায় পানি ঠিকঠাক যায়। মাটি ভেজা থাকলে দেবেন না। মাটি শুকানোর পর গোড়ায় দেবেন।   ২৫ কেজি রেডিমিক্স সয়েল বা ভারমি কম্পোস্ট কুরিয়ার চার্জসহ ৫০০ টাকা। অর্ডার করতে এই পেইজের ইনবক্সে অর্ডার করুন।   দশ দিন পর: আবার এক লিটার পানিতে আধা চা চামচ ইউরিয়া এক চিমটি জিংক মেশান। এবার গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার ভালোভাবে স্প্রে করে গাছ ভালোভাবে ভিজিয়ে দিন।   দশ দিন পর: এক লিটার পানিতে হাফ চা চামচ ইউরিয়া + স...
টবের টমেটো গাছে কোন সার কতটুকু দেবেন

টবের টমেটো গাছে কোন সার কতটুকু দেবেন

Agriculture Tips
টবে অনেকেই টমেটোর চাষ করেন শখ করে। টবে টমেটো চাষের জন্য যদি সাধারণ দোআঁশ মাটি ব্যবহার করে থাকেন তবে সার প্রয়োগ করতে হবে। অবশ্য যদি টবের জন্য স্পেশাল রেডিমিক্স মাটি ব্যবহার করেন তবে বাড়তি সার খুব একটা প্রয়োগ করতে হয় না। রেডিমিক্স মাটি অর্ডার করতে পারবেন এই পেইজে।   টবে টমেটো চাষে সার প্রয়োগের মাত্রা টবের মাঝখানে চারা থাকলে তার চারপাশে ৫-৬ ইঞ্চি দূরে ২ ইঞ্চি গভীর করে মাটি সরিয়ে নিন। এরপর ২০ গ্রাম ডেপ/টিএসপি সার ছিটিয়ে দিন। এরপর ৩০ গ্রাম ইউরিয়া ছিটিয়ে দিন। এরপর লাল রঙের পটাশ সার (এমওপি) দিন ২০ গ্রাম। বালাইনাশক পোরাডান ছিটিয়ে দিতে পারেন খুব অল্প পরিমাণে- ৫ গ্রাম। এরপর জিপসাম সার দিন ৫ গ্রাম। সার দেওয়ার পর মাটি দিয়ে ঢেকে দিন ও ২ পিন পর পানি দিন।  এর বাইরে সিলভামিক্স নামের একটি স্লো রিলিজিং সারের ট্যাবলেটও ব্যবহার করা যায়। তবে টবে টমেটো চাষ করতে রাসায়নিক...
ড্রাগন ফল চাষে ভাগ্য বদল

ড্রাগন ফল চাষে ভাগ্য বদল

Agriculture Tips
ড্রাগন এখন পরিচিত ফল হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে গ্রামবাংলায়। কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম আগানগর । গ্রামের বাড়ির পাশে ড্রাগন বাগান। এলাকার প্রথম বাগান হওয়ায় বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দেখতে ভিড় জমান। বাগান থেকে কিনে নিয়ে যান তাজা ফল। কেউ কেউ মাঠের পাশেই ফল কেটে খেতে শুরু করেন। সুস্বাদু ও দৃষ্টিনন্দন ফল খেয়ে ক্রেতার মুখে তৃপ্তির ঢেকুর দেখা যায়।  উদ্যোক্তা রাকিবুল হাসান বাসসকে জানান, কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) কয়েক বছর আগে একটি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ নেন। তারপর নিজের ছাদে টবে কয়েকটি ড্রাগনের চারা লাগান। দুই বছরে সেখানে ভালো ফল পান। এক পর্যায়ে পরিকল্পনা করেন ড্রাগন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে কিছু করা যায় কিনা। সেই থেকে শুরু। এক প্রতিবেশী থেকে ৬০ শতক জমি লিজ নেন। জমি লিজ, বাগানের সরঞ্জাম, চারা লাগানোতে প্রায়ই ৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। চারা নাটোর থেকে সংগ্রহ করেছেন। এ ফলের চারার...
কুমিল্লা নগরীর ছাদ ও বেলকনিতে সবজির চাষ

