op-ed Archives - Mati News
Tuesday, June 30

Tag: op-ed

প্রযুক্তির মহাপ্রাচীরে দারিদ্র্য আটকাল চীন, সম্ভাবনা বাংলাদেশেরও

প্রযুক্তির মহাপ্রাচীরে দারিদ্র্য আটকাল চীন, সম্ভাবনা বাংলাদেশেরও

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ রাত গভীর। চীনের কুইচৌ প্রদেশের একটি হাসপাতালের ওয়ার্ডে শুয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব ছেন ইউকুও। চোখে ঘুম নেই। হাসপাতালের বেডে শুয়ে কেটেছে কয়েকটি দিন। টেনশনটা নিজের রোগ নিয়ে নয়। মন পড়ে আছে বাড়ির খামারে। গবাদিপশুগুলোকে ফেলে এসেছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর স্ত্রীও কাছছাড়া হয়নি। প্রাণীগুলোকে খাবার দেওয়ার কেউ আছে? এদিকে হাসপাতালের বিলটাও বেড়ে চলেছে লাগামহীন। ছেন স্পষ্ট বুঝতে পারছিলেন, তার এমন অসুস্থতা মানেই সংসারটা আবার রাতরাতি চলে যাবে দারিদ্র্যের পাড়ায়। যে দারিদ্র্যটাকে তিনি এর আগে একবার ঝেঁটিয়ে বিদায় জানিয়েছিলেন। তবে ছেনের কানে তখনও একটা খবর পৌঁছায়নি। তার এই ঘোরতর সংকটের খবর কিন্তু চলে গেছে স্থানীয় প্রশাসনের কানে। হাসপাতালের বিলের খবরটাও তারা জানেন। কীভাবে? ছেনের মতো নিম্নবিত্ত মানুষের হাসপাতাল বিল যখন একটা সীমা অতিক্রম করে, তখনই টনক নড়ে কুইচৌ প্রদেশের একটি এআই পর্যবেক্ষণ ...
কর্মজীবী মানুষের চাওয়া ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

কর্মজীবী মানুষের চাওয়া ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার কখনোই সহজে অর্জিত হয়নি; বরং তা এসেছে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ এবং আত্মদানের মধ্য দিয়ে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখেই মে দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়, এটি কর্মজীবী মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায্যতার দাবি জানানোর এক দৃঢ় উচ্চারণ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মে দিবসের তাৎপর্য আরও গভীর। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ,গার্মেন্টস কর্মী, কৃষিশ্রমিক, নির্মাণ শ্রমিক, পরিবহন শ্রমিক, কারখানার কর্মচারীসহ নানা খাতে নিয়োজিত কোটি মানুষের পরিশ্রমে দাঁড়িয়ে আছে দেশের অগ্রযাত্রা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শ্রমজীবী মানুষেরা কি তাদের প্রাপ্য সম্মান, ন্যায্য মজুরি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ পাচ্ছেন? বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমজীবী মানুষের প্রধান চাওয়া হচ্ছে ন্যায্য মজুরি। জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বেড়ে চলেছে। খাদ্য, বা...
নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই, দরকার সংলাপ ও সহযোগিতা

নতুন করে স্নায়ুযুদ্ধের প্রয়োজন নেই, দরকার সংলাপ ও সহযোগিতা

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতার অনেক কারণ থাকতে পারে। সেটা যে সব সময় বড় শক্তিধর রাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন থেকে জন্ম নেয়, এমনটা নয়। তবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে স্থিতিশীল ও সুস্থ সম্পর্ক কিন্তু আন্তর্জাতিক অস্থিরতা দূর করতে পারে। কারণ তাদের পারস্পরিকভাবে জড়িত অর্থনৈতিক সম্পর্কটা গড়ে দেয় বৈশ্বিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার মজবুত ভিত্তি। এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর স্বভাবতই গোটা বিশ্বের নজর ব্যাপক মনোযোগ কেড়েছে। চীন–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে সঠিক পথে পরিচালিত করতে রাষ্ট্রপ্রধান পর্যায়ের কূটনীতিই অপরিহার্য। কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়াখুন বুধবার বলেছেন, চীন ট্রাম্পের এই সফরকে স্বাগত জানায়। সফরকালে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কসহ বৈশ্বিক শান্তি ও উন্নয়ন নিয়ে গভীর মতব...
একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

একটি সুন্দর দেশ গড়তে প্রয়োজন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ

