Friday, December 2
Shadow

Tag: স্বাস্থ্য

জলবসন্ত রোগের চিকিৎসা কী? চুলকানি থামাবেন কী করে

জলবসন্ত রোগের চিকিৎসা কী? চুলকানি থামাবেন কী করে

Health, Health and Lifestyle
জলবসন্ত বা চিকেন পক্স সংক্রামক রোগ। ভাইরাসের কারণে হয় এটি। গরম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়ায় ভাইরাসটির আক্রমণ বেশি দেখা যায়। ছোট-বড় সবারই জলবসন্ত হতে পারে। শিশুদের আক্রান্তের হার বেশি। ডাক্তাররা বলেন, জলবসন্ত এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় অস্বস্তিকর অবস্থায় থাকে। প্রথমে জ্বর, এরপর ফোসকা পড়ে, চুলকানি হয়। অবশেষে ফোসকা থেকে শুকনা চামড়া উঠে আসে।   জলবসন্তের লক্ষণ কী জলবসন্তের লক্ষণগুলো হলো প্রচণ্ড জ্বর, হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোসকা। একটু সচেতন থাকলে দ্রুত ভালো হয়ে যায়। কিন্তু ত্বকের দাগ থেকে যেতে পারে দীর্ঘদিন। আবার শিশুর শরীরে অনেক সময় জটিলতা দেখা দেয় বলে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়।   জলবসন্ত কীভাবে ছড়ায়? বাতাসের মাধ্যমেই অন্যকে আক্রমণ করে জলবসন্ত। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি, কাপড়চোপড় থেকে জলবসন্তের ফলে সৃষ্ট ফোসকা ফেটে গিয়ে যে পদার্থ নির্গত হয়, তা...
মিষ্টি কুমড়ার বীজের উপকার | কেন খাবেন মিষ্টি কুমড়ার বীজ

মিষ্টি কুমড়ার বীজের উপকার | কেন খাবেন মিষ্টি কুমড়ার বীজ

Health, Health and Lifestyle, ভেষজ
মিষ্টি কুমড়া একটি বেশ প্রচলিত সবজি এবং প্রায় সবজায়গায়ই পাওয়া যায়। বিশেষ করে শীতের ঋতুতে। রান্না করার সময়ে অনেকেই কুমড়ার বীজ ফেলে দেয়। কিন্তু জানেন কী মিষ্টি কুমড়ার বীজ এর আছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। এটি সবথেকে পুষ্টিকর বীজগুলোর মধ্যে একটি, যাতে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, ওমেগা থ্রি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আমাদের প্রতিদিনের শর্করার প্রায় ৭০ ভাগই কুমড়ার বীজ দ্বারা পূরণ করা সম্ভব।  মিষ্টি কুমড়ার বীজ হতে পারে ডায়বেটিস রোগীদের খাদ্যাভ্যাসে একটি উত্তম সংযোজন। মিষ্টি কুমড়ার বীজ রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং এ নিয়ে বেশ কিছু গবেষণাও করা হয়েছে। চলুন সে সম্পর্কেই কিছু ধারণা নেয়া যাক।  কুমড়ার বীজের উপকার: আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং জিঙ্কের চমৎকার উৎস :  মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভিটামিন ই এবং ক্যারোটিনয়েডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃ...
মিষ্টি আলুর শাক খাওয়া যায়? উপকারগুলো কী কী