কুমিল্লা নগরীর ছাদ ও বেলকনিতে সবজির চাষ

Agriculture Tips
নগরীর ছাদ ও বেলকনি গুলো সবুজ ভরে উঠছে। ছাদে ও বেলকনিতে বিভিন্ন ফুল ও ফলের সাথে চাষ হচ্ছে লাউ, কুমড়োসহ বিভিন্ন সবজি। ডা. নার্গিস আক্তার নগরীর ঠাঁকুরপাড়ায় ছাদে গড়ে তুলেছেন বাগান। তিনি জানান, দিনভর অফিস চেম্বার শেষ করে যত ব্যস্ততা থাকুক রাতে ফিরেও বাগান দেখাশোনা করেন। নিজের পারিবারিক চাহিদার সব্জির প্রায় সবটাই মিটে যায় বাগান থেকে। শহরের ঢুলিপাড়ায় এলাকায় সালমা আমীনও গড়ে তোলেছেন ছাদ বাগান। তিনি কৃষির সকল পরামর্শ খুব সহজেই ঘরে বসেই পেয়ে থাকেন স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে। প্রায় ১৫০’র উপর নানা ফল ও ফুল গাছ রয়েছে  তার বাগানে। নিজের পরিবারের চাহিদা বাগান থেকেই সিংহভাগ মিটে যায়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, শুধু শহর নয়, কুমিল্লা জেলার প্রায় উপজেলার ছাদ বাগান গড়ে ওঠেছে। লাকসামের বাসিন্দা রবিন খাইরুল আনাম জানান, তাঁর বাগানে পাঁচ শতাধিক গাছ রয়েছে। দেশ বিদেশের অর্কিড, দুষ্প্রাপ্য গাছ, লতানো গাছ, ইনডোর...
কুমিল্লায় যে কারণে পানের বাম্পার ফলন

কুমিল্লায় যে কারণে পানের বাম্পার ফলন

Agriculture Tips
জেলার চান্দিনায় এবার পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধীরে ধীরে পান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে এ অঞ্চলের কৃষক। জেলার চান্দিনা উপজেলার, মহিচাইল, কাদুটি, বরকড়ই এইসব এলাকায় দেখা যায় পানের বরজের নজরকারা দৃশ্য। পান চাষ একটি দীর্ঘমেয়াদী লাভজনক ফসল। একবার পানের বরজে কাজ করলে ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত বরজে কাজ করতে হয় না। তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও অনেকটাই কম। দেশীয় পদ্ধতিতে পান চাষে প্রথমে ডাল সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করতে হয়। এর তিন থেকে চার মাস পর ডাল থেকে সবুজ লতা বের হয়ে ছেয়ে যায় পান পাতার লতা। তারপর শুরু হয় চাষিদের পান সংগ্রহ। এক বিঘা জমিতে পান চাষ করে প্রতি বছর দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব বলে জানান পান চাষিরা। কাদুটি গ্রামের পান চাষি জুয়েল চৌধুরী বাসসকে বলেন, এবার পানের ভালো ফলন হয়েছে। বাজার দামও বেশ ভালো। আগের চেয়ে পান চাষ বেশি হচ্ছে আবার পদ্ধতির অনেক পরিবর্ত...
কাসাভা চাষ ও উৎপাদনে সফলতা পাচ্ছে কুমিল্লার কৃষকরা

কাসাভা চাষ ও উৎপাদনে সফলতা পাচ্ছে কুমিল্লার কৃষকরা

Agriculture Tips
লালমাই পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় চাষ হচ্ছে ‘কাসাভা’। প্রথম দিকে সীমিত আকারে চাষ হলেও দিন দিন ব্যাপকহারে এ পাহাড়ে সম্প্রসারণ হচ্ছে কাসাভার চাষ। পাহাড় এলাকায় এটি ‘কাঠ আলু’ বা ‘ঠেংগা আলু’ নামে বেশ পরিচিত। বহু বছর ধরে পাহাড়ে চাষ হয় আলু জাতীয় এ উদ্ভিদটি। এটি বেকারি সামগ্রী এবং ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে কাসাভা চাষে লালমাই পাহাড়ের অর্থনীতি ও চাষিদের জীবনমান বদলে যেতে পারে বলে জানান কৃষিবিদরা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, লালমাই পাহাড়ের সালমানপুর, কোটবাড়ি, হাজীর খামার, জামমুড়া, লালমাইসহ বিভিন্ন এলাকায় কাসাভা চাষ ও ফসল তোলায় ব্যস্ত কৃষক। কৃষকের হাতের টানে লালমাটি থেকে উঠে আসছে খয়েরি রঙের কাসাভা। তা পরিষ্কার করে তুলে দেয়া হচ্ছে ট্রাকে। মূলত গাছের শিকড়টা কাসাভায় রূপান্তরিত হচ্ছে। লালমাই পাহাড়ের সদর দক্ষিণ উপজেলার জামমুড়া গ্রামের কৃ...
ছাদ বাগানের ভালো ফলনের জন্য ১০টি পরামর্শ

ছাদ বাগানের ভালো ফলনের জন্য ১০টি পরামর্শ

Agriculture Tips
জমির স্বল্পতার কারণে আজকাল অনেক বাগানপ্রেমীরা-ই নিজেদের মনমতো করে বাগান করতে পারছেন না। তবে তাদের জন্য উপায় হিসেবে আছে বাড়ির ছাদ। ছাদকৃষি এখন অনেক প্রকৃতিপ্রেমীর কাছেই স্বস্তির জায়গা। ছাদ কৃষিতে টবে,ড্রামে গাছ লাগানো হয়ে থাকে। কেউ ফল,ফুল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। গাছের অনেক যত্ন নেবার পরও অনেকে সফল হতে পারেন না কিছু ছোট ছোট ভুলের কারনে। এখানে সফল ছাদকৃষির কিছু পরামর্শ দেয়া হলোঃ  ১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট (নারকেলের ছোবড়ার গুড়া) মেশাতে হবে। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দেয়া যাবে না।গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হলে গাছের রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে অনেক। মাটি ভেজা রাখতে হবে তবে খেয়াল রাখতে হবে মাটি স্যাতস্যাতে যেন না হয়। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে কারণ কোকোপিট পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা...
জমিতে শুঁয়োপোকা দমনে ব্রহ্মাস্ত্র তৈরির ফর্মুলা

