Friday, April 4

Tag: কৃষি

ড্রাগন ফল চাষে ভাগ্য বদল

ড্রাগন ফল চাষে ভাগ্য বদল

Agriculture Tips
ড্রাগন এখন পরিচিত ফল হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে গ্রামবাংলায়। কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম আগানগর । গ্রামের বাড়ির পাশে ড্রাগন বাগান। এলাকার প্রথম বাগান হওয়ায় বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দেখতে ভিড় জমান। বাগান থেকে কিনে নিয়ে যান তাজা ফল। কেউ কেউ মাঠের পাশেই ফল কেটে খেতে শুরু করেন। সুস্বাদু ও দৃষ্টিনন্দন ফল খেয়ে ক্রেতার মুখে তৃপ্তির ঢেকুর দেখা যায়।  উদ্যোক্তা রাকিবুল হাসান বাসসকে জানান, কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) কয়েক বছর আগে একটি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ নেন। তারপর নিজের ছাদে টবে কয়েকটি ড্রাগনের চারা লাগান। দুই বছরে সেখানে ভালো ফল পান। এক পর্যায়ে পরিকল্পনা করেন ড্রাগন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে কিছু করা যায় কিনা। সেই থেকে শুরু। এক প্রতিবেশী থেকে ৬০ শতক জমি লিজ নেন। জমি লিজ, বাগানের সরঞ্জাম, চারা লাগানোতে প্রায়ই ৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। চারা নাটোর থেকে সংগ্রহ করেছেন। এ ফলের চারার...
কুমিল্লা নগরীর ছাদ ও বেলকনিতে সবজির চাষ

কুমিল্লা নগরীর ছাদ ও বেলকনিতে সবজির চাষ

Agriculture Tips
নগরীর ছাদ ও বেলকনি গুলো সবুজ ভরে উঠছে। ছাদে ও বেলকনিতে বিভিন্ন ফুল ও ফলের সাথে চাষ হচ্ছে লাউ, কুমড়োসহ বিভিন্ন সবজি। ডা. নার্গিস আক্তার নগরীর ঠাঁকুরপাড়ায় ছাদে গড়ে তুলেছেন বাগান। তিনি জানান, দিনভর অফিস চেম্বার শেষ করে যত ব্যস্ততা থাকুক রাতে ফিরেও বাগান দেখাশোনা করেন। নিজের পারিবারিক চাহিদার সব্জির প্রায় সবটাই মিটে যায় বাগান থেকে। শহরের ঢুলিপাড়ায় এলাকায় সালমা আমীনও গড়ে তোলেছেন ছাদ বাগান। তিনি কৃষির সকল পরামর্শ খুব সহজেই ঘরে বসেই পেয়ে থাকেন স্থানীয় কৃষি অফিস থেকে। প্রায় ১৫০’র উপর নানা ফল ও ফুল গাছ রয়েছে  তার বাগানে। নিজের পরিবারের চাহিদা বাগান থেকেই সিংহভাগ মিটে যায়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, শুধু শহর নয়, কুমিল্লা জেলার প্রায় উপজেলার ছাদ বাগান গড়ে ওঠেছে। লাকসামের বাসিন্দা রবিন খাইরুল আনাম জানান, তাঁর বাগানে পাঁচ শতাধিক গাছ রয়েছে। দেশ বিদেশের অর্কিড, দুষ্প্রাপ্য গাছ, লতানো গাছ, ইনডোর...
কুমিল্লায় যে কারণে পানের বাম্পার ফলন

