Agriculture Tips Archives - Page 17 of 20 - Mati News
Wednesday, June 10

Agriculture Tips

Agricultural tips, news and updated information

কবুতর পালন : দেশের জনপ্রিয় কবুতরের হাট

কবুতর পালন : দেশের জনপ্রিয় কবুতরের হাট

Agriculture Tips
কবুতর পালন করে তার বেচাকেনার সম্পর্কে অনেকের ধারনা নেই। তাই তাদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য হাজির করা হলো। (১)কাপ্তান বাজার কবুতরের হাটঃ ক্রেতা, বিক্রেতা ও স্থানীয়রা জানায়, কাপ্তান বাজার হলো রাজধানীর সবচেয়ে বড় কবুতর কেনাবেচার বাজার। এখানে সর্বনিন্ম ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা দামের কবুতর পাওয়া যায়। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের গুলিস্তান ২ নম্বর গেইট এলাকায় এই বাজারের অবস্থান। প্রতি শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে এই বাজার জমতে শুরু করে। রাজধানী ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন কবুতর নিয়ে এই হাটে আসেন। আর এই কেনাবেচা চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। সকাল থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতারা জমায়েত হতে থাকলেও মূলত দুপুরের পর থেকে এই হাটে বেচাকেনা বাড়তে থাকে। একদিকে যেমন বাজারে বিভিন্ন ব্যক্তি আসেন তাদের পোষা কবুতর বিক্রি করতে, একইভাবে পাইকার বিক্রেতারাও কবুতর বিক্রি করে থাকেন এই হাটে। কেউ কবুতর বিক্রি করলে তাদের ...
গরুর চেয়ে কবুতর পালন লাভজনক

গরুর চেয়ে কবুতর পালন লাভজনক

Agriculture Tips
‘গরু পালনের চেয়ে কবুতর পালন অধিক লাভজনক।’ কথাগুলো বলেন চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার কবুতরের খামারি ডা. মাহবুব। তিনি উপজেলার অনেক শখের কবুতর পালনকারীর মতো এখন পুরোদস্তুর কবুতর ব্যবসায়ী। তাদের কাছ থেকে উৎসাহ পেয়ে এলাকায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ছোট-বড় খামার। স্বল্প পুঁজিতে প্রায় অর্ধশত যুবক কবুতর পালন থেকে মাসে আয় করছে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এ সব খামারে দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক প্রজাতির কবুতর রয়েছে। জাতভেদে প্রতি জোড়া কবুতরের মূল্য ৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যেমন- রূপালী, লাল, কালো, হলুদ, চকলেট রঙের লাহর সিরাজী কবুতর ৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা, বিভিন্ন রঙের মৌক্ষি ৮ থেকে ৮০ হাজার টাকা, বিভিন্ন রঙের আফ্রিকান কৌটারবল ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা, নান ৬ থেকে ১২ হাজার টাকা, কিং মার্কিন ৮ থেকে ৪০ হাজার টাকা, হাউস প্রিজন ৪০ থেকে ৮০ হাজার টাকা, রেন্ট ৮ থেকে ২০ হাজার টাকা, স্ট্রেচার ১০ থেকে ৩০ হাজার ট...
কবুতর পালন : বাংলাদেশে প্রায় ২০ জাতের কবুতর রয়েছে

