কলাম Archives - Mati News
Monday, October 19

Tag: কলাম

ভেষজের প্রচারে বেইজিংয়ের প্রস্তাবনা: ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় নিশ্চিত হবে স্বাস্থ্যসেবা

ভেষজের প্রচারে বেইজিংয়ের প্রস্তাবনা: ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় নিশ্চিত হবে স্বাস্থ্যসেবা

China, Health, Health and Lifestyle, Op-ed
ইয়াং ওয়েইমিং স্বর্ণা অক্টোবর ১৯: বেইজিংয়ে সম্প্রতি শেষ হয়েছে ২০২৬ বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা সম্মেলন। সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা খাতের প্রথম বেসরকারি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা—গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন অ্যালায়েন্স। এতে ১৯টি দেশ ও অঞ্চলের ১১৭টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যুক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি প্রকাশিত হয়েছে ‘ঐতিহ্যবাহী ঔষধি উদ্ভিদ সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারের বেইজিং প্রস্তাবনা’। চালু করা হয়েছে ‘নতুন যুগে শেননোংয়ের শত ঘাস পরীক্ষা’ কর্মসূচিও। বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে এসব উদ্যোগের নাম কিছুটা অপরিচিত মনে হতে পারে। কিন্তু এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা প্রশ্নটি বাংলাদেশের কোটি মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। প্রায় ১৮ কোটি জনসংখ্যার একটি দেশে আধুনিক চিকিৎসাসেবার সুযোগ যখন শহর ও গ্রামের মধ্যে সমানভাবে বিস্তৃত নয়, তখন ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা কি আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্...
প্রিয়জন, প্রয়োজনে পাশে থেকো!

প্রিয়জন, প্রয়োজনে পাশে থেকো!

Op-ed, Stories
লেখক: মাওলানা মো. জয়নাল আবেদীন বিপদ কখনো আগাম বার্তা দিয়ে আসে না। জীবনের সুসময়ে চারপাশে মানুষের অভাব হয় না, কিন্তু দুঃসময়ে পাশে থাকার মানুষের সংখ্যা খুবই কম। বিপদ যেন জীবনের এক আয়না, যেখানে মানুষের প্রকৃত চরিত্র প্রকাশ পায়। জীবনের পথে চলতে গিয়ে কত মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়; কত বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে; কতজন আপন ভেবে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। মনে হয়, পুথিবী জুড়ে আমাদের অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ছড়িয়ে আছে। কিন্তু সময়ের সামান্য পরিবর্তন কিংবা বিপদের একটি ঝাপটা এলেই বোঝা যায়, চারপাশে মানুষের ভিড় থাকলেও পাশে থাকার মতো মানুষ খুরই সীমিত। কেউ সামান্য আন্তরিকতা দেখালেই তাকে আপন ভেবে বসি; প্রয়োজনে নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করি না। অথচ কখনো সবচেয়ে গভীর আঘাত আসে সেই মানুষের কাছ থেকেই, যাকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করি। সুসময়ে সঙ্গী অনেক, দুঃসময়ে হাত ধরে রাখে প্রকৃত আপনজন। তবু বন্ধুত্বে বিশ্বা...
চার হত্যার বিচার চাই, তবে আইনের শাসনও অটুট থাক 

চার হত্যার বিচার চাই, তবে আইনের শাসনও অটুট থাক 

Op-ed
মো. সামছুর রহমান সৈকত  রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশ শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। একটি পরিবারের চারজন মানুষকে একসঙ্গে হত্যা করার মতো ভয়াবহ ঘটনা যেকোনো বিবেকবান মানুষকে নাড়া দেবে। নিহতদের স্বজনদের কান্না, স্বজন হারানোর বেদনা এবং নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ—সবই স্বাভাবিক।  আমরা চাই, এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, প্রকৃত অপরাধীরা শনাক্ত হোক এবং আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি&n...
ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর রিডিং পড়তে না পারা ও একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কৈফিয়ত তলব

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর রিডিং পড়তে না পারা ও একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কৈফিয়ত তলব

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী পাঠ্যবইয়ের একটি সাধারণ অংশ সাবলীলভাবে পড়তে পারছে না। ঘটনাটি জানার পর সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের বিষয়ে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৈফিয়ত তলব করেন। মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেন, কেউ শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করেন, আবার কেউ শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমালোচনা করেন।প্রশ্ন হলো, একটি ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী কেন রিডিং পড়তে পারছে না? এটি কি শুধু একজন শিক্ষার্থীর ব্যর্থতা, নাকি আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বড় সংকেত?শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো পড়া, লেখা ও বোঝার ক্ষমতা। একজন শিক্ষার্থী যদি প্রাথমিক স্তর পার হওয়ার পরও পাঠ্যবইয়ের লেখা পড়ে বুঝতে না পারে, তাহলে পরবর্তী শ্রেণিগুলোতে তার শেখার পথ আরও...
মশা মারতে ব্যর্থ হলে মৃত্যু থামবে কীভাবে?

