প্রযুক্তির মহাপ্রাচীরে দারিদ্র্য আটকাল চীন, সম্ভাবনা বাংলাদেশেরও
ফয়সল আবদুল্লাহ
রাত গভীর। চীনের কুইচৌ প্রদেশের একটি হাসপাতালের ওয়ার্ডে শুয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ছেন ইউকুও। চোখে ঘুম নেই। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কেটেছে কয়েকটি দিন। টেনশনটা নিজের রোগ নিয়ে নয়। মন পড়ে আছে বাড়ির খামারে। গবাদিপশুগুলোকে ফেলে এসেছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর স্ত্রীও কাছছাড়া হয়নি। প্রাণীগুলোকে খাবার দেওয়ার কেউ আছে?
এদিকে হাসপাতালের বিলটাও বেড়ে চলেছে লাগামহীন। ছেন স্পষ্ট বুঝতে পারছিলেন, তার এমন অসুস্থতা মানেই সংসারটা আবার রাতরাতি চলে যাবে দারিদ্র্যের পাড়ায়। যে দারিদ্র্যটাকে তিনি এর আগে একবার ঝেঁটিয়ে বিদায় জানিয়েছিলেন।
তবে ছেনের কানে তখনও একটা খবর পৌঁছায়নি। তার এই ঘোরতর সংকটের খবর কিন্তু চলে গেছে স্থানীয় প্রশাসনের কানে। হাসপাতালের বিলের খবরটাও তারা জানেন। কীভাবে? ছেনের মতো নিম্নবিত্ত মানুষের হাসপাতাল বিল যখন একটা সীমা অতিক্রম করে, তখনই টনক নড়ে কুইচৌ প্রদেশের একটি এআই পর্যবেক্ষণ ...