কবুতর পালন : বাংলাদেশে প্রায় ২০ জাতের কবুতর রয়েছে

Agriculture Tips
বাংলাদেশে প্রায় ২০ জাতের কবুতর রয়েছে। এ দেশের জলবায়ু এবং বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত্র কবুতর পালনের জন্য খুবই উপযোগী। এটি পরিবারের পুষ্টি সরবরাহ, সমৃদ্ধি, শোভাবর্ধনকারী এবং বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। তাই অনায়াসেই কবুতর পালন করতে পারেন। জাত পৃথিবীতে ১২০ জাতের কবুতরের সন্ধান পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে মাত্র ২০ জাতের কবুতর পাওয়া যায়। যেমন- কিং, কারনিউ, মনডেইন, আমেরিকান জায়ান্ট হোমার, রান্ট, রেসিং হামার, হর্স ম্যান, বার্মিংহাম রোলার, ফ্লাইং টিপলার বা ফ্লাইং হোমার, থাম্বলার, কিউমুলেট, মালটেজ, ক্যারিয়ার, হোয়াইট ফাউন্টেল, টিম্বালার, পোটারস্, নান্স, সিরাজি, জালালি, বাংলা, গিরিবাজ, লোটন, বোম্বাই এবং গোবিন্দ। এরমধ্যে দেশি এবং মাংস উৎপাদনকারী কবুতর বাংলাদেশের সব জায়গায় পালন করা হয়ে থাকে। তবে রেসিং, ফ্লাইং এবং শোভাবর্ধনকারী কবুতর শখের বসে বা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পালন করা হয়ে থাকে। প...
কবুতর পালন : কবুতরের কিছু রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

কবুতর পালন : কবুতরের কিছু রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

Agriculture Tips
যারা কবুতর পালন করেন তারা অনেকে কবুতরের রোগ সম্পর্কে জানেন না। তাই কবুতরের কিছু রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থা নিচে দেওয়া হল: রোগের নাম: পাসটিউরেলা মালটোসিডা। লক্ষণ: ডাইরিয়া, জ্বর বা কোনো লক্ষণ ছাড়াই কবুতর ২৪-৪৮ ঘন্টা মধ্যে মারা যায়। চিকিৎসা: কবুতরের এ অবস্থা দেখা দিলে এন্টিবায়োটিক সেনসিটিভিটি টেস্ট করে সঠিক এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে এবং সেই সঙ্গে ভিটামিনস ও মিনারেলস খাওয়াতে হবে। প্রতিরোধ: কবুতরকে নিয়মিত টিকা প্রদান করতে হবে। রোগের নাম: সালমেনেলোসিস/ প্যারাটইফোসিস।  কারণ: সালমোনেলা টাইফিমিউরিয়াম। লক্ষণ: পাখির দুর্গন্ধযুক্ত ডায়রিয়া ও শ্লেষ্মাযুক্ত আঠালো, ফেনা দেখা দেয়। দেহ ক্রমাগত শুকিয়ে যায়। পক্ষাঘাত দেখা দেয় এবং পাখি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। চিকিৎসা: এন্টিবায়োটিক সেনসিটিভিটি টেস্ট করে সঠিক এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে এবং ভিটামিনস ও মিন...
কিভাবে অল্প পুঁজিতে কবুতর পালন করা যায়

কিভাবে অল্প পুঁজিতে কবুতর পালন করা যায়

Agriculture Tips
আমাদের দেশে বিভিন্ন গৃহপালিত পাখির মধ্যে কবুতর সর্বাধিক জনপ্রিয়। কবুতরকে সহজেই পোষ মানানো যায়। কম পরিশ্রম এবং অল্প পুঁজিতে কবুতর পালন করে পরিবারের আমিষের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। তাই এখন গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে শহরের বাসা-বাড়িতে অনেকে কবুতর পালন করে অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। পরিবারের গৃহকর্ত্রী ও স্কুল কলেজ যাওয়া ছেলে-মেয়েরা বাড়ির যেকোনো কোণে বা আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদে কিংবা কার্নিশের মতো ছোট বা অল্প জায়গাতেও কবুতর পালন  করে বাড়তি আয়ের সংস্থান করতে পারে। আসুন জেনে নেই কিভাবে অল্প পুঁজিতে কবুতর পালন করা যায়। কবুতর পালনের সুবিধা:  ১.কবুতর সহজে পোষ মানে, বিনিয়োগ কম, প্রতিপালন অত্যন্ত সহজ এবং সংক্ষিপ্ত প্রজননকাল হওয়ায় পালন করা সহজ। ২.কবুতরের মাংস সুস্বাদু পুষ্টিকর, সহজ পাচ্য এবং প্রাণীজ আমিষের চাহিদা পুরণের উৎস। কবুতরের মাংস খেতে অত্যন্...
বাজরিগার পাখির ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড

বাজরিগার পাখির ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড

Agriculture Tips
সিদ্ধ মুরগি, কোয়েল বা হাঁসের ডিমের সাথে শাখ, সবজি, ফল, পোকা বা পাখির অন্য খাদ্যর সাথে মিশ্রণ করে যেই খাবার তৈরি হয়, তাকেই ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড বলা হয়। বাজরিগার ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড কখন দিতে হয়? যদি সম্ভব হয় সবসময়। পাখিকে সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন দিলে পাখির শরীরের কোন পুষ্টির অভাব থাকবে না। সকালে দিয়ে, দুপুরে সরিয়ে ফেলবেন। ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড না দিলে হয় না? ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড দেয়া বাধ্যতামূলক না। তবে না দিলে কোন পুষ্টির অভাব হলে পাখির আচরণ বা আকারে পার্থক্য দেখা দিতে পারে। পাখি নিজের পায়খানা বেশী করে খেতে পারে। যদি ব্রীডিং করে, তাহলে বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ভালো হলেও বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। বাচ্চাদের বড় হতে সময় বেশী লাগতে পারে, বাচ্চাদের খাবারের চাহিদা আরো বেশী থাকতে পারে। যেদিন ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড দিব, সেদিন বীজ দেয়া যাবে? বীজ ...
বাজরিগার চেনার উপায়

বাজরিগার চেনার উপায়

Agriculture Tips
শখে বাজরিগার পোষেন। তবে কোনটি ছেলে আর কোনটি মেয়ে পাখি তা বুঝতে পারেন না। বিক্রেতার কথায় বিশ্বাস করে কিনলেন। পরে দেখা গেল পাখি ডিম দেয়া না। অথচ আপানার লক্ষ্য এই পাখির বাচ্চা বিক্রি করে বাড়তি আয়। বাজরিগার কেনার আগে অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন। সহজে স্ত্রী, পুরুষ, বয়স্ক ও বাচ্চা বাজরিগার চেনার উপায় জানাচ্ছেন শৌখিন পাখি পালক শহীদুল ইসলাম। বাজরিগারকে বলা হয় কেইজ বার্ড বা খাঁচার পাখি। বন্যপাখি পালন করা বা ধরা আইনত অপরাধ। খাঁচায় পালন করা পাখি, জন্ম থেকে খাঁচাতেই বসবাস করে। এসব পাখি বাইরে ছেড়ে দিলে আশ্রয়স্থল খুঁজে তো পাবেই না, উল্টো তারা কাকের খাবার হয়ে যাবে নিশ্চিত। এই রকমই খাঁচার পাখি হচ্ছে বাজরিগার। এই পাখি পালন করে শখ মেটাচ্ছেন অনেকে। পাশাপাশি আয়ও করছেন। শখের পাখি পালন করতে গিয়ে আবার বেশ সমস্যাও হতে পারে। প্রথম সমস্যা হচ্ছে পাখির বয়স নির্ণয়। ১ জোড়া বাজরিগার কিনতে স...
বাজরিগার ও কবুতরের গুরুত্বপূর্ণ রোগের লক্ষণ , চিকিৎসা, প্রতিরোধ