কুমিল্লায় যে কারণে পানের বাম্পার ফলন

Agriculture Tips
জেলার চান্দিনায় এবার পানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ধীরে ধীরে পান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে এ অঞ্চলের কৃষক। জেলার চান্দিনা উপজেলার, মহিচাইল, কাদুটি, বরকড়ই এইসব এলাকায় দেখা যায় পানের বরজের নজরকারা দৃশ্য। পান চাষ একটি দীর্ঘমেয়াদী লাভজনক ফসল। একবার পানের বরজে কাজ করলে ১০ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত বরজে কাজ করতে হয় না। তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও অনেকটাই কম। দেশীয় পদ্ধতিতে পান চাষে প্রথমে ডাল সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করতে হয়। এর তিন থেকে চার মাস পর ডাল থেকে সবুজ লতা বের হয়ে ছেয়ে যায় পান পাতার লতা। তারপর শুরু হয় চাষিদের পান সংগ্রহ। এক বিঘা জমিতে পান চাষ করে প্রতি বছর দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব বলে জানান পান চাষিরা। কাদুটি গ্রামের পান চাষি জুয়েল চৌধুরী বাসসকে বলেন, এবার পানের ভালো ফলন হয়েছে। বাজার দামও বেশ ভালো। আগের চেয়ে পান চাষ বেশি হচ্ছে আবার পদ্ধতির অনেক পরিবর্ত...
কাসাভা চাষ ও উৎপাদনে সফলতা পাচ্ছে কুমিল্লার কৃষকরা

কাসাভা চাষ ও উৎপাদনে সফলতা পাচ্ছে কুমিল্লার কৃষকরা

Agriculture Tips
লালমাই পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় চাষ হচ্ছে ‘কাসাভা’। প্রথম দিকে সীমিত আকারে চাষ হলেও দিন দিন ব্যাপকহারে এ পাহাড়ে সম্প্রসারণ হচ্ছে কাসাভার চাষ। পাহাড় এলাকায় এটি ‘কাঠ আলু’ বা ‘ঠেংগা আলু’ নামে বেশ পরিচিত। বহু বছর ধরে পাহাড়ে চাষ হয় আলু জাতীয় এ উদ্ভিদটি। এটি বেকারি সামগ্রী এবং ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে কাসাভা চাষে লালমাই পাহাড়ের অর্থনীতি ও চাষিদের জীবনমান বদলে যেতে পারে বলে জানান কৃষিবিদরা। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, লালমাই পাহাড়ের সালমানপুর, কোটবাড়ি, হাজীর খামার, জামমুড়া, লালমাইসহ বিভিন্ন এলাকায় কাসাভা চাষ ও ফসল তোলায় ব্যস্ত কৃষক। কৃষকের হাতের টানে লালমাটি থেকে উঠে আসছে খয়েরি রঙের কাসাভা। তা পরিষ্কার করে তুলে দেয়া হচ্ছে ট্রাকে। মূলত গাছের শিকড়টা কাসাভায় রূপান্তরিত হচ্ছে। লালমাই পাহাড়ের সদর দক্ষিণ উপজেলার জামমুড়া গ্রামের কৃ...
ছাদ বাগানের ভালো ফলনের জন্য ১০টি পরামর্শ

ছাদ বাগানের ভালো ফলনের জন্য ১০টি পরামর্শ

Agriculture Tips
জমির স্বল্পতার কারণে আজকাল অনেক বাগানপ্রেমীরা-ই নিজেদের মনমতো করে বাগান করতে পারছেন না। তবে তাদের জন্য উপায় হিসেবে আছে বাড়ির ছাদ। ছাদকৃষি এখন অনেক প্রকৃতিপ্রেমীর কাছেই স্বস্তির জায়গা। ছাদ কৃষিতে টবে,ড্রামে গাছ লাগানো হয়ে থাকে। কেউ ফল,ফুল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। গাছের অনেক যত্ন নেবার পরও অনেকে সফল হতে পারেন না কিছু ছোট ছোট ভুলের কারনে। এখানে সফল ছাদকৃষির কিছু পরামর্শ দেয়া হলোঃ  ১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট (নারকেলের ছোবড়ার গুড়া) মেশাতে হবে। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দেয়া যাবে না।গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হলে গাছের রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে অনেক। মাটি ভেজা রাখতে হবে তবে খেয়াল রাখতে হবে মাটি স্যাতস্যাতে যেন না হয়। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে কারণ কোকোপিট পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা...
জমিতে শুঁয়োপোকা দমনে ব্রহ্মাস্ত্র তৈরির ফর্মুলা