মিষ্টি আলুর শাক খাওয়া যায়? উপকারগুলো কী কী

Health, Health and Lifestyle, ভেষজ
মিষ্টি আলুর পাতা অবশ্যই খাওয়া যায়। এবং তা অনেক সুস্বাদু ও উপকারী। মিষ্টি আলুর পাতা একটু বেশি কড়া স্বাদযুক্ত। সবুজ শাকগুলির মতো এগুলো কিছুটা তেতো। পাতাগুলো অনেকটা পালং শাক বা শালগমের মতোই। মিষ্টি আলুর লতাপাতা অল্প পরিমাণ পানিতে সিদ্ধ করলেই এর শক্ততা ও তিক্ততা দূর হয়। মিষ্টি আলুর সবুজ শাকগুলো কেটে নিন এবং রেসিপি অনুযায়ী রান্না করুন। মাখন বা রসুন দিয়ে ভাজতে পারেন। যোগ করতে পারেন সস বা ভিনেগার এবং তেল-লবণ ও পেঁয়াজ। পাতাগুলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-এর একটি চমৎকার উৎস এবং এতে উচ্চ মাত্রার ভিটামিন এ এবং সি, রিবোফ্লাভিন, থায়ামিন, ফলিক অ্যাসিড এবং নিয়াসিন রয়েছে। মিষ্টি আলুর লতা পাতাগুলি ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, তামা, পটাসিয়াম এবং আয়রন সঙ্গে দারুণ ফাইবারও সরবরাহ করে। মিষ্টি আলুর সবুজ শাক চাষ করা সবচেয়ে সহজ। মিষ্টি আলুর চারা গজানো টুকরো রোপণ করুন। কয়েক ...
বয়স আটকে রাখার উপায় : ব্যবহার করুন ভেষজগুলো

বয়স আটকে রাখার উপায় : ব্যবহার করুন ভেষজগুলো

Health, Health and Lifestyle, Lifestyle Tips, ভেষজ
বয়স আটকে রাখা কঠিন। তবে অসম্ভব নয়। বয়স আটকে রাখতে জানলে ৭৩ বছর বয়সেও মেরিল স্ট্রিপের মতো ধরে রাখতে পারবেন রূপ-লাবণ্য। এবার জেনে নিন বয়স ধরে রাখার কিছু আয়ুর্বেদিক ফর্মুলা। মুখে মাসাজ মুখে তেল ব্যবহার করে মাসাজ করার আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিটাকে বলে অভঙ্গ। নিজে নিজেই করতে পারবেন এটি। বাজারে অনেক ধরনের মাসাজ তেল পাওয়া যায়। এগুলোর যেকোনো একটি নিয়ে চাইলে তাতে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও মেশাতে পারেন। মুখের ত্বকের বয়স আটকে রাখতে এর জুড়ি নেই।   দুধ তেল-মুক্ত ক্লিনজার হিসেবে দুধ খুব ভালো কাজ করে। এটি আপনার মুখে ব্রণও হতে দেবে না।   ইয়োগা হাজার বছরের পুরনো এ চর্চাটি আপনার গোটা শরীরের বয়স আটকে রাখবে। নিয়মিত ইয়োগা করলে ত্বক টানটান থাকবে, সহজে পড়বে না বলিরেখা।   মধু মধুর গুণের কথা তো সবারই জানা। এটা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। মুখে মধুর একটা পাতলা আবরণ তৈরি করে ১৫ মিনিট রাখুন। ...
বিষণ্নতা কী ও এর চিকিৎসা কী

বিষণ্নতা কী ও এর চিকিৎসা কী

Health, Health and Lifestyle, Lifestyle Tips
বিষণ্নতা মানে শুধু মন খারাপ নয়। এটি প্রায়শই বেশিরভাগ উপলব্ধির চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন (এপিএ) এর মতে, এই অবস্থাটি, প্রধান বিষণ্নতাজনিত ব্যাধি হিসাবেও পরিচিত, এটি একটি গুরুতর চিকিৎসা অসুস্থতা যা নেতিবাচকভাবে একজন ব্যক্তির অনুভূতি, চিন্তাভাবনা এবং আচরণকে প্রভাবিত করে। একজনের মেজাজ পরিবর্তনের পাশাপাশি, বিষণ্নতা একজন ব্যক্তিকে এমন ক্রিয়াকলাপগুলির প্রতি আগ্রহ হারাতে পারে যা তারা একবার উপভোগ্য বলে মনে করেছিল এবং এমনভাবে জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে যে তারা বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রের মতো কোনও পরিবেশে কাজ করতে পারে না। তারা তাদের ক্ষুধা বা ঘুমের সময়সূচীতেও পরিবর্তন অনুভব করতে পারে এবং কাজটিতে থাকা কঠিন বা কাজগুলি নিতে অনুপ্রাণিত বোধ করতে পারে। এপিএ বলে. বিষণ্নতার লক্ষণগুলি মৃদু থেকে গুরুতর পর্যন্ত পরিসরে, তবে এপিএ পরামর্শ দেয় যে বিষণ্নতা নির্ণয় ক...
কার কতক্ষণ ঘুমাতে হবে?