বাজরিগার ও কবুতরের গুরুত্বপূর্ণ রোগের লক্ষণ , চিকিৎসা, প্রতিরোধ

Agriculture Tips
বাজারিকা ও কবুতরের গুরুত্বপূর্ণ রোগের লক্ষণ ,চিকিৎসা,প্রতিরোধ লক্ষণঃ কবুতরের বমি অনেক সময় দেখা যায় কবুতর বমি করে।এর নানাবিধি কারণ থাকতে পারে। কারনঃ 1.Food poisoning Indigestion চিকিৎসাঃ 1.Twoplus/Toxinil plus যে কোন একটি ঔষধ ১ মিঃলিঃ ১ লিটার পানিতে ৫-৭ দিন 2.পেটে গ্যাস থাকলে খাবার সোডা ৩ গ্রাম ১ লিটার পানিতে ৩ ঘন্টা করে ৩ দিন। লক্ষণঃ অতিরিক্ত স্হুলতা/ মোটাঃ কারণঃ ১। তেলবীজ জাতীয় খাদ্য বেশি খাওয়ানো। ২। Fat Tumour চিকিৎসাঃ * খাবার নিয়ন্ত্রনে আনতে হবে। * Choline H ১ মিঃলি ১ লিটার পানিতে ১০-১২ দিন * Flight Case বা বড় খাচায় পাখি রাখতে হবে। বাজরিগার এর শ্বাসতন্ত্রের রোগ সমূহঃ বিভিন্ন কারনে পাখির শ্বাসতন্ত্রের সংক্রামন হতে পারে।শীত কালে ,ঠান্ডা পানি পান করালে,বা সরাসরি দীর্ঘ্ সময় ঠান্ডা বাতসে পাখির শ্বসতন্ত্রের কিছু জীবানুর উপদ্রব দেখা দেয়। ...
দেশি (ব্ল্যাক বেঙ্গল) ছাগলের খামার করার বৃত্তান্ত : কৃষি টিপস

দেশি (ব্ল্যাক বেঙ্গল) ছাগলের খামার করার বৃত্তান্ত : কৃষি টিপস

Agriculture Tips, Cover Story
লাভজনক ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের খামার স্থাপনে উৎপাদন বৈশিষ্ট্য উনড়বত গুনাগুনসম্পনড়ব ছাগী ও পাঁঠা সংগ্রহ একটি মূল দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত। মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন বয়সী ছাগী ও পাঁঠা নির্বাচন সফলভাবে পালনের জন্য প্রযুক্তিগত তথ্যাদি সরবরাহ অত্যাবশ্যক। প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য/সংক্ষিপ্ত বিবরণ বাংলাদেশে বর্তমানে বাণিজ্যিক ছাগল প্রজনন খামার না থাকায় মাঠ পর্যায় হতে ছাগল সংগ্রহ করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে ব্যাক বেঙ্গল ছাগল, বাচ্চা ও দুধ উৎপাদন ক্ষমতার ভিনড়বতা বিদ্যমান। উক্ত  বংশ অথবা/এবং পরিবেশগত কারণ বা স্বতন্ত্র উৎপাদন দক্ষতার জন্য হতে পারে। সে প্রেক্ষাপটে ব্যাক বেঙ্গল ছাগল খামার প্রতিষ্ঠার জন্য বংশ বিবরণের ভিত্তিতে বাছাই ও নিজস্ব উৎপাদন/পূনরুৎপাদন বৈশিষ্ট্যাবলীর ভিত্তিতে বাছাই বিবেচনায় রেখে ছাগলের খামার এর জন্য ছাগল  নির্বাচন করা যেতে পারে। বংশ বিবরণের ভিত্তিতে বাছাই মাঠ পর্যায়ে বংশ বিবরণ পাওয়া দুরূহ। কার...
তুলসী পাতার যত গুণ

তুলসী পাতার যত গুণ

Agriculture Tips, Cover Story, Health and Lifestyle
তুলসী অর্থ ‘যার তুলনা নেই,’ এর ইংরেজি নাম হলি বেসিল। তুলসিগাছ আমাদের দেশে সাধারনত হিন্দু বাড়িতে দেখা যায়। হিন্দুরা পুজা-অর্চনার কাজে ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এ গাছ কিন্তু সবার বাড়িতেই থাকা উচিত। এ গাছকে ঔষধি গাছ বলা হয়, অনেকে এ গাছকে বৈদ্য গাছও বলে থাকে। কোথায় এবং কীভাবে পাবেন এই গাছ:  তুলসীর চারা পেতে আপনাকে এতটাও কষ্টও পোহাতে হবেনা। যেকোনো নার্সারি বা গাছ ফেরিওয়ালার কাছেই পাবেন। চারার দামও কম, মাত্র বিশ থেকে পঞ্চাশ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন। এ গাছের বীজ বুনলেও খুব সহজে এবং তাড়াতাড়িই চারা হয়ে যায়। রোপন ও যত্ন:  আপনার বাড়িতে উঠান থাকলে ভালো, আপনি যেকোনো এক জায়গায় বুনে নিতে পারেন তুলসীর চারা। কিন্তু যারা শহরে থাকেন তারা বারান্দায় ছোট একটি টবে ভালো মাটি, সার দিয়ে বুনে নিতে পারেন তুলসী চারা। প্রতিদিন সকালে তুলসী চারাতে পানি দিতে হয়। মাঝেমাঝে আগাছা পরিষ্কার করে দিবেন। দেখবেন আপনার গা...
ফুলকপি খাবেন যে সব উপকারের কারণে Benefits of cauliflower