Op-ed
স্বপন বিশ্বাস একটি দেশের উন্নয়ন শুধু উঁচু অট্টালিকা, প্রশস্ত সড়ক, বড় বড় সেতু কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে মানুষের নৈতিকতা, সামাজিক স্থিতি, মানবিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিকাশের ওপর। যে সমাজে মানুষ নিরাপদ, সচেতন, কর্মমুখী ও নৈতিকভাবে দৃঢ়—সেই সমাজই একটি সুন্দর দেশের ভিত্তি নির্মাণ করে। আর এই ভিত্তিকে সবচেয়ে বেশি দুর্বল করে দেয় দুটি ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি—মাদক এবং জুয়া। মাদক শুধু একটি ব্যক্তির শরীর নষ্ট করে না; এটি ধীরে ধীরে একটি পরিবারকে ভেঙে দেয়, সম্পর্ককে বিষিয়ে তোলে, অর্থনৈতিক স্থিতি ধ্বংস করে এবং সমাজে অপরাধের বিস্তার ঘটায়। একজন তরুণ যখন মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তখন সে কেবল নিজের ভবিষ্যৎ নয়, পরিবারের স্বপ্নও ধ্বংস করে। প্রথমে কৌতূহল, পরে বন্ধুমহলের প্ররোচনা, এরপর অভ্যাস—এই তিন ধাপেই বহু তরুণ অন্ধকারে হারিয়ে ...
উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সাইবার ক্রাইম: প্রয়োজন আইনি তৎপরতা ও সচেতনতা

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সাইবার ক্রাইম: প্রয়োজন আইনি তৎপরতা ও সচেতনতা

Op-ed
অ্যাডভোকেট মোঃ এনামুল হক বর্তমানে বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, চরিত্রহনন এবং পরিকল্পিত অপপ্রচারের মহোৎসব চলছে। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, একটি প্রশিক্ষিত গোষ্ঠী সুপরিকল্পিতভাবে এই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মূল লক্ষ্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। রাজনৈতিক ভিন্নমতকে যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে অনেকেই এখন বেছে নিচ্ছেন মিথ্যে তথ্য, বিকৃত উপস্থাপন কিংবা গুজব ছড়ানোর নোংরা পথ। এর ফলে একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে সমাজে বিভাজন, অবিশ্বাস ও ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আমরা যা-ই প্রকাশ করি না কেন, তার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ভার্চুয়াল জগতেও দেশের আইন সমানভাবে প্রযোজ্য। তথাকথিত ‘হাইপ’ তুলতে ব্যস্ত এই প্রশিক্ষিত কর্মীদের ফেসবুক পোস্টগুলো বিশ্লেষণ করলে তাদের চরম মানসিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। রা...
হোয়াইট হাউস যখন হত্যাকে খেলা ভাবে

হোয়াইট হাউস যখন হত্যাকে খেলা ভাবে

China, Op-ed
লি লি, সংবাদকর্মী, সিএমজি বাংলা, বেইজিং কার্টুন চরিত্র স্পঞ্জবব স্কোয়ারপ্যান্টস একবিংশ শতাব্দীতে যেন এক অদ্ভুত নতুন ‘ভূমিকা’ পেয়েছে—ক্ষেপণাস্ত্র হামলার উল্লাস প্রকাশ! সম্প্রতি হোয়াইট হাউস তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে স্পঞ্জবব স্কয়ারপ্যান্টসের হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি, ভিডিও গেমের সুর এবং ইরানের ওপর বিমান হামলার বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখানো হলো পাশাপাশি। এমনকি একটি ভিডিওর ক্যাপশন ছিল—‘আবার দেখবেন?’ জনসমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে তৈরি এই প্রচারণামূলক ভিডিওগুলো তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই। অনেকের মতে, এগুলো মানুষের দুর্ভোগের প্রতি নির্লজ্জ উদাসীনতার প্রকাশ। লিলি ভিডিওতে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দৃশ্যের সঙ্গে বোলিং পিন পড়ে যাওয়ার দৃশ্য পালাক্রমে দেখানো হয়। সঙ্গে ছিল ক্রীড়া ধারাভাষ্যের উত্তেজিত কণ্ঠস্বর। পু...
শান্তি সবার উর্ধ্বে: বৈশ্বিক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন ও জীবনের মূল্য

শান্তি সবার উর্ধ্বে: বৈশ্বিক যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন ও জীবনের মূল্য