কার কতক্ষণ ঘুমাতে হবে?

Health, Health and Lifestyle
সুস্থতার জন্য ঘুম লাগবেই। পর্যাপ্ত ঘুম আমাদেরকে সক্রিয় ও সতেজ করে। ভালো ঘুমের জন্য এর পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো গুণগত মান। আরামদায়ক ঘুম আমাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে।  চলুন জেনে নিই কার কতক্ষণ ঘুমাতে হবে?  ৪-১২ মাস: ১২-১৬ ঘণ্টা ১-২ বছর: ১১-১৪ ঘণ্টা ৩-৫ বছর: ১০-১৩ ঘণ্টা ৬-১২ বছর: ৯-১২ ঘণ্টা ১৩-১৮ বছর: ৮-১০ ঘণ্টা ১৮-৬৪ বছর: প্রতি রাতে ৭-৯ ঘণ্টা ৬৫+ বছর: প্রতি রাতে ৭-৮ ঘণ্টা...
ঢাকার গাইনি ডাক্তার | গাইনি ডাক্তারের ফোন নাম্বার ও ঠিকানা

ঢাকার গাইনি ডাক্তার | গাইনি ডাক্তারের ফোন নাম্বার ও ঠিকানা

Health, Health and Lifestyle
আমাদের দেশের বেশিরভাগ নারী গাইনি সমস্যা নিয়ে কথা বলতে বিভিন্ন সংকোচে ভুগেন। গাইনি সমস্যা হলে সেটা নিয়ে লুকোচুরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং গাইনি সমস্যা সম্পর্কে জেনে সচেতন হওয়া জরুরি। অনেকেই গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে চান কিন্ত অধিকাংশ সময় ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না। তাই আমরা এখানে ঢাকার অভিজ্ঞ ও দক্ষ ১০ জন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চেম্বার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বারের ব্যবস্থা করছি। ঢাকার গাইনি ডাক্তারের নাম্বার ও ঠিকানা অধ্যাপক সালেহা বেগম চৌধুরী শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এমবিবিএস, এমএস(গাইনি এন্ড অবস) পাশাপাশি তিনি ইন্ডিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকে ইনফার্টিলিটিতে বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত এবং প্রফেসর হিসেবে বিএসএমএমইউ তে কর্মরত আছেন। চেম্বার- গ্রীন তাজ সেন্টার (৫ম তলা), বাড়ি নং-৮১, রোড নং-৮/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা। যোগাযোগ-৮১৫৫৭৫৪, ৯১২৫৩১০। ডাঃ মুনিরা ফেরদৌসী ...
বাচ্চার পায়খানার সাথে রক্ত গেলে কী করবো

বাচ্চার পায়খানার সাথে রক্ত গেলে কী করবো

Health, Health and Lifestyle, Kids Health
কখনো কখনো বাচ্চার পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়ার মতো ঘটনা লক্ষ করা যায়। এটি সাধারণত খুব ক্ষতিকারক না হলেও কিছু ক্ষেত্রে চিন্তার কারণ হতে পারে। সঠিক চিকিৎসা এবং যত্নের মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বিভিন্ন কারণে বাচ্চার পায়খানার সাথে রক্ত যেতে পারে। এক্ষেত্রে মলের সাথে রক্ত যাওয়ার পাশাপাশি নিমোক্ত ঘটনাগুলো ঘটলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে যদি –   শিশুর বয়স ১২ সপ্তাহের কম হলে মল কালো দেখালে মলদ্বারে আগে থেকেই সমস্যা থাকলে ডায়রিয়া থাকলে জ্বর বা অন্যান্য অসুস্থতা থাকলে শিশুর পেট ফোলা দেখালে শিশু খেতে না চাইলে   যেসব কারণে বাচ্চার পায়খানার সাথে রক্ত যেতে পারে   ফুড এলার্জি : অনেক সময় বাচ্চার পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়ার কারণ হতে পারে শিশুটি অ্যালার্জিক কোলাইটিসে ভুগছে। এটি এমন একটি সমস্যা যেখানে শিশুটির প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের ...
জরায়ুর রোগের লক্ষণ কী? জরায়ুতে সমস্যা কিনা বুঝবো কী করে