মশা মারতে ব্যর্থ হলে মৃত্যু থামবে কীভাবে?

Op-ed
মীর আব্দুল আলীম মীর আব্দুল আলীম ডেঙ্গু এখন আর শুধু একটি মৌসুমি রোগের নাম নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য প্রতিবছরের এক ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সংকট। প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, প্রতিদিন কোনো না কোনো পরিবারের ঘরে নেমে আসছে শোক। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, ডেঙ্গুর প্রকোপ যখন দ্রুত বাড়ছে, তখন এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আমাদের তৎপরতা সেই তুলনায় কতটা কার্যকর, সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ ১৫ সেপ্টেম্বরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৫৫ হাজার ১৬৩ জনে। একই সময়ে ১ হাজার ৫৬৬ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। পরিসংখ্যানের দিকে একটু গভীরভাবে তাকালেই প...
মানুষ খাবার কিনতে বাজারে যায়: মৃত্যু কিনতে নয়

মানুষ খাবার কিনতে বাজারে যায়: মৃত্যু কিনতে নয়

Op-ed
মীর আব্দুল আলীম একজন মানুষ বাজারে গেলেন। মাছ কিনলেন, সবজি কিনলেন, ফল কিনলেন, মসলা কিনলেন, সন্তানের জন্য দুধ বা বিস্কুট কিনলেন। তারপর নিশ্চিন্ত মনে সেই খাবার পরিবারের সামনে তুলে দিলেন। কিন্তু তিনি কি জানেন, যে খাবারটি তিনি কিনে আনলেন, তার ভেতরে কী আছে? জানেন কি, সেটি তার শরীরের জন্য নিরাপদ কি না? জানেন কি, তার সন্তানের হাতে তুলে দেওয়া খাবারটি আগামী দিনের কোনো অসুখের বীজ বহন করছে কি না? আর যদি সাধারণ মানুষ না-ই জানেন, তাহলে প্রশ্নটি রাষ্ট্রের কাছে রাষ্ট্র কি জানে? রাষ্ট্র কি দেখে? রাষ্ট্র কি পরীক্ষা করে? আর যদি রাষ্ট্র জানে, দেখে এবং পরীক্ষা করে, তাহলে মানুষের বাজারে ভেজাল খাবার ঢোকে কীভাবে? এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। কারণ এটি শুধু খাদ্যের মানের প্রশ্ন নয়, এটি মানুষের জীবনের প্রশ্ন। একজন মানুষ রাষ্ট্রের কাছে খুব বেশি কিছু চান না। তিনি চান নিরাপদে বাঁচতে, নিরাপদ ...
কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ

কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ

Op-ed
শায়েখ শোয়েব কোথাও সান্ত্বনা নেই পৃথিবীতে আজ, বহুদিন থেকে শান্তি নেই’—পৃথিবীতে যে শান্তি নেই সে কথা কবি জীবনানন্দ দাশ অনেক আগেই লিখে গেছেন তার কবিতায়। সত্যিই তো পৃথিবীতে কখনো পূর্ণ শান্তি ছিল না। আসবে এটাও নিশ্চিত করে কারো পক্ষেই বলা সম্ভব নয়। পূর্ণ শান্তির ধারণাটাই যেন ‘ভুল চাওয়া’। পূর্ণতার ধারণাটাই কী তাহলে ভুল! পৃথিবীর দিকে তাকালে শান্তি প্রতিষ্ঠা যেন এক অযৌক্তিক আশা। পৃথিবী একটা জটিল সিস্টেম। জাতে, সংস্কৃতিতে, ভূপ্রকৃতিতে ভিন্নতা আছে। মানুষে মানুষে ভিন্নতা আছে। দেশের, সমাজের এই ভিন্নতা, ক্ষমতার প্রভাব বলয় সৃষ্টি ও তা বজায় রাখতে গিয়ে শান্তি এখন আর কোথাও নেই। রোবটদের সমাজ হলেই হয়তো পূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে। তার পরও বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কাজ করে চলেছে। বৈশ্বিক পর্যায়েও জাতিসংঘ দেশে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। এর ...
উন্নয়নের চীনা মানদণ্ড