China, Op-ed
ইউ কুয়াং ইউয়ে আনন্দী সম্প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আবারও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে নিবদ্ধ হয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে লন্ডন, তেল আবিব থেকে সিডনি—যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইসরায়েল, ইতালি, অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমেছে। এই বহু-দেশীয় যুদ্ধবিরোধী স্রোত একটি মৌলিক সত্যকে প্রতিফলিত করে: জনগণের শান্তিপূর্ণ জীবন প্রয়োজন, জাতির দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন প্রয়োজন। জীবন যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান। মার্কিন জাতীয় সন্ত্রাসবাদবিরোধী কেন্দ্রের প্রধান জো কেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে, যুদ্ধের বিরুদ্ধে কণ্ঠস্বর কেবল রাস্তা থেকেই আসেনি, বরং খোদ সরকারের ভিতর থেকেও এসেছে। মার্কিন জাতীয় সন্ত্রাসবাদবিরোধী কেন্দ্রের প্রধান জো কেন্ট ১৭ মার্চ পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে লেখা এক খোলা চিঠিতে বলেন: "ইরানের চলমান যুদ্...
এই যুদ্ধের আসল কারণ কী? কেন কারণ বারবার বদলাচ্ছে?

এই যুদ্ধের আসল কারণ কী? কেন কারণ বারবার বদলাচ্ছে?

Op-ed
(কাউন্টারপাঞ্চে প্রকাশিত সাসান ফায়াজমানেশের কলাম অবলম্বনে) যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় যুদ্ধ (এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে) অনেক প্রশ্ন তুলেছে। মিডিয়ায় সবাই জিজ্ঞাসা করছে: এই যুদ্ধের আসল কারণ কী? কেন কারণ বারবার বদলাচ্ছে? এটা কি ইরানের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা না হওয়ার জন্য? নাকি ইরান খুব তাড়াতাড়ি নিউক্লিয়ার অস্ত্র বানাতে যাচ্ছিল? ইরানের মিসাইল কি শীঘ্রই আমেরিকায় পৌঁছাতে পারত? ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ করতে যাচ্ছিল বলে আমেরিকা আগে থেকে আক্রমণ করেছে? নাকি ইরান মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে বলে? অথবা অন্য কিছু? আমেরিকার মিডিয়া এই পরিবর্তনশীল কারণগুলো বুঝতে পারছে না। এটা অদ্ভুত। গত কয়েক দশকে তারা কি ঘুমিয়ে ছিল? প্রায় ২৫ বছর আগে (২০০১ সালে) আমি একটা অর্থনীতির কনফারেন্সে আমেরিকার ইরান নীতি নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম, পারস্য উপসাগরে আমেরিকার নীতি “দু...

ভূমিকম্প, নিরাপত্তা ও ওড়না—গোলমালটা কোথায়?

Op-ed
ভূমিকম্প হলো হঠাৎ পরীক্ষা। তখন প্রথম কাজ—নিজেকে বাঁচানো।কিন্তু আশেপাশে কিছু মানুষ থাকে, যারা পরিস্থিতি না বুঝেই ডায়লগ ছোঁড়ে— “দৌড়াও না কেন?” “ওড়না নিতে কতক্ষণ লাগে?” “ধর্ম জানো না?” এই সব কথা শুনে মনে হয়—এরা না বিজ্ঞান জানে, না ফিকহ জানে। ভূমিকম্পে দৌড়ানোই কেন সবচেয়ে বিপজ্জনক? বিশ্বের বড় বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান এক কথাই বলে—“Drop – Cover – Hold”অর্থাৎ—বসে পড়ো → কিছু দিয়ে মাথা ঢাকো → থামা পর্যন্ত ধরে থাকো। কেন? কারণ— ভূমিকম্পে মাত্র ২–৫ সেকেন্ডেই ভারসাম্য উধাও। দৌড়াতে গেলে ধপ করে পড়ে যাবেন। বেশিরভাগ ইনজুরি হয় দৌড়ানোর সময়—কাচ, দেয়াল, সিলিং ফ্যান, শেলফ—সব মাথায় পড়ে। ঝাঁকুনি চলার সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় থাকে ১–২ সেকেন্ড। আর আমাদের দেশের ভবনে সিঁড়ি, করিডোর—সবচেয়ে বিপজ্জনক জায়গা। তাই দৌড়ানো বন্ধ রাখো—এটা কাওয়ার মতবাদ না, একদম পর...
মতামত : ফেসবুকে যেভাবে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছেন জয়