জরায়ুর রোগের লক্ষণ কী? জরায়ুতে সমস্যা কিনা বুঝবো কী করে

Health, Health and Lifestyle
জরায়ু হল জীবনদান, পুষ্টি, সুরক্ষা এবং টিকিয়ে রাখার জন্য নারীদের শক্তিকেন্দ্র। জরায়ু এমন একটি অঙ্গ যাকে ঘিরে ঋতুস্রাব থেকে মেনোপজ, গর্ভাবস্থা থেকে প্রসব পর্যন্ত অনেক কিছুই ঘটে থাকে। তাই জরায়ুর রোগের লক্ষণ বুঝে নেওয়া খুব জরুরি। বর্তমানে অধিকাংশ নারীরাই কোনো না কোনো জরায়ুর সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে তারা জরায়ুর রোগের লক্ষণ বুঝতে পারেন না। নারীদের রোগগুলোর মধ্যে জরায়ুতে সমস্যা বেশ কমন একটি রোগ। কিছু সাধারণ জরায়ুর সমস্যার মধ্যে রয়েছে জরায়ু ফাইব্রয়েড, এন্ডোমেট্রিওসিস, জরায়ু প্রোল্যাপস এবং জরায়ু যক্ষ্মা। জরায়ুতে সমস্যা দেখা দিলে যতদ্রুত সম্ভব চিকিৎসা নেয়া উচিৎ। জরায়ুতে কোনো সমস্যা হলে আমাদের শরীর কিছু ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। এগুলো দেখেই ধরে নেয়া যায় যে আমাদের জরায়ু ভালো নেই। এরকম কিছু জরায়ুর রোগের লক্ষণ নিয়েই এখানে আলোচনা করা হলো।   জরায়ুর রোগের লক্ষণ জরায়ুর অঞ্চলে ব্যথা ...
নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কারণ ও প্রতিকার

নাক দিয়ে রক্ত পড়ার কারণ ও প্রতিকার

Health, Health and Lifestyle
নাক দিয়ে রক্ত ​​পড়ার কারণ এ এক বা উভয় নাকের ছিদ্র থেকে রক্ত ​​প্রবাহিত হতে পারে। নাক দিয়ে রক্ত পড়ার নাম এপিস্ট্যাক্সিস। এটি ভারী বা হালকা হতে পারে এবং কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট বা তার বেশি স্থায়ী হতে পারে। বেশিরভাগ সময় সামনের অংশে হয়, নাকের ছিদ্রের সবচেয়ে কাছাকাছি, যাকে অগ্রবর্তী নাকের রক্তপাত বলে। কৈশিক নালী বা নাকের ঠিক ভিতরে ত্বকের পৃষ্ঠের কাছাকাছি ছোট রক্তনালীগুলি ভেঙে যেতে পারে এবং রক্তপাত হতে পারে। নাকের গভীরতম অংশে ঘটে যাওয়া পশ্চাৎ নাক থেকে রক্তপাত অনেক কম সাধারণ এবং সাধারণত বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের মাঝে দেখা যায়। যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে বা যারা নাকে ট্রমা অনুভব করেছেন তাদেরও নাকের পিছনের দিকে রক্তপাত হতে পারে। এই নাক থেকে রক্ত পড়া একইসাথে সাধারণ ঘটনা আবার খুব বিপদজনক ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই, এর কারণ এবং করনীয় জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। চলুন প্রথমে জেনে নেয়া যাক ...

Please disable your adblocker or whitelist this site!

error: Content is protected !!