উন্নয়নের চীনা মানদণ্ড

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ, সাংবাদিক, সিএমজি বাংলা একটি দেশের উন্নয়নে সবার আগে কী দরকার? এ প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর হলো, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন। দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী যদি মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে না পারে সেই রাষ্ট্র কখনই বড় বড় অবকাঠামো বা আমদানি-রপ্তানির পরিসংখ্যানকে উন্নয়নের মাপকাঠি দাবি করতে পারে না। একটি বিপুল জনগোষ্ঠীকে কর্মহীন ও দারিদ্র্যপীড়িত রেখে কক্ষপথে স্যাটেলাইট পাঠালে কি সেই রাষ্ট্র উন্নত হয়ে যায়? মানুষের জীবিকা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত না করে স্রেফ মুখরক্ষার জন্য বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেই কি উন্নয়নের দাবি করা যায়? বিশেষ করে দেশটা যদি হয় বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ? এমন একটি দেশের সত্যিকার উন্নয়নের জন্য কী দরকার? সীমিত সম্পদ দিয়ে কি বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর মানুষের জীবনমানের আসলেই উন্নয়ন সম্ভব? চীনের দিকে তাকালেই পাওয়া যাবে এ প্রশ্নের উত্তর। কেবল মাত্র একটি বিষয় নিশ্চিত করেই চীন ...
ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় চেংচৌর শিক্ষা: প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজন

ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় চেংচৌর শিক্ষা: প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর নগর পরিকল্পনার প্রয়োজন

Op-ed
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মহানগর ঢাকা ও চট্টগ্রাম প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে মারাত্মক জলাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়। অল্প সময়ের ভারী বৃষ্টিপাতের পর অনেক রাস্তা, আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক অঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা পানির নিচে চলে যায়। এর ফলে যানজট, ব্যবসায়িক ক্ষতি, জনদুর্ভোগ এবং নগর জীবনে ব্যাপক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। চীনের ঝেংঝৌ শহরের অভিজ্ঞতা দেখায়, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ধরনের নগর বন্যার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। ঢাকা ও চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ন। একসময় যে এলাকাগুলো প্রাকৃতিকভাবে বৃষ্টির পানি ধরে রাখত—যেমন জলাভূমি, খাল, নিচু জমি ও খোলা স্থান—তার অনেক অংশ এখন ভবন, রাস্তা ও কংক্রিটের অবকাঠামোতে পরিণত হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি মাটিতে শোষিত হওয়ার সুযোগ...
একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস একটি দেশের উন্নয়ন শুধু উঁচু অট্টালিকা, প্রশস্ত সড়ক, বড় বড় সেতু কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে মানুষের নৈতিকতা, সামাজিক স্থিতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশের ওপর। যে সমাজে মানুষ নিরাপদ, সচেতন, কর্মমুখী ও নৈতিকভাবে দৃঢ়—সেই সমাজই একটি সুন্দর দেশের ভিত্তি নির্মাণ করে। আর এই ভিত্তিকে সবচেয়ে বেশি দুর্বল করে দেয় দুটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি—মাদক এবং জুয়া। মাদক শুধু একটি ব্যক্তির শরীর নষ্ট করে না; এটি ধীরে ধীরে একটি পরিবারকে ভেঙে দেয়, সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে, অর্থনৈতিক স্থিতি ধ্বংস করে এবং সমাজে অপরাধের বিস্তার ঘটায়। একজন তরুণ যখন মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন সে কেবল নিজের ভবিষ্যৎ নয়, পরিবারের স্বপ্নও ধ্বংস করে। প্রথমে কৌতূহল, পরে বন্ধুমহলের প্ররোচনা, এরপর অভ্যাস—এই তিন ধাপেই বহু তরুণ অন্ধকারে হারিয়ে ...
কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

Op-ed
সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের উপর আমাদের অনেকেরই ট্রেনিং নেই। অ্যামেরিকায় যেকোন প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করার প্রথম দিকেই কিছু অবশ্যম্ভাবী ট্রেনিংয়ের একটি হচ্ছে এই সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ট্রেনিং। একেক কোম্পানি একেকভাবে ট্রেনিং দেয়, কিন্তু সবারই মূল বক্তব্য এক - অফিসে যদি কেউ কখনও কারও উপর যৌন নির্যাতন চালায়, তখন কিভাবে সিচুয়েশন হ্যান্ডল করতে হবে, তা নিয়েই আলোচনা। এই ট্রেনিংয়ের ফলে আমরা জানতে পারি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট নানান প্রকারের হতে পারে। কোন মেয়ের গায়ে হাত দেয়া, টেবিলের নিচে দিয়ে পা ঠুকা থেকে শুরু করে একই ঘরে একজন নারীর উপস্থিতিতে দুই পুরুষের অশ্লীল কথাবার্তা পর্যন্ত সবকিছুই এর আওতায় পড়ে। কোন নারী/পুরুষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য তাই ধর্ষণের সামিল। এরা এই ব্যপারে খুবই সিরিয়াস! প্রমোশনের প্রলোভন অথবা চাকরি কেড়ে নেয়ার ভয় দেখিয়ে বসের সাথে ডেটিংয়ে যাওয়ার প্রস্তাবনা আমাদের দেশে খুবই কমন। এই দেশের...
বৈষম্যের বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