জমিতে শুঁয়োপোকা দমনে ব্রহ্মাস্ত্র তৈরির ফর্মুলা

Agriculture Tips
কৃষির জন্য শুঁয়োপোকা বা শুঁয়াপোকা একটি বড় সমস্যা। অনেকেই এর হাত থেকে বাঁচতে রাসায়নিক কীটনাশক স্প্রে করেন। তাতে ফসল আর অর্গানিক থাকে না। হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে প্রাকৃতিক কৃষি পদ্ধতিতে তৈরি ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করলে শুঁয়োপোকার হাত থেকে জমিকে বাঁচানো যায়। সেই সঙ্গে বাড়বে ফলনও।   এক একর জমির জন্য যা যা লাগবে ২০ লিটার দেশি গরুর মূত্র পাতাসহ ২ কেজি ছোট নিমের ডাল (কাটা করে চাটনির মতো বানানো বা পাল্প) ২ কেজি করঞ্জ পাতা (চাটনি/পাল্প) ২ কেজি আতাফলের পাতা (সীতাফলও বলে) ২ কেজি ক্যাস্টর পাতা (চাটনি/পাল্প) ২ কেজি সাদা ধুতরা বা ২ কেজি আমপাতা সব পাতাই কুচি করে কাটা বা পাল্প বা চাটনি আকারে থাকবে।   একটি বড় পাত্রে সব উপকরণ মিশিয়ে নিন। ঘড়ির কাঁটার দিকে মেশান। ঢাকনা দিয়ে আগুনের তাপে ফোটাতে শুরু করুন। ৪ ঘণ্টার মতো ফোটান। এরপর দিনে দুবার ১২ ঘণ্টা পর পর নাড়ুন। ১ মিন...
কবুতরের চোখের রোগ হলে কী ওষুধ খাওয়াতে হবে

কবুতরের চোখের রোগ হলে কী ওষুধ খাওয়াতে হবে

Agriculture Tips
কবুতর পালকরা সচারচর যে সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন তা হচ্ছে কবুতরের চোখের রোগ । কবুতরের চোখে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে এবং তা চিকিৎসায় ঠিক ও করা সম্ভব। লিখেছেন সায়মা তাসনিম   চলুন জেনে নেওয়া যাক কবুতরের চোখের রোগ কী ধরনের হতে পারে, কী কারণে হতে পারে এবং কবুতরের চোখের রোগ হলে কী চিকিৎসা করাবেন।   অরনিথোসিস - কবুতরের চোখের রোগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমন হচ্ছে অরনিথোসিস। ক্লামিডিয়া নামক একটি মাইক্রোঅর্গানিজম দ্বারা কবুতরের চোখে এ ধরনের রোগ হয়ে থাকে। এ রোগে কবুতরের চোখে পানি জমতে দেখা যায়। এই পানি অনেকসময় আঠালো ও হতে পারে। এই রোগটি ছোয়াচে ধরনের তাই এক কবুতর থেকে অন্য কবুতরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।   অরনিথোসিস এর চিকিৎসা - কবুতরের চোখের এ রোগ নিরাময়ে কবুতরের খাবার পানির সাথে অরিওমাইসিন নামক একটি পাউডার মিশিয়ে দিতে পারেন। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে খুবই আলতো বে...
কবুতরের সালমোনেলা রোগের চিকিৎসা কী