মতামত : ফেসবুকে যেভাবে ভুয়া খবর ছড়াচ্ছেন জয়

Op-ed
সজীব আহমদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস থেকে আমার ধারনা, সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগকে শেষ করতে চান, নয়ত প্রযুক্তি বিষয়ে উনার জানাশোনা নেই। নইলে, এত কাঁচা গুজব একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ছড়ানোর কথা নয়। জনাব জয় 'আজকের নিউজ' নামের একটি ফেসবুক পেইজের ফটোকার্ড শেয়ার করেছেন। যাতে বলা হয়েছে, "বিপুল পরিমাণ বোমা,ককটেল,ও বিস্ফোরক নিয়ে ধরা পড়ল তিন শিবির কর্মী! ঢাকায় নাশকতার উদ্দেশ্য ছিল।"জাস্ট গুগল ইমেজে সার্চ করে ৩০ সেকেন্ডে আসল ঘটনা পাওয়া গেলো। দেশের মূলধারার সব সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পেট্রোল বোমা, ককটেল ও গান পাউডারসহ বিপুল বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে; যেগুলো নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল।জড়িত অভিযোগে আটক ব্যক্তিরা হলেন— টাঙ্গাইলের আলতাফের ছেলে রাজ ইসলাম (২৫), চাঁদপুরের নুর মোহাম্মদের ছেলে রাকিব (২৪), সুনামগঞ্জের জালাল উদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান। ...
কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

কর্মক্ষেত্রে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট এর উপর ট্রেনিং নিয়ে কিছু কথা

Op-ed
সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের উপর আমাদের অনেকেরই ট্রেনিং নেই। অ্যামেরিকায় যেকোন প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করার প্রথম দিকেই কিছু অবশ্যম্ভাবী ট্রেনিংয়ের একটি হচ্ছে এই সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ট্রেনিং। একেক কোম্পানি একেকভাবে ট্রেনিং দেয়, কিন্তু সবারই মূল বক্তব্য এক - অফিসে যদি কেউ কখনও কারও উপর যৌন নির্যাতন চালায়, তখন কিভাবে সিচুয়েশন হ্যান্ডল করতে হবে, তা নিয়েই আলোচনা। এই ট্রেনিংয়ের ফলে আমরা জানতে পারি সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট নানান প্রকারের হতে পারে। কোন মেয়ের গায়ে হাত দেয়া, টেবিলের নিচে দিয়ে পা ঠুকা থেকে শুরু করে একই ঘরে একজন নারীর উপস্থিতিতে দুই পুরুষের অশ্লীল কথাবার্তা পর্যন্ত সবকিছুই এর আওতায় পড়ে। কোন নারী/পুরুষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য তাই ধর্ষণের সামিল। এরা এই ব্যপারে খুবই সিরিয়াস! প্রমোশনের প্রলোভন অথবা চাকরি কেড়ে নেয়ার ভয় দেখিয়ে বসের সাথে ডেটিংয়ে যাওয়ার প্রস্তাবনা আমাদের দেশে খুবই কমন। এই দেশের...
অস্থির অর্থনীতি ও টানপোড়েনে বাংলাদেশ

অস্থির অর্থনীতি ও টানপোড়েনে বাংলাদেশ

Op-ed
আসাদুজ্জামান খান মুকুল বিশ্ব অর্থনীতি এখন অদ্ভুত এক টানাপোড়েনে আছে। কোথাও যুদ্ধ, কোথাও নিষেধাজ্ঞা, আবার কোথাও মূল্যস্ফীতির দাপট। জ্বালানির দাম বাড়ছে,বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সুদের হার লাফিয়ে উঠছে, ফলে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এসে এই ঢেউ আছড়ে পড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা। তেলের দাম বাড়ায় বেড়েছে  পরিবহন ব্যয়। পণ্য উৎপাদন ও আমদানির খরচ বাড়ায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তা আমাদের রপ্তানিতেও প্রভাব ফেলছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ, বিনিয়োগে স্থবিরতা, কর্মসংস্থান কমে যাওয়া, সব মিলিয়ে অর্থনীতি যেন হাঁপাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও কম নয়। হঠাৎ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা- এসবই কৃষি উৎপাদনে ক্ষতি করছে অপুরণীয়। ক...
ত্যাগ, অপেক্ষা ও ভালোবাসার  এক নীরব সংগ্রাম প্রবাস জীবন 