ফুলকপি খাবেন যে সব উপকারের কারণে Benefits of cauliflower

Agriculture Tips, Health and Lifestyle, New Jokes and Articles
দেখতে বড়সড় একটি ফুটন্ত ফুলের মতো হলেও আসলে এটি এক ধরনের সবজি। মূলত শীতকালীন সবজি, তবে সারাবছরই কম-বেশি এর দেখা মেলে। বলছি ফুলকপি কথা। ভাজি, ভর্তা, ঝোল করে তো খাওয়াই যায় পাশাপাশি নুডলস, পাস্তা, স্প্যাগোটি, সালাদ, পাকোড়ায়ও ব্যবহার করা যায় এটি। বিশেষ করে শিশুদের পছন্দের সবজি এই ফুলকপি। ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইটকেমিকেলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর এই সবজি কেন প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় রাখবেন, চলুন জেনে নেই। ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। সালফোরাফেন ডিএনএ-এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। নিয়মিত ফুলকপি খেলে দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা প...
ছোট বারান্দায় বাগান

ছোট বারান্দায় বাগান

Agriculture Tips, Health and Lifestyle
আধুনিক বাড়িতে বড় জায়গা মেলা ভার। কিন্তু বাগান করার শখ থাকলে বা মানসিক চাপ কমাতে ছোট বারান্দায় করতে পারেন বাগান। সে বিষয়ে থাকল বেশ কিছু টিপস। বারান্দায় বাগান করার ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখতে হবে, পর্যাপ্ত আলো আছে কিনা। আলো না থাকলে তা বিবেচনা করে গাছ বাছাই করতে হবে। অল্প আলোতেও টিকে যায় পাতাবাহার, মানিপ্ল্যান্ট কিংবা বিভিন্ন প্রকার ফার্ণ, ইনডোর প্ল্যান্ট ও লতানো গাছ। বারান্দার দেয়াল, সিলিং ও গ্রিলেও ঝুলিয়ে রাখা যায় এমন টব রাখতে হবে। মাটির পাত্রের পানিতে মশার বিস্তার রোধে রাখতে পারেন গাপ্পি মাছ। এ মাছ মশার লার্ভা খেয়ে ফেলে। তবে নিয়মিত পাত্রের পানি ও আগাছা পরিবর্তন করতে হবে। বারান্দায় রয়েছে নিম, তুলসী, পুদিনা, কালোমেঘ, অরিগ্যানো, কারিপাতার মতো ওষধি গাছও লাগাতে পারেন। বারান্দায় রাখতে পারেন গোলাপ, রজনীগন্ধা, রঙ্গন, দোলনচাঁপা, বেলিগাছ। লক্ষ রাখুন, সব ঋতুর ফুলের গাছ রাখতে। এতে বছরজুড়ে বাগানে ফুল...
কলকাতার খবর : ধান কাটা শেষ হলেই দ্রুত ছোলা বুনুন