কবুতরের সালমোনেলা রোগের চিকিৎসা কী

Agriculture Tips
কবুতরের সালমোনেলা রোগ হলে যা করতে হবে তা নিয়ে আজকের আলাচনা। যারা কবুতর পালন করে তাদের বড় মাথাব্যথার নাম কবুতরের সালমোনেলা রোগ। কবুতরের এ রোগ হয়েই থাকে। সালমোনেলা বা প্যারাটাইফয়েড রোগ হচ্ছে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণ পরিবেশে প্রায় ১ বছর পর্যন্ত টিকে থাকে। কবুতরের সালমোনেলা রোগ কে মাদারস রোগও বলা হয়। রোগটি কবুতরের বাকি রোগের ৮০% উপসর্গ যুক্ত থাকে। কবুতরের সালমোনেলা রোগ বেশিরভাগ সময় সুপ্ত থাকে। কবুতরের সালমোনেলা রোগের কারণ কবুতর যখন ময়লা খাবার ও দূষিত পানি খায় তখন সালমোনেলা হতে পারে। আবার আক্রান্ত কবুতর থেকেও এই রোগের ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে। একটি কবুতরের সালমোনেলা হলে লফট-এর বাকি কবুতরেরও সালমোনেলায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বন্য কবুতরের সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে হতে পারে। মানুষের জুতার নিচের অংশে থাকা ধুলো কবুতরের ভেতরে ‍ঢুকলে হতে পারে।...
আগর চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়, প্রমাণ করলেন শরিফ

আগর চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়, প্রমাণ করলেন শরিফ

Agriculture Tips
জেলায় সমতল ভূমিতে প্রথম আগর চাষ করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের শরিফ।  তাকে দেখে আরো অনেক স্থানীয় যুবক আগর চাষ করার কথা ভাবছেন। জৈব পদ্ধতিতে আগর গাছের নির্যাস সংগ্রহ করে লাভবান হচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের শরিফ বিন রব্বানী। তিনি দাবি করেছেন, এ পদ্ধতিতে রস সংগ্রহ করলে আগরের মান ঠিক থাকে। শরিফের বাড়ি সদর উপজেলার ইয়াকুবপুর গ্রামে। তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের সমতল ভূমিতে প্রথম আগর চাষ করেছেন। ২০১০ সালে শখের বশে সিলেট থেকে শতাধিক আগরের চারা সংগ্রহ করে বাড়ির পাশে পরীক্ষামূলকভাবে বাগান গড়েন শরিফ। এখন তার বাগানে দুই শতাধিক আগর গাছ । আগর চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আগর গাছের চারা উৎপাদনও করছেন তিনি। সাধারণত আগরের রস সংগ্রহের জন্য গাছে লোহার পেরেক মেরে ও ড্রিল করে ক্ষত তৈরি করে রাসায়নিক কীট ঢুকিয়ে ছত্রাক তৈরি করা হয়, যা বেশ ব্যয় সাপেক্ষ। শরিফ দাবি করেছেন, এ পদ্ধতিতে আগরের মান ঠিক থাকে না, রসে আয়রন ও রাসায়নিক মিশ্রণ পাওয়...
লালশাকের বীজ উৎপাদন করে ঘুরিয়ে দিতে পারেন ভাগ্য

লালশাকের বীজ উৎপাদন করে ঘুরিয়ে দিতে পারেন ভাগ্য

Agriculture Tips
এনজিও কর্মী তাকে পরামর্শ দেন এলাকার অন্যান্য  কৃষকের মত শাকের বীজ উৎপাদন করে তা বিক্রী করার জন্য। পরামর্শটি পছন্দ হয় তার। দুই ছেলেকে নিয়ে নিজেদের জমিতে শুরু করেন লালশাকের বীজ উৎপাদন।   চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা দরিদ্র  মোছাম্মৎ লাইলা খাতুন। হঠাৎ করেই  স্বামীর অসুস্থতার পর একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েন। সাত সদস্যের পরিবার কিভাবে চালাবেন ভেবে কুল-কিনারা পাচ্ছিলেন না। আবার এরমধ্যে স্বামীর চিকিৎসার জন্যও অনেক টাকা দরকার। ইতোমধ্যে কয়েক শতাংশ জমি বিক্রী করে চলেছে চিকিৎসা খরচ। কোন কিছুতেই যেন খেই পাচ্ছিলেন না  লাইলা খাতুন। কোনভাবেই  যেন তার সংসার চলছিলো না। পরিবারের যখন এমন অবস্থা, তখন লাইলার সাথে দেখা হয় স্থানীয় এক এনজিও কর্মীর সাথে। সেই এনজিও কর্মী তাকে পরামর্শ দেন এলাকার অন্যান্য  কৃষকের মত শাকের বীজ উৎপাদন করে তা বিক্রী করার জন্য। পরামর্শটি পছন্দ হয় তার। দুই ...
অল্প পুঁজিতে সহজে স্ট্রবেরি চাষ পদ্ধতি