ত্যাগ, অপেক্ষা ও ভালোবাসার  এক নীরব সংগ্রাম প্রবাস জীবন 

Op-ed
রাহেলা আক্তার  বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এর অর্থনীতির মূল উৎস কৃষি, তৈরি পোশাক, বিদেশি রেমিট্যান্স। গ্রামের মানুষ কৃষি কাজ করে, আর শহরের মানুষ বিভিন্ন কল-কারখানায়, ও অফিস আদালতে চাকরি করছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় একটা অংশ হচ্ছে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশে জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থান কম। বর্তমান বিশ্বে বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রবণতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে লাখো মানুষ জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমান। একজন স্বজন যখন প্রবাসে যান, তখন তাঁর অনুপস্থিতিতে পরিবারের উপর কিছু ইতিবাচক, এবং নেতিবাচক প্রভাব দুটোই পড়ে।  প্রবাসে থেকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে স্বজনরা পরিবারের জন্য যে অর্থ পাঠান, তা পরিবারকে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করে তোলে। সেই অর্থে মা-বাবা, স্ত্রী, সন্তানদের উন্নত  চিকিৎসা ও শিক্ষা  সুন্দর জীবনযাপন সম্ভব হয়। অনেক পরিবার গ্রাম থেকে শহরে...
কথা বলার  ক্ষুধা : আদিম যে চাহিদা

কথা বলার  ক্ষুধা : আদিম যে চাহিদা

Op-ed, Stories
আপনার সঙ্গী কি আপনার সাথে শোয়, কিন্তু কথা বলে না? তাহলে অভিনন্দন, আপনি এক জীবন্ত লাশের সাথে বসবাস করছেন। statement টা শুনেই আপনার শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠলো? মনে হচ্ছে, আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কেউ নোংরাভাবে উঁকি মারছে? নিজের ভালোবাসার সম্পর্কটাকে এতটা কদর্যভাবে আক্রমণ করায় লেখকের গলা টিপে ধরতে ইচ্ছে করছে? করুন। আপনার সব ক্ষোভ, সব অপমান আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। কিন্তু এই লেখাটি যদি আপনার ভেতরের সেই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিটাকে জাগিয়ে তুলতে না পারে, যদি আপনার সাজানো-গোছানো সম্পর্কের মিথ্যার দেওয়ালটা কাঁপিয়ে দিতে না পারে, তবে বুঝবেন আমার কলম ধরাটাই বৃথা। আমরা এক অদ্ভুত ডিজিটাল কসাইখানায় বাস করি, যেখানে আমরা সম্পর্কগুলোকে লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার দিয়ে ওজন করি। আমরা একে অপরের শরীর চিনি, কিন্তু আত্মাটাকে চিনি না। আমরা একসাথে ডিনার করি, কিন্তু কথা বলি ফোনের স্ক্রিনের সাথে। আমরা একসাথে বিছানায় যা...
বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার ডামাডোলে চীনা প্রবৃদ্ধির পাঁচ বছর

বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার ডামাডোলে চীনা প্রবৃদ্ধির পাঁচ বছর

China, Op-ed
ফয়সল আবদুল্লাহ চলতি বছর শেষ হচ্ছে চীনের ১৪তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনাই মূলত চীনের অগ্রগতির মূল রূপরেখা। এর মাধ্যমেই চীন বিশ্বজুড়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যেও ধরে রেখেছে উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধির হার এবং উদ্ভাবনের নতুন ধারা। ভূরাজনৈতিক সংঘাত, বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি এবং বাণিজ্য সুরক্ষাবাদের ডামাডোলে চীনের অর্থনীতি গত পাঁচ বছরে মোট ৩৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ৪.৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার) বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে যার প্রায় ৩০ শতাংশ অবদান রয়েছে। সোমবার চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ২০তম কেন্দ্রীয় কমিটির চতুর্থ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে আলোচনা হয়েছে পরবর্তী ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০২৬–২০৩০) খসড়া নিয়ে। এই প্রেক্ষাপটে আমার যদি চীনের অর্থনীতির দিকে ফিরে দেখি, তবে জানতে পারবো কীভাবে চীন তার উন্নয়নের পথ ধরে থেকে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন শক্তির সঞ্চার করে চল...