কলকাতার খবর : ধান কাটা শেষ হলেই দ্রুত ছোলা বুনুন

Agriculture Tips
এ বছর দেরিতে বৃষ্টি আসায় আমন ধান রোয়া করতে কোথাও আগস্টের শেষ, কোথাও আবার সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে। ফলে যেখানে জলের টান ছিল, সেখানেই ধান নাবি হয়ে গিয়েছে। ফসল উঠতে দেরি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে ধান কাটার কাজ পুরোপুরি শেষ করতে ১০-১৫দিন সময় লেগে যাবে। এই পরিস্থিতিতে চাষিদের জন্য কৃষি আধিকারিকদের সুপারিশ, এখন শিশির ভালো আছে। ফলে যেখানে একটিও সেচ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেখানে জমি ফেলে না রেখে ছোলা চাষ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে কৃষকের হাতে যেমন বাড়তি টাকা আসবে, তেমনই জমির উর্বরতাও বাড়বে। বাজারে ছাতুর দারুণ চাহিদা। ফলে ছোলা চাষে ‘অভাবি বিক্রি’-র কোনও আশঙ্কা নেই, আশ্বস্ত করছেন কৃষি আধিকারিকরা। তবে এখন ছোলা চাষ করতে হলে বীজের পরিমাণ একটু বাড়াতে হবে। সাধারণভাবে ছোলা চাষে যেখানে বিঘাতে ৬ কেজির মতো বীজ লাগে, সেখানে বিঘাপ্রতি আরও এক থেকে দেড় কেজি বেশি বীজ...

জমি ফেলে না রেখে কুমড়ো চাষ করুন

Agriculture Tips
আলু চাষের পর জমি ফেলে না রেখে কুমড়ো চাষের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন, আলুর জমিতে এমনিতেই প্রচুর পরিমাণে সার থাকে। তাই কুমড়ো চাষে আর টাকা খরচ করে অতিরিক্ত সার দিতে হয় না। কম খরচে এই চাষ খুবই লাভজনক। আমাদের রাজ্যে কুমড়োর চাহিদা সারা বছরই থাকে। দামও বেশ ভালো পাওয়া যায়। চারা বড় হওয়ার সময় কীটনাশক প্রয়োগ করলে গাছের তেমন ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না। ইচ্ছে করলে সারাবছরই কুমড়ো চাষ করা যায়। কার্তিক মাসে আলু লাগানোর সময় সেই জমিতে কুমড়োর বীজও রোপণ করা যেতে পারে। ওই সময় গাছ লাগালে ফাল্গুন মাসের শেষের দিক থেকে কুমড়ো ধরতে শুরু করে। তবে ওই সময় বেশি কুয়াশা হলে গাছের ক্ষতি হয়।...
কলকাতার খবর : লাভ সুনিশ্চিত করতে আলু চাষের এলাকা কমানোই ভালো

কলকাতার খবর : লাভ সুনিশ্চিত করতে আলু চাষের এলাকা কমানোই ভালো

Agriculture Tips, Cover Story
কলকাতার খবর : গত মরশুমে খেত খেত থেকে আলুর দর ভালো পেলেও এই মরশুমে চাষিদের সতর্ক থাকতে হবে। ব্যাপক আলু চাষের এলাকা না কমালে লাভজনক দাম পাওয়ার কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই আসল সত্যটা বুঝতে হবে। আর সে কারণেই আলু চাষের এলাকা কমিয়ে সরষে, গম বা সবজি চাষের দিকে চাষিরা ঝুঁকতে পারেন। কেন না চাষের খরচ যেভাবে বাড়ছে তাতে মাঠে ৪০০ টাকা বস্তা দরে আলু বিক্রি করতে না পারলে চাষিদের চাষ করে লাভ নেই। আবার দাম চড়লে যেভাবে ভিন্‌ রাজ্যে পাঠানোর ব্যাপারে সরকার কড়াকড়ি করে তাতে আলু বিক্রি করার ঝুঁকি নিতে পারেন না ব্যবসায়ীরা। ফলন কম হলে প্রথম থেকেই আলুর দাম কিছুটা হলেও উপরের দিকে থাকবে। তখন ক্রেতা থেকে সরকার সকলেই বাস্তব অবস্থাটা বুঝতে পারবেন। আলুর দাম কত হবে তা উৎপাদনের উপর নির্ভর করে। ধানের মতো সহায়ক মূল্য না থাকায় মাঠ থেকে ওঠার সময় আলুর দাম কত হবে তার কোনও ঠিকঠিকানা থাকে না। আবহাওয়া চাষের পক্ষে অনুকূল হলে আলুর ভা...
404 Not Found

404 Not Found


nginx