অল্প পুঁজিতে সহজে স্ট্রবেরি চাষ পদ্ধতি

Agriculture Tips
বাংলাদেশে অক্টোবর থেকে নভেম্বর এই দুই মাস স্ট্রবেরি চাষের জন্য উপযুক্ত সময়। তাছাড়া বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে অল্প পুঁজি নিয়েই অন্যান্য সবজির চাইতে স্ট্রবেরি চাষ লাভজনক। চলুন জেনে নিই সহজে স্ট্রবেরি চাষ পদ্ধতি ।  স্ট্রবেরি চাষ পদ্ধতি নিয়ে লিখেছেন : সানজিদা নূর এবার জেনে নেয়া যাক সহজে স্ট্রবেরি চাষের আধুনিক পদ্ধতি স্ট্রবেরি চাষের জন্য কেমন মাটি লাগবে মূলত স্ট্রবেরি মৃদু শীত প্রধান অঞ্চলের ফসল হলেও কিছু কিছু স্ট্রবেরির জাত তুলনামূলক তাপ সহিষ্ণু হয়ে থাকে তাই এদেরকে গ্রীষ্মায়িত জাত বলা যায়। এসব জাতের জন্য দিন ও রাতে যথাক্রমে ২০-২৬ ডিগ্রি ও ১২-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।   স্ট্রবেরি চাষ : চারা তৈরি স্ট্রবেরি মূলত রানারের (কচুর লতির মতো লতা) মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে। তাই আগের বছরের রোপণ করা গাছ নষ্ট না করে জমি থেকে তুলে জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ হালকা ছায়াযুক্ত স্থানে রো...
ভাসমান সবজি চাষ : স্বাবলম্বী হচ্ছে যশোরের কৃষকরা

ভাসমান সবজি চাষ : স্বাবলম্বী হচ্ছে যশোরের কৃষকরা

Agriculture Tips
ভাসমান সবজি চাষ করে জেলার  কেশবপুরের হরিহর নদের বুকে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন একদল কৃষাণ-কৃষাণী। যাদের বসতভিটা ছাড়া জমি নেই এমন কৃষাণ-কৃষাণী ওই নদীর কুচুরি ও শেওলা দিয়ে ধাপ তৈরি করে তার ওপর বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, হরিহর নদের বুকে তৈরি সবজি বেডে চাষ করা হচ্ছে লাল শাক, সবুজ শাক, পুঁইশাক, ডাটা শাক, পালং শাক, মিষ্টি কুমড়া, কচু শাক, পেঁয়াজ, রসুন এবং ভাসমান বেডের ওপর মাচা (বান) করে লাউ ও চাল কুমড়ার চাষ করা হয়েছে।বিনামূল্যে বীজ, কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সবজি বেড পরিচর্যা করার করার জন্য ডোঙ্গা নৌকা দিয়েছে কৃষি বিভাগ।কৃষক নীল রতন বিশ্বাস জানান, সংসারের প্রয়োজন মিটিয়েও অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ভাসমান সবজি চাষ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে আরো জানা গেছে, হরিহর নদে ক...
ফেনীতে চাষ হচ্ছে বলসুন্দরী ও কাশ্মিরী বাউকুল