বৈষম্যের বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

Op-ed
আসাদুজ্জামান খান মুকুল মানুষ গড়ার কারিগররাই আজ হতাশায়ঃ প্রাথমিক শিক্ষা আমাদের জাতির ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি। একটি শিশু যখন বিদ্যালয়ে পা রাখে,তখন থেকে  তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানার্জনের কাজটি শুরু হয়। এই সময়টাতেই শেখানো হয়- কীভাবে চিন্তা করতে হয়, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে হয়,কীভাবে সমস্যা সমাধান করতে হয়। এই মহান দায়িত্বটি যিনি পালন করেন, তিনি হলেন আমাদের প্রাথমিক শিক্ষক। কিন্তু আজকের বাস্তবতা হলো, এই মানুষ গড়ার কারিগররাই চরম হতাশা আর বঞ্চনার অন্ধকারে ডুবে আছেন। সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে আন্তরিক। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত চলছে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তৈরি হচ্ছে ঝকঝকে নতুন অট্টালিকা ও আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। কিন্তু শুধু অবকাঠামো আর প্রশিক্ষণে হাজার কোটি টাকা ঢাললেই কি শিক্ষার মান বাড়ে? যদি শি...
অস্থির অর্থনীতি ও টানপোড়েনে বাংলাদেশ

অস্থির অর্থনীতি ও টানপোড়েনে বাংলাদেশ

Op-ed
আসাদুজ্জামান খান মুকুল বিশ্ব অর্থনীতি এখন অদ্ভুত এক টানাপোড়েনে আছে। কোথাও যুদ্ধ, কোথাও নিষেধাজ্ঞা, আবার কোথাও মূল্যস্ফীতির দাপট। জ্বালানির দাম বাড়ছে,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সুদের হার লাফিয়ে উঠছে, ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এসে এই ঢেউ আছড়ে পড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা। তেলের দাম বাড়ায় বেড়েছে  পরিবহন ব্যয়। পণ্য উৎপাদন ও আমদানির খরচ বাড়ায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তা আমাদের রপ্তানিতেও প্রভাব ফেলছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ, বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থান কমে যাওয়া, সব মিলিয়ে অর্থনীতি যেন হাঁপাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও কম নয়। হঠাৎ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা- এসবই কৃষি উৎপাদনে ক্ষতি করছে অপুরণীয়। ক...
ত্যাগ, অপেক্ষা ও ভালোবাসার  এক নীরব সংগ্রাম প্রবাস জীবন 

ত্যাগ, অপেক্ষা ও ভালোবাসার  এক নীরব সংগ্রাম প্রবাস জীবন 

Op-ed
রাহেলা আক্তার  বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এর অর্থনীতির মূল উৎস কৃষি, তৈরি পোশাক, বিদেশি রেমিট্যান্স। গ্রামের মানুষ কৃষি কাজ করে, আর শহরের মানুষ বিভিন্ন কল-কারখানায়, ও অফিস আদালতে চাকরি করছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় একটা অংশ হচ্ছে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থান কম। বর্তমান বিশ্বে বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে লাখো মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমান। একজন স্বজন যখন প্রবাসে যান, তখন তাঁর অনুপস্থিতিতে পরিবারের উপর কিছু ইতিবাচক, এবং নেতিবাচক প্রভাব দুটোই পড়ে।  প্রবাসে থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে স্বজনরা পরিবারের জন্য যে অর্থ পাঠান, তা পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করে তোলে। সেই অর্থে মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তানদের উন্নত  চিকিৎসা ও শিক্ষা  সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব হয়। অনেক পরিবার গ্রাম থেকে শহরে...
ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম, উনি যেমন

ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম, উনি যেমন

Op-ed
বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ আশিকের স্ট্যাটাস থেকে সংগৃহীত: প্রথমেই বলি ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানতাম ১। উনি সুদ খায়। ২। উনি আ্যমেরিকার দালাল। Dr. Muhammad Yunus বিএনপি ড. ইউনুসকে নিয়ে যা জানাচ্ছে: ১। উনি মুক্তিযুদ্ধ করে নাই। ২। উনি জিয়ার নাম না নিয়ে ভুল করসে। ৩। উনি নির্বাচন দিতে চায় না। আমি ফেসবুকে গত দুইদিন যা জানলাম: ১। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। সেখানে জন্মভূমির স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে নেমে পড়েন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের খবর পৌঁছে দিতে সেখানকার স্থানীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনের সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কাজটি নিয়মিত করেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে মুক্তিযু'দ্ধের জন্য সমর্থন জোগাতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন। যুক্তরা...