জমিতে শুঁয়োপোকা দমনে ব্রহ্মাস্ত্র তৈরির ফর্মুলা

Agriculture Tips
কৃষির জন্য শুঁয়োপোকা বা শুঁয়াপোকা একটি বড় সমস্যা। অনেকেই এর হাত থেকে বাঁচতে রাসায়নিক কীটনাশক স্প্রে করেন। তাতে ফসল আর অর্গানিক থাকে না। হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতিতে তৈরি ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করলে শুঁয়োপোকার হাত থেকে জমিকে বাঁচানো যায়। সেই সঙ্গে বাড়বে ফলনও।   এক একর জমির জন্য যা যা লাগবে ২০ লিটার দেশি গরুর মূত্র পাতাসহ ২ কেজি ছোট নিমের ডাল (কাটা করে চাটনির মতো বানানো বা পাল্প) ২ কেজি করঞ্জ পাতা (চাটনি/পাল্প) ২ কেজি আতাফলের পাতা (সীতাফলও বলে) ২ কেজি ক্যাস্টর পাতা (চাটনি/পাল্প) ২ কেজি সাদা ধুতরা বা ২ কেজি আমপাতা সব পাতাই কুচি করে কাটা বা পাল্প বা চাটনি আকারে থাকবে।   একটি বড় পাত্রে সব উপকরণ মিশিয়ে নিন। ঘড়ির কাঁটার দিকে মেশান। ঢাকনা দিয়ে আগুনের তাপে ফোটাতে শুরু করুন। ৪ ঘণ্টার মতো ফোটান। এরপর দিনে দুবার ১২ ঘণ্টা পর পর নাড়ুন। ১...
কবুতরের চোখের রোগ হলে কী ওষুধ খাওয়াতে হবে

কবুতরের চোখের রোগ হলে কী ওষুধ খাওয়াতে হবে

Agriculture Tips
কবুতর পালকরা সচারচর যে সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন তা হচ্ছে কবুতরের চোখের রোগ । কবুতরের চোখে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে এবং তা চিকিৎসায় ঠিক ও করা সম্ভব। লিখেছেন সায়মা তাসনিম   চলুন জেনে নেওয়া যাক কবুতরের চোখের রোগ কী ধরনের হতে পারে, কী কারণে হতে পারে এবং কবুতরের চোখের রোগ হলে কী চিকিৎসা করাবেন।   অরনিথোসিস - কবুতরের চোখের রোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমন হচ্ছে অরনিথোসিস। ক্লামিডিয়া নামক একটি মাইক্রোঅর্গানিজম দ্বারা কবুতরের চোখে এ ধরনের রোগ হয়ে থাকে। এ রোগে কবুতরের চোখে পানি জমতে দেখা যায়। এই পানি অনেকসময় আঠালো ও হতে পারে। এই রোগটি ছোয়াচে ধরনের তাই এক কবুতর থেকে অন্য কবুতরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।   অরনিথোসিস এর চিকিৎসা - কবুতরের চোখের এ রোগ নিরাময়ে কবুতরের খাবার পানির সাথে অরিওমাইসিন নামক একটি পাউডার মিশিয়ে দিতে পারেন। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে খুবই আলতো বে...
কবুতরের সালমোনেলা রোগের চিকিৎসা কী

কবুতরের সালমোনেলা রোগের চিকিৎসা কী

Agriculture Tips
কবুতরের সালমোনেলা রোগ হলে যা করতে হবে তা নিয়ে আজকের আলাচনা। যারা কবুতর পালন করে তাদের বড় মাথাব্যথার নাম কবুতরের সালমোনেলা রোগ। কবুতরের এ রোগ হয়েই থাকে। সালমোনেলা বা প্যারাটাইফয়েড রোগ হচ্ছে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণ পরিবেশে প্রায় ১ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। কবুতরের সালমোনেলা রোগ কে মাদারস রোগও বলা হয়। রোগটি কবুতরের বাকি রোগের ৮০% উপসর্গ যুক্ত থাকে। কবুতরের সালমোনেলা রোগ বেশিরভাগ সময় সুপ্ত থাকে। কবুতরের সালমোনেলা রোগের কারণ কবুতর যখন ময়লা খাবার ও দূষিত পানি খায় তখন সালমোনেলা হতে পারে। আবার আক্রান্ত কবুতর থেকেও এই রোগের ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। একটি কবুতরের সালমোনেলা হলে লফট-এর বাকি কবুতরেরও সালমোনেলায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বন্য কবুতরের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে হতে পারে। মানুষের জুতার নিচের অংশে থাকা ধুলো কবুতরের ভেতরে ‍ঢুকলে হতে পারে।...

Please disable your adblocker or whitelist this site!

error: Content is protected !!