ফেনীতে চাষ হচ্ছে বলসুন্দরী ও কাশ্মিরী বাউকুল

Agriculture Tips
জেলার সদর উপজেলার কাজিরবাগ এলাকায় প্রথমবারের মত চাষ হচ্ছে বলসুন্দরী ও কাশ্মিরী বাউকুল। নতুন প্রজাতিগুলোর চাষাবাদ প্রসঙ্গে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন,  টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার একটি বড় লক্ষ্য পুষ্টি নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যে পূরণ এবং সরকার কৃষিকে বাণিজ্যিকিকরণ করার জন্য উচ্চ মূল্যের ফল, বিভিন্ন শাক-সবজি এবং ফসল উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, বাগানে ৪০ শতক জায়গায় ১০০টি চারা লাগানো হয়েছে। কৃষক একবছরে অনেক লাভবান হচ্ছে। এতে দেশও লাভবান হবে, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এর ফলে বাণিজ্যিক কৃষিতে এগিয়ে যাবে দেশ। কুল চাষী আছমত আলী জানান, গতবছরের মার্চ মাসে পাবনা  থেকে বলসুন্দরী ও কাশ্মিরী বাউকুল জাতের ১০০টি চারা এনে  রোপণ করা হয়েছে। প্রতি গাছে ৯  থেকে ১২  কেজি ফলন হয়েছে। প্রতি  কেজি কুল ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার...
জমিতে ইঁদুরের সমস্যা কিভাবে দূর করবেন

জমিতে ইঁদুরের সমস্যা কিভাবে দূর করবেন

Agriculture Tips
অনিষ্টকর প্রাণীর মধ্যে ইঁদুর মাঠ ফসল উৎপাদন ও গুদামজাত শস্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি প্রধান সমস্যা। প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন গুদামজাত শস্য ইঁদুর দ্বারা ক্ষতি হয়ে থাকে। ইঁদুর মাঠের দানাজাতীয়, শাকসবজি, মূল জাতীয়, ফল জাতীয় ফসলের ক্ষতি করে থাকে। তাই জমিতে ইঁদুরের সমস্যা কিভাবে দূর করবেন এটা প্রত্যেক চাষীর জানা থাকা জরুরি। ইঁদুর গম ফসলে শতকরা ৩-১২ ভাগ, ধানের শতকরা ৫-৭ ভাগ ফসল নষ্ট করে। এরা বছরে ধান ও গমের প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন পর্যন্ত ক্ষতি করে থাকে যার মূল্য আনুমানিক ৫০০ কোটি টাকার ও বেশি। তাছাড়া ইঁদুর মুরগির খামারে গর্ত করে, খাবার খেয়ে ডিম ও ছোট মুরগি খেয়ে প্রতি বছর খামারপ্রতি প্রায় ১৮ হাজার টাকা ক্ষতি করে থাকে। আবার গুদামঘরে সংরক্ষিত ফসলেরও মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে (প্রায় শতকরা ২০ ভাগ)। এরা যে শুধু ফসলেরই ক্ষতি করে তা নয়। বই খাতা, কাপড়, আসবাবপত্র, বিছানাপত্র ইত্যাদি কেটে নষ্ট ক...
ড্রিম লেডি পেঁপের চাষ পদ্ধতি

ড্রিম লেডি পেঁপের চাষ পদ্ধতি

Agriculture Tips
ড্রিম লেডি পেঁপের চাষ পদ্ধতি জেনে নিন । ড্রিম লেডি জাতটি একটি অধিক উৎপাদনশীল, হাইব্রিড বামন প্রজাতির পেঁপের জাত, যা বাংলাদেশের আবহাওয়াতে চাষ উপযোগী। বাংলাদেশের অনেক স্থানে এর চাষ হচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলসহ বরেন্দ্র অঞ্চল ও উপকূলবর্তী জেলা সমূহে ফলন খুবই ভালো হচ্ছে।   চারার হার হেক্টর প্রতি ৩০০০-৩২০০টি চারা ।   চারা সংগ্রহ ১.৫ থেকে ২ মাস বয়সী রোগমুক্ত সুস্থ সবল চারা সংগ্রহ করতে হবে।   ড্রিম লেডি পেঁপের চাষ পদ্ধতি : চারা রোপনের সময় বর্ষাকাল ছাড়া সারা বছরই পেঁপের চারা লাগানো যায় তবে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি চারা লাগানোর উত্তম সময় । তবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য আগাম রোপন অধিক লাভজনক ।   ড্রিম লেডি পেঁপের চাষ : বৈশিষ্ট্য এটি  উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির হাইব্রিড পেঁপে। মাটির উর্বরতা অনুসারে গাছের উচ্চতা দেড় থেকে তিন ফুট হলে ফল ...